আজ যারা বৈধ ভোটারদের আন্দোলনে দেশদ্রোহের গন্ধ পাচ্ছেন তারা কিন্তু লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির অসঙ্গতি নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলছেন না। তারা যদি সত্যি গণতান্ত্রিক মূলবোধে বিশ্বাসী হতেন তাহলে অবশ্যই প্রশ্নগুলো তুলতেন। প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যাবে না বরং তার সামনে ট্রাইবুনালের গাজর ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। আজ পর্যন্ত কিভাবে ট্রাইবুনাল কাজ করবে, এত কম সময়ের মধ্যে কিভাবে শুনানী সম্ভব -- এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যায় নি।
১৯৫২র প্রথম সাধারণ নির্বাচনে জওহরলাল নেহেরু নির্বাচনে জেতার পর একটি ওজনদার বক্তব্যে তাঁর মত ব্যক্ত করেছিলেন যেখানে নির্বাচকমণ্ডলীকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে তাঁদের চিন্তা ও বোধকে সম্মান না জানিয়ে তিনি থাকতে পারেন নি। "তথাকথিত নিরক্ষর ভোটাররা সম্ভবত অনেক শিক্ষিতদের চেয়েও এই নির্বাচনকে বেশি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। তাঁদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা বেড়েছে এবং ভারতে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার নিয়ে আমার মনে যেটুকু সন্দেহ ছিল, তা পুরোপুরি দূর হয়ে গেছে।” সেই মানুষদের যদি ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে?
নির্বাচন কমিশনের প্রবণতা দেখে বোঝা যাচ্ছে অঘোষিত রাষ্ট্রপতি শাসন কায়েম করে তারা এরাজ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়। মুখ্যমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি শাসনের মাধ্যমে অপসারণ করার ঝুঁকি না নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রীর সমগ্র প্রশাসনযন্ত্র কে আপাদমস্তক ডানা ছেঁটে দিয়ে, নির্বাচন কমিশন নিজের ইচ্ছা ও পছন্দমত ভোট করতে চায়।
বিজেপি বাম সমর্থকদের একটা চাপের মধ্যে ফেলতে চাইছে। বলতে চাইছে তোমরা যদি তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে চাও তাহলে আমাদের ভোট দাও, তৃণমূল বিরোধী ভোট ভাগ হলে রাজ্যের শাসক দলকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। এর বিপরীত একটা চাপ তৈরির চেষ্টা তৃণমূল দল এবং কিছু সংগঠন ও ব্যক্তির তরফে থাকে। তাঁদের বক্তব্য হল যদি বিজেপিকে হারাতে হয় তাহলে তৃণমূলকে ভোট দাও, কারণ একমাত্র তারাই বিজেপিকে আটকাতে পারবে। কিন্তু তার বাইরেও কিছু কথা থাকে।
পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। মহা পরীক্ষা। অনন্তযাত্রার পরীক্ষা, যে পরীক্ষায় পাশ করলে অনন্তসুখ, যে পরীক্ষায় ফেল করলে অনন্ত কষ্ট। পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সবাই পেয়েছে একটা জীবন। জন্ম হয়েছে যার মৃত্যু হবে তার।
গৌড়বঙ্গে চৈতন্য মহাপ্রভু ৫৪০ বছর আগে শ্রীধাম নবদ্বীপের এক পণ্ডিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শচীমাতার নিমাই সবার প্রিয় গোরা। জগন্নাথ মিশ্র তাঁর পুত্র নিমাইকে বিদ্যার্জনের জন্য নগরের এক প্রসিদ্ধ টোলে ভর্তি করে দেন।
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে যে কয়েকটি বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হতে হবে মধ্যে সবচেয়ে বড়টি হলো, দলটি বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে অপরিচিত। শারদ্বত মুখার্জী, স্বপন দাশগুপ্ত, শমিক ভট্টাচার্য কিংবা শুভেন্দু অধিকারী এই ধারণাটির বিপরীতে অন্য ধারণা প্রচার করার জন্য এবিপি আনন্দ এবং অন্যান্য গোদী মিডিয়ার সহায়তায় তাই আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, কিন্তু তাতেও কি তাঁরা সফল হবেন? বাঙালিকে কি মাছের টোপ দিয়ে গেলা সম্ভব?
এখন তেলের দাম বাড়া মানে সবকিছুর দাম বাড়া। যেমন ধরো, কলকাতায় চায়ের দোকানে চায়ের কাপের দাম হঠাৎ ১০ টাকা বেড়ে গেল। কারণ, চা বানাতে গ্যাস লাগে, গ্যাসের দাম বেড়েছে। গ্যাসের দাম বেড়েছে কারণ তেলের দাম বেড়েছে। তেলের দাম বেড়েছে কারণ হরমুজ প্রণালীতে ঝামেলা। আর হরমুজ প্রণালীতে ঝামেলা করেছে ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা। কিন্তু শেষমেশ দোষটা কার? চা বিক্রেতার? না। ওঁদের হম্বিতম্বির দাম আমাদেরই দিতে হবে।
পাখিরাই একমাত্র প্রকৃত বিশ্বনাগরিক এই পৃথিবীতে - সমাজ সংস্কার আর সংসারে আবদ্ধ মানুষ কিভাবে নিজেকে স্বাধীন বলে কে জানে!!!
শহর থেকে অনেক দূরে এক গ্রাম। সহজপুর। জটিল এ ধরাধামে গ্রামের নাম সহজপুর কে রেখেছিল, এ গ্রামের প্রবীণরাও বলতে পারেন না। তাদের মতে শহরের অলিগলির প্যাঁচ, মানুষের জীবনের দৌড়ঝাঁপ এ গ্রামের মানুষকে গ্রাস করতে পারেনি এখনও।
শহর থেকে অনেক দূরে এক গ্রাম। সহজপুর। জটিল এ ধরাধামে গ্রামের নাম সহজপুর কে রেখেছিল, এ গ্রামের প্রবীণরাও বলতে পারেন না। তাদের মতে শহরের অলিগলির প্যাঁচ, মানুষের জীবনের দৌড়ঝাঁপ এ গ্রামের মানুষকে গ্রাস করতে পারেনি এখনও।
পাখিরাই একমাত্র প্রকৃত বিশ্বনাগরিক এই পৃথিবীতে - সমাজ সংস্কার আর সংসারে আবদ্ধ মানুষ কিভাবে নিজেকে স্বাধীন বলে কে জানে!!!
এত দিনে প্রবল হয়রানির সম্মুখীন হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের বর্তমান প্রকল্পিত এসআইআর মোটেই তালিকা সংশোধন নয়, এটি আসলে অপছন্দের ভোটারদের ভোটদানের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুপরিকল্পিত প্রকল্প। প্রাথমিকভাবে, এর উদ্দেশ্য, সারা দেশে, বিশেষ করে বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলোতে, বিজেপির একছত্র আধিপত্য বিস্তার করা। পরবর্তীকালে, ভোটাধিকার কাড়ার সূত্র ধরে বেছে বেছে নাগরিকত্ব বাতিলের ষড়যন্ত্র।
এলপিজি সংকটের প্রভাব পৌঁছে গেছে শ্মশানঘাট পর্যন্ত। অনেক জায়গায় গ্যাস-চালিত চুল্লি বন্ধ রাখতে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেক জায়গায় আবার চিরাচরিত কাঠের চিতায় শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হচ্ছে। এটি পরিবেশ ও খরচ—উভয় ক্ষেত্রেই নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। জ্বালানির দাম বাড়ায় পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিমানে ব্যবহৃত তেল বা এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েল-এর দাম।
কারমেন প্রথাগতভাবে বোনা কাপড়টা বেশ সুন্দর করে পরেছিল। সকালের আলো ফুটতে এখনও কিছু দেরি। ভোর হবে বুঝতে পেরে মোরগটা ডাক পাড়ছিল। কারমেন এর মধ্যেই ঘুম থেকে উঠে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন কাজে।
ইরান দেশটির সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক চুক্তির বাধ্যবাধকতা, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সনদ সহ যাবতীয় আলোচনার ক্ষেত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যে হামলা চালিয়েছে তাতে মানবতার দরজায় যে খিল তুলে দেওয়া হয়েছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তা ছাড়াও আরো কিছু কথা বলতে হয়। পরিকল্পিত নিশানায় অভ্রান্ত ঘটনাস্থল তবে কি এটাই জানান দিল যে, মেয়েদের পড়াশোনা বারণ!