পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

নরেন্দ্র মোদী মুখ্যমন্ত্রী হয়েই গুজরাটে ব্যক্তিগত তথ্য সংবলিত চিপ-কার্ড তৈরি করেন। তার অব্যবহিত পরেই কুখ্যাত ‘গুজরাট দাঙ্গা’।মুসলমানদের বাড়িগুলো চিহ্নিত করা হয়েছিল তালিকা মিলিয়ে ঢ্যাঁড়া দিয়ে। সেই রকম কোনও উপকরণ নয় তো ‘আধার’? প্রশ্ন তুলেছেন  সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


অরণ্য সংরক্ষণের নামে ২০ লক্ষ বন-নির্ভর আদিবাসী ও মূলবাসী মানুষকে ভিটেছাড়া করতে চায় সরকার। তা আমাদের কীভাবে রিক্ত হব, অমূল্য জ্ঞান ভাণ্ডার নিশ্চিহ্ন হবে তার একটা আন্দাজ দিয়েছেন সুদেষ্ণা দত্ত।

Read more


গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সুপ্রিম কোর্টে অরুণ মিশ্রের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ বনবাসীদের উচ্ছেদের মারাত্মক রায়টি দেয়। যারা ‘অরণ্যের অধিকার আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী জমির জন্য আবেদন করেছিলেন কিন্তু সেই আবেদন খারিজ হয়ে গেছে এমন প্রত্যেক ব্যক্তিকে...

Read more


ভারতে টিঁকে থাকা সর্ববৃহৎ অখন্ড অরণ্যভূমির অন্যতম হাসদেও আরানিয়া। ভারতের ঠিক বুকের মাঝে এর অবস্থান। এই গভীর অরণ্য হাতি চিতা ভাল্লুক সহ বহু বন্যপ্রাণীর আবাস। এখানে আছে বিপুল জল সম্পদ। এই নিবিড় অরণ্যভূমিকে ২০০৯ সালে ‘No-Go’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল...

Read more


নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত ব্যস্ত এটা প্রমাণ করতে যে ভারতীয় গণতন্ত্র অটুট আছে, কারণ ইতিমধ্যেই ইভিএম নিয়েই যে প্রশ্ন উঠছে সেগুলো নির্বাচন কমিশনকে ভাবাচ্ছে। ইভিএম কি সত্যিই প্রযুক্তি দিয়ে প্রভাবিত করা সম্ভব? সেই নিয়েই কিছু কথা বলেছেন সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


দেশের শাসক দলের ইস্তাহারের মূল বক্তব্যই জাতীয়তাবোধ। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, দেশকে তাঁরা অর্থনৈতিক ভাবে সামনের সারিতে পৌঁছে দেবেন এই শতকের মাঝামাঝি। পুরনো কথা আবার বাণীর মতো এসেছে, কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করে দেওয়া হবে ২০২২ সালের মধ্যে। এই সব দাবিদাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


এদিকে রাজ্যে মেগালোম্যানিয়াক শাসক ওদিকে কেন্দ্রে চৌকিদার প্রধানমন্ত্রী কৃষকের দুরবস্থায় যখন কুম্ভীরাশ্রু পাত করছেন তখন টাকার অঙ্কে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির হার তলানিতে ঠেকেছে। হিসেব কষে দেখিয়েছেন অমিত দাশগুপ্ত।

Read more


শঙ্কিত সংখ্যালঘুর পাশে দাঁড়ানোর সময় এখন। দেশের এই ঘোর বিপদে আসুন তার পাশে থাকার চেষ্টা করি নিরন্তর। তার সঙ্গে মিলতে হবে সহজ করে। সেই পথেরই ইঙ্গিত দিয়েছেন সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


নির্বাচনের ফলাফল জানিয়ে দিল দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার থেকে, কর্মসংস্থান, দারিদ্র, স্বাস্থ্য, কৃষিপণ্যের ন্যায্য দাম, মজুরি বা অসাম্যের থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিজের দেশের সংখ্যালঘুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে রূপান্তর করা। কেন? জানিয়েছেন অমিত দাসগুপ্ত।

Read more


সময় থেমে থাকে না, রাজনীতিও না। বাম রাজনীতি নতুন মোড় নেবে কিনা তা সময় বলবে। কিন্তু আপাতত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কথাকে সত্যি করে বাংলার মানুষ তৃণমূলের গরম তাওয়ার থেকে বিজেপির জ্বলন্ত উনুনকে বেছে নিয়েছেন। আলোচনা করেছেন সুমন সেনগুপ্ত।

Read more


যারা এই তথ্যের অধিকার নিয়ে কাজ করেন, তাঁরাও আশঙ্কা করছেন যে আসলে ঘুরিয়ে যে নাগরিকেরা এই প্রশ্ন করাটাকে উৎসাহিত করেন এই “তথ্য জানার অধিকার আইন সংশোধন” সেই নাগরিকদেরই ডানা ছাঁটার চক্রান্ত নয় তো ?

Read more


কাউকে সরকারের বিরোধিতা করার জন্য দেশবিরোধী বা আরবান নকশাল হিসেবে চিহ্নিত করা উচিৎ নয়। শাসক দলকে সমালোচনা করার অর্থ দেশকে সমালোচনা করা নয়। শাসক দল ও দেশ এক নয়। ক্ষমতায় থাকা কোন শাসক দল আর দেশ সমার্থক নয়। ফলে সরকারিবিরোধী অবস্থানকে দেশবিরোধী অবস্থান হিসেবে পরিগণিত করা যায় না।

Read more

by সহমন | 29 July, 2019 | 0 Comment(s) | 1108 | Tags : Antinational Aparna Sen sedition


তাৎক্ষণিক তিন তালাক আসলে পুরুষের একতরফা বিচ্ছেদ ঘোষণা। ভারতে এমন ঘটনা আকছার ঘটে চলেছে। তবে আইন শুধু মুসলমান পুরুষের জন্য কেন? আইনের তোয়াক্কা না করে স্বামী ত্যাগ করেছেন, এমন স্বামী পরিত্যক্তা হিন্দু রমণীর সংখ্যা ১৯ লক্ষ আর মুসলমান নারী ২.৮ লক্ষ

Read more


কাশ্মীর সমস্যা, কাশ্মীরিদের উপর নির্যাতন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সময় আবশ্যিকভাবেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হত্যা ও বিতাড়নের প্রসঙ্গ উঠে আসে। ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর চলা নির্যাতন এবং কাশ্মীর থেকে তাঁদের বিতাড়ন অবশ্যই ঘৃণিত ও চরম নিন্দনীয়। কিন্তু ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে জম্মুতে সংঘটিত লক্ষ গুণ ভয়াবহ মুসলিম গণহত্যার নৃশংসতা ইতিহাসের আড়ালেই রয়ে যায়, রেখে দেওয়া হয়। লিখছেন জিম নওয়াজ।

Read more


আমরা সয়ে নিলাম একের পর এক গণহত্যা। আমরা সয়ে নিলাম দাঙ্গায় অভিযুক্ত নির্বাচনে জিতে সংসদে যেতে পারে। আমরা সয়ে নিলাম মহাত্মা গান্ধীর ঘাতককেও দেশপ্রেমিক বলা যায়।

Read more


গ্যালিলিওর সময় থেকেই সত্যিটা খুব কম লোকের কাছেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। অনেকে শুনতে না চাইলেও পৃথিবীটাই সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করছে, যদিও সেই সময়ে বেশীরভাগ মানুষ অন্যরকমটাই বলেছিল। আধার ও কি তাই ?

Read more


কাশ্মীর দখল করলো ভারতবর্ষ তারপর কিংবা তার আগে থেকেই কাশ্মীরি মহিলাদের সম্পর্কে আমাদের কি ধারনা কাশ্মীরি মহিলাদের শরীর ও মন কাশ্মীরের মাটির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। রক্তাক্ত হলেও কাশ্মীরের মাটি প্রিয় মেয়েদের,তাই নিয়েই এই লেখা।

Read more


এখনও কিছু মানুষ ভেবে চলেছেন যে গ্যাসের সাবসিডির ২০০ টাকা পাওয়ার জন্য আধার করতে হবে। কিন্তু তাঁরা ভুলে যাচ্ছেন এরপর পুরো গ্যাসটাই বন্ধ হয়ে যাবে আর শুধু কাশ্মীর নয় পুরো দেশের মানুষ মারা যাবেন, কেউ বাদ যাবেন না।

Read more


কাশ্মীর এবং ভারতের বন্ধনকে দৃঢ় রাখার জন্য অসাম্প্রদায়িক মনোভাবকে উর্ধ্বে তুলে ধরে ধরা, প্রগতিশীল জনমুখী নানা কর্মসূচীর পাশাপাশি কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী মানুষের মনে ভরসা জাগানোর জন্য কিছু স্বশাসনের সুরক্ষা কবচের দরকার ছিল। সেই পথে এগনোর পরিকল্পনাই শেখ আবদুল্লা সামনে এনেছিলেন।

Read more


এনারসি নিয়ে কলকেতার বাবুবিবিদের কি মত, সেই নিয়ে এই লেখা।

Read more


একটা আকাশকুসুম মিথ্যার সৌধ গুঁড়িয়ে গেল। ৩১ অগস্টে প্রকাশিত জাতীয় নাগরিকপঞ্জি থেকে আপাতত এ এক বড়ো পাওনা। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মহলের দাবিতে উঠে আসা অসমের 'ঘুসপেটিয়া', 'উইপোকা'দের সংখ্যা ৪০, ৫০, ৮০... লক্ষ নয়।

Read more


১৯৩৬ সাল নাগাদ তোলা একটি  সাদা-কালো ছবি৷ জার্মানীর এক জাহাজ তৈরির কারখানায় শয়ে শয়ে  শ্রমিক দাঁড়িয়ে সারি বেঁধে। প্রত্যেকের ডান হাতটি 'হেইল হিটলার' বলার ভঙ্গিতে সামনে বাড়ানো। ব্যাতিক্রম একজন।

Read more


এনআরসি-র বিরুদ্ধে, বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছিল চরচর করে। তাই অমিত শাহ বরাভয় দিতে এসেছিলেন হিন্দুদের, আর মুসলমানদের হুমকি। কিন্তু, দেশের মুসলমান ধর্মাবলম্বিদের বিরুদ্ধে এরকম হুমকিতে বাংলার মানুষের কী লাভ! দেশের কী লাভ?

Read more


কেন্দ্রের অধুনা সরকার এটা খুব ভালো বোঝে যে বহু হিন্দু মানুষের মধ্যে একটা মুসলিম বিদ্বেষ কাজ করে সেটাকে কাজে লাগাতে পারলেই ক্ষমতায় থাকাটা তাঁদের জন্য সুবিধাজনক। আর প্রতিটি মানুষ শেষ বিচারে একা

Read more


উনিশ শতক বা প্রাচীন ভারতের গবেষণা বর্তমান ভারতে আর নেহাৎ অ্যাকাডেমিক চর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

Read more


অসমের পরে এবার নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মেঘালয়, অরুণাচল, মিজোরাম এবং ত্রিপুরা বিদেশি নাগরিক চিহ্নিতকরণ নিয়ে তৎপর হয়েছে। আবার একটা অশান্ত সময়ের মধ্যে যেন ঢুকে পড়ছে উত্তরপূর্বাঞ্চল।

Read more


নিজেকে অন্যের চোখে ভালো করার নেশায় কিংবা সংখ্যাগুরুকে তোল্লাই দেওয়ার নেশায় আমি অন্যায়কে ন্যায় বলিনি। ইতিহাসের পাতায় আপনাদের এই বিশ্বাসঘাতকতা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

Read more


আন্তর্জাতিক আইন বলছে, বিদেশীদের জেলে বন্দী করে রাখা যায় না। তাঁদের সঙ্গে অপরাধীর মতো ব্যবহার করা যায় না। কোনও দেশে অবৈধভাবে কেউ বসবাস করলে তাঁদের মুক্ত শিবিরে নজরবন্দী করে রাখা যেতে পারে। জেলে কখনই আটক করে রাখা যায় না। এটা ভারতীয় সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নিয়মাবলীর সরাসরি লঙ্ঘন। অসমের বন্দীশিবিরগুলোতে সেটাই ঘটে চলেছে।

Read more


জেএনইউ র ছাত্ররা বিগত ৬ বছর ধরে লড়ছে। লড়বে আগামীদিনেও। আমাদের একমাত্র করণীয় তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে জনতার এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচিয়ে রাখা।

Read more


এ মিছিল-এর বৈশিষ্ট্য ছিল বিভিন্নতার রং মেশানো বর্ণময়তা।এই যেমন ধরুন আপনি দু-কদম আগে গলা মেলাচ্ছিলেন ‘ইস সঙ্ঘিয়োঁ পে হল্লা বোল্‌”, এই বার তালে গোলে অম্বলে আপনি আপনার সাথীদের থেকে তেরছা মেরে ডান দিকে যদি বেঁকে যান, গুপী-বাঘার শিষ্যরা আপনাকে দিয়ে ‘ ও রে হাল্লা রাজার সেনা” গাইয়ে নেবে

Read more


যেয়ে দেখি সে এক মেলা। সকলেই আচেন। এদিকে বেশি ইংরেজি কম বাংলা জানা টুকটুকে ছেলেমেয়েরা ডিলান সায়েবের গান গাইচেন, ওদিকে বোরখা পরা মা জননীরা ইয়াব্বড় ফেস্টুন হাতে মিছিলে হাঁটতে তোয়ের হয়ে আচেন। এক বাবুকে দেখি বয়সে খানিক কুঁজো হয়ে পড়েচেন, এসেছেন জোয়ান মেয়ের হাত ধরে। মিছিলের ছবি হুতোমের চোখে।

Read more


দেশের আত্মার সঙ্গে লগ্ন থেকে জাতীয় পতাকা উর্ধ্বে তুলে ধরে শক্ত মাটিতে পা রেখে ভারতের মুসলমানের প্রতিবাদ মিছিলের সামনে দাঁড়াতে পারছে না পুলিশও। এতটাই ভয় পেয়েছে শাসক।

Read more

by মিলন দত্ত | 26 December, 2019 | 0 Comment(s) | 1662 | Tags : nrc CAA MUSLIM


ম্যাক্সিম গোর্কির মা থেকে নাজিব আহমেদের মা হয়ে ঐশী ঘোষের মা, এই যাত্রাপথ কেমন তার অনুসন্ধান করার একটা চেষ্টা।

Read more


এই যে কাগজপত্র নিয়ে হয়রানি -- কারা ভুক্তভোগী? উত্তরটা এতদিনে সবার জানা হয়ে গেছে। গরিব, নিম্নবিত্ত মানুষের কাগজপত্রের সমস‍্যা বেশি। তাদের বেশিরভাগ জনের লেখাপড়া কম বা জানা নেই।

Read more


প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন নানা বয়সি মহিলা তালে তালে পা মিলিয়ে ভরা মার্কেট চত্বরে উচ্চারণ করলেন সেই অ্যান্থেম যার পরতে পরতে জমা পিতৃতন্ত্রের বিরোধিতা। এই জমায়েতে সারা পৃথিবী জুড়ে বাণিজ্যিক ও নানা স্বার্থে নারীদেহকে ব্যবহারের প্রতিবাদে তারা নিজেদের শরীরকেই স্লোগান হিসেবে ব্যবহার করে।

Read more


সিএএ, এনআরসি ও এনআরপি-র বিরোধিতা করতে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন কলকাতার বহু মানুষ। পার্ক সার্কাস ময়দানে। আরম্ভ করেছিলেন ইসলাম ধর্মাবলম্বী মহিলারা, তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শয়ে শয়ে বিভিন্ন ধর্মের মহিলা ও পুরুষ

Read more


একদা স্বামী আত্মস্থানন্দ মোদিকে বলেছিলেন, তুমি রামকৃষ্ণ মিশনের যোগ্য নও, দেশের অন্য কাজ করো। রামকৃষ্ণ মিশন প্রকৃত দেশসেবা করে। মোদি মঠের উপযুক্ত নন। এখন মোদি দেশের শাসক হয়ে রামকৃষ্ণ মিশনের যোগ্য হয়ে উঠলেন। তাঁর জন্য গর্বিত মঠের সম্পাদক। হিন্দুত্ব ও রামকৃষ্ণ মিশনের বিবর্তন নিয়ে লিখলেন উত্তম মিত্র

Read more


দশ বছর ধরে খুব কাছ থেকে দেখতে দেখতে সারদা মিশন ও রামকৃষ্ণ মিশনের পরিচালকদের নিয়ে অনেক প্রশ্ন জমতে থাকে, চিড় ধরে স্বাভাবিক শ্রদ্ধাবোধে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যখন দাঙ্গাবাজ পিশাচকে তাঁরা বরণ করলেন, নানা অভিধায় ভূষিত করলেন, সেলফি তুললেন তখন নিশ্চিত হওয়া গেল মিশন সম্পর্কে, তাদের বদমায়েশি মেশানো সাম্প্রদায়িক চরিত্র বিষয়ে।

Read more


নাগরিক আইন শুধু মুসলমান বিরোধী নয়, তা হিন্দু বিরোধীও। তার প্রচার কেন্দ্র হল বেলুড় মঠ। করলেন ঘরের ছেলে নরেন্দ্র।.....লিখছেন সৌরাংশু চট্টোপাধ্যায়।

Read more


আজ যে হিজাব পরা মা শিশু কোলে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন, আগামীদিনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি হিজাব খোলার স্বাধীনতা চেয়েও একইরকম ভাবে সরব হবেন। লিঙ্গসাম্যের লড়াইয়েও আমাদের এক ধাক্কায় অনেকখানি এগিয়ে দিলো এই আন্দোলন, বহু মানুষ যাকে দ্বিতীয় স্বাধীনতার যুদ্ধ বলে সঠিকভাবেই চিহ্নিত করেছেন।

Read more

by সৌম্য শাহীন | 31 January, 2020 | 0 Comment(s) | 1146 | Tags :


উচ্ছেদের জ্বালা সব মেয়েই বোঝে। নারী পরিযায়ী, বাপের ঘর থেকে উচ্ছেদ হয়ে শ্বশুরঘর করতে যেতে হয়। প্রাকৃতিক বিপর্যয় হোক বা রাজনৈতিক বিপর্যয় - ছিন্নমূল পরিবারের দুর্ভোগ মেয়েদেরই পোহাতে হয় সবচেয়ে বেশী। তাই নাগরিকত্ব নিয়ে লড়াইয়ের মুখ মহিলারা।

Read more


শুধু কৌরব নয়, পাণ্ডবরাও পলান্ন খেতেন। এবং তা বৈদিক যুগের খাদ্য বলেই বিবেচিত। পলান্ন কী? পল (মাংস) মিশ্রিত অন্ন—মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। ভারতচন্দ্র লিখছেন, সঘৃত পলান্নে পরিপূর্ণ রত্নহাতা। পল হল মাংস।  বিরিয়ানির ইতিহাস নিয়ে একটি লেখা

Read more


কর্ণাটকের এন.আর.সি , সি.এ.এ বিরোধী বিক্ষোভে বিভিন্ন সংগঠন, আর স্বতস্ফূর্ততার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে ‘হাম ভারত কে লোগ’, যা অন্য উদ্যোগ গুলির পাশাপাশি বিভিন্ন আন্দোলন সংগঠিত করতে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা গ্রহণ করেছে।

Read more

by সৌর সরকার | 17 February, 2020 | 0 Comment(s) | 796 | Tags : caa nrc karnataka


বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে আগামী দুটো বিধানসভা নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিল্লিতে বিজেপির পরাজয়ের কোনও প্রভাব কি পড়বে পূর্বভারতের দুই রাজ্যের নির্বাচনে?

Read more


ঘরে আগুন লেগেছে। কে ঘুমোচ্ছে আর কে-ই বা জেগে আছে? কে আন্দোলন করছে, কেমন আন্দোলন? হুতোম ভারত ভ্রমণে বেরিয়ে যা দেখলেন

Read more


এনআরসি, সিএএ,এনপিআর কি? আর কেনই বা বলা হচ্ছে কথা বলব না কাগজ দেখাব না ?

Read more


প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা  নেই  এমন রাজনৈতিক  দলগুলির  সাধ্য  এনপিআর-এনআরসি’র   বিরুদ্ধে  বৃহত্তর লড়াইয়ে  পর্যাপ্ত  নয়। সামাজিক  পরিসরে  এক ধরনের  লড়াই  আছে। বিভিন্ন  নাগরিক  ফোরাম আছে,  কিছু  সোশ্যাল মিডিয়া  আছে,  আর আছে  স্বতস্ফূর্ত  জন আলোড়নের দৃষ্টান্ত। তাহলে কি হবে ?

Read more

by মনসুর মণ্ডল | 28 February, 2020 | 0 Comment(s) | 910 | Tags : NPR NRC


দিল্লির হিংসার পর কেমন আছে শাহিনবাগ? নতুন কি লড়াইয়ের কথা বলছেন তাঁরা?

Read more


সুন্নত দিলে হয় মুসলমান নারীর তবে কী হয় বিধান বামুন চিনি পৈতে প্রমাণ বামনি চিনি কেমনে রে

Read more


প্রথমটি ধনী মনিবদের সেবায় ন্যস্ত, দ্বিতীয়টি গরিব সহনাগরিক দরিদ্র ভারতীয়দের সেবায় উৎসর্গিকৃত এই দু ধরনের জীবন নিয়ে একটি লেখা।

Read more


গতকাল প্রাক্তন আইএএস কান্নন গোপীনাথন প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতা নিয়ে একটি টুইট করেছেন। উনি কাল রাত আটটায় কী বলেছেন আমরা শুনেছি। কান্নান গোপীনাথনের টুইটের বিষয়: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কী বলতে পারতেন। এখানে সেই পুরো কাল্পনিক বক্তৃতাটি অনুবাদ করে দেওয়া হল।

Read more


করোনা-উত্তর পৃথিবীতে ওই ভেতরের মানুষের কি অভিষেক হবে এক সীমান্তহীন পৃথিবীতে? মানুষ কি আপন থেকে বাহির হয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে বিশ্বলোকের সাড়া পাবে বুকের মাঝে? ‘যেথায় থাকে সবার অধম দীনের হতে দীন’, আচারের কারাগার ভেঙে সেখানেই কি ঈশ্বরের সন্ধান করবে ধর্ম? ‘আমার মুক্তি সর্বজনের মনের মাঝে, দুঃখবিপদ তুচ্ছ করা কঠিন কাজে’ এই মন্ত্রে প্রত্যাবর্তন হবে কি মতাদর্শের এই অন্তঃসারশূন্য পৃথিবীতে?

Read more


বিভেদ-বিদ্বেষের রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতায় চালিত গণপ্রহারের প্রবণতাকে লক্ষ্মণরেখায় আবদ্ধ করে রাখা অসম্ভব। গণপ্রহারের প্রবণতা আসলে সামাজিক বিচারধারার এক বিকৃতি। তাতে সমাজের যে অংশটা জড়িত, তারা সামাজিক প্রবণতার বাইরে নয়। ফলে রাজনৈতিক স্বার্থের বাইরেও তারা এরকম সংগঠিত অপকর্ম চালাবে। তাদের প্রতি শাসকশক্তির পক্ষপাতিত্ব থাকবে, এটা যখন নিশ্চিত, তখন তারা বেপরোয়াই হবে।

Read more


আমাদের দেশে ফি বছর যক্ষায় ৪ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ২০১৯ সালে মৃত্যু হয়েছে আট লক্ষেরও বেশি নবজাতকের। সে তুলনায় করোনায় মৃতের সংখ্যা কত? কিন্তু তার জন্য কত দাম দিতে হবে ভারতবাসীকে?

Read more


কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা, আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা আর আগামী কাল বিশ্বকবির আবির্ভাব তিথি। এই প্রথম বার আমরা দুই মহামানবের জন্মতিথি ঘরে বসে পালন করছি, নিজেদের মতন করে। বর্তমান বিষম পরিস্থিতিতে এঁদের দেখানো পথের প্রাসঙ্গিকতা বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছে এই প্রবন্ধ টি।

Read more


আজ গোটা ভারত তাদেরকে পরিযায়ী শ্রমিক বলছে, তাদের কথা ভাবছে। কাস্তে হাতুড়ি, পদ্ম ফুল থেকে শুরু করে ঘাস ফুল সবাই টিভিতে দুঃখ প্রকাশ করছে, অনেক উপদেশ দিচ্ছে এবং একে অপরকে দোষারোপ করছে। আসল কথা হল এরা কারা, এই মহামারির আগে কি তারা এই দেশের কেউ ছিল না, নাকি সেই সময় কোনো ফুল মালিকের সময় হয়নি নিজের ক্ষেতের ফসলের দিকে চোখ দেওয়ার?

Read more


মধ্যবিত্ত ঘরে বসে। লকডাউন ডিপ্রেশন উদযাপন করছে। আর লক্ষ লক্ষ শ্রমিক হেঁটে চলেছেন অনন্যোপায় হয়ে। মৃত্যুমিছিল চলছে। এরই মাঝে রামমন্দিরের টাকার বন্দোবস্ত হয়েছে। দেশের সবকিছু বিক্রি করা হয়েছে। আমাদের হেলদোল নেই। এই নিয়ে পরে আলোচনা করব, কিন্তু আদত সত্যিটা একটু বলে যাই। সেটা হোলো আপনার আমার এখনও শোকের অবকাশ আছে। ভয়ানক ডিপ্রেশন হলে এই খবর এড়িয়ে যাবার ক্ষমতা আছে। অনেকের নেই। শ্রমিকের নেই।

Read more


প্রথম বিশ্বের দেশও যখন এই ভাইরাসের খপ্পরে পড়ে তখন তড়িঘড়ি তা সংবাদ শিরোনামে; তাই ঘটেছে এবারেও। এই মুহূর্তে পরিযায়ী, কাজহীন শ্রমিকের ঢল রাজ্যে রাজ্যে; তারা অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত; নিভৃত গৃহবাস ক’জনের সম্ভব তা অনুমেয়। ১০০০-১৫০০ কিলোমিটার পথ গোরুর মতো গাদাগাদি করে ট্রাকে, পায়ে হেঁটে, সাইকেলে, অভুক্ত আর অনাহারে থেকে  স্বাভাবিক Immunity-ই তলানিতে

Read more


আম্পান বিপর্যয় নিয়ে চর্চায় বাংলার রাজনীতিতে অন্যতর এক হৈচৈ শোনা গেল। রাজনীতি নিয়ে নয়, হৈচৈ মানবিকতা নিয়ে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছিলেন, রাজ্যে আম্পানের তাণ্ডবে কী বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তিনি এসে স্বচক্ষে দেখে যান। অর্থাৎ মানবিকতার আহ্বানে সাড়া পাওয়া গেল  মানবিকতারই খাতিরে।

Read more


সারা দেশের গালে একটি বিরাশি সিক্কার থাপ্পড় অজান্তেই মারল একটি টলমলে শিশু , বিহারের মুজফ্ফরপুর স্টেশনের এক প্ল্যাটফর্মে শুইয়ে রাখা তার মরা মায়ের গায়ের চাদর দিয়ে বোধহয় মায়ের সঙ্গেই টুকিটুকি খেলার চেষ্টা করছে। অফ দ্য পিপল , বাই দ্য পিপল , ফর দ্য পিপলের মধ্যে কিন্তু ঐ টলমলে দুধের শিশু আর তার মরা মায়েরও থাকার কথা ছিল

Read more


মাইলের পর মাইল অনন্ত হেঁটে চলেছে ভারতের শ্রমিকেরা। তারা ভারত গড়ার কারিগর। ঘরে ফেরার অসহায় আর্তি নিয়ে আজ তারা পদাতিক। কারও নিথর দেহে ঘরে ফেরা। কেউ লাশকাটা ঘরে বেওয়ারিশ। আর অবশেষে দেহে প্রাণ নিয়ে ঘর অবধি পৌঁছনো, সে যেন ভাঙচুর হয়ে যাওয়া দেহ-মনের পরম ক্ষান্তি।

Read more


গত মার্চ মাসে কেন লক ডাউন হল সারা দেশে? সত্যিই কি সংক্রমণ আটকালো তাতে, বা কম হল? যদি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে তবে কেন লক ডাউন উঠে গেল? এই প্রশ্ন করবেন না?

Read more


সরকার কি আদতে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের প্রতিটি পদক্ষেপকে নজরে রাখতে চাইছে? আধারের সঙ্গে থাকা বায়োমেট্রিক্স সহ বিশাল তথ্য ভাণ্ডার কি ধীরে ধীরে আইনত নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হবে? অদূর ভবিষ্যতে আমরা কি এমন কোনও দেশ দেখতে চলেছি; যেখানে সর্বত্র মনে করিয়ে দেওয়া হবে-"BIG BROTHER IS WATCHING YOU"?

Read more


সাতাশ বছরের ছাত্রীর ভবিষ্যৎ জেলের কালকুঠুরিতে অপেক্ষার দীর্ঘশ্বাসে আটকে। অনিশ্চয়তার যাপনে আতঙ্কিত পরিবার। গর্ভের বাচ্চা গরাদের বাইরে খোলা আকাশের নীচে এক টুকরো তাজা হাওয়ায় অপেক্ষায়। মেয়েটির নাম সাফুরা জারগর

Read more


অতিমারির অছিলায় সরকারি-অসরকারি কর্মকর্তাদের যে অতি-আচার নামিয়ে আনা হ’ল ওদের জীবনে, তার কি কোনো প্রয়োজন ছিল? এপ্রশ্নের উত্তর মিলবে না, ওরা জেনে গেছে। আর এখান থেকে ওরা ভয় পায় নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে। লকডাউনের জের কতদিন চলবে, জানা নেই। ওদের পুরনো কাজের জায়গায় ফিরে যাওয়া কি সহজ হবে? লকডাউনের জেরে ব্যবসাপত্র সবকিছুতে মন্দা নেমে এসেছে। সরকার টাকা ঢালবে না পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা

Read more


শেষ ভাল যার সব ভাল।অথচ সেই সেসের টাকাই খরচ না করে জমিয়ে সরকার মাসে মাসে সুদ খাচ্ছেন।সেখানে পরিযায়ী শ্রমিকদের ভবিতব‍্য ভাল না হওয়াই স্বাভাবিক।

Read more


তেলেঙ্গানাতে এক ৮০ বছরের বয়স্ক মহিলাকে তাঁর বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, যদি তিনি করোনার বাহক হন, এই ভয়ে। এই বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিক জলপাইগুড়িতে ফিরেছিলেন কেরালা থেকে। সরকারী নিয়মের মান্যতা দিয়ে তাঁর স্ত্রী তাঁকে বাড়ির রান্নাঘরে থাকতে দেন। একদিন পর তাঁকে খাবার দিতে গিয়ে দেখা যায় যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ‘ মনে রাখবেন আমাদের রোগের সঙ্গে লড়তে হবে, রুগীর সঙ্গে নয়’ এটা প্রতিদিন হয়তো আমরা বহুবার শুনছি, কিন্তু আদপে কি করছি সেটা মনে করার কি সময় এখনও হয়নি?

Read more


স্বাধীনতার এতগুলো বছর পেরিয়েও দেশের সবরকম খাবার সবার মুখে পৌঁছে দেওয়া গেলনা।এ দায় কার?রাষ্ট্রের।সব মনে রাখা হবে।

Read more


করোনা চলে যাবে না করোনাকে সঙ্গে নিয়ে মানুষকে থাকতে হবে সেটা পরের বিষয়। প্রকৃতির প্রতি অবমাননা করোনা পরবর্তী পৃথিবীকে আবার নতুন ভাবে ভাবতে বাধ্য করবে মানব জীবনের সূক্ষ্ম মনুষ্যত্বের বিকাশ কে আবার ফিরিয়ে আনা যায় কিনা!

Read more


ভারতে জনস্বাস্থ্যের অপ্রতুল ব্যবস্থাপনার পরিস্থিতিতে কেন্দ্র ও আর সব রাজ্য সরকারগুলির উচিত ছিল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ও সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছনো, মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগোনো। লকডাউন সেখানে অপৎকালীন ব্যবস্থাপনা হতে পারত। তা হ’লে হয়তো আর্থিক ও মানবসম্পদের ক্ষতি অনেকটা এড়ানো যেত। এদিকে না হেঁটে লকডাউনকেই সর্বরোগহর দাওয়াই বাতলে যান্ত্রিকভাবে প্রয়োগ করা হ’ল

Read more


লক-ডাউনের পর থেকে এই সকল খেটে খাওয়া পরিবারগুলি রোজগার-বিহীন। যে পরিবারগুলির মহিলারা আশেপাশের পাড়ায় পরিচারিকার কাজ করেন, তাদের রোজগার একদম না চলে গেলেও, তার পরিমাণ কমেছে। কারণ বহু বাড়ি তাদের শুধু কাজে আসতে বারণ ই করেনি, তাদের প্রাপ্য মাস-মাইনে থেকেও টাকা কেটে নিয়েছে বা মাইনে দেয়নি। শহরতলির চিত্র আঁকা থাকলো।

Read more


একশো দিনের কাজের পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়ানো, তার জন্য অর্থবরাদ্দের জন্য চাপ সৃষ্টি, মিউনিসিপাল এলাকায় এরকম প্রকল্প চালু করা, অভিবাসী শ্রমিক সহ কর্মচ্যুত সমস্ত মানুষকে নগদ অর্থ দেওয়া, কারখানার শ্রমিকদের বন্ধের সময়ের মজুরীর দাবী, সারা ভারত জুড়ে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য বাসস্থান ও স্বাস্থ্য সহ সামাজিক নিরাপত্তা দাবী করা, নতুন আইন তৈরীর দাবী তুলে ধরার মধ্যে দিয়ে এলাকা জেলা রাজ্য ভারতজোড়া স্তরে সেই কাজ শুরু হতে পারে।

Read more


এখন গঞ্জ এলাকার স্কুলশিক্ষিকা স্ত্রীর কাছেও শুনি, অনেক ছাত্রীর মেধা থাকা সত্ত্বেও বিয়ে হয়ে যায় মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার আগেই। বেশি লেখাপড়া শিখলে পাত্র পাওয়া মুশকিল হবে, বরপণের অঙ্কটা তখন নাগালের বাইরে চলে যাবে। অনেক ছাত্রী স্কুলে এসে থেকে কেবল জানতে চায় কখন মিড ডে মিল পাওয়া যাবে, কারণ বাড়ি থেকে ভরপেট ভাত খেয়ে আসার সৌভাগ্য তাদের হয় না। এই আমাদের দেশ। এ দেশের শিক্ষানীতি নিয়ে আমরা কথা বলছি।

Read more


মসজিদের ধ্বংসস্তূপে মন্দিরের ভিত গড়া হবে, উদ্বোধন করবেন এক 'সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ' রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী। একুশ শতকের ভারতের এক রাষ্ট্রনেতা। বেশীর ভাগ রাজনৈতিক দল হয় সম্মতি জানিয়েছে নয় মৌন থেকেছে। গোটা বাবরি মসজিদ-রাম জন্মভূমির বিবাদের গল্পটাই দাঁড়িয়ে আছে এক প্রতীকী লড়াইয়ের ওপর। কারোর কাছে ঐ মসজিদ ভাঙাটা তাদের ওপর আক্রমণ ও লাঞ্ছনার প্রতীক, কারোর কাছে সেটা বিদেশী বিধর্মীদের চিহ্ন বিলোপ করে এক নতুন ভারত গড়ার প্রতীক।

Read more


বিশেষ মর্যাদার বিলুপ্তি এবং কাশ্মীর থেকে বিযুক্তির পরে লাদাখিদের আশঙ্কা: মারোয়ারি, গুজরাটি বা পাঞ্জাবি ব্যবসায়ীরা লাদাখে গিয়ে জমি কিনে জাঁকিয়ে ব্যবসা জমাবে না তো। রিয়াল এস্টেট ব্যবসায়ী আর হোটেল ব্যবসায়ীদের আটকাতে তাঁরা চান সংবিধানের ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম তফশিলির অন্তর্ভুক্তি।

Read more


চার মাস পরেও করোনা পরিস্থিতি বে-লাগাম কেন, এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। প্রশ্ন তো আরও। মানুষ কতদিন লকডাউনের বোঝা বইবে? দেশ আর কত ক্ষয়ক্ষতি মানবে? নিম্নবর্গের মানুষজনের এই ধকল সহ্য করার ক্ষমতাটুকুও যে আর অবশিষ্ট নেই।

Read more


আমাদের সন্তানরা যখন বড় হবে, তখন হয় আজকের এই অন্ধকার আর থাকবে না, নয় গাঢ়তর হবে। তখন তাদের যা যা পড়াতে হবে কিভাবে এই অন্ধকার কাটল তা বোঝানোর জন্য, অথবা কেন কাটল না তা বোঝানোর জন্যও যখন বলতে হবে অন্ধকারেও কারা আলো জ্বেলে রেখেছিল, তখন কাজে আসবে সুপ্রিম কোর্টে আদালত অবমাননায় দোষী সাব্যস্ত প্রশান্ত ভূষণের এই বিবৃতি

Read more


কুকুর নাগাল্যান্ডের কয়েকটি ট্রাইবের কাছে কেবল আহারযোগ্য মাংস নয়— তাদের চিরায়ত খাদ্য সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোত হয়ে রয়েছে। যেমন বাঙালির কাছে মাছ কিংবা ভারতের বহু জনগোষ্ঠীর কাছে শুয়োর। কুকুরের মাংসে নিষেধাজ্ঞা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উপজাতি মানুষের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে— তার মধ্যে হিংসা, ঘৃণা এবং জাতপাত সবই রয়েছে।

Read more


গ্রিন ট্রাইব্যুনাল বিশ্বভারতীকে নিজের সীমানা নির্ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রেখেও সেটা হয়তো করা যেত। সেজন্য দরকার ছিল আলোচনা। ঔদ্ধত্য এবং অহঙ্কার সমস্যা বাড়ায়। সেটাই ঘটেছে শান্তিনিকেতনে।

Read more


প্রথাগত সংবাদপত্রের তুলনায় অনেক বেশি জনমত গড়ে তলা সম্ভব সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে।তার একটি বড় কারণ হল মাধ্যমটি ইন্টেরাক্টিভ। এর মধ্যে অডিও,ভিসুয়াল, প্রিন্ট,এমনকী লাইভ স্ট্রিমিং এর মতো এতগুলো প্ল্যাটফর্ম রয়েছে! কিন্তু এই সামাজিক মাধ্যমের বিপদ সম্পর্কে সচেতন থাকাটা জরুরী।

Read more


এই মুহূর্তে এই প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানিগুলো চায় যে প্রতিটি মানুষ যাতে স্মার্টফোনে ব্যস্ত থাকে, তাঁদের যাতে দেশের বেকারত্ব, জিডিপি বা চাকরি যাওয়া এই সমস্ত বিষয়ের দিকে নজর না যায়। বিভিন্ন বয়সী মানুষের জন্য বিভিন্ন বিনোদন। কম বয়সী মানুষদের জন্য জাতীয়তাবাদী বিনোদন, তার পরের অংশের মানুষের জন্য জুয়া খেলা... আর সববয়সী মানুষকে ফেসবুক এবং হোয়াটসআপের মধ্যে দিয়ে মিথ্যে তথ্য পরিবেশন তো থাকছেই।

Read more


আজকের ভারতের সময়ের সঙ্গে চিলির কি অদ্ভুত মিল। সেইসময়েও পিনোশে ক্ষমতায় থাকাকালীন সরকারী খনিগুলিকে বেসরকারী করা করা, সামাজিক সুরক্ষা ভেঙে দেওয়া হয়, আর ভূমি সংস্কার উল্টে দিয়ে গরিব কৃষকদের জমি কেড়ে আমেরিকার বহুজাতিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই অর্থনৈতিক ত্রাসের সাথে সাথে চলেছিল রাজনৈতিক নিধন যজ্ঞ - যার পোশাকি নাম ‘অপারেশন কন্ডর’।

Read more


করোনা হয়তো প্রাকৃতিক নিয়মে একদিন লুপ্ত হবে। তা বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্যে যত দ্রুত হয় ততই মঙ্গল। কিন্তু করোনা পরবর্তী পৃথিবীকে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে কাজে লাগাতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।

Read more


“যখন ওরা প্রথমে কমিউনিস্টদের জন্য এসেছিল, আমি কোনো কথা বলিনি কারণ আমি কমিউনিস্ট নই। শেষবার ওরা ফিরে এলো আমাকে ধরে নিয়ে যেতে, আমার পক্ষে কেউ কোনো কথা বলল না, কারণ বলার মত তখন কেউ আর বেঁচে ছিল না” এই ফ্যাসিস্টরা তাঁদের ক্ষমতার স্বার্থে যদি প্রয়োজন পরে কাউকে রেয়াত করবে না, দরকারে ফাঁসাবে যে কাউকে। হয়তো তখন কেউ থাকবে না বলার জন্য!

Read more


পরাধীন ভারতবর্ষ দেখেছে “Hand Picked Tribunal”. দেখেছে ভগৎ সিং-এর ফাঁসির রায়। স্বাধীন ভারতবর্ষ দেখতে চায় এক ন্যায় সঙ্গত সুবিচারক; যে বা যারা রাষ্ট্র শক্তি দ্বারা প্রভাবিত নয়। শুধুমাত্র তথ্য প্রমাণ আইন ও তার ব্যাখ্যা দিয়ে নয়, একজন বিচারক সঠিক বিচার তখনই দিতে পারেন যখন দেশের অধিকাংশ মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকবে।

Read more


ভারতেও আজকে যে কথা উঠেছে যে তারা তাদের ব্যবসার জন্য শাসকদলের কিছু নেতা মন্ত্রীর করা ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক পোস্টকে সরায়নি তা আবারও দেখিয়ে দেয় যে তৃতীয় বিশ্বের দেশে তাদের কোনও নিয়ম নেই। আমেরিকাতে তারা যেমন কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে প্রভাবিত করে, অন্যান্য পিছিয়ে পড়া দেশে তারা তাদের ব্যবসার জন্য গৃহযুদ্ধ কিংবা গণহত্যার মতো ঘটনাও ঘটাতে পারে ফেসবুক

Read more


দেশ, বিদেশের নানান প্রান্ত থেকে সংহতি জানিয়ে মেইল আসছে। কে নেই? সালমান রুশদি, নোয়াম চমস্কি থেকে শুরু করে অরুন্ধুতি রায়, পি সাইনাথ, হর্ষ মান্দার সহ অন্যান্যরা পাশে দাঁড়াচ্ছেন। প্রায় ২০০ জন মানুষ উমরের মুক্তির দাবীতে সরব হয়েছেন এবং আগামীদিনে আরও মানুষ উমরের জন্য রাস্তায় হাঁটবেন এটা আমি বিশ্বাস করি। শুধু উমর নয়, ২৮ বছরের গুলফিশা, যিনি গত ৬ মাস ধরে জেলে আছেন , অত্যাচার সহ্য করছেন সবার মুক্তির দাবীতে একদিন রাস্তা মুখর হয়ে উঠবে সেই বিশ্বাস আমি করি, এবং আমি জানি আমার এই বিশ্বাস একদিন নিশ্চিত সত্যি হবে।

Read more


অনেকের এই নামটা শুনেই সন্ত্রাসবাদী, মৌলবাদী বলে মনে হতে পারে। একটা অংশের মানুষ খুব সহজেই বিশ্বাস করবেন যে আমার দ্বারাই তো এই সব সম্ভব, আমার ফাঁসি হওয়া উচিত।

Read more


ধর্ষকের সমর্থনে তার স্বজাতি বা স্ববর্ণ-র পুরুষ ( কখনও আবার মহিলাও) পথে নামছে, প্রকাশ্যে ধর্না দিচ্ছে বা মিছিল করছে, এরকম নজির তার মানে বাড়ছে। এরকম নজির যত বাড়ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে, ধর্ষণ একটি সামাজিক অপরাধ, ব্যক্তির বিকৃতি নয়। কোথাও ধর্ষণে নারীবিদ্বেষের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ধর্মীয় বিদ্বেষ, কোথাও বর্ণবিদ্বেষ৷ কিন্তু এই সকল প্রকার বিদ্বেষ, যতটা না ব্যক্তিগত, তার চেয়ে অনেক বেশি সামাজিক।

Read more


নদী ভাঙন প্রতিরোধ সমেত হাজারো গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেশের অন্যতম দরিদ্র অঞ্চল জঙ্গিপুর থেকে প্রণব মুখার্জি দু-দুবার সাংসদ নির্বাচিত হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতার শীর্ষে থেকেছেন। রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। কিন্তু তাঁর ভোটারদের জন্য কিছুই করেননি। আশাভঙ্গের সেই বৃত্তান্ত।

Read more


সরকারি কোনো প্রকল্প বা সহায়তায় নয়, পরভূমে মাথা গুঁজে থেকে, কায়ক্লেশে নিজেদের ভাগ্য নিজেরা গড়ে নিয়েছে। কিন্তু মুসলিমদের আত্মবিশ্বাস-আত্মনির্ভরতা ভেঙে দিতে এ রাজ্যের মুসলিমদের সন্ত্রাসবাদের নামে চিহ্নিত করছে কেন্দ্র সরকার। বাংলার মুসলিমরা তা হলে দাঁড়াবে কোথায়?

Read more


রামমন্দিরের ভিত্তিস্থাপনের প্রক্রিয়ায় ‘পূজন’ মহোৎসবের ঢক্কানিনাদের আড়ালে কাশ্মিরের ক্ষুব্ধ জনসাধারণের কণ্ঠস্বর যাতে প্রকম্পন তুলতে না পারে তার ব্যবস্থা হয়েছে। সারাদেশ এখন রামমহিমায় ম ম করছে! আগামি দিনগুলোতে হিন্দুত্ববাদিদের নতুন নতুন মহড়ার কলাক্ষেত্র তারই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে চলেছে।

Read more


এই লেখা যখন লেখা হচ্ছে তখনো নির্বাচন সম্পন্ন হয়নি আমেরিকায়। পৃথিবীর প্রাচীনতম গণতন্ত্রের ভাগ্য নির্ধারিত হতে আর কয়েক ঘন্টা বাকি। আমেরিকা প্রবাসীর চোখে মার্কিন নির্বাচন ও নির্বাচকদের নিয়ে এক বিশ্লেষণী আলেখ্য।

Read more


ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিকশ্রেণীর শিক্ষাগার। আবার ট্রেড ইউনিয়নকেই ধান্দাবাজি আর দলবাজিরও হাতিয়ার করা হয়। কীভাবে শ্রমিকদের নিজস্ব আন্দোলনের সাথে সাধারণ জনতার প্রশ্নকে এক করে তোলা যায়, সেটা একটা বড় প্রশ্ন। সেকথা মাথায় রেখে এই লেখা।

Read more

by ধীমান বসাক | 06 November, 2020 | 0 Comment(s) | 702 | Tags : local train pandemic


আজ, ৫ নভেম্বর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (১৮৭০ - ১৯২৫) জন্মদিন। তাঁর প্রতি রইলো আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য। তাঁর সম্প্রীতির আদর্শটি আজ অনুধাবন করা খুবই দরকার। সেই কথা মাথায় রেখেই এই লেখা।

Read more


আন্তঃধর্ম বিবাহ নিয়ে রাজনীতি হিন্দুসভার সময় থেকে শুধু নয়। আর্যসমাজের বয়ানেও এসব ছিল। বর্তমানে হিন্দুত্ববাদীরা এরই নাম দিয়েছে 'লাভ জিহাদ'। প্রেমের অছিলায় অন্য ধর্মের প্রতি ইসলামের জিহাদ— এই রকম একটি কনস্পিরেসি থিওরির জন্ম তাঁরা দিয়েছেন। এটা তাদের নির্বাচনী অ্যাজেন্ডাও বটে।

Read more


মানুষের শ্রম-শক্তি আর প্রকৃতির বৈচিত্র দুটোই ন্যাচারাল , দুটোই পুঁজির বিরুদ্ধে লড়ে চলেছে এক বেঁচে থাকার লড়াই। কারণ পুঁজি শুধুই এক-করন চায়, পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই , প্রতিটি জনপদেই গড়ে উঠেছিল নিজস্ব শুশ্রুষা ব্যবস্থা, নতুন সৃজন, নতুন ফসল উৎপাদন এবং নতুন জীবনচর্যা। সমস্ত কিছুর ওপর দিয়ে বুলডোজার চলছে , বন্ধ হচ্ছে প্রাকৃতিক চিকিৎসা, প্রাকৃতিক ওষুধ, প্রাকৃতিক পথ্য, প্রাকৃতিক সেবা পদ্ধতি, এবং প্রাকৃতিক উৎসব - ঠিক একই কারণে এবং একই ধাঁচায় একই এক-করণের সেই বুলডোজারি ক্রিয়াকলাপে।

Read more


বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিরচিত "জন গণ মন অধিনায়ক" গানটি ১৯৫০ সালের ২৪শে জানুয়ারি জাতীয় সংগীত হিসাবে গৃহীত হয়। বিরোধিতা সত্ত্বেও স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরুর নেতৃত্বে, রাজেন্দ্র প্রসাদের উপস্থিতিতে কনস্টিটিউয়েন্ট এসেম্বলির প্রতিটি সদস্য সমবেত ভাবে "জন গণ মন" গেয়ে গানটিকে ভারতের জাতীয়সংগীত হিসাবে সিলমোহর দেন। এখন এটা বদলানোর চিন্তাভাবনা চলছে। কিন্তু তার উদ্দেশ্য কি?

Read more


রাজনৈতিক মতাদর্শ ঠিক কতটা প্রভাব বিস্তার করে জীবনে ও যাপনে? সুজাতা মণ্ডল থেকে তাপসী মণ্ডল, সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুর রাজনৈতিক বিশ্বাসে দিন যাপন করবার পরও, কোথায় গিয়ে মিলে যান?

Read more

by তাপস দাশ | 26 December, 2020 | 0 Comment(s) | 659 | Tags : BJP TMC Soumitra Khan


বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়রা সবাই কি এই বিজেপির রাজনীতি সম্পর্কে সম্যক জানেন, তাহলে কেন তাঁদের এই পোষ্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ানোর এতো তোড়জোড় ? তাহলে কি অবিজেপি রাজ্যগুলো দখল করে আগামী কয়েকবছরে সংবিধান বদল করে ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করাটাই বিজেপির উদ্দেশ্য ? নাগরিক পরিসর থেকেও কি এর বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠা জরুরী নয় ?

Read more


যে আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের ঝড় উঠেছে, তার প্রয়োগে আদালতের স্থগিতাদেশ, অযাচিত ভাবে কমিটি গঠন, কৃষকদের সেই কমিটি প্রত্যাখ্যান এবং অবশেষে কমিটির সদস্যেরই অব্যাহতি কি বিচারবিভাগের প্রতি অনাস্থাকেই বাড়িয়ে দিল না ?

Read more


প্রধান বিচারপতি বোবদের নিষেধকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে নারী আন্দোলনকারীরা কৃষক আন্দোলনের সামনের সারিতে সদম্ভে থেকে গেলেন। কৃষি আইনে মহিলা কৃষকদের ন্যায্য মজুরি, স্বীকৃতি বা কর্মক্ষেত্রে সামাজিক সুরক্ষার কোনও উল্লেখ নেই। বরং কর্পোরেটের হাতে কৃষিক্ষেত্র তুলে দিয়ে কৃষক নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক শোষণ বৃদ্ধির চক্রান্ত, তা বুঝতে নারী-কৃষকেরা ভুল করেননি।

Read more


অন্নদাতারা জীবন বাজী রেখে নিজেদের ও আপামর দেশবাসীকেও আজ রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছেন। এই লড়াই কর্পোরেট শক্তির সঙ্গে কৃষক সমাজের লড়াই। যদি আমরা আজ কৃষকদের পাশে থেকে এই মরণপণ লড়াইয়ে সামান্য সাহায্যটুকুও না করি, ইতিহাস আমাদের কোনওদিন ক্ষমা করবে না। কৃষক সমাজ শেষ হয়ে গেলে ধরিত্রীর মাটিও শুকিয়ে কালো হয়ে যাবে।

Read more


মহাত্মা যদি বীরপুরুষ হতেন কিংবা লড়াই করতেন তবে আমরা এমনি করে আজ ওঁকে স্মরণ করতুম না। কারণ, লড়াই করার মতো বীরপুরুষ এবং বড়ো বড়ো সেনাপতি পৃথিবীতে অনেক জন্মগ্রহণ করেছেন। মানুষের যুদ্ধ ধর্মযুদ্ধ, নৈতিক যুদ্ধ। ধর্মযুদ্ধের ভিতরেও নিষ্ঠুরতা আছে, তা গীতা ও মহাভারতে পেয়েছি। তার মধ্যে বাহুবলেরও স্থান আছে কি না এ নিয়ে শাস্ত্রের তর্ক তুলব না। কিন্তু এই যে একটা অনুশাসন, মরব তবু মারব না, এবং এই করেই জয়ী হব— এ একটা মস্ত বড়ো কথা, একটা বাণী। আজ মহাত্মাকে যারা খুন করেছিল তাঁরা উল্লাস প্রকাশ করছেন, আমাদের ও কি সেই দিনটাকে ফিরে দেখা উচিৎ নয়?

Read more


ইন্দিরা জমানার জরুরী অবস্থা কালে অনেক সাংবাদিককে জেলে পাঠানো হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগ প্রবীণরা মনে করতে পারছেন না। বস্তূত মোদি- শাহ- আদানি-আম্বানিদের রাজত্বে দীর্ঘতর অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে। এই মুহূর্তে পরঞ্জয়ের মতো প্রবীণ ও মনপ্রিতের মতো তরুণ সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানো নাগরিক হিসেবে আমাদের কর্তব্য। স্বাধীনচেতা সাংবাদিকরা আজ বিপন্ন। লিখলেন প্রবীণ সাংবাদিক বিশ্বজিৎ রায়।

Read more


বাংলা ভাষার সম্মান ও অধিকারের জন্য বাহান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাজপথে ঝরা সেই রক্ত থেকেই ভাষা দিবস। আর দু দশক পরে স্বাধীন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ। সেই ভাষা দিবস আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশে ফেব্রুয়ারীর অমোঘ শিক্ষা - বহু ভাষাভাষী সমাজে ধর্ম দিয়ে দেশ হয় না, জোর করে বানিয়ে দিলেও ধরে রাখা যায় না। এক দেশ বলে এক ধর্ম, এক ভাষা, এক দল, এক নেতা কখনোই চলে না, চলতে পারে না। এ বছর, ২০২১ সাল আর এবছর একুশে ফেব্রুয়ারী তাই অন্য মাত্রা নিয়ে আসছে। তাই এবারের একুশের ডাক - ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক। বাংলার উদার ঐতিহ্য জিন্দাবাদ। প্রতিবাদের ভাষা, প্রতিরোধের আগুন দ্বিগুণ শক্তিতে জ্বলে উঠুক।

Read more


ধরেই নিচ্ছি, মতুয়াদের বেনাগরিক বানিয়ে আবার নাগরিক করা হবে, একটা গেরুয়া নাগরিকত্বের কার্ড দেওয়া হবে। সমস্ত ভারতীয়র টিকাকরণের পর মতুয়ারা ‘নাগরিকত্ব’ পাবেন, এই কথা যদি অতি কষ্টে মেনে নিই তাহলে ক্ষতি কী? দেখে নিই চলুন। ২৬ দিনে ভারতে ৭০ লক্ষ মানুষকে টিকা দিয়েছে সরকার। বিশ্বরেকর্ড। ভাবাই যায় না। অতএব, সহজ অঙ্কে ভারতের ১৩০ কোটি লোককে ভ্যাকসিন দিতে সময় লাগবে ৪৪২০ দিন অর্থাৎ ১২ বছরের কিছু বেশি সময়। ইতিমধ্যে বহু শিশু জন্মাবে, তাদের টিকা দিতে আরও কয়েক বছর লাগবে। অর্থাৎ, মোট সময় লাগবে কমপক্ষে ১৪ বছর।

Read more


রাস্তায় কৃষকরা বসে থাকুন ঠান্ডায় গরমে বর্ষায়। ছবি না হলেই হলো। টিভিতে যেন দেখানো না হয়, নেটে যেন ঘুরে না বেড়ায়। আজকের ফ্যাসিস্টদের ধারণা, ছবির ওপরই সব নির্ভর করে, ছবি দেখানো কিম্বা তোলা যদি বন্ধ করে দেওয়া যায়, রাষ্ট্ৰবিরোধী আন্দোলনও বন্ধ হয়ে যাবে।

Read more


মার্কিনপন্থী ভারতীয় ও বাঙালিরা মঙ্গলগ্রহ বা নাসা নিয়ে যতই নাসাগ্র ফোলান না কেন, তাঁদের উচ্চনাসা আরো অনেকগুলো দরকারি বিষয়কে সুকৌশলে এড়িয়ে যান। মঙ্গলগ্রহে যাবার অতি অবিশ্বাস্য অঙ্কের অর্ধেক ব্যয় করলে আমেরিকার মানুষের পেট ভরে খাওয়া জুটতো, মাথার ওপরে ছাদ জুটতো, আর স্বাস্থ্যসঙ্কট, শিক্ষাসঙ্কট, পরিবেশ ও জলবায়ুসঙ্কট থেকে মুক্ত হওয়া যেতো।

Read more


অনেকে বলছেন ‘নো ভোট টু বিজেপি’ একটি নেতিবাচক শ্লোগান। প্রসঙ্গত আমরা বলতে চাই, স্পেনে ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে জেনারেল ফ্রাঙ্কোর বিরুদ্ধে বামপন্থী নেত্রী ডোলোরেস ইবারুরির বিখ্যাত স্লোগান ছিল ‘নো প্যাসারন’ অর্থাৎ পিছোব না, যা আজও প্রতিবাদী মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে আছে। তাই না মানে নেতিবাচক নয়, ইতিবাচকও বটে।

Read more


বাম প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির সরকারি অংশ ক্রমশ চলে যাচ্ছে পেছনে। এর জন্য দায়ী তারাই। ন্যানোবাবুদের জন্য এখনও বিরক্তিকর বিলাপ আর মমতা ব্যানার্জির প্রতি অরাজনৈতিক অসূয়া, এই দুই গাড্ডা থেকে এই ১০ বছরে বেরিয়ে আসতে পারেনি তারা। প্রচুর ইস্যু ছিল, ব্যক্তিগত অসূয়া কাটিয়ে ত্যাগ ও তিতিক্ষা নিয়ে বছরভর মাঠে থাকতে পারলে আজ জনভিত্তি অনেকটা ফিরে পেত।

Read more


ডবল ইঞ্জিন সরকার হলেই কি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? ত্রিপুরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০১৮ সালে বলেছিলেন যে বিজেপি যদি একবার ক্ষমতায় আসে তাহলে তাঁরা সপ্তম পে কমিশন চালু করবেন, কিন্তু তার পর থেকে আর অমিত শাহ ত্রিপুরা যেতে পারেননি। উল্টে সরকারী চাকরীই লাটে উঠছে ত্রিপুরাতে। তাহলে যারা আচ্ছে দিনের স্বপ্ন দেখে গ্যাসের দাম হাজার টাকা দিচ্ছেন তাঁরা কি করে আবার সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখছেন? যাহা চকচক করে তাহাই কিন্তু সোনা নয়- এটি একটি প্রাচীন প্রবাদ।

Read more


প্রথম থেকেই দেখে মনে হয়েছিল এটা খুব গুরুত্বপূর্ন একটা ক্যাম্পেন। কারন বিজেপি’র বিরুদ্ধে, বিশেষ প্রচারের দরকার আছে। কেন? কারন বিজেপির পক্ষে যে বিশাল ক্যাম্পেন চলছে, সেটাকে আলাদা করে কাউন্টার করার দরকার আছে। কারা করছে এই ক্যাম্পেন, বিজেপি’র পক্ষে? আর কেন এই ক্যাম্পেনের পক্ষে দাঁড়ানোটা সময়ের দাবী?

Read more


আমি নিজে ৩৭ বছর ধরে সার্বক্ষণিক কর্মী হিসাবে একটা দলে কাজ করে বাম জমানায় টিএমসি-র সঙ্গে রাজনৈতিক জোট করায় দল ছেড়েছিলাম। কেন না, ওরকম জোটের মধ্যে থেকে সত্যিই আমি কাজ করতে পারতাম না! আমরা বামপন্থীদেরই চাই। সিপিএম-এর রাজনীতির অন্য সমালোচনা যাই থাকুক, যদি নির্বাচনে তারা একটা সৎ, স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন অবস্থান নিয়ে বিজেপি-বিরোধিতায় সদর্থক ভূমিকা পালনে ব্রতী হতেন, আমরা অন্তত নির্বাচনী সময়টুকুতে তাদের সঙ্গেই স্বচ্ছন্দ বোধ করতাম।

Read more


সম্প্রতি কলকাতায় এক নাগরিক কনভেনশনের মধ্য দিয়ে ‘ফ্যাসিস্ট আরএসএস-বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা’ নামে ফোরাম গড়ে ওঠে। এই ফোরাম থেকে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘নো ভোট টু বিজেপি’ শ্লোগান উঠে আসে । এখন নির্বাচন পর্বে ফোরাম প্রচারে নেমে পড়েছে পুরোদমে। যুক্ত হয়েছেন সমাজকর্মী, অধ্যাপক, চাকরিজীবি, ব্যবহারজীবি, ছাত্র-যুবশক্তির একাংশ।

Read more


পশ্চিমবঙ্গের ভোটের প্রচারে মোদীর আভাবনীয় বাংলাদেশ অভিযান তাঁর নানা (অপ)কীর্তির মতোই উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ অভিযানটা এবার ছিল অবিস্মরনীয়। কারণ আমরা এই প্রথম জানতে পারলাম, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে সত্যাগ্রহ আন্দোলনে নেমে জেলেও যেতে হয় তাঁকে।

Read more


দিলীপ ঘোষ কেন প্রশ্নকর্তা মহিলাকে এই কথা বললেন? এর পিছনে আসলে কি আছে? রাজনৈতিক দলের নেতা হলেই কি এইভাবে কথা বলা যায় না উচিৎ? আসলে এর পিছনে কি মানসিকতা আছে? মহিলাদের অপমান করা বা ছোট করে দেখানোই কি উদ্দেশ্য?

Read more


যেটা একেবারেই বোঝা যাচ্ছে না, এই সব কাদার তাল নিক্ষেপন কায়দার “খেলা”-য় সিপিএম-এর এত উল্লসিত হওয়ার কারণ কী। প্রকৃতপক্ষে ২০০৭ সালের ৩ জানুয়ারি থেকেই নন্দীগ্রাম উত্তাল হয়ে ওঠে। সালেম-সান্তোসা গোষ্ঠীর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ায় বসে বুদ্ধবাবু কী চুক্তি করেছিলেন, কেমিক্যাল হাব নির্মাণের জন্য চিন থেকে দুর্নীতির অভিযোগে বিতাড়িত সেই গোষ্ঠীকে নন্দীগ্রামে সেজ মাফিক কী কী সুবিধা দেবেন বলেছিলেন, তার অনেক কিছুই এখনও অজানা। আশা করি কর্দম-মন্থনের শেষে একদিন সেই সব তথ্য জনগোচরে উঠে আসবে।

Read more


কেবল জাতীয় আয় বাড়লেই তো ‘সুনার বাঙ্গালা’ গড়া হয়ে যাবে না। সুশাসনের অন্যন্য সূচকগুলির কয়েকটিকে একটু খতিয়ে দেখা যাক। ২০১৫-১৬ সালের ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (এনএফএইচএস ৪), এখন অবধি প্রকাশিত শেষ পূর্ণাঙ্গ জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা অনুসারে এনডিএ শাসিত বিহারে ৫৯ শতাংশ বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌছেছিল (পশ্চিমবঙ্গে ৯৪ শতাংশ, কেরালায় ৯৯ শতাংশ)। যথাযোগ্য পানীয় জল ছিল এনডিএ শাসিত ঝাড়খন্ডে ৭৮ শতাংশ, মধ্যপ্রদেশে ৮৫ শতাংশ, গুজরাটে ৯১ শতাংশ বাড়িতে (পশ্চিমবঙ্গে ৯৫ শতাংশ, কেরালা ৯৯ শতাংশ)।

Read more


নো ভোট টু বিজেপি শুনলেই চিড়বিড়িয়ে উঠে অতিবাম-অতিবাম, চালচোর, চটিচাটা, কাটমানিখোর, তোলাবাজ বলে, ব্যক্তিচরিত্র নির্বিশেষে গাল পাড়ছে কেন? তাহলে কি সিপিএম বিজেপিকে হারানোর চাইতে, অনেক বেশি তৃণমূলের হার চাইছে? বিজেপি জিতলে জিতুক, কিন্তু হে মার্ক্সঠাকুর, মমতার দল যেন হারে। সব মিলিয়ে দাঁড়াচ্ছে, বিজেপিকে ভোট দিতে বারণ করা, আর সংযুক্ত মোর্চার বিরোধিতা করা সমার্থক। সংযুক্ত মোর্চার সাথীরা, সময়ের অভিশাপের জন্য প্রস্তুত থাকুন। আপনাদের জেতা হারায় কিছু এসে যায় না। বিজেপি জিতলে তার সহযোগী হিসেবে ধিক্কৃত হবেন, হারলেও। জিতলেও হারবেন, হারলেও হারবেন।

Read more


তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকলাপের মধ্যে অনেক কিছুই আছে যা আমাদের অপছন্দ হতে পারে। তার সমালোচনা যেমন করে যেতে হবে, তেমনি তার ভুল কাজ গুলির বিরুদ্ধে প্রয়োজনে রাস্তায় ও নামতে হবে। বিজেপি কে প্রধান শত্রু হিসাবে চিহ্নিত করার অর্থ এ নয় যে বাম শক্তিগুলি কে শাসক দলের ভুল কাজগুলিকেও সমর্থন করে যেতে হবে। আগামি দিনগুলি তে তৃণমূল কংগ্রেস শাসক দল থাকুক বা নাই থাকুক, বিজেপির বিপদটা আরো বড় আকারে হাজির হতে চলেছে।

Read more


তাবড় পোল-পণ্ডিতদের মিথ্যে প্রমাণিত করে বিপুল সংখ্যাধিক্য নিয়ে ক্ষমতায় এল তৃণমূল কংগ্রেস। শেষ খবর অনুযায়ী তৃণমূলের ঝুলিতে ২১৪টি আসন। ফলে গেল প্রশান্ত কিশোরের ভবিষ্যৎবাণী। বিজেপি পার করতে পারল না দুই অঙ্ক। তাদের আসন সংখ্যা ৭৬। তৃতীয় বারের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনাকে অভিনন্দন মমতা। কভার ছবি ঃ টেলিগ্রাফ পত্রিকার সামনের পাতার ছবি।

Read more


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের নানান ধরণের জন-কল্যাণ মূলক পদক্ষেপ, মেয়েদের শিক্ষা থেকে আরম্ভ করে দলিত ও মাইনোরিটি ছাত্রদের জন্য ফেলোশিপ ইত্যাদি একটা পথ দেয় যার ফলে গোটা রাজ্যে বেশ ভালো রকম অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হয়েছে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করেন। নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে ফেডেরালিজমের প্রশ্নটা নতুন করে উঠছে।

Read more


ভারতবর্ষের এখনকার অবস্থা নিয়ে বিদেশী পত্র পত্রিকা কি বলছে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিনের কথা দিয়েই বলা যাক। “শক্তি ও ক্ষমতার সঙ্গে প্রয়োজন ছিল দায়িত্ববোধের। দায়িত্ব থেকে এড়িয়ে গিয়েছে সরকার। মোসাহেবরা মন্ত্রিসভায় থেকে প্রধানমন্ত্রীকে করোনা মোকাবিলার জন্য শুধু বাহবাই দিয়ে গেছেন। এদিকে, টেস্টিং মন্থর হয়েছে, আর মানুষকে আরও বেপরোয়া হতে এবং করোনাকে পাত্তা না দেওয়ায় উৎসাহিত করেছে।”

Read more


পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষদের কাছে নিশ্চিতভাবে স্বস্তিদায়ক।ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ও বিজেপি আগ্রাসী হিন্দুত্বকে ভরকেন্দ্রে রেখে যেভাবে রাজ্যের নির্বাচনে বাজিমাৎ করতে চেয়েছিল তাকে সচেতন মানুষ সফল হতে দেয় নি।একই সঙ্গে এটাও সত্যি যে বিজেপির ফ্যাসিবাদী, সাম্প্রদায়িক, বিভেদকামী রাজনীতিকে উন্মোচিত করতে নন- পার্টি বিভিন্ন মঞ্চ ও ফোরাম ( নো ভোট টু বিজেপি, একুশের ডাক,দিল্লির সংগ্রামী কৃষক নেতৃত্ব, বিভিন্ন প্রগতিশীল পত্রিকা, পোর্টাল,সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আগামী দিনে ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ের রুপরেখা কি হবে তা নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যে এই লেখা একটি প্রস্তাবনা মাত্র।

Read more


বলিলাম, “মহাশয়, এক ভয়ানক মেষকাণ্ড ঘটিয়াছে।” “মেষকাণ্ড? কী কহ? ভারতীয়রা তো গোকুলেই তিষ্ঠে। তোমাদিগের বাঁকাচাঁদ সেই সেইবারে এক গো-মোকদ্দমায় আমাকে ফাঁসাইয়াছিল বলিয়া মনে পড়িতেছে, কিন্তু মেষ, … মেষ, না, স্মরণে আসিতেছে না! আর একটু বিস্তারে বলিতে হইবে।” “বাঙালির বিশেষ সৌভাগ্য গুণে বড়লাট ভবনে এক অতিশয় মহাশয়ের আগমন ঘটিয়াছে। বাঙালিদিগকে পদ্মপাঠে আপ্লুত করিয়া এক বিশেষ শ্মশ্রূধারী ভজনান্তে স্বর্ণবঙ্গ স্থাপনায় তিনি আপনাকে সম্পূর্ণ নিবেদন করিয়া রাখিয়াছেন। অথচ বঙ্গবাসী তাহা গ্রহণ করিতে সম্মত নহে, কেহ কেহ তাঁহার বাসভবনের সম্মুখের উন্মুক্ত প্রান্তরে কতিপয় মেষ লইয়া বিচরণ করিয়া গিয়াছে।” একটুখানি শ্বাসবায়ু আত্মসাত করিয়া আদি বচন সমাপ্ত করিতে প্রয়াস পাইলাম, “মহাজনকে উত্তমরূপে দর্শাইয়া। ইহাতেই সেই লাটসাহেব প্রচণ্ড কুপিত হইয়াছেন। অদ্যপি তাঁহাকে শান্ত করিতে হইবে। উপায় বলিয়া দিন মহাশয়।”

Read more


ভারতীয় রেল তার পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য ভারতের করদাতা জনতার টাকায় অনেক লগ্নি করেছে, তার মধ্যে সব কিছুই যে ভারতের জনতার প্রয়োজনে এমন নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের বাধ্যবাধকতা অনেক কেন্দ্রীয় প্রকল্পকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়, যেমন মুম্বাই-আমেদাবাদ “বুলেট ট্রেন” প্রকল্প। কিন্তু রেলের পরিকাঠামোর অন্যান্য অনেক উন্নয়ন রেলের জন্য এবং তা আম জনতার জন্যও প্রয়োজনীয়। এমন একটা প্রকল্প দ্রুতগতি পার্শেল সরবরাহ ব্যবস্থা। পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা দিল্লি ও মুম্বইয়ের মধ্যে ১১৩ দিন চালানো হয়। এই ব্যবস্থার নিশ্চিত দ্রুতগামিতায় আশ্বস্ত হয়ে আমাজন ইন্ডিয়া এই ব্যবস্থা ব্যবহার শুরু করে এবং ভারতীয় রেল শুধু আমাজন-এর কাছ থেকেই ২ কোটি টাকা লাভ করে। রেল ব্যবস্থার ছড়িয়ে পড়ার হার বেড়ে চলেছে দ্রুত গতিতে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সারা বিশ্বের রেল-বাজারে ভারতীয় রেল তৃতীয় স্থান দখল করবে, এবং বিশ্বের বাজারের ১০ শতাংশ কব্জা করবে।

Read more


লাক্ষা সাগরে মালাবার উপকূলে ভারতের কেন্দ্রশাশিত অঞ্চল লাক্ষাদ্বীপ। প্রাকৃতিক রূপ-ঐশর্য্যময় ভূমি এই প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ। সেই আকর্ষণে এখানে ভ্রমণ-পিপাসু মানুষের যাতায়াত। লাক্ষাদ্বীপ সম্পর্কে এর বেশি বিশেষ কিছু আমরা অনেকেই জানি না। জানলেও বোধহয় আমাদের অভ্যাসের দৃষ্টিতে দ্বীপবাসীদের ঠিক বুঝতে পারি না। তবু জানা যাক। বোঝাবুঝি যা-ই হোক, জানা ভীষণ দরকার। লাক্ষাদ্বীপ এখন বর্গিহানার শিকার। লাক্ষাদ্বীপবাসী সাহায্যপ্রার্থী। এদের পাশে দাঁড়ানো জরুরি।

Read more


মুরগী, চিংড়িচাষ, কাটাপোনা – সবইতো এখনই কোম্পানি চাষের আওতায়। দিব্যি তো চলছে। মুরগী, ডিমের দাম কমেছে কত – সস্তায় প্রোটিন পৌঁছে যাচ্ছে ঘরে ঘরে -এ কথাও শোনা যাচ্ছে আকাশে বাতাসে। কিন্তু সেই মাছের ডেডবডি, হরমোন ও অ্যান্টিবায়োটিক সমৃদ্ধ মুরগীর খাদ্যগুণের কথা আর নাই বা তুললাম। কোম্পানি এসেছে মুনাফা করতে – তার দোষ দেখিনা। কিন্তু রাশি রাশি শহুরে মানুষ এই সাব স্ট্যান্ডার্ড খাবারের পিছনে দৌড়চ্ছেন – আর রাশি রাশি গ্রামের মানুষও চাট্টি দেশী হাঁস মুরগী পুঁটিমাছ পোষার বদলে বাজার থেকে কুখাদ্য কিনে খাচ্ছেন – আর ১১৫ টা দেশের মধ্যে বিশ্ব ক্ষুধাসূচকে ১০২ নম্বর জায়গা দখল করে আমরা এখনও কোম্পানির গুন গাইছি –

Read more


লড়াই করে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গ রুখে দিয়েছিল, ৭১'এর যুদ্ধে ভাই বলে ওপার বাংলার মানুষকে এপার বাংলায় ঠাঁই দিয়েছিল, যে বাঙালির বুকে আজও টাইগার হিলের সূর্যোদয়ের আলো, তারা পাহাড়, ডুয়ার্স, মল্ল রাজাদের ভূম আলাদা করতে দেবে? বঙ্গভঙ্গ ছেলেখেলা নয়। ১৯০৫ সালে হাতে রাখি পরে রাস্তায় নেমে বাঙালি গেয়ে উঠেছিল "আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।" সেই ঐতিহ্য, সেই পরম্পরা আমাদের উত্তরাধিকার। বঙ্গভঙ্গের প্রশ্ন উঠলে আমরা আবার রাখি পড়ব, রাস্তায় নামব, গণ আন্দোলন হবে।বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের উচিত অবিলম্বে সর্বভারতীয় নেতাদের হাতে একটি করে বাংলার ইতিহাস ও ভূগোলের বই ধরিয়ে দেওয়া।

Read more


লকডাউনে গরিব খেটেখাওয়া মানুষের সর্বনাশ হয়েছে, হাতে ভাতে ও মারিতে মরেছে। কাজ খুইয়েছে লাখে লাখে। অবর্ণনীয় দুর্দশার মধ্যে রাস্তায় হেঁটেছে, রেল লাইনে ট্রেনের তলায় চাপা পড়েছে। ধনী ব্যবসায়ী, শিল্পপতিরা ক্রমাগত ফুলে ফেপে আরো বড়লোক হয়েছে। বিশ্ব জুড়ে দারিদ্র বেড়েছে, বেড়েছে বেকারি। লকডাউনে কি কোভিডে মৃত্যু কমেছে? মনে তো হয় না। এই মৃত্যুর মধ্যে অনেকটাই লকডাউনের বাইপ্রোডাক্ট। অনাহারের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাবার জন্য মারির প্রকোপ যতদিন জারি থাকবে ততদিন মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিতে হবে। অন্তত তিন মাস ৫০০০ টাকা প্রত্যেকের ব্যাংকের খাতায় দিতে হবে। এনরেগায় ২০০ দিনের কাজ দিতে হবে। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য শহরে সস্তা ঘরের ব্যবস্থা করতে হবে।

Read more


সংসদীয় গণতন্ত্রে ভোটে জেতা জরুরি। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন জনসমাজে প্রভাব বৃদ্ধি। আর সে জন্য প্রয়োজন সংগঠন। সংগঠন গড়তে চাই লড়াই আন্দোলন এবং প্রয়োজনে সমমনোভাবাপন্ন সংঘঠনের সঙ্গে বিষয়ভিত্তিক জোট বাঁধা। ভারতবর্ষে সংসদীয় গণতন্ত্রের শেকড় অতি গভীরে। মানুষ তার ভোটাধিকারকে এক অতি পবিত্র কর্তব্য বলে মনে করে শুধু নয়, সরকার নির্বাচনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে যথেষ্ট গর্ববোধও করে। সুতরাং লড়াই সংগ্রামের পাশাপাশি ভোটের লড়াইও ফেলনা নয়। তবে ভোটে সুফল পেতে হলে সারা বছর ধরে লড়াই চালাতে হবে মানুষের স্বার্থে, তাদের দাবিদাওয়ার লড়াইকে সঠিক দিশায় পরিচালিত করে। সফল আন্দোলনের মাধ্যমেই সংগঠনের শক্তিবৃদ্ধি ঘটে, সবপক্ষের সমীহ আদায়ে সক্ষম হয়। ভোট থেকে লড়াই আন্দোলন, সর্বত্রই সংগঠনের ভূমিকা অপরিসীম।

Read more


দোষী সাব্যস্ত হোক কিংবা বিচারাধীন, একজন বন্দির সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না। লঙ্ঘিত হলে তা রক্ষা করার দায়িত্ব আদালতের। আদালত সে দায়িত্ব পালন করেনি। তাঁকে তিলে তিলে মরতে দিয়েছে। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বম্বে হাইকোর্টে শেষ জামিনের আবেদনে রাঁচির বাগাইচা আশ্রমে ফিরে যেতে চেয়েছিলেন আদিবাসী-প্রাণ ফাদার স্ট্যান স্বামী। আদালত তা মঞ্জুর করেনি। তবু, স্ট্যান লিখেছিলেন খাঁচাবন্দি পাখিও গাইতে পারে। তিনি বন্দি শিবিরে সহ-বন্দিদের মানবিক মুখগুলিও এঁকে রেখে গিয়েছেন।

Read more


মোদি সরকার সারা দেশের জন্য “গুজরাট মডেল” চালুর চেষ্টা করেই চলেছে। কিন্তু গুজরাটের বাস্তবতা আর সারা দেশের বাস্তবতা এক নয়। গুজরাটে সম্পদের অসম বন্টন, বাণিজ্যের বাতাবরণ, গণতান্ত্রিক বোধ ইত্যাদির সঙ্গে দেশ হিসেবে ভারতে ঐক্যের চেয়ে বিভেদই বেশি। সারা দেশের কোণে কোণে যেখানে স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদের স্মৃতিচিহ্ন আবৃত, সেখানে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের আঁচ পর্যন্ত লাগেনি সেই গুজরাট রাজ্যে।

Read more


“একজন চিত্রসাংবাদিক হিসেবে সব ঘটনা তুমি যেন বা প্রথম সারিতে বসে প্রত্যক্ষ করছ। এটা যেমন এক সম্মান, তেমন দায়িত্বও। যারা সেখানে উপস্থিত নেই, তুমি তাঁদের প্রতিনিধি, তাঁদের চোখ, তাঁদের কান। ছবির যে চরিত্র, তাঁর জায়গায় মানুষ যদি তাঁদের প্রিয়জনকে দেখতে পায়, আমার কাজ সেখানেই শেষ, সেখানেই সফল" আগামী দিনগুলিতেও আপনার ছবি নিয়ে আমাদের আলাপ জারি থাকবে,আমাদের বিবেককে আপনার ক্যামেরা সদাই জাগিয়ে রাখবে,শাসকের ভ্রুকুটিকে থোড়াই কেয়ার দানিশ! লিখলেন দেবলীনা, ছবি এঁকে সহযোগিতা করলেন কৌশিক চক্রবর্তী ।

Read more


পেগাসাস স্পাইওয়ার, আরোগ্যসেতু, স্বাধীন সংবাদপত্রগুলির অফিসে ইডি-র তল্লাশি, সিনেমাটোগ্রাফি বিল – মতপ্রকাশের তথা নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্বকারী সমস্ত নীতি আসলে আমাদের চোখ ফেরাতে বাধ্য করে অতীতের দিকে। মতপ্রকাশের অধিকারের উপরে এই চূড়ান্ত আক্রমণের সময়ে তাই ফিরে দেখার প্রয়োজন রয়েছে ঔপনিবেশিক কাঠামোকে যার এক উন্নত রুপ আমরা আজ দেখছি প্রাত্যহিক জীবনে। কোম্পানির সময়ে নজরদারির বা বিরোধী স্বরকে স্তব্ধ করার লক্ষ্যে প্রচলিত হওয়া অন্যতম কুখ্যাত আইন হলো ‘দেশীয় সংবাদপত্র আইন’ বা ‘ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্ট’(১৮৭৮) লিখলেন ঋতম মাজি

Read more


দেশদ্রোহিতা’ আইনের বেশ কিছু ধারা ১৮৭০ সালে গৃহীত হয়। এমন বক্তব্য বা লেখা যা সরকারের প্রতি ‘অসন্তোষের উদ্রেক’ করে তাকেই দেশদ্রোহিতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ১৮৯৮-এর সংশোধনীতে এই দেশদ্রোহিতার ধারণা ও নীতিকে আরও তীক্ষ্ণ করা হয় এবং যে কোনো ধরণের সরকারের প্রতি ‘এনমিটি' বা বিরুদ্ধতাকেই চিহ্নিত করা হয় দেশদ্রোহ হিসেবে। বাল গঙ্গাধর তিলকের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ মামলার পরবর্তীতেই এই সংশোধনী গৃহীত হয় এবং তিলকের বিরুদ্ধে মামলার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল কেশরী ও মারাঠা পত্রিকায় ‘ব্রিটিশ রাজ’ বিরোধী প্রচার।

Read more


আপনার সম্পর্কে জোগাড় করা ভুরি ভুরি তথ্য কিন্তু ফেসবুক বিক্রি করে না। অনেকেই ভাবেন তথ্য বিক্রি করে ফেসবুক টাকা পায় – না তা নয়, যেখানে পণ্য আপনি – সেখানে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো আসলে দরকার আপনার ভার্চুয়াল ওই মডেলের জন্য, যেখানে কম্পানীগুলো নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে আপনার সম্পর্কে, ভবিষ্যতে ঠিক কোথায় কখন, কোন জিনিসটা আপনি করবেন – এবং যাতে করে আরও নিশ্চিতভাবে, আপনাকে ওই বিজ্ঞাপনদাতাদের হাতে তুলে দেওয়া যাবে।

Read more


তালেবান নিছক কোনও সামরিক বা রাজনৈতিক শক্তি নয়, তালেবান একটা মৌলবাদী তত্ত্বও বটে। তাই সামরিক অভিযান দিয়ে তাকে সাময়িক উৎখাত করা গেলেও মূলোচ্ছেদ করা যায়নি। আবারও আফগানিস্তানে ক্ষমতায় ফিরেছে তালেবান। এখন তারা নাকি আর আগের মতো খারাপ নেই— তারা এখন ভাল তালেবান।

Read more

by মিলন দত্ত | 28 August, 2021 | 0 Comment(s) | 1052 | Tags : Taliban Afganistan


আফগানিস্তানের যেন এটাই নিয়তি। গত একশো বছরের ইতিহাসে টানা চল্লিশ বছরের অধিক কোনও শাসনকাল নেই আফগানিস্তানে। ইতিহাসের পুনবাবৃত্তি কি ঘটতেই থাকবে এ ভাবেই!

Read more


রাত জেগে, লাইনে দাঁড়িয়ে, পুলিশের লাঠি খেয়েও টিকা পাচ্ছেন না বহু মানুষ। কাজ-হারানো মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আর ধনী এবং প্রভাবশালীরা নিজেদের সুবিধামতো সময়ে এবং স্থানে টিকা নিচ্ছেন। টিকাকরণের এহেন ধনী-দরিদ্র ভাগাভাগি আগে দেখেনি দেশের মানুষ।

Read more


শুধুমাত্র দেশের বড় শহরে বসে স্কুল শিক্ষার প্রকৃত চিত্রটা উপলব্ধি করা যায় না। কিন্তু বাস্তব হল, অতিমারীর সময় থেকে দেশের প্রায় অর্ধেক পড়ুয়া শিক্ষার পরিধির বাইরে চলে গিয়েছে। "অনলাইন শিক্ষা" বলতে যা বোঝান হয়, দৈনন্দিন তার সুযোগ খুব অল্প সংখ্যকের কাছেই পৌঁছয়। বয়ঃসন্ধির ছেলেমেয়েদের চোখের ইশারা, হাতে হাত, গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে করা প্রাকটিক্যাল ক্লাস, ছুঁড়ে দেওয়া কবিতা, স্কুলের শেষে অনেকক্ষন ধরে একসঙ্গে বাড়ি ফেরা -এসবের নামও কিন্তু স্কুল।

Read more


দুর্গাপূজা ঘিরে এবার সারা দেশে যে তাণ্ডব ঘটে গেল, নিকট অতীতে তার সঙ্গে তুলনা করা চলে ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার সঙ্গে। কেউ কেউ পাল্লায় মাপতে বসে যাবেন, কোনটা কয় ছটাক কম বা বেশি। কিন্তু এটা স্পষ্ট হয়ে গেছে যে এ দেশের নাগরিকের সবাই সমান নন। এ দেশে গরিবের তো কোনো জায়গাই নেই, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অস্তিত্বও বিপন্ন। তারা এখন বিলীয়মান প্রজাতি হয়ে যাচ্ছে। লেখা প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত।

Read more


কোরান-কাণ্ডে দেখা গেল, মূল পূজা মণ্ডপ সংলগ্ন আলাদা মণ্ডপে বাঙালি হিন্দুদের দুর্গাপূজার রীতির বাইরে গিয়ে রাম-সীতা-হনুমানের মূর্তি রাখা হয়েছিল। গত ১৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে হিন্দুদের এক বড়সড় প্রতিবাদ মিছিলে স্লোগান শোনা গেল, জয় শ্রী রাম, হর হর মহাদেব, জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও। মানে দাঁড়ায়, বাংলাদেশে হিন্দু-মেরুকরণের চোরাস্রোত বইতে শুরু করেছে।

Read more


বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের একটি বড় অংশ এই সহিংসতার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছেন। এই বাংলায়ও অনেকেই প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন। কিন্তু কিছু কিছু প্রতিবাদের ধরণ-ধারন এখনও ভাবাচ্ছে। সেই গতে বাঁধা আমরা-ওরা চলছে। এইভাবে বেছে বেছে প্রতিবাদী হওয়াটাও কম বড় অপরাধ নয়। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, তার পরবর্তী হতাশা, আক্রোশ এবং প্রতিবাদ যার যার তার তার হয়ে গেলে সেটা পরবর্তী দাঙ্গার ইন্ধন যোগানো ছাড়া আর অন্য কোনো কাজেই আসেনা।

Read more


একটি দেশে সংখ্যাগুরুর দায়িত্ব সংখ্যালঘুর অধিকার সুনিশ্চিত করা, সুরক্ষার দায়িত্ব নেওয়া৷ বাংলাদেশিরা ব্যর্থ হয়েছে৷ কিন্তু অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এদেশে? এদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে হিন্দুত্ববাদের পূজারীরা কতখানি সোচ্চার? তাঁরা নিজ দেশে কতখানি দায়িত্ব পালন করেছেন? আখলাখের খুনিদের সাজা চেয়েছেন? সংখ্যালঘুর লিঞ্চিংয়ে অভিযুক্তদের সংবর্ধনা দিলে বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন? বেছে বেছে বিশেষ ধর্মের সংখ্যালঘুদের রাতারাতি ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানোর উদ্যোগ হলে রুখে দাঁড়িয়ে বলেছেন, কারও বাপের ক্ষমতা নেই পাঁচপ্রজন্ম এদেশে থাকা সংখ্যালঘু পরিবারের কাগজ দেখার কথা বলার? না বলেননি৷ উল্টে 'এদেশে থাকতে হলে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হয়ে থাকতে হবে' মানসিকতাই উঠে এসেছে।

Read more


২০২০ সালের কালান্তক ভাইরাস ও লকডাউন নাভিশ্বাস উঠিয়ে দিয়েছে অ্যাপনির্ভর তথাকথিত স্বাধীন পেশার পরিষেবা শ্রমিকদের। ইতিউতি চালু হওয়া মাত্র ‘ডেলিভারি পার্টনার’রা ভিড় করে আছেন রেস্টুরেন্টের সামনে, গত বছরের জুলাই মাস থেকে, কিন্তু সেই মত অর্ডার আসছে কোথায় ? কিভাবে চলছে তাঁদের? যে স্বপ্ন দেখতে গিয়ে, এই যুবক যুবতীরা এই ডেলিভারি পার্টনার হয়ে উঠেছিলেন, তাঁরা কি ভালো আছেন আজকে?

Read more


আমাদের দেশে যে কোনও জোরালো আন্দোলন ভাঙ্গার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে তাতে ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টি করা। বৃটিশদের দেখানো সেই চিরাচরিত পথে শাসকরা গত পঁচাত্তর বছর ধরে বিভিন্ন আন্দোলন ধূর্তভাবে দমন করেছে। গত মে মাস থেকে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ বেড়ে যায়। গোরক্ষার নামে, নানা অজুহাতে মুসলিমদের ওপর আক্রমণ হয়েছে, তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে এমনকি খুনও হয়েছে। কিন্তু তাও তাঁরা সফল হননি, আজকে কিছুদিন পর সেই কৃষক আন্দোলনের বর্ষপুর্তি হবে।

Read more


আজ গোয়া, কাল মেঘালয় পরশু ত্রিপুরা, এই ভাবে কংগ্রেসকে দুর্বল করে কি বিজেপিকে সামনের লোকসভায় পরাজিত করা সম্ভব? কিন্তু তৃণমূল তাহলে কি উদ্দেশ্যে এই কাজটা করছে? নিন্দুকেরা প্রশ্ন করছেন, কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে এই ঘোড়া কিনতে টাকা দিচ্ছেন? কোনও লড়াই ছাড়া, কেন তৃণমূল এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী মুখ হয়ে উঠতে চাইছে?

Read more