রাম দু’দিন ছুটি নিয়েছে। দোকানের মালিক আর অন্যান্য কর্মচারীদের সম্পূর্ণ ঘটনাটা জানিয়ে বৌভাতের নেমন্তন্ন করে আসে সে। পাড়াপড়শিদেরও নেমন্তন্ন করে আসে মুখে মুখে। আজ অন্তরীক্ষের অদ্বিতীয় সম্বোধন পঞ্চম পর্ব। আগের পর্বের সূত্র লেখার প্রথমে।
২০২১ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে বিজেপি পেয়েছে ২ কোটি ৯২ লক্ষ ভোট (বৃদ্ধি ৬৫ লক্ষ), আর তৃণমূল পেয়েছে ২ কোটি ৬০ লক্ষ ভোট (হ্রাস ২৬ লক্ষ)। ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ৩২ লক্ষ ভোট। বিজেপির ৬৫ লক্ষ ভোট বাড়ার উৎস কী? তৃণমূল থেকে আসা ২৬ লক্ষ ভোট বিজেপিতে গেলেও বাকি ৩৯ লক্ষ ভোট কোথা থেকে এল? বাম বা অন্য দল থেকে নাকি অন্য কোনো গাণিতিক রহস্য?
পশ্চিমবাংলার রাজনীতিতে বদলের বদল ঘটলো। এই নির্বাচন ঐতিহাসিকভাবে সব থেকে নির্মম ও রক্তক্ষয়ী হিসেবে লেখা থাকলো। আগে যে হিংসার অনুশীলন রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে করতো, এখন তা কেন্দ্রীয় সরকার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সেটাকেই আরও ভয়ানক হিংস্রতার রূপ দিলো। নির্বাচনে জেতার পরেও তারই প্রমাণ মিলছে।
লখাই যতই বলে, “আমি আছি তো। কাঁদছিস কেন”, ততই আদরিনীর কান্নার বেগ বাড়তে থাকে। –”এ তুমি কী করলে।”
রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’র নিখিলের কথাগুলো তো সারা বাংলাময় ধ্বনি থেকে প্রতিধ্বনিত হয়ে চলেছে : দেশকে দেবতা বলিয়ে যখন তোমরা অন্যায়কে কর্তব্য, অধর্মকে পুণ্য বলে চালাতে চাও তখন আমার হৃদয়ে লাগে বলেই আমি স্থির থাকতে পারি নে। একদিকে দেশপ্রেমকেই ‘দেবতা’ বলে প্রচার করা আর অন্যদিকে অন্যায় এবং অধর্মকে প্রয়োজনীয় অনুশীলন হিসেবে কার্যকরী করা একসঙ্গে কী করে চলতে পারে?
একটি "ফেয়ার অ্যাণ্ড লাভলি" নির্বাচনের আজ শেষ দিন। আজ পরীক্ষার ফল বেরোবে। এসআইআর থেকে শুরু করে, আজকের এই যাত্রা পথের আজ অন্তিম দিন। বাঁচলো কি গণতন্ত্র, সংবিধান এই প্রশ্নগুলো আজ করা দরকার। ফলাফলের আগে এবং পরেও।
নচিকেতা ছোট শহরের ছেলে। তার প্রতিভা আছে, কিন্তু সুযোগ সীমিত। সকলে তার ছবির প্রশংসা করে। দেওয়ালে ছবি এঁকে সামান্য রোজগার হয়। এমন সময় শহরের পুরসভার নেতা সুশীলবাবুর নজরে আসে নচিকেতা।
আজ অন্তরীক্ষের অদ্বিতীয় সম্বোধন ধারাবাহিকের তৃতীয় পর্ব। আগের পর্বের সূত্র লেখার প্রথমে।
এই বিপন্ন কালে আবার চারপাশে দেখি একদল মানুষ উল্লসিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের উল্লাস দেখলে অবাক লাগে। একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ হয়রান হচ্ছেন — এটাই তাদের আনন্দের উপলক্ষ। তারা ভাবছেন এটা "শিক্ষা দেওয়া" হচ্ছে, "জব্দ করা" হচ্ছে। আজকে বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোট। আমাদের কিছু সহনাগরিককে বাদের তালিকায় রেখে আমরা আঙুলে কালি লাগিয়ে গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠতম উৎসব পালন করব। প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করছে এটা উৎসব না উৎ-শব?
১৮৮৬ সালের ১লা মে, শিকাগোতে প্রায় ৮০,০০০ শ্রমিক এবং যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে কয়েক লক্ষ শ্রমিক কঠোর আট ঘণ্টার কর্মদিবসের দাবিতে একটি সাধারণ ধর্মঘট শুরু করে। এই আন্দোলনের জের ধরেই ৪ঠা মে হেমার্কেট অ্যাফেয়ার সংঘটিত হয়, যেখানে পুলিশের দিকে বোমা ছোড়ার ফলে সহিংসতার সৃষ্টি হয় এবং শ্রমিক সমাবেশটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্মান্তিক ঘটনায় পরিণত হয়। আজকের উত্তর ভারতের শ্রমিক আন্দোলনের প্ররিপ্রেক্ষিতে মে দিবসের প্রাসঙ্গিকতাকে বোঝার চেষ্টা।
১৮৮৬ সালের ১লা মে, শিকাগোতে প্রায় ৮০,০০০ শ্রমিক এবং যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে কয়েক লক্ষ শ্রমিক কঠোর আট ঘণ্টার কর্মদিবসের দাবিতে একটি সাধারণ ধর্মঘট শুরু করে। এই আন্দোলনের জের ধরেই ৪ঠা মে হেমার্কেট অ্যাফেয়ার সংঘটিত হয়, যেখানে পুলিশের দিকে বোমা ছোড়ার ফলে সহিংসতার সৃষ্টি হয় এবং শ্রমিক সমাবেশটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্মান্তিক ঘটনায় পরিণত হয়। আজকের উত্তর ভারতের শ্রমিক আন্দোলনের প্ররিপ্রেক্ষিতে মে দিবসের প্রাসঙ্গিকতাকে বোঝার চেষ্টা।
এই বিপন্ন কালে আবার চারপাশে দেখি একদল মানুষ উল্লসিত। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের উল্লাস দেখলে অবাক লাগে। একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ হয়রান হচ্ছেন — এটাই তাদের আনন্দের উপলক্ষ। তারা ভাবছেন এটা "শিক্ষা দেওয়া" হচ্ছে, "জব্দ করা" হচ্ছে। আজকে বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোট। আমাদের কিছু সহনাগরিককে বাদের তালিকায় রেখে আমরা আঙুলে কালি লাগিয়ে গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠতম উৎসব পালন করব। প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করছে এটা উৎসব না উৎ-শব?
প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃক উবাচ নির্দিষ্ট শব্দটি -- ইশতেহার - নিয়ে দুচার কথা বলা যাক। পবিত্র সরকার তাঁর নিবন্ধে ইশতেহার শব্দটি সম্পর্কে একটিমাত্র বাক্য ব্যবহার করেছেন: "... তাঁর গুরু, যাঁকে তিনি আদর করে ' বঙ্কিমদা' বলেন, তিনিই ১৮৯২ নাগাদ সংস্কৃত 'বিজ্ঞাপন' কথাটার জায়গায় 'ইশতিহার' কথাটা ব্যবহার করতে সুপারিশ করে গিয়েছেন লেখায়।" তাহলে আজ মোদী ও যোগীদের ভারতের ভাষার ইতিহাস মুছে দেওয়ার উদ্দেশ্য কী?
ভোট এলেই বাংলার হাওয়া কেমন জানি বদলে যায়। কোকিলের গান, পাখিদের কলতান, ঝর্ণার জল-রব হারিয়ে গিয়ে বইতে থাকে গরম হাওয়া। চারদিক ভরে ওঠে মাইক, মঞ্চ আর ঝালমুড়ির মতো টক ঝাল বক্তিমায়।
হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক উপন্যাসের আজ দ্বিতীয় পর্ব। আগের পর্বের সূত্র এই লেখার প্রথমে থাকলো।
যেখানে যেখানে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার রয়েছে, সেখানে 'মা-বোনেদের' জন্য কাজ ও চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। 'মা-বোন'-এর পরিচয়ে মহিলাদের দাগিয়ে দেওয়া অসম্মানজনক। মহিলাদের স্বতন্ত্র ব্যক্তিপরিচয় আছে। তবে মহিলাদের ইস্যুতে যোগী আদিত্যনাথের কাছ থেকে 'পলিটিকাল কারেক্টনেস' আশা করা, আর দিনেদুপুরে আকাশকুসুম স্বপ্ন দেখা– দুটোই এক পর্যায় পড়ে।