পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

পুরানো লেখাগুলি

একটি আত্মহত্যার প্রেক্ষাপট

নিকুঞ্জ স্যার আত্মহত্যা করেছেন। এই খবরটা এলাকার প্রায় কেউই বিশ্বাস করতে পারছিল না। নিকুঞ্জ স্যারের মত প্রাণোচ্ছল একটা মানুষ কিভাবে এই কাজটা করতে পারেন। ছাত্রছাত্রী, পাড়াপ্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন সবাইকে যে মানুষটা সবসময় লড়াই করার কথা বলত, জীবনকে নিংড়ে নিয়ে জীবনের যুদ্ধে ফিরে আসার কথা বলত সেই মানুষটা এভাবে জীবন থেকে পালিয়ে গেল কেন? প্রশ্ন অনেকেরই মনে, আলোচনা, পর্যালোচনা, জল্পনা এই নিয়ে প্রতিনিয়তই চলছে। কিন্তু সঠিক কারণ কেউই বুঝে উঠতে পারছে না।

জরুরি অবস্থার সেকাল আর একাল

আজ দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা না করেও সাম্প্রদায়িক ফ্যাসিস্ত সরকার দমনপীড়ন, অত্যাচার, নিপীড়নকে অবাধ করে তুলেছে। জরুরি অবস্থা জারি না করেও সারাদেশে সংবাদপত্রের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জারি রেখেছে। সত্য এবং ব্রতবদ্ধ সাংবাদিকদের হত্যা, কারারুদ্ধ করে চলেছে। বিভিন্ন অছিলায় মুসলিম, ক্রিশ্চান, দলিত জনসাধারণকে হত্যা, পিটিয়ে এবং পুড়িয়ে মারার মতো সামন্ততান্ত্রিক প্রথার উজ্জীবন ঘটিয়ে চলেছে। জরুরী অবস্থার সেকাল একাল নিয়ে লিখলেন অশোক চট্টোপাধ্যায়

পাশ ফেল ও আমরা

অনুত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রীদের পাশ করিয়ে দেওয়া দাবিতে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, উৎসে গিয়ে তার কারণ খুঁজেছেন এক শিক্ষক। ছাত্র-শিক্ষক-বিদ্যালয়ের আন্তসম্পর্কের হদিস করতে চেয়েছেন। আর ছাত্রছাত্রীদের জন্য তাঁর মূল্যবান পরামর্শ।

অগ্নিপথ- ফ্যসিবাদী পথ, সেনাবাহিনীর হিন্দুকরণ এবং হিন্দুদের সামরিকীকরণের পরিকল্পনা।

দেশের মধ্যে যখন চরম বেকারত্ব, সেই সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে অগ্নিপথ প্রকল্প ঘোষণা করা হলো। কিন্তু সেই প্রকল্পের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে শুরু হয়ে গেল বিক্ষোভ। অনেক প্রশ্ন উঠছে, অনেকে বলছেন সেনাবাহিনীতে এই নিয়োগটি আসলে সেনাবাহিনীর হিন্দুকরণের প্রকল্প। অনেকে বলছেন, এই প্রকল্পের সঙ্গে হিটলারের অস্থায়ী এসএস বাহিনীর সাযুজ্য আছে।

কুত্তার বাচ্চা

সর্বনাশ! সকাল সাড়ে আটটা। বিছানা ছেড়ে ধুড়মুড় করে উঠে পড়ল চিকু। অন্যদিন সাড়ে সাতটায় মা জোর করে তুলে দেয়। স্কুলের পুলকার নিয়ে লালাকাকু সোয়া আটটায় চলে আসে। টুথব্রাশে পেস্ট লাগিয়ে মুখে ঠুসে দিয়ে মা বলে, যাও তাড়াতাড়ি টয়লেট সেরে দুধ খেয়ে নাও। মা ঢুকে যায় কিচেনে। টিফিন বানায়। টিফিন বানানো হয়ে গেলে চিকুর স্কুলের ব্যাগ গোছাতে শুরু করে দেয়। ব্যাগের ভিতর বই, রুমাল, জলের বোতল, পেনসিল বক্স, পেনসিল বক্সে পেন, পেনসিল, ইরেজার ঠিক আছে কি না, সেই সঙ্গে পেনসিলের অগ্রভাগ সঠিক ভাবে শার্প কিনা তন্ন তন্ন করে সবকিছু মা পরখ করে নেয়।

অবাধ্যতার রাজনীতি: প্রসঙ্গ রোদ্দুর রায়

রোদ্দুর রায়ের গ্রেপ্তারীর পর একাধিক সামাজিক প্ল্যাটফর্মে তাকে পাগল, মানসিক বিকারগ্রস্ত- অসুস্থ হিসাবে প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে লাগাতার। বিষয়টি নিয়ে কিছু কথোপকথন দাবি করে। তাই এই নিবন্ধটি এই সময়ে শুধু নয়, নানান সময়েই প্রাসঙ্গিক।

শাহীনবাগ ও ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ

৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধে ভোগান্তিতে পড়ে কেউ বিরক্ত হলেন, কেউ বিরোধিতা করলেন, কেউ গালাগাল করলেন; সমবেত বিক্ষোভের ভাষাটুকু একজনও কানে তুললেন না। সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের ভোগান্তির ছবিই ভাইরাল হয়ে ঘুরতে থাকল। দশ ঘন্টায় অবরোধ উঠে গেল আর ভাইরাল-চক্কর চলল বাহাত্তর ঘন্টা ধরে। তার রেশ থাকবে সামনের নির্বাচন অবধি।

হরে - দরে কাশ্যপ গােত্র

- না স্যার! এটা আমার উইকিলি নিউজ পেপার। - অত টেকনিকাল পয়েন্ট ধরেন কেন? বেশ! উইকলি বুলেটিনই বলুন না হয়! - সে কি কথা? রেজিস্ট্রেশন আছে বই কি! না হলে করপােরেশনের অ্যাড ছাপছি কিসের জোরে? - না, ডেলি নয়। ছেচল্লিশ দিন বাদে করপােরেশনের ইলেকশন। আমাদের শহরে এখন খবরের হেভি ডিমান্ড! তাই আমার কাগজও ডেলি বেরােচ্ছে। পাবলিক নিউজ খেতে চাইছে সকাল বিকালে চায়ের সঙ্গে, আমিও সাপ্লাই দিচ্ছি! কিছু কামিয়ে নিই এই মওকায়! হাঃ হাঃ হাঃ!

আরও পুরানো লেখাগুলি

আপ ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালঃএন জি ও রাজনীতির সফল রসায়ন

আপ সম্পর্কে যে কথাটা প্রথমেই বলে নেওয়া প্রয়োজন যে আপের সেই অর্থে কোন নির্দিষ্ট মতাদর্শ না থাকলেও অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট কর্মসূচি আছে। দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন ও তারও আগে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এন জি ও নিয়ন্ত্রিত নাগরিক উদ্যোগ ( যার জন্য কেজরিওয়াল ম্যাগসাসাই পুরষ্কার পান) ছাড়া সেই অর্থে আপের কোন রাজনৈতিক অতীত নেই।এটা তার পক্ষে প্রাথমিক সুবিধার জায়গা কারণ রাজনীতিতে মুখোশের যে প্রয়োজন থাকে তা আপের নেই।

'চতুরঙ্গের রাজা' আবদুর রাউফের ইন্তেকাল

চলে গেলেন আবদূর রউফ, যুক্তি ও বোধের সমন্বয়ে প্রবন্ধচর্চাকে যিনি নিয়ে গিয়েছিলেন ভিন্ন এক স্তরে৷ বাংলার সুধীমহলে সম্মানের সঙ্গে তাঁর নাম উচ্চারিত হবে, আজ থেকে আরও বহু বছর পরেও।

আখ্যান

সুরক্ষা কবচ! –একটি প্রশ্নমালা

কলেজ ভর্তি বা কর্মক্ষেত্রে যোগদানের আগে সেই প্রতিষ্ঠানে বিগত কয়েকবছরের ইতিহাসে হয়রানির মাত্রাটি কতখানি, তা জিজ্ঞেস করার সাহস বা অধিকার থাকবে না যোগদানকারীর? শুধু মেয়েদের বা ছেলেদের জন্য তৈরি প্রতিষ্ঠান কি কথা দিতে পারে তার অধিকৃত পরিসরের মধ্যে কোনও মহিলাকে সে হেনস্থার শিকার হতে দেবে না? এক মহিলা কি কর্মক্ষেত্রের অধস্তন মহিলা কর্মচারীকে উত্যক্ত করেন না! বা উল্টোটা কি ঘটে না শুধুমাত্র পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত প্রতিষ্ঠানগুলিতে?

'চতুরঙ্গের রাজা' আবদুর রাউফের ইন্তেকাল

চলে গেলেন আবদূর রউফ, যুক্তি ও বোধের সমন্বয়ে প্রবন্ধচর্চাকে যিনি নিয়ে গিয়েছিলেন ভিন্ন এক স্তরে৷ বাংলার সুধীমহলে সম্মানের সঙ্গে তাঁর নাম উচ্চারিত হবে, আজ থেকে আরও বহু বছর পরেও।

আপ ও অরবিন্দ কেজরিওয়ালঃএন জি ও রাজনীতির সফল রসায়ন

আপ সম্পর্কে যে কথাটা প্রথমেই বলে নেওয়া প্রয়োজন যে আপের সেই অর্থে কোন নির্দিষ্ট মতাদর্শ না থাকলেও অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট কর্মসূচি আছে। দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন ও তারও আগে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এন জি ও নিয়ন্ত্রিত নাগরিক উদ্যোগ ( যার জন্য কেজরিওয়াল ম্যাগসাসাই পুরষ্কার পান) ছাড়া সেই অর্থে আপের কোন রাজনৈতিক অতীত নেই।এটা তার পক্ষে প্রাথমিক সুবিধার জায়গা কারণ রাজনীতিতে মুখোশের যে প্রয়োজন থাকে তা আপের নেই।

আসুন, গণবিতর্ক হোক!

সদ্য প্রতিষ্ঠিত ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্য সংস্থা’ (ইউনিভার্সাল হেলথ অর্গ্যানাইজেশন / ইউ এইচ ও) একটি গণবিতর্কের ডাক দিয়েছে। ২৯শে মে, ২০২২-এ ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়েছে। গবেষক, চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যবিদদের মিলিত প্রচেষ্টায় গঠিত এই সংস্থা জানিয়েছে, কোভিড-এর টিকা নামে অধুনা যা যা প্রচলিত তা যে সংক্রমণ রোধ করতে পারে এমন কোনও প্রমাণ আজ অবধি মেলেনি; তারা যে সংক্রমণ-জনিত কুফল, এমনকী মৃত্যু রোধ করতে পারে এমন প্রমাণও নেই। অনুবাদ করলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক স্থবির দাশগুপ্ত।

রাজপুত্র

বাসন্তী, যাওয়ার সময় পিঙ্কির ঐ খেলনা ঘোড়াটা নিয়ে যেও। বাইরে ফেলে দিও। বাসন্তী একথায় অবাক হয়ে বলে ওঠে, ওমা, এটা তো নতুন আছে গো বউদিমনি। আরে ঘর জোড়া হয়ে পরে আছে। এক একটা জন্মদিনে কম তো পায় না। রাখব কোথায় এত? ওটা অনেকদিনের তুমি বাইরে ফেলে দাও।

পরিবেশ দিবসে গাছগাছালি নিয়ে কিছু সাদামাটা কথা

ভারতীয় উপমহাদেশের বেশিরভাগটা জুড়ে প্রায়-উষ্ণমণ্ডলীয় যে সুখা অরণ্যে রয়েছে, সেখানে যে ফি বছর শীতের শেষে বসন্ত আসার সঙ্গে সঙ্গে মরা ডালে ডালে নবীন পাতার সমারোহ আর লালের উদ্ভাস নিয়ে একটা বিরাট ঘটনা ঘটে যায়, সেটাও বন দফতরের তেমন ভাবে দেখা হয়ে ওঠেনি। এ নিয়ে তেমন‌ কোনও কাজও হয়নি। আজ পরিবেশ দিবসে এই কথাগুলো কি আরও একবার ভেবে দেখা উচিৎ নয়?