পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

কল্পিত হিন্দুরাষ্ট্র এক বালির প্রাসাদ

  • 21 February, 2026
  • 0 Comment(s)
  • 353 view(s)
  • লিখেছেন : সন্তোষ সেন
ধর্ম-রাষ্ট্রের পরিকল্পনাটা এই বালির প্রাসাদের মতো। উপরে বড়, ভেতরে ফাঁপা। বাস্তব সমাজের ক্ষুধা, বেকারত্ব, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ন্যায় নিয়ে ধর্মের কারবারিরা ভাবেনা। তাদের ভাবতে দেওয়া হয়না। সহযোগিতা, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, বিশ্ব মানবতার মতো শব্দগুলোর সাথে তাদের পরিচয় নেই। মগজ ধোলাই করে তাদের খুপড়িতে পুরে দেওয়া হয় হিংসা, দ্বেষ, ঘৃণার বিষবাষ্প।

কল্পিত হিন্দুরাষ্ট্রের অসারতা আলোচনা করা যাক গল্পেস্বল্পে।

এক গ্রামের নাম ছিল সমন্বয়। বহু বছর ধরে সেখানে মানুষে মানুষে আলাদা করে দেওয়াল ছিল না। মসজিদের আঙিনায় হিন্দু ছেলেরা খেলত। দুর্গাপুজোর ভোগ রান্নায় মুসলমান বউদিরা সাহায্য করত। এক বাড়ির রান্না করা খাবার পৌঁছে যেত অন্য বাড়িতে। ধর্ম বর্ণ জাতপাত নির্বিশেষে ছেলে মেয়ে মিলে খেলতো খোখো, কাবাডি, ডাংগুলি, দাঁড়িয়াবাঁধা। হৈ হৈ করে ফুটবল খেলার শেষে বিজয়ী দল বিজিতদের জড়িয়ে ধরে একসাথে মাঠ ছাড়তো। গ্রামের মহিলারা একই কল থেকে একই সাথে কলসি কাঁখে জল আনতে অভ্যস্ত ছিল। প্রতিবেশীর মধ্যে ঝগড়া হতো, আবার মিটেও যেত। যাপন ছিল ঠিক মানুষের মতোই। তাদের দুঃখকষ্ট থাকলেও শান্তি স্বস্তি ভালবাসা ছিল।

এক আঁধার রাতে মাইকে ঘোষিত হলো – রাষ্ট্রের কাজ চাকরি দেওয়া নয়, কারখানা খোলা নয়, হাসপাতাল বানানো নয়। রাষ্ট্রের প্রধান কাজ মানুষকে সন্দেহ করা। মানুষের মনে ভয় ধরিয়ে দেওয়া। মগজে হিংসার বীজ বোনা।

পাড়ার চায়ের দোকানে এখন চা কম, নজর বেশি। চা ঠান্ডা হয়, কিন্তু চোখ ঠান্ডা হয়না।

একজন বেকার যুবক প্রশ্ন করল –“আমার চাকরি কবে হবে?”

উত্তর এল –“তুমি আগে প্রমাণ করো তুমি কাদের ঘৃণা করো।”

সে বলল –“আমি কাজ চাই।”

উত্তর ভেসে এলো –ওসব বিদেশি ভাবনা ছাড়ান দাও বাপু।

এরপর একদিন গ্রামে এল কিছু লোক। তাদের পরনে একই রকম পোশাক, হাতে গৈরিক পতাকা, মুখে একই স্লোগান। রক্তচক্ষু মেলে তারা বলল –এই গ্রামটাকে আমরা শুদ্ধ করব। এটা হবে হিন্দুরাষ্ট্রের মডেল গ্রাম। এটাই আমাদের অন্তরে একশো বছর ধরে লালিত স্বপ্ন।

গ্রামের লোক অবাক। কৃষক গোপাল রাগত স্বরে বললেন –“আমাদের ক্ষেতে জল নেই। ফসলের দাম নেই। বেকার ভাইবোনের চাকরি নেই। হাতে কাজ নেই। পেটে নেই ভাত। ওগুলোর কী হবে?” লোকগুলো হাসল –ওসব পরে। আগে পরিচয় ঠিক করো।

এরপর ওরা স্কুলে গেল। ইতিহাস বই পাল্টে দিল। নিউটন, কেপলার, ডারউইন, আইনস্টাইনদের বস্তাপচা সূত্র বাদ গেল। রবীন্দ্রনাথ মুছে দেওয়া হলো। এল দেশের জনকের হত্যাকারী, ব্রিটিশ প্রভুদের কাছে মুচলেকা দিয়ে ছাড় পাওয়া, আর ধর্ষক বেনিয়া বাবাদের জীবনী। ডাক্তারি বইয়ে লেখা হলো গোবর গোমূত্র আর জোত্যিষ শাস্ত্র নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা।

পাঠ্যবইয়ে লেখা হলো –বর্তমান বলে কিছু নেই। আছে শুধু একটা অতীত, যেটা এতই গৌরবময় যে বর্তমানটা লজ্জায় মুখ ঢাকে। শিশুরা এখন যোগফল শেখে এইভাবে : ৫ জন সংখ্যালঘু ৫ জন সংখ্যালঘু = সমস্যা সংকট।

হাসপাতালে ঢুকলে ডাক্তার জিজ্ঞেস করে –রক্তের গ্রুপ কী? ধর্মটা কী? রোগ নাকি ধর্ম দেখে হয়। ওষুধে নয়, অসুখ সারে বিশ্বাসে।

এরপর এল ধর্মের তালিকা। কাকে রাখা হবে, কাকে রাখা হবেনা তা ঠিকুজি কুষ্ঠি দেখে ছকে ফেলা হলো এক লম্বা খাতায়। খাতার পাতায় মানুষের নামের পাশে লেখা –পূর্ণ হিন্দু / অপূর্ণ / সন্দেহজনক। রহিম মিয়া, যিনি তিন পুরুষ ধরে এখানেই থাকেন, প্রশ্ন করলেন –আমি তাহলে কী? উত্তর এল –তুমি সমস্যা। তোমাকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে।

কৃষক মাঠে মরছে, শ্রমিক কারখানায় মরছে, নারী ঘরে বাইরে মার খাচ্ছে। কিন্তু রাষ্ট্র চরম ব্যস্ত। কে কী খাচ্ছে, কে কী পরছে, কে কাকে ভালোবাসছে, এইসব মহান ও প্রধান প্রধান কাজ নিয়েই সে সদা ব্যতিবস্ত। পেট ভরানো কঠিন, ঘৃণা খাওয়ানো সহজ।

আওয়াজ তোলা হলো –“এই গ্রামে এখন সব ভালো। সব মানুষ এখন এক ছাঁচে তৈরি। একেবারে মেশিনে তৈরি নিখুঁত মানব।”

সমন্বয়-এর পরিবর্তে, একস্বরে একটিই কথা উচ্চারিত হলো –“আমরা সবাই হিন্দু আমাদেরই এই হিন্দুস্তানে।” হায়রে পোড়া কপাল! কিছুদিন পর গ্রামে কাজ কমে গেল। মানুষ এখন আর কাজের সঙ্গী খোঁজে না, খোঁজে পরিচয়। রাজমিস্ত্রি শম্ভু ভালো কাজ জানে, কিন্তু সে “ভুল জাত”। ডাক্তার ভালো, কিন্তু “ভুল বিশ্বাস”।

হাসপাতালে ওষুধ নেই, স্কুলে শিক্ষক নেই, কিন্তু মাইকে স্লোগান আছে –জয়, মহান রাষ্ট্রের জয়। জয়, রামরাজ্যের জয়।

হঠাৎ একদিন দিগ্বিদিক কাঁপিয়ে প্রবল ঝড় আর তুমুল বৃষ্টি নামল। প্রকৃতির রুদ্ররোষ চলল টানা কয়েকদিন। রাম রহিম কাজল হরেন শম্ভু, ডাক্তার বদ্যি হাকিম রাজমিস্ত্রি, কন্ট্রাক্ট লেবার, ডেলিভারি বয় সহ সকল মানুষের ঘর গেল ভেসে, কুঁড়ে ঘর মাটিতে মিশে গেল। খড়কুটোর মতো ভেসে গেল গাড়ি, গৃহস্থলীর সামগ্রী, গরু ছাগল হাঁস মুরগি। প্রবল ঝড়ে মন্দির-মসজিদ-গির্জা একসাথে ভাঙল।

বন্যা-প্লাবন ঝড়ঝঞ্ঝা কোন ধর্ম মানল না। মানার কথাও বোধহয় ছিলনা। চারিদিকে বিপদ। ঘর তো নেই হয়ে গেছে। খাবার নেই, জল নেই। ক্ষুদার্থ শিশুদের মুখে এক গ্রাস খাদ্য নেই। শুধু নেই আর নেই। আছে শুধু হাহাকার আর কান্নার রোল। রাষ্ট্রের পেয়াদারা তখন বলল –“এটা ষড়যন্ত্র।”

বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে কেউ জিজ্ঞেস করল না –তুমি কে? কী জাত গো তোমার? সবাই শুধু বলল –হাতটা ধরো। একটু সাহায্য করো প্লিজ। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মতো গুটিকয় যাঁরা ছিলেন, বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার সময় তাঁরা জানতেও চাইলেন না মানুষের জাত ধর্ম বর্ণ পরিচয়।

প্রকৃতি ঘাড় ধরে শিখিয়ে দিয়েছে –মানুষের একটাই পরিচয়, সে মানব প্রজাতি। তার একটাই ধর্ম, মানব ধর্ম। তার একটাই দেশ, বিশ্ব চরাচর।

যারা হিন্দুরাষ্ট্র বানাতে এসেছিল, তারা পগার পার। তাদের টিকি এই গ্রামে আর খুঁজে পাওয়া গেল না। শোনা গেল, তারা অন্য গ্রামে গেছে। আরেকটা বালির প্রাসাদ বানাতে।

প্রকৃতি খানিক শান্ত হলে একে অন্যের সাহায্য নিয়ে মানুষ আবার নতুন করে উঠে দাঁড়াল। নতুন করে ঘরবাড়ি সংসারসমাজ প্রতিবেশী তৈরি করল। এলাকার প্রবীন মানুষ সহ ছাত্রছাত্রী নারী পুরুষ সকলে গ্রামের একমাত্র সমন্বয় কেন্দ্র আটচালায় একদিন সমন্বিত হয়।

খোলা মণ্ডপে বসে সকলে সুখ দুঃখের গল্প, জীবন যন্ত্রনা নিয়ে খোলামনে কথা বলছিল। আড্ডার মধ্য থেকে গোপাল উদ্বিগ্ন কণ্ঠে জানতে চাইল –“আমরা কী ভুল করেছিলাম?” এই প্রশ্ন শুনে একে ওপরের মুখ চাওয়া চাওয়ি করতে থাকল। বুড়ো জয়নাল চাচা দৃঢ় কণ্ঠে উত্তর দিলেন –ভুল ছিল মানুষকে মানুষ না ভেবে, পরিচয় দেখে বিচার করা। এর চেয়ে বড় ভুল আর কী হতে পারে বাবা? কলেজ পড়ুয়া এক তরুণী বলল –আজকের দিনে এই একবিংশ শতাব্দীতেও একদল মূর্খ ধর্ম জাতপাত বর্ণপরিচয় নিয়ে ভাবে, এই নিয়ে মানুষের মধ্যে হিংসা ঘৃণা বিভেদের বাতাবরণ তৈরি করে। তারাই মানুষের আসল শত্রু। এরাই সমাজের সংকট। অনেক আলোচনার পর ঠিক হলো – ওদের এই ষড়যন্ত্রে আর পা দেওয়া নয়। আমাদের সজাগ থাকতে হবে। চোখ কান খুলে রেখে সবকিছু বিচার করতে হবে। অন্ধভাবে মেনে নেওয়া, মানিয়ে নেওয়া নয়। প্রয়োজনে আমরা যৌথভাবে রাত পাহারা দেব।

ধর্ম-রাষ্ট্রের পরিকল্পনাটা এই বালির প্রাসাদের মতো। উপরে বড়, ভেতরে ফাঁপা। বাস্তব সমাজের ক্ষুধা, বেকারত্ব, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ন্যায় নিয়ে ধর্মের কারবারিরা ভাবেনা। তাদের ভাবতে দেওয়া হয়না। সহযোগিতা, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, বিশ্ব মানবতার মতো শব্দগুলোর সাথে তাদের পরিচয় নেই। মগজ ধোলাই করে তাদের খুপড়িতে পুরে দেওয়া হয় হিংসা, দ্বেষ, ঘৃণার বিষবাষ্প।

এই প্রশ্নগুলোর সামনে দাঁড়াতেই পারে না ধর্ম ভিত্তিক রাষ্ট্রের ধ্বজাধারীরা।

কারণ:

রাষ্ট্র চলে কঠোর কানুনে

সমাজ টিকে থাকে সহাবস্থানে

আর মানুষ বাঁচে সম্মানে

কোন একক ধর্মীয় ছাঁচে নয়।

যে স্বপ্ন মানুষকে ভাগ করে তৈরি হয়

সে স্বপ্ন বাস্তবের প্রথম ঝড়েই ভেঙে পড়ে।

যে রাষ্ট্র ক্ষুধাকে ঢাকে পতাকায়

বেকারত্ব ঢাকে স্লোগানে

অন্যায় ঢাকে ধর্মে

সে রাষ্ট্র আসলে রাষ্ট্র নয়

সে এক ভয় উৎপাদনের কারখানা।

 

ইতিহাস বলে –ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে দেশ বানানো যায়না। কিন্তু দেশ ভাঙা যায় খুব সহজে।

আজ যখন বাস্তবের মাটিতে শঙ্করাচার্য স্বামী অবিমুক্তেশ্বরানন্দ এবং ধুরন্ধর প্রশাসক যোগী আদিত্যনাথের মধ্যে ধর্মের নীতিশাস্ত্র আর ধর্মকে ব্যাবহার করে রাজনীতি ও ক্ষমতার কেন্দ্র নিয়ে তুমুল বাকবিতন্ডা, আঁকচা আঁকচি চলছে তখন ঐ সমন্বয় গ্রামের অধিবাসিরা তা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেন। তাদের হাসিও পায়। তাঁরা সবকিছু শোনেন, পড়াশোনা করেন। নিজেদের চেতনা দিয়ে বিচার করেন। ওদের দ্বন্দ্বের কারণ অনুসন্ধান করেন।

 

শঙ্করাচার্য বলছেন –“হিন্দুধর্মকে রাজনৈতিক স্লোগানে নামিয়ে আনা অনৈতিক। ধর্মের কাজ শাসন নয়, শাসককে নৈতিক সীমা মনে করিয়ে দেওয়া দরকার। গোরক্ষা, সন্ন্যাস, শাস্ত্র, সবকিছুতে লোক দেখানো দ্বিচারিতা চলছে।"

তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন –“যাঁরা গেরুয়া পরে ক্ষমতায় বসেছেন, তাঁরাই যদি ধর্ম ভাঙেন, তাহলে ধর্ম কার কাছে যাবে?”

তিনি আরও বলেছেন –“সন্ন্যাসী হয়ে প্রশাসনিক ক্ষমতা ভোগ বাস্তবে ধর্মকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অস্ত্রে পরিণত করেছে।”

অন্যদিকে যোগী আদিত্যনাথের অবস্থান এর সম্পূর্ণ বিপরীতে। তিনি নিজেকে হিন্দুত্বের রাজনৈতিক রক্ষক বলে মনে করেন। শক্ত রাষ্ট্র, কঠোর প্রশাসন এবং ধর্মীয় পরিচয়কে প্রকাশ্য রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতেই তিনি পছন্দ করেন। তাঁর বক্তব্যের সারকথা –হিন্দু স্বার্থ রক্ষার জন্য শক্ত শাসন দরকার। আজ ধর্ম পাল্টে গিয়েছে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভাষায়।

 

ওদের এই বিবাদ, সংকটের মুহূর্তে আমাদের সমন্বয় গ্রামের নাগরিকদের বিশ্বাস দৃঢ় হয় যে, মিথ্যার বেসাতি করে ওদের গড়ে তোলা সব বালির প্রাসাদগুলো অদূর ভবিষ্যতে এক এক করে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়বে। ওঁরা অনুভব করেন, যে কোন ধর্মকে রাজনীতির আঙিনায় নামিয়ে আনলে, সেখানে অধর্ম ঢুকে পড়বেই। এই নিয়ে ছাত্র ছাত্রীরা পড়াশোনা করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বেশ কিছু প্রবন্ধ পড়ে অরুনিমা একটি ছোট নিবন্ধ লিখে সভায় পাঠ করে।

—“ধর্ম যদি শক্তির হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তবে সে আর ধর্ম থাকেনা, সে হয়ে ওঠে অত্যাচারের যন্ত্র।” রবীন্দ্রনাথ তথাকথিত হিন্দু গৌরব বা অতীত-নির্ভর রাজনীতির বিরুদ্ধেও ছিলেন। তিনি লিখেছেন –“আমি হিন্দু নই, মুসলমান নই, আমি ভারতবাসী,আমি মানুষ।” তিনি আশঙ্কা করেছিলেন –ধর্মের জোরে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা মানেই সংখ্যালঘুর উপর নৈতিক ও রাজনৈতিক নিপীড়নের পথ খুলে দেওয়া। রবীন্দ্রনাথের কাছে –

ধর্ম = মানবিকতা, নৈতিকতা, আত্মিক সাধনা। রাজনীতি = ক্ষমতা, রাষ্ট্র, শাসনব্যবস্থা। আর

এই দুইয়ের মেলবন্ধন ঘটালে, তা হয়ে ওঠে এক বিপজ্জনক, অমানবিক ও ধ্বংসাত্মক প্রকল্প।

সাথী, একশো বছর আগের লেখা আজ হুবুহু মিলে যাচ্ছে। তাই মানুষের মতো বাঁচতে হলে আমাদের সাহিত্যিক, শিল্পীদের কাছে ফিরে যেতে হবে বারেবারে। সভা শেষ হয় চপ-মুড়ি, চা, আর দরবেশ সহযোগে। 

তাঁরা বুক ভরা শ্বাস নিয়ে নতুন এক সমাজ, মানবিক সমাজ, সহযোগিতা মূলক সমাজ ব্যবস্থার স্বপ্ন হৃদয়ে গেঁথে নিয়ে ঘুমাতে যান পরম শান্তিতে।

 

 

 

 

0 Comments

Post Comment