পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

মুড অফ দ্য নেশন - ৩৭০ না ২২০?

  • 09 May, 2024
  • 0 Comment(s)
  • 734 view(s)
  • লিখেছেন : অনিকেত চট্টোপাধ্যায়
মজা হলো মুড অফ দ্য নেশন কখন যে পালটে যায়, বুঝতেই পারবেন না, বা বলা যাক আসল মুড অফ দ্য নেশন ঠিক বেরিয়ে আসবে তাকে রামলালা দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না। আর মানুষের মেজাজ? দেখে নিন ছবিটা, মুসোলিনি আর তাঁর প্রেয়সী ঝুলছে, মেরে ক্ষান্ত হয়নি ইটালির জনগণ, তাকে উলটো করে ঝুলিয়েছে। এবং সবাই জানে তার মাত্র দু তিন বছর আগে মুসোলিনীকে দেখলে মানুষ হাত তুলে সেলাম জানাতো, জানতে বাধ্য হতো, সেলামটাকেই মুড অফ দ্য নেশন ভেবে নিলে চাপ আছে স্যর।

সত্তর দশকের এক নেতার মুখে শুনেছি, জেল হল এক বিরাট পাঠশালা, সেখানে বসে নিজেদের তৈরি করা যায় আগামী লড়াই এর জন্য, ঐ জেলে বসেই এক বোবা প্রতিবাদহীন সময়কে এক ঝোড়ো প্রতিবাদ আর আন্দোলনের রাস্তায় নিয়ে যায়, পৃথিবীর ইতিহাস তাই বলে। বীরেন চট্টোপাধ্যায় সেই কবেই লিখেছিলেন 

‘মুখে যদি রক্ত ওঠে

সে-কথা এখন বলা পাপ।

এখন চারদিকে শত্রু, মন্ত্রীদের চোখে ঘুম নেই,

এ-সময়ে রক্ত বমি করা পাপ; যন্ত্রণায় ধনুকের মতো

বেঁকে যাওয়া পাপ; নিজের বুকের রক্তে স্থির হয়ে শুয়ে থাকা পাপ। ’

হ্যাঁ এক বোবা সময়ের বর্ণনা তিনি দিয়েছিলেন। তাকিয়ে দেখুন আমার আজকের স্বদেশের দিকে। দেশের জন্য যাঁরা আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে সোনা আনলেন, রুপো আনলেন, প্রকাশ্যেই যাঁরা এক বাহুবলি বিজেপি নেতাকে তাঁদের শ্লীলতা হানির জন্য দায়ী করলেন, সেই অভিযুক্ত ধর্ষক পেলো পুরস্কার, তাঁর ছেলেকে দেওয়া হল লোকসভায় যাবার টিকিট। তাকিয়ে দেখুন যে ছেলেটি উদ্ধত এক জিপগাড়ির চাকার তলায় চারজন কৃষককে চিপে পিষে মেরে ফেললো, সে এখন তার পিতাশ্রী যিনি নাকি আবার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, এবারেও নির্বাচনে বিজেপির টিকিট পেয়েছেন, তাঁর প্রচার করছেন, মিটিং করছেন, প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছেন , কিসিকা মাই কা লাল কা হিম্মত নহি, যো মুঝে জেল ভেজে। তাকিয়ে দেখুন একজন হ্যাবিচুয়াল রেপিস্ট, যার এরকম নারী নির্যাতনের ভিডিও তুলে দেওয়া হয়েছিল বিজেপি শীর্ষ নেতাদের হাতে, সেই প্রোজ্জ্বল রেভান্না কর্ণাটকে হাসান আসনে বিজেপি জেডি এস জোটের প্রার্থী হয়েছেন, তাঁর হয়ে ক্যাম্পেইন করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী, যিনি মাতৃশক্তির কথা বলেন। তাকিয়ে দেখুন জেলেই আছেন ছাত্র নেতা জে এন ইউ র পি এইচ ডি করা ছাত্র উমর খালিদ, এখনও জামিন পান নি, কিন্তু ঐ ইউপির বাহুবলি ধনঞ্জয় সিং জামিন পেয়েই জৌনপুরে চলে গেলেন যেখান থেকে লড়ছেন তাঁর স্ত্রী বিএসপির টিকিটে, বিএসপি আর একটু ভোট কেটে নিলেই বিজেপি সমাজবাদী দলকে হারিয়ে দেবে। তাকিয়ে দেখুন বিজেপির অন্তত সেই তিন জন নেতা প্রাক্তন সাংসদ বা মন্ত্রীদের দিকে যাঁরা প্রকাশ্যেই বলেছেন আমাদের ৪০০টা আসন চাই কারণ আমরা সংবিধান কে বদলে দিতে চাই, না তারা সংশোধনের কথা বলেন নি, পরিবর্তন লায়েঙ্গে, নয়া সংবিধান লায়েঙ্গে, এই কথা বলেছেন, তাঁদের জেলে থাকার কথা কিন্তু তাঁরা নির্বাচনের প্রচার করছে। তাকিয়ে দেখুন দেশের প্রধানমন্ত্রী দেশের সমস্ত বিরোধী নেতাদের পাকিস্থানের সমর্থক বলছেন। তাকিয়ে দেখুন দেশের প্রধানমন্ত্রী জনসভাতে দাঁড়িয়ে বলছেন আপনা তৈরি হন, কংগ্রেস ক্ষমতায় আসলে সংখ্যালঘু মুসলমানেরা আপনাদের মঙ্গলসূত্রও কেড়ে নেবে। হ্যাঁ দেশের প্রধানমন্ত্রী মূর্খের মত কথাতো বলতেনই, এখন শয়তানের ভাষা শোনা যাচ্ছে ওনার গলায়। তাকিয়ে দেখুন দেশের সমস্ত বড় সংবাদ মাধ্যমের দিকে, দু একটা হাতে গোনা ব্যতিক্রম ছাড়া প্রত্যেক সংবাদ মাধ্যম সরকারের হয়ে ঢ্যাঁড়া পেটাচ্ছে। এই সংবাদ মাধ্যমের একজনেরও এই প্রশ্নও করার সাহস নেই যে আপনি যে কথা বললেন, ঐ সংখ্যলঘুরা কেড়ে নিয়ে যাবে হিন্দু মা বোনেদের মঙ্গলসূত্র, একটু ব্যাখ্যা করে বলুন, সেই মোগল আমলেও তো এমন কথা শোনা যায় নি, শোনা যায়নি ৪৭ সাল থেকে, আপনারা ক্ষমতায় আসার পর থেকে ক্রমাগত শুনেই যাচ্ছি হিন্দু খতরে মে হ্যায়। তাকিয়ে দেখুন প্রত্যেক প্রতিবাদীর মুখে লাগাম পরানো হয়েছে, হচ্ছে, কেনা হচ্ছে, ভয় দেখিয়ে থামানো হচ্ছে, নাকি চীনের টাকা এসেছিল, তাই নিউজ ক্লিকের দপ্তরে তালা আর সম্পাদক জেলে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এ চালু হয়েছে ঠোক দো আর বুলডোজার সংস্কৃতি, তাকিয়ে দেখুন এদেশের মূখ্যমন্ত্রী, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রি প্রকাশ্যে উলটো করে লটকে ধোলাই দেবার কথা বলছেন। এটাকেই বলে এক প্রতিবাদহীন বোবা সময়। আবার বীরেন চট্টোপাধ্যায়ের ভাষাতেই বলি,

‘দীর্ঘ দেবদারু বীথি কোন আকাশ দেখে না

এখন আকাশ জুড়ে নষ্ট চাঁদ, শুরু হবে পিশাচের নাচ;

এখন বাতাস দগ্ধ দুধকলা দিয়ে পোষা সাপের নিঃশ্বাসে...

ভাল আছে নিরাপদ– আমাদের মাননীয় মানব সমাজ।’

ঠিক এই মূহুর্তে দেশের ২৭% মানুষ একবেলা না খেয়েই শুতে যান, ৮০ কোটি মানুষকে বসে থাকতে হয় ৫ কেজি ফ্রি আনাজের জন্য, সে আনাজের প্যাকেটে মোদিজীর ছবি থাক বা হিটলারের, তার জন্যেই হাপিত্যেশ বসে থাকেন দেশের প্রতি সাতজনের চারজন। পরিশ্রুত পানীয় জল পায়না দেশের ১৯% মানুষ। তাকিয়ে দেখুন দেশের মানুষের রোজগার বাড়ছে না, প্রকৃত মূল্যে কমছে আর সেই আবহে দাঁড়িয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী ফাইভ ট্রিলিয়ন ইকোনমির কথা বলছেন, আর তাই শুনে ঢাক বাজাচ্ছে সভাসদ, ভাঁড়ের দল। এক নতুন কায়দায় প্রচার শুরু হয়েছে। ক্ষণে ক্ষণে দেশের মানুষ নিজেরাই অবাক হয়ে দেখছেন সংবাদ মাধ্যম মুড অফ দ্য নেশন এনে হাজির করছে, মানে দেশের মানুষ চায় তা কি? সেটা মিডিয়া জানাচ্ছে। কেউ জানে না, কার সঙ্গে কথা বলে এই মুড জানা গ্যালো কিন্তু তার ব্যাখ্যা আসছে।  ২০১৯, মোদিজী দ্বিতীয়বার জিতে আসলেন, বিজেপি কত শতাংশ ভোট পেয়েছিল? ৩৭%, হ্যাঁ মাত্র ৩৭%। আমাদের দেশের নির্বাচনী পদ্ধতির কাঁথায় আগুন দিয়ে, কোটি কোটি টাকা খরচ করে, প্রচারের সবটুকু আলো শুষে নেবার পরেও ভোট ঐ ৩৭%। ২০১৪-১৫ মোদিজী ক্ষমতায় আসছেন, জিডিপি ৮%, ২০১৬ - ৮.২৬%, ২০১৭ – ৭.০৪%, ২০১৮ – ৬.১২%, ২০১৯ – ৫.০২%, ২০২০ র জিডিপি ৪ % ২১ এ ৫.৬% ২২ এ ৫.১% ২৩ এ ৪.৯% কিন্তু এ নাকি এবার ওপরে যাবে, হু হু করে উঠবে।  দুষ্টু অর্থনীতিবিদরা বলছেন ৪% এর ওপরে নাকি সম্ভব নয়। আর খাতায় কলমে জিডিপি বাড়লেই বা কি? জিনিষ পত্রের দাম অগ্নিমুল্য, পেট্রল ডিজেলের দাম বাড়ছে, টাকার দাম তলানিতে, ডিমনিটাইজেশন আর জি এস টির মারে মিডিল, স্মল স্কেল ইন্ডাস্ট্রি, এমএসএমই সেক্টরে ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে, কিন্তু টাইমস অফ ইন্ডিয়ার মুড অফ দ্য নেশন, দেশের মেজাজ ফুরফুরে, এমন কি শেখর গুপ্তার মত প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকও প্রশ্ন তুলছেন না, বলছেন না যে এটা কী করে সত্যি হতে পারে? হিন্দি হার্ট ল্যান্ড, বাংলা ওড়িষা, থেকে লাখে লাখে পরিযায়ী শ্রমিকের নিদারুণ কষ্ট, কৃষকদের আত্মহত্যা, বেকারত্বের জ্বালার সামনে মুড অফ দ্য নেশনে বলা হচ্ছে, করোনা পরিস্থিতি তে ১০০ জনের মধ্যে ৭৭ জনেরই মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী দারুণ ভালো কাজ করেছেন।

অর্থনীতির আরো নিচে নেমেই চলেছে আর মুড অফ দ্য নেশন মোদীজীর পক্ষে উঠছে তো উঠছেই, এসব শুনে মাফ করবেন আমার এক ফাজিল বন্ধু বললো মুড অফ দ্য নেশন কি রাঁচির পাগলা গারদের? নাকি মুড অফ দ্য নেশনে কোনও বিশেষ তেল মাখানো হয়েছে?

আসলে মুড অফ দ্য নেশনের নাম করে দেশের মানুষের সামনে হতাশার এক কালো দেওয়াল কে তুলে ধরতে চায় মোদি মিডিয়া, জানাতে চায় এর কোনও বিকল্প নেই, মোদী কে ফুয়েরার বানাতে চায়, সেই নেতা যিনি ভুল করতে পারেন না, যিনি ভুল করতে জানেন না, সেই নেতা যাঁর নির্দেশে আগুনে ঝাঁপ দেওয়া চলে, সেই নেতা যিনি হ্যাঁ বললে হ্যাঁ বলতে হয়, না বললে না। পরিণাম সব্বার জানা, গোটা পৃথিবী এত ধ্বংশ এত মৃত্যু কখনও দেখে নি, আর এস এস বিজেপি মোদিজী কে ফুয়েরার বানাতে চায়।

ঠিক তাই মোদিজী থেকেই শুরু হতে হবে দেশের ইতিহাস, যেহেতু আরএসএস বা বিজেপির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে ভূমিকা বিশ্বাসঘাতকের, মুচলেকা দিয়ে জেল থেকে ছাড়া পাবার, ইংরেজদের সমর্থন করার, ইংরেজদের খবর দেবার তাই আজ তারা জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম কে ভোলাতে চায়, তাদের কাছে ১৫ আগস্ট নয় তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ৫ আগস্ট, যে ইতিহাস কে তারা জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের উল্টোদিকে বসাতে চায়, রাম মন্দিরের জন্য যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাঁদের কথা স্মরণ করতে বলেছেন, কঙ্গণা রানাওয়াত  এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র ভাই দামোদর দাস মোদী। এতাই সেই বোবা প্রতিবাদহীন সময়, কিন্তু মজা হলো মুড অফ দ্য নেশন কখন যে পালটে যায়, বুঝতেই পারবেন না, বা বলা যাক আসল মুড অফ দ্য নেশন ঠিক বেরিয়ে আসবে তাকে রামলালা দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না। আর মানুষের মেজাজ? দেখে নিন ছবিটা, মুসোলিনি আর তাঁর প্রেয়সী ঝুলছে, মেরে ক্ষান্ত হয়নি ইটালির জনগণ, তাকে উলটো করে ঝুলিয়েছে। এবং সবাই জানে তার মাত্র দু তিন বছর আগে মুসোলিনীকে দেখলে মানুষ হাত তুলে সেলাম জানাতো, জানতে বাধ্য হতো, সেলামটাকেই মুড অফ দ্য নেশন ভেবে নিলে চাপ আছে স্যর। তাকিয়ে দেখুন কৃষকদের অন্ন নেই, তাঁদের আয় দ্বিগুণ করার ঝুটা ওয়াদা তারা শুনেছে, এখন এক গাছা দড়ি হাতে চলে যায় অন্ধকারে অশ্বথ্বের ডালে ঝুলে পড়তে। আবারও বীরেন চট্টোপাধ্যায়ের ভাষাতেই বলি

‘আজও খুনি হেঁটে যায় প্রত্যেকের চোখের সামনে

মায়ের চোখের জল, শিশুর লহুতে ভাসা আমার স্বদেশে।

কেউ নেই তাকে প্রশ্ন করে, কেউ নেই প্রকাশ্য রাস্তায় তার কাঁধে

হাত রেখে বলে– তোমার বিচার হবে। ’ লক্ষ কোটি মানুষ বিচার চাইছে। আর সেই আর্তনাদের আড়ালেই নতুন সময় জন্ম নিচ্ছে। জন্ম নিচ্ছে প্রতিবাদ আর প্রতিবাদের নতুন ভাষা। কৃষকরা বশ্যতা মেনে নিতে অস্বীকার করছেন। যে কলমকে থামানোর চেষ্টা হচ্ছিল, তারা আজ রবিশ কুমার, পূণ্য প্রসূন বাজপেয়ী, ধ্রুব রাঠিদের ইউটিউব আর সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝরে পড়ছে, দেশের দক্ষিণে ভ্যানিস হয়েছে স্বৈরতন্ত্রের ছায়া। হ্যাঁ জন্ম নিচ্ছে নতুন সময়। নাজিম হিকমতের লেখা জেলখানার চিঠিই ভাল হবে এই মূহুর্তে, ঘন অন্ধকারের মধ্যেই তো এক সূর্যোদয় লুকিয়ে থাকে। জেলখানাতেই জন্ম হয় শ্রীকৃষ্ণের।

কৃষ্ণপক্ষ রাত্রে কোথাও আনন্দ সংবাদের মতো

ঘড়ির টিকটিক আওয়াজ,

বাতাসে গুনগুন করছে মহাকাল

আমার ক্যানারির লাল খাঁচায় গানের একটি কলি

লাঙল চষা ভুঁইতে

মাটির বুক ফুঁড়ে উদ্গত অঙ্কুরের দুরন্ত কলরব

আর এক মহিমান্বিত জনতার বজ্রকণ্ঠে

উচ্চারিত ন্যায্য অধিকার_

এক ন্যায্য অধিকারের লড়াই শুরু হয়েছে, ফর্মুলা সেই একই, বহুকাল আগে ভগৎ সিং এর হিন্দুস্থান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক অ্যাসোসিয়েশন এর মঞ্চ থেকে উনি বলেছেন ব্রিটিশদের সরালেই হবে না, তার বদলে কালো চামড়ার শাসক বসালেই হবে না, নতুন সমাজের কথা বলতে হবে, নতুন এক সমাজের জন্য লড়তে হবে। আজ যারাই এই স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে তাদের প্রত্যেককে সঙ্গে নিয়ে এই দৈত্যকে মেরে নতুন করে ঘর গোছাতে হবে। আর সেই প্রতিবাদহীন বোবা সময় কে পার করে সাম্য মৈত্রী স্বাধীনতার কথা বলতে হবে। 

0 Comments

Post Comment