পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh
ব্যঙ্গচিত্র

পুরানো লেখাগুলি

এপস্টিন ফাইল: বিকৃত যৌনতার সীমানা অতিক্রম করে কিছু কথা

এপস্টিন ফাইলস একটা অন্য পৃথিবীর ছবি আমাদের সামনে উপস্থিত করে।পুঁজিবাদী ব্যবস্থা যে গণতন্ত্র, নৈতিকতা, সাম্যের ভাবনা ও বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে স্থাপিত আইনের শাসনের কথা বলে তা যে নেহাৎই এক মরিচীকা,এপস্টিন ফাইলস তা ছত্রে ছত্রে প্রমাণ করে।এই নথিগুলো এক প্যারালাল ইউনিভার্সের খোঁজ দেয় যেখানে ক্ষমতাবানরা তাদের সম্পদ ও ক্ষমতার জোরে পৃথিবীর সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, “অবৈধ” মানুষ ও বিজ্ঞানীর নৈতিকতা

মাসখানেক আগে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন তাঁর সরকার বোম্বে শহরে লুকিয়ে থাকা অবৈধ বাংলাদেশী নাগরিকদের খুঁজে বের করার কাজে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে একজন মানুষের বাচনভঙ্গীমা, স্বরক্ষেপণ ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে নির্ধারণ করবেন একজন বাংলাভাষী ভারতীয় না বাংলাদেশী। বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে প্রযুক্তির এই অভাবনীয় উল্লম্ফনে উল্লসিত হওয়ার পরিবর্তে কিছু প্রশ্ন আসছে, সেগুলোর দিকে একটু তাকানো জরুরি।

বিশ্বগুরু থেকে বিশ্ব শর্মা - সচেতন ভারতবাসী আর কবে একস্বর হবে?

বিদ্বেষকে অনুঘটক করে রাজনৈতিক ক্ষমতা গুছিয়ে নেবার জন্য ধর্মীয় মেরুকরণের কৌশল এক নিম্ন শ্রেণীর রাজনৈতিক অপচর্চা ! এর আগে জব্বলপুর দাঙ্গা, গুজরাট দাঙ্গা, শিখ গণহত্যা, দিল্লী দাঙ্গা ইতিহাস দেখেছে। ভারত ধর্মীয় সহিষ্ণুতার দেশ, আমরা কোন মূল্যেই দাঙ্গা চাই না। অথচ বিশ্বগুরু থেকে বিশ্বশর্মা আমাদের সেই পথেই টেনে নিয়ে চলেছেন।

এক যে আছে দেশ বিদেশী আকাশ

হুশ, হুউশ, হুউশশশশ—আমনের গাল ফুলে বেলুনের মত হয়ে গেছে। চশমার ওপরে ঝুঁকে পড়েছে অবাধ্য এক গোছা চুল। প্রীতির মনে হল কোথায় যেন দেখেছে এরকম একটি জন্তু। চটপট ফোনে জেমিনাইকে জিজ্ঞেস করতেই সে বলে দিল, পাফার ফিশ। প্রীতি ফিক করে হেসে উঠল পাফার ফিশ আকা বেলুন মাছের সঙ্গে আমনের মুখের সাদৃশ্য দেখে। এদিকে মোমবাতির নেভার কোন ইচ্ছেই নেই। যেই ফুঁ বন্ধ হচ্ছে অমনি আবার ফুরফুর করে জ্বলে উঠছে।

মহানাদের সুপ্রাচীন পাথরের গঙ্গা ও অন্যান্য মূর্তি

মহাতীর্থ মহানাদ ছিল প্রাচীন এক নগর। মহানাদে মাটির নিচ থেকে বহু বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মের দেব দেবীর নিদর্শন পাওয়া যায়। মহানাদের রাজা হরিশ সিংহ ছিলেন বৌদ্ধ। বাকিটা পড়ুন নীচের সূত্রে।

মাদ্রাসা: সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর নাকি ইসলামোফোবিয়ার বিষবাষ্প?

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাব বিস্তারের কৌশলের একটি বড় অস্ত্র হল হিন্দু-মুসলিম বিভাজনকে তীক্ষ্ণ ও প্রাত্যহিক করে তোলা। এর জন্য প্রয়োজন একটি ‘অন্যের’ বা ‘শত্রুর’ ছবি তৈরি, যাকে ভয় ও ঘৃণা দেখিয়ে একটি নির্বাচনী ব্লক গঠন করা যায়। মুসলিম সম্প্রদায় ও তাদের প্রতিষ্ঠান, যেমন মাদ্রাসা, সেই লক্ষ্যবস্তুতেই পরিণত হয়েছে। মাদ্রাসা নিয়ে ভুল তথ্য ও ভীতি ছড়ানো সরাসরি ইসলামোফোবিয়ার বীজ বপনের কাজ করে, যা বিজেপির ভোটব্যাংক রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

পৃথিবীর ইতিহাসে অদ্যাবধি সবচেয়ে কলঙ্কিত অধ্যায় - এপস্টেইন ফাইলস

জেফরি এপ্সটেইন এবং ঘিলেইন ম্যাক্সওয়েল একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে উচ্চ প্রোফাইলের মামলাগুলির মধ্যে অন্যতম যা যৌন শোষণ, রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা এবং আইনি, রাজনৈতিক ও আর্থিক ব্যবস্থার কাঠামোগত ব্যর্থতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করায় । বিশ্বব্যাপী স্বচ্ছতা ও বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এপ্সটেইন ফাইল ফাঁস এযাবতকালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

সুমনা রহমান চৌধুরী যেন আজকের আগস্ট ল্যান্ডমাইসার

আসামে নির্বাচক তালিকায় সাধারণ সংশোধনী চলাকালীন সরকারি স্কুল শিক্ষিকা সুমনা রহমান চৌধুরী দেখতে পান যে সেখানকার বিজেপি'র বিএলএরা সচেতনভাবে ফর্ম ৭ এর অপব্যবহার করছেন এবং মুসলমান মানুষদের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করছেন। স্বাভাবিকভাবেই সুমনা তার প্রতিবাদ করেন, ফলত তাঁর চাকরি যায়, অথচ এটি একটি সাধারণ ত্রুটি। এই ধরনের ভুল করলে তো এমনিতেই তাঁর চাকরি যেত, তার থেকে ভুলকে ভুল বলাটা বেশী জরুরি। মেরুদন্ড সোজা করে সাদাকে সাদা, কালোকে কালো বলা ভাল নয় কি?

আরও পুরানো লেখাগুলি

কেন্দ্রের নয়া শ্রমবিধির বিরুদ্ধে কেন ১২ ফেব্রুয়ারি শিল্প ধর্মঘট?

শ্রমিকবিরোধী শ্রমকোড বাতিলের দাবিতে শ্রমিকশ্রেণির ঐক্যবদ্ধ লড়াই ছাড়া বিকল্প পথ নেই। কয়েক বছর আগে দিল্লির কৃষক আন্দোলন সেই শিক্ষা দিয়েছে। সেই জায়গা থেকেই ১২ ফেব্রুয়ারি শিল্প ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষে।

রূপকথার গল্প আজো তৈরী হয়

এই অবরুদ্ধ সময়ে দিনে দিনে বহু মানুষ মেনে নিয়েছেন এর কোনো বিকল্প নেই। এই বিপর্যয় কোনোভাবেই ঠেকানো যাবে না। এই চূড়ান্ত হতাশা এবং নেতিবাচক সময়ের মধ্যে দীপকের মত সাধারণ মানুষই আলো নিয়ে আসেন। রূপকথার গল্প আজো তৈরী হয় তখন। একজন দীপক সহস্র দীপক জ্বালিয়ে দেন।

আখ্যান

রূপকথার গল্প আজো তৈরী হয়

এই অবরুদ্ধ সময়ে দিনে দিনে বহু মানুষ মেনে নিয়েছেন এর কোনো বিকল্প নেই। এই বিপর্যয় কোনোভাবেই ঠেকানো যাবে না। এই চূড়ান্ত হতাশা এবং নেতিবাচক সময়ের মধ্যে দীপকের মত সাধারণ মানুষই আলো নিয়ে আসেন। রূপকথার গল্প আজো তৈরী হয় তখন। একজন দীপক সহস্র দীপক জ্বালিয়ে দেন।

কেন্দ্রের নয়া শ্রমবিধির বিরুদ্ধে কেন ১২ ফেব্রুয়ারি শিল্প ধর্মঘট?

শ্রমিকবিরোধী শ্রমকোড বাতিলের দাবিতে শ্রমিকশ্রেণির ঐক্যবদ্ধ লড়াই ছাড়া বিকল্প পথ নেই। কয়েক বছর আগে দিল্লির কৃষক আন্দোলন সেই শিক্ষা দিয়েছে। সেই জায়গা থেকেই ১২ ফেব্রুয়ারি শিল্প ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষে।

নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে কেন্দ্রীয় মেগা প্রকল্প: ধ্বংস হতে বসেছে প্রাকৃতিক সম্ভার ও বিপুল প্রাণপ্রজাতি

কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, প্রায় ৯.৬৪ লাখ গাছ কাটা হতে পারে। সরকারি নথিতেই এর উল্লেখ আছে। কি নিখুঁত পরিকল্পনায় লক্ষ লক্ষ গাছ মেরে ফেলা হবে। বাস্তবে মৃত্যু পথযাত্রী গাছের সংখ্যা অনেক বেশি। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের হিসাব, প্রকৃত বনঘনত্বের কারণে প্রকল্প এলাকায় গাছের সংখ্যা অনেক বেশি –৩২ লাখ থেকে এক কোটি পর্যন্ত বৃহৎ বৃক্ষ জাস্ট ভ্যানিশ হয়ে যাবে নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে।

ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি: লাভ কার ?

দীর্ঘ ১৮ বছরের টানাপোড়েন, শত দরাদরি আর জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গত ২৭ জানুয়ারি সই হলো ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। দুই পক্ষই একে ‘Mother of all deals’ বা সব চুক্তির সেরা বলে অভিহিত করেছে। ২০০৭ সালে ব্রাসেলসে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলেও, পরবর্তীতে শুল্ক কাঠামো ও বাজারে প্রবেশাধিকার নিয়ে মতভেদের কারণে ২০১৩ সালে তা স্থগিত হয়ে যায়। তবে কোভিড-পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের কারণে ২০২২ সালে সেই আলোচনায় পুনরায় গতি আসে, যা ২০২৬-এ পূর্ণতা পেল।

সমস্ত পরিচিতির নারীদের বিরুদ্ধে ভারতের ছায়াযুদ্ধ

একটি সমাজে যখন নির্যাতন, জাত, ধর্ম, বর্ণের ভিত্তিতে হিংসা ও নির্যাতন গর্জে ওঠে এবং বিচারব্যবস্থা প্রায় অচল, তখন ন্যায়, সমানাধিকার, মানবাধিকার প্রহসন হয়ে দাঁড়ায়। এই ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর রিপোর্টই বলছে যে, পুলিশ ৭৭.৬% ক্ষেত্রে চার্জশিট দিলেও, আদালত হয়ে উঠেছে ন্যায়বিচারের কবরস্থান—অধিকাংশ মামলাই বিচারে পৌঁছয় না।

ভাগ্‌ ইঁহা সে

ফৈয়াজ রোজকার মতো আজকেও এসে বসেছিল পদ্মার পাড়ে। পদ্মার ভয়ঙ্কর রূপ প্রত্যক্ষ করছিল! গত কয়েকদিনের তুলনায় পদ্মার জল অনেকটাই বেড়েছে। একেবারে পাড় ছুঁয়ে ফণা তোলা হিংস্র সাপের মতো স্রোত বয়ে যাচ্ছে।