পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh
ব্যঙ্গচিত্র

পুরানো লেখাগুলি

বাংলাতে কেন এমন ফল বামেদের ৫

বাংলায় বামেদের কেন এমন হতাশাজনক ফল হলো, এর থেকে বেরোনোর রাস্তাই বা কী? এই নিয়ে একটি ধারাবাহিক আলোচনা করলেন গৌতম রায়। পঞ্চম পর্ব।

বাংলাতে কেন এমন ফল বামেদের ৪

বাংলায় বামেদের কেন এমন হতাশাজনক ফল হলো, এর থেকে বেরোনোর রাস্তাই বা কী? এই নিয়ে একটি ধারাবাহিক আলোচনা করলেন গৌতম রায়। চতুর্থ পর্ব।

বাংলাতে কেন এমন ফল বামেদের ৩

বাংলায় বামেদের কেন এমন হতাশাজনক ফল হলো, এর থেকে বেরোনোর রাস্তাই বা কী? এই নিয়ে একটি ধারাবাহিক আলোচনা করলেন গৌতম রায়। তৃতীয় পর্ব।

বাংলাতে কেন এমন ফল বামেদের ২

বাংলায় বামেদের কেন এমন হতাশাজনক ফল হলো, এর থেকে বেরোনোর রাস্তাই বা কী? এই নিয়ে একটি ধারাবাহিক আলোচনা করলেন গৌতম রায়। দ্বিতীয় পর্ব।

বাংলাতে কেন এমন ফল বামেদের ১

বাংলায় বামেদের কেন এমন হতাশাজনক ফল হলো, এর থেকে বেরোনোর রাস্তাই বা কী? এই নিয়ে একটি ধারাবাহিক আলোচনা করলেন গৌতম রায়। প্রথম পর্ব।

বাতাসি

বাতাসি ব্যাঙের মতো লাফিয়ে দাপিয়ে,ধপধপ আওয়াজে হেঁটে পুরোতল্লাট চষে বেড়ায়। মুখে বোল নেই কিন্তু সারাক্ষণ হাসে, কারণে-অকারণে হাসে ! খিলখিলিয়ে হাসে, কাঁচেরচুড়ি ভাঙ্গার ঝুনঝুন শব্দে হাসে। সুখেও হাসে, কড়া দুঃখেও হাসে। মেয়েটির হাসির ব্যামু আছে!

২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের রায় – একটি প্রাথমিক বিশ্লেষণ

সমস্ত এক্সিট পোলের ভবিষ্যৎবাণীকে ধূলিস্যাৎ করে ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের রায় যখন সামনে এল, তখন তা দেশ দুনিয়ার অনেককেই চমকে দিল। যে বিজেপি বলেছিল তারা নিজেরাই ৩৫০+ আসন পাচ্ছে আর জোটসঙ্গীদের নিয়ে চারশো পার করে যাবে, সেই বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনেক দূরে, ২৪০ আসনেই থেমে গেল। বাকি বিশ্লেষণ পড়ুন নীচের সূত্রে।

একজিট পোল - কী করণীয়

বাম, কংগ্রেস, তৃণমূলের কাউন্টিং এজেন্টরা সাবধান। এই একজিট পোল দেখে দান ছেড়ে দিলে মুশকিল, তাহলে আগেই হেরে যেতে হবে। এই একই কথা রাজ্যের বাইরে অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

আরও পুরানো লেখাগুলি

'সাত দফা' বুমেরাং, দলিত-বিন্যাসই ম্যাজিক

সাত-সাতটি দফা। ২০১৯-এর মত নরেন্দ্র মোদি যাবেন আর জয় করবেন! আপাতত সে গুড়ে বালি। উল্টে দফায়-দফায় দলিত- প্রান্তিকের ভোট গোছালেন অখিলেশ-তেজস্বী-রাহুল। ফলাফল এখন স্রেফ ম্যাজিক।

মিশন-মহারাজদের নিয়ে রাজনীতি এবং মহারাজদের রাজনীতি

হিন্দু জাতীয়তাবাদের বিপরীতে বিবেকানন্দ বিশ্বের জাতি ও ধর্মের ক্ষেত্রে বেদান্তিক দৃষ্টিভঙ্গী প্রচার করেছিলেন। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী ছিল আন্তর্জাতিকতাবাদী ও ধর্মীয় বহুত্ববাদী। তিনি অন্ধ স্বদেশভক্তির বিরোধী ছিলেন। তিনি তাঁর শিষ্য আলাসিঙ্গা পেরুমলকে লিখেছিলেন, সেপ্টেম্বর ১৮৯৫-এ, “আমার ক্ষেত্রে, মনে রাখবে, আমি কারুর কাছে বাঁধা নেই। আমি আমার জীবনের লক্ষ্য জানি, এবং আমার কোনো অন্ধ স্বদেশভক্তি নেই; আমি যতটা ভারতের ততটাই বিশ্বের, এটাতে কোনো বাড়াবাড়ি নেই"। আজকের ভারত সেবাশ্রমের সাধুরা কি এই কথা মেনে চলেন?

আখ্যান

মিশন-মহারাজদের নিয়ে রাজনীতি এবং মহারাজদের রাজনীতি

হিন্দু জাতীয়তাবাদের বিপরীতে বিবেকানন্দ বিশ্বের জাতি ও ধর্মের ক্ষেত্রে বেদান্তিক দৃষ্টিভঙ্গী প্রচার করেছিলেন। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গী ছিল আন্তর্জাতিকতাবাদী ও ধর্মীয় বহুত্ববাদী। তিনি অন্ধ স্বদেশভক্তির বিরোধী ছিলেন। তিনি তাঁর শিষ্য আলাসিঙ্গা পেরুমলকে লিখেছিলেন, সেপ্টেম্বর ১৮৯৫-এ, “আমার ক্ষেত্রে, মনে রাখবে, আমি কারুর কাছে বাঁধা নেই। আমি আমার জীবনের লক্ষ্য জানি, এবং আমার কোনো অন্ধ স্বদেশভক্তি নেই; আমি যতটা ভারতের ততটাই বিশ্বের, এটাতে কোনো বাড়াবাড়ি নেই"। আজকের ভারত সেবাশ্রমের সাধুরা কি এই কথা মেনে চলেন?

'সাত দফা' বুমেরাং, দলিত-বিন্যাসই ম্যাজিক

সাত-সাতটি দফা। ২০১৯-এর মত নরেন্দ্র মোদি যাবেন আর জয় করবেন! আপাতত সে গুড়ে বালি। উল্টে দফায়-দফায় দলিত- প্রান্তিকের ভোট গোছালেন অখিলেশ-তেজস্বী-রাহুল। ফলাফল এখন স্রেফ ম্যাজিক।

হনুমানজী ২.০: উগ্র হিন্দুত্বের নয়া প্রতীক

ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্রে পরিণত করার শপথ নিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের টিশার্ট এবং গাড়িতে আজ রাগী হনুমানের ছবির অনিবার্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। হনুমানের এই নতুন চেহারার ন্যায্যতা প্রমাণে কোন স্বল্পশ্রুত পুরানের কথা উদ্ধৃত করে বলা হচ্ছে এটা হনুমানের রূদ্ররূপ। ফ্যাসিবাদে চিহ্ন, প্রতীক,মোটিফের ব্যবহার বহু আলোচিত কারণ মানুষকে উগ্র জাতীয়তাবাদে উদীপ্ত করার লক্ষ্যে এই চিহ্নগুলোকে সুকৌশলে ব্যবহার করা হয়। হনুমানের এই বিবর্তনকে আমাদের সেই প্রেক্ষাপটেই বিচার করতে হবে।

বুড়ি ও গাঙের ওপার

বুড়ির বগলে পুটুলি। বুড়ি যাবে সুন্দরপুর। সুন্দরপুর কোথায়, না গাঙের ওপারে। গাঙটি মস্ত বড়। ওপার দেখা যায় ছায়া ছায়া। গাছ, কুটির, মাঠ, নৌকো এই সব। বুড়ি যাবে তার মেয়ের বাড়ি। মেয়ের বাড়ি অনেক দূর, গাঙ পেরিয়ে সুন্দরপুর। মেয়ে চিঠি দিয়েছে, মা, তুমি তো কোনোদিন এলে না, এসে দেখে যাও আমাদের গাঁ। আমার সংসার। ফল আছে, আম-কাঁটালের বাগান আছে, পুকুর আছে, সেই পুকুরে মাছ আছে, গোয়াল আছে, গাই বাছুরের ডাক আছে, মাঠ আছে, মাঠের উপর হাওয়া আছে। হাওয়া উঠলে তোমার কথা খুব মনে পড়ে। সব আমার মা।

বিকল্পহীন, তাই মোদিই ক্যাশিয়ার

দেশ জুড়ে জয় শ্রী রাম স্লোগান তোলা মানুষ ভোট দিতে ঘর থেকে বেরোননি। তারা টের পেয়েছেন মোদী রাম নয়, এই যুগের রাবণ। যে সাধু বেশে, ভোট ভিক্ষা করতে এসেছে সীতাদের কাছে। ফলে এই ভোটে মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে লক্ষণের গণ্ডি কেউ লংঘন করতে রাজি নয়। রাজ্যে রাজ্যে বিজেপি বিরোধী দলগুলো যে গণ্ডি কেটে দিয়েছে।

ওবিসি শংসাপত্র বাতিল নিয়ে হাইকোর্টের রায় এবং কিছু অপ্রিয় কথা

নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা ভোটের প্রচারে কয়েক মাস ধরেই বলছেন কংগ্রেস ক্ষমতায় আসলে দেশের সমস্ত সম্পদ মুসলিমদের হাতে তুলে দেবে। এসসি, এসটি দের সংরক্ষণ মুসলিমদের হাতে তুলে দেবে। এটা অত্যন্ত মিথ্যা একটা প্রচার এবং সমাজে বিভাজন ঘটানোর একটা নোংরা রাজনীতি। নরেন্দ্র মোদীদের সেই নোংরা ও সংকীর্ণ রাজনীতির সুবিধা করে দিতেই কলকাতা হাইকোর্ট এই ওবিসি শংসাপত্র বাতিলের রায় দিয়েছে, তার বিরোধিতা করা উচিৎ ছিল সমস্ত বামপন্থীদের।