পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

পুরানো লেখাগুলি

কতটা পথ হাঁটলে নদী বাঁচানো যায়?

আমাদের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা আমাদের শিখিয়েছে আন্দোলনের শেষ হয় না। হয় শুধু শুরুয়াত। জলঙ্গির বাঁধালই একমাত্র সমস্যা নয়। নদীর দূষণ, নদীর পাশে অবৈধ ইঁটভাটা গুলোর দিনের আলোতে নদীর পার কেটে মাটি চুরি, নদীর পাড়ে অবৈধ নির্মাণ, নদী বুজিয়ে রাস্তা করা এমন হাজারো সমস্যা নদী জীবনে অনেক থাকে। সেই নদী বাঁচানোর জন্য কতটা পথ হাঁটতে হয়? লিখলেন সুপ্রতিম কর্মকার ছবি আঁকলেন লাবণী জঙ্গী

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রতি – এবার ব্যর্থতা স্বীকার করুন

অধ্যাপক এহুড কিমরন ইজ্রায়েল-এর তেল আভিভ বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের প্রধান। তিনি নিজের দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন। মূল লেখাটি প্রথমে প্রকাশিত হয়েছে হিব্রু ভাষায়, এন১২ নিউজ-এ, ৬ই জানুয়ারি, ২০২২-এ। অতি সম্প্রতি, ১২ই জানুয়ারি অন্য একটি পত্রিকায় তার ইংরাজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে। নিচের লেখাটি তার বাংলা ভাষান্তর।

সব ফিরে আসে…

১। আজ অনেকদিন আগের সমস্ত কথা মনে পড়ছে। রেহানা, বেশ কিছুদিন হলো, সবুজের জীবন থেকে চিরতরে হারিয়ে গেছে। ঠিক ঠাক হিসেব করলে প্রায় কুড়ি বছর হলো, আজ রেহানা নেই। অনেক চেষ্টা করেও বাঁচানো যায়নি। ডাক্তারেরা যে চেষ্টা করেননি, তা নয়। কিন্তু তাও পেরে ওঠেননি। তারপর থেকে সবুজ একা।

দুর্গাপুজোর বিশ্ব হেরিটেজ স্বীকৃতি বাংলার অধুনা শাসকের দান নয়।

হেরিটেজ স্বীকৃতির পর কলকাতার পথে ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানানোর সাংস্কৃতিক মিছিলে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ শোভিত ব্যানার দেখে কিংবা কর্তাদের বক্তব্য শুনে মনে হয় , কলকাতার দুর্গাপুজোর বয়স যেন এই দশ বছর। আর এই স্বীকৃতি প্রাপ্তির জন্য যাবতীয় প্রশংসা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এরই প্রাপ্য। কিন্তু এই তথ্য কি সত্যি? না, এই দশ বছরের আগেও এই দুর্গাপুজো যে এপার-ওপার, ঈশান বাংলার পুজো, এই স্বীকৃতি যে আপামর বাংলার স্বীকৃতি, আত্মগৌরব প্রচারের ঢক্কানিনাদে তা হারিয়ে গেল।

শিক্ষার ভবিষ্যৎ কি মাফিয়াদের হাতে ?

শিক্ষাক্ষেত্রে বেসরকারী উদ্যোগ আমাদের দেশে নতুন নয়। কিন্তু ‘বাইজু’ জাতীয় কোম্পানি গুলো যা করছে তা মাফিয়াতন্ত্র কায়েম করার সামিল। বাবা মায়েরা অভিযোগ করছেন যে খদ্দের যোগাড় করার জন্য ওরা ছোট শিশুদের এমন প্রশ্ন করছে যার উত্তর বেশিরভাগ শিশুরই দিতে পারার কথা নয়, আর যেই তারা উত্তর দিতে পারছেনা অমনি অলীক স্বপ্ন দেখা বাবা মায়েদের মনে ভয়ের সৃষ্টি করে প্ররোচিত করা হচ্ছে যাতে তারা ঐ অলীক স্বপ্ন সফল করতে এই কোম্পানির লক্ষ টাকার পাঠক্রমে শিশুটিকে ভর্তি করেন।

আইএসএল ও ভারতীয় ফুটবল ব্যবসা

আইএসএল শুরু হওয়ার পর থেকে কি ভারতীয় ফুটবলে বিশাল কিছু উন্নতি হয়েছে। উত্তর নঞর্থক। ভারত এখনও নিজের পাখির চোখ করে রেখেছে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ আর সাফ কাপকেই। দীর্ঘসময় ধরে এই চলে আসছে। এশিয় মানে ভারতীয় ফুটবল যথেষ্ট তলার দিকে। তাহলে আইএসএল কি দিল ভারতীয় ফুটবলকে?

চটাদার সঙ্গে সতের মিনিট!

২০২১ সালের গত তিন মাসে সারা পৃথিবীতে মারা গেছে: করোনাতে = ৩১৪৬৮৭ জন, ম্যালেরিয়াতে = ৩৪০৫৮৪ জন, আত্মহত্যা = ৩৫৩৬৯৬ জন, পথ দুর্ঘটনা = ৩৯৩৪৭৯ জন, এইচ আই ভি = ২৪০৯৫০ জন, মদ্য পানে = ৫৫৮৪৭১ জন, তাহলে ? কেন এই বাধানিষেধ? কেন স্কুল বন্ধ করা? কেন লোকাল ট্রেনে বাধানিষেধ?

সে আসছে

তারাপদ না! তারাপদ! সে এখন কোত্থেকে আসবে! সে তো চলে গেছে বহু কাল। কিন্তু হাঁটাটা দ্যাখো, অবিকল তারই। ধুর, তারাপদ এমন বেঁকে হাঁটত নাকি!

আরও পুরানো লেখাগুলি

শাঁখের করাত

বিয়ের ক’দিন পরেই নাজমা জুম্মানের চোখে নাজ হয়ে উঠল। বেশ সুর করে ডাকত, ও নাজ, এখন কী হেঁসেলে? জুম্মানের বয়স ছাব্বিশ, নাজমার চব্বিশ। সুরেলা ডাকের তাৎপর্য নাজ যে সবটুকু হজম করতে পেরেছিল, তা বলা যাবে না। বুদ্ধির ফাঁক গলে অনুভূতির আয়নায় যে ছবি ভেসে উঠত মনের ক্যানভাসে, তাতে নাজ বুঝেছিল, লোকটা তাকে সত্যি সত্যি মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসে। এমন কী নিজেকে ‘জুম’ বলে ডাকতে জুম্মান জোর দেখিয়েছিল নাজ-এর উপর। সবই রোমাঞ্চঘটিত কাকতালীয়।

বিএসএফ এর সীমানা বৃদ্ধি: পশ্চিমবাংলা কি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হতে চলেছে

বিএসএফ আইনের সংশোধনী গৃহীত হলে পশ্চিম বাংলার এক তৃতীয়াংশ অধিক্ষেত্র কেন্দ্রীয় সরকারের আওতায় চলে যাবে। স্লোগান উঠুক বিএসএফ তুমি গ্রামে নয়, সীমান্তে যাও। মানুষের দুর্দশা কমাও, বিএসএফ সরাও। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাতিল কর।

আখ্যান

বিএসএফ এর সীমানা বৃদ্ধি: পশ্চিমবাংলা কি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হতে চলেছে

বিএসএফ আইনের সংশোধনী গৃহীত হলে পশ্চিম বাংলার এক তৃতীয়াংশ অধিক্ষেত্র কেন্দ্রীয় সরকারের আওতায় চলে যাবে। স্লোগান উঠুক বিএসএফ তুমি গ্রামে নয়, সীমান্তে যাও। মানুষের দুর্দশা কমাও, বিএসএফ সরাও। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাতিল কর।

শাঁখের করাত

বিয়ের ক’দিন পরেই নাজমা জুম্মানের চোখে নাজ হয়ে উঠল। বেশ সুর করে ডাকত, ও নাজ, এখন কী হেঁসেলে? জুম্মানের বয়স ছাব্বিশ, নাজমার চব্বিশ। সুরেলা ডাকের তাৎপর্য নাজ যে সবটুকু হজম করতে পেরেছিল, তা বলা যাবে না। বুদ্ধির ফাঁক গলে অনুভূতির আয়নায় যে ছবি ভেসে উঠত মনের ক্যানভাসে, তাতে নাজ বুঝেছিল, লোকটা তাকে সত্যি সত্যি মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসে। এমন কী নিজেকে ‘জুম’ বলে ডাকতে জুম্মান জোর দেখিয়েছিল নাজ-এর উপর। সবই রোমাঞ্চঘটিত কাকতালীয়।

মৃত্যু মিছিলে মুনাফার পাহাড় – কোভিড ভ্যাক্সিন

ভ্যাক্সিন সংক্রান্ত কিছু বিষয় বুঝে নেওয়া জরুরী। ভ্যাক্সিন বিক্রির মধ্য দিয়ে এই অতিমারিকালে নতুন ৫ জন বিলিওনেয়ারের জন্ম হয়েছে। কিন্তু তা কি কাম্য? অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল যেমন বলেছে “বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের জীবন এবং স্বাস্থ্যের অধিকারকে বিপন্নতার স্বীকার” হতে দেবো কিনা তা কি আমরা ভাববো না?

নাগাল্যান্ডে গণহত্যা, আফস্পা ও গণদাবির কথকথা

আফস্পা (আর্মড ফোর্সেজ স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট) নামক জনস্বার্থবিরোধী ঔপনিবেশিক আইন আমাদের দেশের সরকার দেশের মানুষের গণক্ষোভ দমনের জন্যেই ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দের ১১ অক্টোবর জারি করেছিলেন। সময়টা ছিল ১৯৪৭-এর পনেরোই অগাস্টের এগারো বছর পর। দেশীয় শাসকেরা দেশের জনচিত্তের স্বাভাবিক ক্ষোভ-অশান্তচিত্ততার নিরসনের প্রয়াস না পেয়ে তাঁদের দমনের উদ্দেশ্যেই এই ঔপনিবেশিক কালা কানুন জারি করেছিলেন। আজ কি তা তোলার সময় হয়নি?

কান্না

ঠোটকাট্টি ভিখ-সফর সেরে বাড়ি ফিরছে। তার কাঁখে, মাথায় ভিক্ষায় পাওয়া ধান-চাল বাদেও আরও কতকিছু বাঁধা বোঁচকাবুঁচকি। সঙ্গী খেপি বিটি সজ্জা, তার মাথাতেও বেশ বড়সড় একটা বোঁচকা। খোদার রহমতে অন্যান্য বারের তুলনায় এবারেও তার সফর-আমদানি বেশ ভালোই হয়েছে।

এই মায়াবী স্বপ্নের অপমৃত্যু কখনই কাম্য নয়

আবার একটা সংশয় তৈরি হয়েছে, করোনার আরও একটি নতুন রূপ 'ওমিক্রন' এসে যাওয়ার কারণে। অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন এই রূপটি হয়তো আরও ভয়াবহ, আবার নাও হতে পারে। যদিও এই ভয়াবহ বাক্যবন্ধটি শুনতে শুনতে পৃথিবীর সব কৃষ্টিশীল জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র গুলি আজ বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম! বিদ্যালয়গুলি তার অন্যতম নিদর্শন।