পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

পুরানো লেখাগুলি

সবই তো হলো, পড়াশুনা কি আর হবে?

আজ প্রজাতন্ত্র দিবস, স্কুলের শিশুরাও তো প্রজাই। তাঁদের শিক্ষা নিয়ে কি ভাবছে সরকার? আদৌ কি এই বিষয় নিয়ে চিন্তিত তাঁরা? আজ আবার সরস্বতী পুজোও বটে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো হচ্ছে, কিন্তু তাতেও কি বিদ্যার কাজ এগোচ্ছে, না কি শিক্ষকদের দিয়ে নন অ্যাকাদেমিক কাজ করিয়ে নেওয়াটাই এখন সরকারের কাজ?

ভারত জোড়ো যাত্রায় সিপাহি বিদ্রোহের আদিবাসী নায়ক

বিজেপি আরএসএস পরিচালিত সরকার তার কর্পোরেট বান্ধবদের কাছে দেশের জল, জমি, জঙ্গল - সবকিছু বেচে দিয়ে এদেশের নাগরিকদের নিঃস্ব করে দিচ্ছে। রাষ্ট্র পরিচালিত সংস্থাগুলো, যা আসলে এদেশের জনগনের সম্পত্তি, মায় হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সবকিছুই এর মধ্যেই বেচে দিয়েছে তারা। এদেশের প্রকৃত মালিক আদিবাসীদের ওই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা লাভ বা হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার সুযোগ নেই। কর্পোরেটমুখী অপউন্নয়নের স্বার্থে বলি দেওয়া হচ্ছে দেশের অরণ্য পাহাড় - সব কিছু।

সুভাষচন্দ্র ও দেশপ্রেম

সুভাষচন্দ্র বসু ছিলেন কংগ্রেসের মধ্যে জঙ্গি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা। বিদেশি ব্রিটিশ সরকারের প্রতি তাঁর অপরিসীম বিরূপতা ছিল। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের প্রতি তাঁর ঘৃণা তাঁকে ‘কোনও আপস নয়’-এর অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিল। সুভাষচন্দ্রের দেশপ্রেমে কোনও খাদ ছিল না, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের নিগড় থেকে দেশমাতৃকার মুক্তি অর্জন তাঁর জীবনের একমাত্র সাধনা হয়ে উঠেছিল।

দুধিয়া

নদীর ধারে যেখানে এসে বাইক দাঁড়াল তার ওপাশেই পাহাড়। ডাইনে বাঁয়ে যত দূর চোখ যায় সেই পাহাড়ের সারি। নদী তেমন চওড়া নয়, তবে নদীখাত অনেকটাই বড়। পুরোটাই নুড়ি আর পাথরে ভরাট। মাঝখানে হাত দশেকের জায়গায় এক নাগাড়ে বয়ে যাচ্ছে পাহাড়ি জলের ধারা। নদী। ওপারের পাহাড় ঘন সবুজ।

চুপিসাড়ে NPR এগিয়ে চলেছে NRC–র দিকে

NRC যে কোন রথে চড়ে কোন শুভ (!) দিনে আসছে তা বোঝা দুষ্কর। ইতিমধ্যে সাম্প্রতিক CAG প্রতিবেদনে আসামের NRC সম্বন্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে। তৎকালীন NRC কো-অর্ডিনেটর প্রতীক হাজেলা এবং সিস্টেম ইন্টিগ্রেটর উইপ্রো কোম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করেছে এই প্রতিবেদন। কিন্তু এই NRC কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান কারিগর বিজেপি দল ও সুপ্রিম কোর্ট কি এর দায় এড়াতে পারে?

ভারত জোড়ো যাত্রা ও সাভারকার

ভারত জোড়ো যাত্রার মহারাষ্ট্র চ্যাপটারে অন্যান্য রাজনৈতিক ইস্যু গুলোর সঙ্গে আদিবাসীদের জমির অধিকারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সামনে এনেছেন রাহুল। বিজেপি - আরএসএস'র মুখিয়াদের ওই 'আদিবাসী' বা ‘মূলবাসী' নামটা একেবারেই না পসন্দ, তাঁরা দেশের ওই বিশাল সংখ্যক মানুষকে 'জঙ্গল বাসী' বলে চালিয়ে দিতে চান তাদের কর্পোরেট লুঠেরাদের স্বার্থে। সংবেদনশীল এই ইস্যুটার সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের প্রাচীন ইতিহাস ও সংস্কৃতির পরম্পরা।

ভাঙন

 ১ স্বমেহনে ভারমুক্ত হয়ে লেখার প্লট এ আবার মন বসাতে চেষ্টা করে রাজনৈতিক প্রবন্ধকার রাজিউদ্দীন আহমদ রাজু। কিন্তু কিছুতেই মন বসাতে পারে না। লেখার সূত্রগুলো সুতা ছেঁড়া ঘুড়ির মত উড়ে ফুঁড়ে কেবলই হারিয়ে যাচ্ছে হেথায় হোথায়। অক্ষরগুলোকে বিক্ষিপ্ত লাগছে। যেন নাচছে, গাইছে। কখনও ছোট হয়ে তলিয়ে যাচ্ছে আবার কখনও বিকট বড় হয়ে মুখব্যাদান করছে ল্যাপটপের পর্দায়। বিপর্যস্ত হাতের চাপে ককিয়ে উঠছে মাউস। রাজু বুঝতে পারে হিমবাহ গতিতে ধমনী বেয়ে নেমে আসছে অবসাদ। তাৎক্ষণিক তৎপরতায় এ অবসাদ এখুনি ঝেড়ে ফেলতে না পারলে মানসিকভাবে ও অসুস্থ হয়ে পড়বে।   

না.. যোশীমঠ কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়

এই মূহুর্তে যোশীমঠ চর্চার মধ্যে রয়েছে,সবাই পড়ছে শুনছে তারপর আবার নতুন কোন খবর এসে যাবে আমাদেরও দৃষ্টি সেদিকে ঘুরে যাবে। আবার কোনদিন দেখবো চামোলি কিম্বা শ্রীনগর কিম্বা দেবপ্রয়াগ কিম্বা রুদ্রপ্রয়াগ সংবাদে উঠে এসেছে, আবার আমরা অবাক হবো। অথচ যে বিনাশ যাত্রার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি তাকে নিয়ে চিন্তা ভাবনা করবো না কখনও।

আরও পুরানো লেখাগুলি

ভারতের বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা কি অটুট থাকবে এই শাসকদলের শাসনে ?

অবশেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আপাতত মাথা নত করলো, কেন্দ্রীয় সরকার। কলেজিয়াম পদ্ধতি যত দিন না পরিবর্তন হচ্ছে, ততদিন বিচারপতিদের আসন শূন্য থাকবে বলে হুমকি দেওয়া কেন্দ্রীয় সরকার অবশেষে ৪৪ জন বিচারপতিকে নিয়োগ করবে বলে জানালো সর্বোচ্চ আদালতে। কি সেই কলেজিয়াম ব্যবস্থা, যা নিয়ে এতো ভীত কেন্দ্রের সরকার? কলেজিয়ামের পরিবর্তে NJAC হলেই কি সব সমস্যার সমাধান হবে, সেই নিয়েই এই আলোচনা।

অথ রবীশকুমার কথা

অন্যরা যখন অর্থবল বা সরকারের পেশীবলের কাছে আত্মসমর্পণ করে চলেছেন একে একে তখন রবীশকুমার দেখালেন যে, সব মানুষের শিরদাঁড়া বিক্রি হয় না, হবার নয়।

আখ্যান

অথ রবীশকুমার কথা

অন্যরা যখন অর্থবল বা সরকারের পেশীবলের কাছে আত্মসমর্পণ করে চলেছেন একে একে তখন রবীশকুমার দেখালেন যে, সব মানুষের শিরদাঁড়া বিক্রি হয় না, হবার নয়।

ভারতের বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা কি অটুট থাকবে এই শাসকদলের শাসনে ?

অবশেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আপাতত মাথা নত করলো, কেন্দ্রীয় সরকার। কলেজিয়াম পদ্ধতি যত দিন না পরিবর্তন হচ্ছে, ততদিন বিচারপতিদের আসন শূন্য থাকবে বলে হুমকি দেওয়া কেন্দ্রীয় সরকার অবশেষে ৪৪ জন বিচারপতিকে নিয়োগ করবে বলে জানালো সর্বোচ্চ আদালতে। কি সেই কলেজিয়াম ব্যবস্থা, যা নিয়ে এতো ভীত কেন্দ্রের সরকার? কলেজিয়ামের পরিবর্তে NJAC হলেই কি সব সমস্যার সমাধান হবে, সেই নিয়েই এই আলোচনা।

আলেয়া

চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী প্রতিমা বিসর্জনের ছবি তুলতে চলে গিয়েছিলাম দুপুর দুপুর। মূল প্রসেশন শুরু হতে রাত হবে। এখন চলছে তারই প্রস্তুতি। সকালের দিকে বাড়ির প্রতিমা নিরঞ্জন। তারপর যারা লাইটিং ছাড়া বিসর্জন করছে তারা নিরঞ্জন করবে। আমি দুপুরে গেছি কারণ দুপুর বিকেলের ছবিগুলো অধিকাংশ ফটোগ্রাফার তোলেনা। জানেও না তখন হয়। তারা রাতের বেলা ভিড়ভাড় আর লাইটিং সহ নিরঞ্জনের ছবি টার্গেট করে। কিন্তু গঙ্গা ধারের রাস্তায় দিনের আলোয় লাইন দিয়ে প্রতিমার মিছিলের যে ছবি তার মজাই আলাদা। আসলে আমি ডে লাইটে ছবি তোলা পছন্দ করি। এর কোনো বিকল্প নেই। আর আনুষঙ্গিক অনেক সাবজেক্ট যেগুলো আলো থাকতে থাকতে তুলে না নিলে সমস্যা। যেমন দুপাশের ভিড় করা দর্শনার্থী, ভাসানের নাচ, হকার প্রভৃতি।

পুলওয়ামার বংশধরেরা এখন অ্যাপে

মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিটা আজকাল এমন যে একজন মানুষ কোথায় কখন কার সঙ্গে কী কথা বলছেন, কী বার্তা চালাচালি করছেন, সব একটা সেন্ট্রাল সার্ভারে প্রতি দিন জমা হচ্ছে। কেউ দেখতে চাইলেই দেখতেও পারে, তার ভিত্তিতে মনিটরিংও করতে পারে। তার সঙ্গে যদি পেগাসাসের মতো স্পাইওয়ার যুক্ত হয়, কি হতে পারে?

জয় শ্রী রামের সংস্কৃতিকে হারানো জরুরী।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যদি সরকারী অনুষ্ঠানে জয় শ্রী রাম শ্লোগান তোলা নিয়ে তাঁর আপত্তি জানিয়ে থাকেন, নিশ্চিত উচিৎ কাজই করেছেন, কিন্তু আরো একটা কথা থেকেই যায়, এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুদিন আগেই কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন, তখন কি তিনি ভুলে গিয়েছিলেন, যে এই প্রধানমন্ত্রী যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, সেই সময়েই গুজরাট গণহত্যা সংগঠিত হয়েছিল? তিনি কি ভুলে গিয়েছিলেন এই প্রধানমন্ত্রী নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত মানুষদের নিয়ে কী বলেছিলেন?

মিড ডে মিল: প্রয়োজন শুধু দৃষ্টিভঙ্গির বদল

মিড-ডে মিল ব্যাপারটা সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিগুলো ভীষণই গোলমেলে। আমাদের রাষ্ট্রনেতারা এটাকে একটা ফালতু খরচের বেশি কিছু মনে করেন না। কারণ সহজবোধ্য। ছয় থেকে চোদ্দর বাচ্চারা ভোটার নয়। আঠারোইয় পৌঁছে ভোটার হতে হতে তারা স্কুলে কী খাবার পেয়েছিল না-পেয়েছিল সেসব ভুলে যাবে। (এ তো আর কন্যাশ্রী নয় যে আঠারোয় পা দিতেই হাতে-হাতে নগদ পঁচিশ হাজার এবং প্রতিদানে এক-একটি পরিবারের অন্তত খান চারেক ভোটের নিশ্চয়তা।) আমরা, সমাজের সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষজন মিড-ডে মিলকে দেখি গরীব ছাত্রদের জন্য নিছক একটা দয়ার দান হিসেবেই গণ্য করি।