পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

SIR-এর শুনানি: রাষ্ট্র যখন নাগরিককে অভিযুক্ত বানায়, বেনাগরিক ঘোষণা করে

  • 01 January, 1970
  • 0 Comment(s)
  • 203 view(s)
  • লিখেছেন : সন্তোষ সেন
হরেন মণ্ডল ভিড়ের মধ্যেই দাঁড়িয়ে। তিনবার এসেছেন, আজ চতুর্থবার। প্রতিবারই কিছু না কিছু কাগজ “অসম্পূর্ণ” বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোন কাগজ? কে বলবে? নোটিশে লেখা থাকে –“প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ উপস্থিত হবেন।” প্রয়োজনীয় বলতে ঠিক কোনটা, সেটা যেন এক রহস্য। প্রযুক্তির সাহায্যে হরেন মণ্ডলদের বাদ দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের এই চক্রান্ত কীভাবে থামবে? কারা এই নিয়ে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন করবে? সুপ্রীম কোর্ট কতদিন দেখেও না দেখার ভান করবে?

ভোরের আলো ঠিকমতো ফুটে ওঠার আগেই বাসস্ট্যান্ডে ভিড় জমতে শুরু করেছে। কারও হাতে নথির ফাইল, কারও হাতে পুরনো আবেদনপত্র, কারও চোখে অনিশ্চয়তার ছাপ। আজ SIR-এর শুনানি। আজ নাকি সব সমস্যার সমাধান হবে। জমির কাগজ ঠিক হবে, ক্ষতিপূরণ মিলবে, চাকরির তালিকায় নাম উঠবে। অন্তত অভিযোগটা শোনা হবে।

হরেন মণ্ডল ভিড়ের মধ্যেই দাঁড়িয়ে। তিনবার এসেছেন, আজ চতুর্থবার। প্রতিবারই কিছু না কিছু কাগজ “অসম্পূর্ণ” বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোন্ কাগজ? কে বলবে? নোটিশে লেখা থাকে –“প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ উপস্থিত হবেন।” প্রয়োজনীয় বলতে ঠিক কোনটা, সেটা যেন এক রহস্য।

 

শুনানির ঘরের বাইরে লম্বা লাইন। মাঝে মাঝে একজন করে ঢুকছে, বেশিরভাগই বেরিয়ে আসছে নত মাথায়। কারও চোখে জল, কারও মুখে চাপা ক্ষোভ। ভিড়ের মাঝে এক রোগা প্যাংলা লোক হলুদ দাঁত বের করে ফিসফিস করে বলে –

“আজ SIR খুব ব্যস্ত। আপনার পক্ষে বারবার আসা সম্ভব নয়। একটু বুঝে দিলে আজই কাজ হয়ে যাবে।”

হরেন কথাটা শুনেও না শোনার ভান করে। তার মতো মানুষদের কাছে ‘বুঝে দেওয়া’ মানে মাসের বাজার উধাও হয়ে যাওয়া।

ভিতরে ঢোকার সময় ঘড়িতে তখন দুপুর। SIR উঁচু চেয়ারে বসে, টেবিল জুড়ে ফাইলের পাহাড়। চোখ ওঠে না, শুধু প্রশ্নবাণ ছুটে আসে –“আগে কেন আসেননি?”

“এই কাগজটা কোথায়?”

“আপনি নিয়ম জানেন না?”

উত্তর দিতে গিয়ে হরেনের গলা জড়িয়ে যায়। সে জানে না কোন্ নিয়মের কথা বলা হচ্ছে। নিয়মগুলো যেন কেবল কাগজে লেখা।  মানুষের জীবনে নয়। SIR-এর কলম থামে না, কিন্তু মানুষের কথা শোনার সময় নেই।

 

বাইরে অপেক্ষা করা নারীটি আরও অসহায়। তার স্বামীর মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ আটকে আছে তিন বছর। প্রতিবার শুনানিতে এসে নতুন নতুন কাগজের তালিকা হাতে পায়। আজও পেল। তার চোখে প্রশ্ন –এই কাগজগুলো কি তার স্বামী বেঁচে থাকতে জোগাড় করে যাওয়ার কথা ছিল?

 

SIR-এর শুনানির দিন মানেই প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভোর থেকে মানুষের সারি। এরা কেউ অপরাধী নয়, কেউ রাষ্ট্রদ্রোহী নয়। এরা দেশের নাগরিক। নাগরিকদেরই দাঁড় করিয়ে রাখা হয় অভিযুক্তের মতো, যেন রাষ্ট্রের কাছে কিছু চাইবার অধিকারটাই এক অপরাধ।

 

কিছুটা টোটো, কিছুটা ছেলের পিঠে চেপে এসেছেন ধনঞ্জয় দাস। ভিড়ের এক কোণে বসে আছেন সত্তর ছুঁইছুঁই ধনঞ্জয়বাবু। হাঁটতে পারেন না। হাঁটু ফুলে আছে। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। তবু তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে “স্বশরীরে উপস্থিত” থাকার জন্য। ছেলের কাছে শুনেছেন, না গেলে ফাইল ‘ক্লোজ’ হয়ে যাবে। রাষ্ট্রের কাছে বয়স, অসুস্থতা, শারীরিক অক্ষমতা, কিছুই গ্রহণযোগ্য অজুহাত নয়।

 

শুনানির ঘর থেকে SIR-এর শীতল, কর্তৃত্বপূর্ণ, প্রশ্নবিদ্ধ না হওয়া এক ভাষা ভেসে আসে –

“এতদিন কোথায় ছিলেন?” আপন মনে বলে  “যত্তসব হাড় হাভাতের দল"।

এই প্রশ্নগুলোর কোনওটাই সমস্যার সমাধানের জন্য নয়। এগুলো শাসনের প্রশ্ন, দমন করার প্রশ্ন। যেন নাগরিক নিজেই দোষী। দরিদ্র হওয়ার দোষে, অসুস্থ হওয়ার দোষে, বেঁচে থাকার দোষে।

বৃদ্ধা  কমলা দাসী মেঝেতে বসে পড়েছেন। রোদে মাথা ঘুরছে। জল নেই, বসার চেয়ার নেই। নিরাপত্তারক্ষী বলে উঠল –

“লাইন ভাঙবেন না। নিয়ম মানতে হবে।”

নিয়ম এখানে মানুষের শরীরের ওপর চড়ে বসা এক অমানবিক যন্ত্র। অসুস্থতা এখানে বিশৃঙ্খলা।

 

SIR-এর টেবিলে ফাইলের স্তূপ। প্রতিটি ফাইলের ভেতর লুকিয়ে আছে কোনও না কোনও মানুষের জীবন। ক্ষতিপূরণ, পেনশন, জমি, চিকিৎসা, বেঁচে থাকার নূন্যতম নিশ্চয়তা। কিন্তু ফাইলের ভার এত বেশি যে মানুষের আর ওজন থাকে না।

 

আর এক বৃদ্ধ বিরাজ মান্ডি কাঁপা হাতে কাগজ বাড়িয়ে দিলে SIR না তাকিয়েই বলেন –

“এটা তো ঠিক ফরম্যাটে নেই। আবার আসুন।”

‘আবার আসুন’ –এই দু’টি শব্দই রাষ্ট্রের সবচেয়ে নিষ্ঠুর বাক্য। কারণ এর মানে আরও কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা, আরও কয়েক মাস অপেক্ষা, আরও একটু শরীর ভেঙে পড়া।

 

এই সবই আসলে রাষ্ট্রের ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি। যেখানে ন্যায় পেতে ঘুষ দিতে হয়, আর অসুস্থতা নিজেই অপরাধ। SIR-এর শুনানি আদতে কোনও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটি ক্ষমতার প্রদর্শনী। এখানে প্রশ্ন করার অধিকার নেই। কেবল মাথা নোয়ানোর অনুশীলন। বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষদের এখানে বিশেষভাবে ভাঙা হয়। কারণ, তাঁরা প্রতিবাদ করতে পারেন না। দৌড়োতে পারেন না, আবার আসতেও পারেন না।

শুনানি শেষে ঘোষণা হয়—

“আজকের মতো সময় শেষ। বাকিদের পরের ডেটে ডাকা হবে”।

 

তারিখ পে তারিখ!

কিন্তু মানুষগুলোর শরীরের সময় তো শেষের পথে। রাষ্ট্রের ক্যালেন্ডার আর মানুষের আয়ু এখানে এক নয়।

 

এই শুনানিতে রাষ্ট্র নিজেকে বিচারক বানায়, আর নাগরিককে অপরাধী। বিশেষ করে বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষদের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা নিছক অবহেলা নয়। এটি কাঠামোগত নিষ্ঠুরতা। এ এক নীরব সহিংসতা, যেখানে রক্ত পড়ে না, কিন্তু জীবন প্রতিদিন একটু একটু করে ক্ষয়ে যায়।

SIR-এর চেয়ার অটুট থাকে। ফাইলের পাহাড় বাড়ে। আর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের শরীরগুলো ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের ভার বইতে না পেরে ভেঙে পড়ে।

ভিড়ের মধ্যে গুঞ্জন ওঠে। কেউ বলে, “সবই নাটক।” কেউ বলে, “SIR ভালো মানুষ, কিন্তু সিস্টেম খারাপ।” আবার কেউ চুপচাপ বাড়ির পথে হাঁটে, কারণ প্রতিবাদ করার শক্তিটুকুও নেই।

এই SIR-এর শুনানি আসলে কেবল একটি অফিসিয়াল প্রক্রিয়া নয়। এটি ক্ষমতা আর অসহায়তার মুখোমুখি হওয়া। এখানে জনগণ আসে ন্যায়ের আশায়। ফিরে যায় ক্লান্তি আর অপমান নিয়ে। প্রশ্ন করার অধিকার এখানে অনধিকার চর্চা। নীরব থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে শেখানো হয়।

 

তবু মানুষ আসে। আবারও আসে। কারণ বিকল্প নেই। SIR বদলায়, তারিখ বদলায়, কিন্তু শুনানির চরিত্র বদলায় না। কাগজের পাহাড় বাড়ে, জীবনের ক্ষয় বাড়ে। আর রাষ্ট্রের দরজায় দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ প্রতিদিন শিখে যায় –ন্যায় চাইতে গেলে কতটা হয়রানি সহ্য করতে হয়।

এই গল্প কোনও একজনের নয়। এই গল্প প্রতিদিনের। SIR-এর শুনানি শেষ হয়, কিন্তু জনগণের হয়রানির শুনানি কখনও শেষ হয় না।

 

অন্য কোন এক কেন্দ্রে এক অশীতিপর ন্যুব্জ বৃদ্ধ কোনক্রমে দাঁড়িয়ে। হাতে ফাইল। হাঁটতে কষ্ট। একটু থেমে থেমে কথা বলেন।

আমি দাঁড়িয়ে আছি, SIR।

না, দাঁড়িয়ে নয়, টিকে আছি।

এই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাটাই আজ আমার নাগরিক পরিচয়।

আবার সেই শীতল কর্কশ কণ্ঠ –

“এত দেরি কেন?”

আমি বলব কী করে, SIR?

আমার হাঁটুর ব্যথা কি আপনার নোটিশে লেখা ছিল?

আমার শ্বাসকষ্ট কি সরকারি গেজেটে ছাপা হয়?

আমাকে বলা হয়েছে—

“স্বশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে।”

রাষ্ট্রের কাছে আমার শরীরটাই প্রমাণ।

ভেঙে পড়া শরীর, কাঁপা হাত—

এইটাই আমার আবেদনপত্র।

ফাইল উঁচু করে ধরে বৃদ্ধ বলেন –

“এই কাগজগুলোর ভেতরে আমার জীবন।

কিন্তু আপনার চোখে আমি কেবল একটা কেস নম্বর। একটা ফাইল। একটা ঝামেলা।”

বসতে চাইলে আপনার পেয়াদা বলে –

“লাইন ভাঙবেন না।”

কী আশ্চর্য নিয়ম, SIR!

মানুষ ভেঙে পড়তে পারে,

কিন্তু লাইন ভাঙতে পারে না।

 

তিক্ত হেসে বৃদ্ধ আবার বলেন –

আমার পাশে এক বৃদ্ধা অজ্ঞান হয়ে গেল।

জল নেই। ছায়া নেই।

কিন্তু নিয়ম আছে।

নিয়ম আছে, তবে মানুষ বাদে।

আপনারা বলছেন –“ঠিক ফরম্যাটে ফর্ম ভর্তি হয়নি।”

ঠিক ফরম্যাট!

আমার অসুখ কি ভুল ফরম্যাটে হয়েছে, SIR?

আমার বার্ধক্য কি সরকারি সার্কুলার না মেনে এসেছে?

আমাকে আবার আসতে বলছেন।

“পরের তারিখে আসুন।”

আপনি জানেন, SIR—

পরের তারিখটা আমি পাব কিনা,

তা আমার ডাক্তারও জানেন না।

 

ভিড়ের মধ্যে ধীরে ধীরে রাগ জমে।

বাইরে একজন ফিসফিস করে বলল –

“ম্যানেজ করলে আজই হয়ে যাবে।”

তাহলে বলুন, SIR—

এটা শুনানি নয়, বাজার।

এখানে ন্যায় বিক্রি হয়,

আর অসুস্থ মানুষরা ক্রেতা হতে না পেরে ফেরত যায়।

আপনি উঁচু চেয়ারে বসে আছেন।

আমি নীচে।

এই উচ্চতার ফারাকটাই রাজনীতি।

এই দূরত্বটাই রাষ্ট্র।

 

বৃদ্ধের কণ্ঠ ভারী হয় –

SIR, আমি অপরাধী নই।

আমি শুধু বুড়ো। আমি অসুস্থ।

এই দেশে এই দুটোই সবচেয়ে বড় অপরাধ।

আজ আপনার সময় শেষ হয়েছে।

আমার সময়ও শেষ হয়ে আসছে।

কিন্তু পার্থক্য জানেন?

আপনি কাল আবার বসবেন চেয়ারে।

আর আমি?

আমি থাকব কিনা, তা রাষ্ট্রের কোনও ফাইলে লেখা নেই।

একদিন, SIR –

এই চেয়ার, এই ফাইল, এই শুনানি সবই কাঠগড়ায় দাঁড়াবে।

আর তখন আর কোনও লাইন থাকবে না।

কেবল মানুষের প্রশ্ন থাকবে।

আলো ধীরে ধীরে নিভে যায়।

 

পাড়ার ল্যাম্প পোস্টের মৃদু আলোয় জোর চর্চা চলছে –কে যেন এক রাজনৈতিক মস্তান বলেছিল, এক কোটি রোহিঙ্গা ও মুসলিম বাদ যাবে। কিন্তু এ তো দেখি আমাদের মতো গরীব হিন্দু, কৃষক, পরিযায়ী শ্রমিক, দলিত, আদিবাসী, মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদেরই বেশি ডাকা হচ্ছে হিয়ারিং-এ। এ তো পুরো ভোল বদল। যদিও গরীব মেহনতি বেশ কিছু মুসলিম জনতাকেও হেনস্থা করা হচ্ছে। মব লিঞ্চিং চলছে দেশ জুড়ে।

এক ফিচকে ছেলে বলে, সত্যিই হিন্দু খতরে মে হ্যায়। রাষ্ট্রের ও হিন্দুত্বের ঠিকাদারি নেওয়া দলের আসল উদ্দ্যেশ্য, দেশের সত্যিকারের নাগরিকদের বেনগরিক করে দেওয়া। বোঝা লাঘব করার এক অভিনব উপায় বের করেছে ওরা। কলমের খোঁচায় বেড়াল রুমাল হয়ে যাচ্ছে। জ্যান্ত মানুষ ভূত হয়ে যাচ্ছে। ভোটাররা নেই হয়ে যাচ্ছে। এ তো বেশ রঙ্গ ভাই।

 

শহরের আড্ডায় আলোচনা আর একটু উচ্চ মার্গের। অমর্ত্য সেন মহাশয়কেও ডাকা হয়েছে। সরকার আর কমিশনের কি মাথা খারাপ হয়ে গেল? ওদের কাছে কি কোন নথি নেই? নাকি সবই বদমায়েশি। হাজার লক্ষ মানুষকে ডি-ভোটার করে দিয়ে বাংলা দখলের চক্রান্ত?

একজন বলে ওঠে –অমর্ত্য সেন তো কোন্ ছার! রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে লম্বা দাঁড়ি আর জোব্বার জন্য ডাক পেতেন। ভদ্রলোক মরে বেঁচেছেন!

 

অন্যদিকে কারা যেন চিলাচ্ছে –কমিশন নিয়ম মেনেই সব কাজ করছে। উনিজি থাকলে না মুম্কিন। আমরা সবাইকে নাগরিক পরিচয়পত্র দিয়ে আবার ঠিক ভোটার করে দেব। এবার রোহিঙ্গা আর মুসলিমদের তাড়ানো গেল না ঠিকই। কিন্তু ক্ষমতায় এলে সব বুঝে নেব। চুন চুন করে মেরে গঙ্গায়, পদ্মায় ভাসিয়ে দেব।

 

তবু, তবুও, দূরে, অনেক দূরে রাতজাগা পাখিরা ডেকে ওঠে –জয় মানবতার জয়। জয় মনুষ্যত্বের জয়।

মানুষ একদিন ঠিকই সরকারের পেয়াদা ও রাজনীতির গুণ্ডাদের লাইনে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করবে –তোমার কাগজ কোথায়? মানুষের আদালতে তোমাদের গণ শুনানি হবে। তোমাদের বিচার হবে। ন্যায় বিচার।

 

 

 

0 Comments

Post Comment