পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

অন্যান্য পোস্ট

দিন বদল

সেদিনের ছবিটা আজ এতগুলো বছর পরেও পরিষ্কার । মন্ত্রমুগ্ধের মত শুনছিল অলীকের কথা। বক্তৃতা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও কয়েকটা মুহূর্ত দাঁড়িয়েছিল করিডরে । তারপরে ধীর পায়ে এগিয়ে গিয়েছিল ছেলেটার সামনে । কে দেখছে, কি ভাবছে, এসব চিন্তা মাথাতেই আসেনি । সরাসরি বলেছিল,' আমি অনন্যা । ফাইনাল ইয়ার পল সায়েন্স । আপনি এতক্ষণ যা যা বললেন তা কি কোনোদিন সম্ভব হবে আমাদের দেশে?'

ভোট প্রচারে বাংলাদেশে মোদী

পশ্চিমবঙ্গের ভোটের প্রচারে মোদীর আভাবনীয় বাংলাদেশ অভিযান তাঁর নানা (অপ)কীর্তির মতোই উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ অভিযানটা এবার ছিল অবিস্মরনীয়। কারণ আমরা এই প্রথম জানতে পারলাম, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে সত্যাগ্রহ আন্দোলনে নেমে জেলেও যেতে হয় তাঁকে।

দিলীপ কো গুসসা কিঁউ আতা হ্যায়

দিলীপ ঘোষ কেন প্রশ্নকর্তা মহিলাকে এই কথা বললেন? এর পিছনে আসলে কি আছে? রাজনৈতিক দলের নেতা হলেই কি এইভাবে কথা বলা যায় না উচিৎ? আসলে এর পিছনে কি মানসিকতা আছে? মহিলাদের অপমান করা বা ছোট করে দেখানোই কি উদ্দেশ্য?

নন্দীগ্রামে চণ্ডীপাঠ

যেটা একেবারেই বোঝা যাচ্ছে না, এই সব কাদার তাল নিক্ষেপন কায়দার “খেলা”-য় সিপিএম-এর এত উল্লসিত হওয়ার কারণ কী। প্রকৃতপক্ষে ২০০৭ সালের ৩ জানুয়ারি থেকেই নন্দীগ্রাম উত্তাল হয়ে ওঠে। সালেম-সান্তোসা গোষ্ঠীর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ায় বসে বুদ্ধবাবু কী চুক্তি করেছিলেন, কেমিক্যাল হাব নির্মাণের জন্য চিন থেকে দুর্নীতির অভিযোগে বিতাড়িত সেই গোষ্ঠীকে নন্দীগ্রামে সেজ মাফিক কী কী সুবিধা দেবেন বলেছিলেন, তার অনেক কিছুই এখনও অজানা। আশা করি কর্দম-মন্থনের শেষে একদিন সেই সব তথ্য জনগোচরে উঠে আসবে।

নিয়মিত কলাম

এ কি কেবলি ছবি?

নও ছবি নও ছবি নও শুদু ছবি” মনে মনে গাইতে গাইতে পেট্রোল পাম্পে মেলা হুজ্জত কল্লেন। ছবিটবি ছিঁড়ে একাক্কার। কমিশন বল্লেন, ইউনেস্কো সেরা সেবকের লেবেল দিয়েচে বলে কোড অব কন্ডাক্ট মানবে না, চাদ্দিকে ছবি ঝোলাবে এ বা কি কতা? পেট্রোল পাম্প হতে ছবি সরাও বলচি। নইলে… নইলে… নইলে… খুব বকা দেয়া হবে। করোনা টীকাতেও প্রধান সেবকের ছবি কেন? এই নিয়ে এবারের হুতোম প্যাঁচার নকশা

পরিবেশ-প্রতিবেশ ধ্বংস ও দোসর-পুঁজি

পুঁজিপতিরা প্রাণীজগতের সাধারণ সম্পত্তি, জল-জঙ্গল-জমি-বাতাসকে নিজেদের মালিকানার আওতায় এনে, সেগুলিকে ফোকটে-পাওয়া-পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে মুনাফা করতে চাইছে। এই কাজে সে দেশে দেশে পুঁজি-বান্ধব সরকার গঠনে পুরোদমে নেমে পড়েছে। রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে পুঁজির দোসর, চলছে দোসর-পুঁজি আর রাষ্ট্রের যুগলবন্দী!

আখ্যান

ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস

নির্দেশিকা জারি করল চৌকিদার— • কাজের কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে না। যতক্ষণ দিনের আলো থাকবে, যতক্ষণ অধস্তনেরা মনে করবে, ততক্ষণই কাজ চলবে। • সকল মজুর কাজ করতে বাধ্য থাকবে। • জ্বালানির জন্য তারা কয়লার গুঁড়োই পাবে, কয়লা নয়। • কাজ চলাকালীন কোনও মজুরের মৃত্যু ঘটলে তার পরিবারের একজনকে কাজে বহাল করা হবে। সবটা গড়গড় করে পড়ে চৌকিদার ফিরে গেল...তারপর কি হল?

পরিবেশ-প্রতিবেশ ধ্বংস ও দোসর-পুঁজি

পুঁজিপতিরা প্রাণীজগতের সাধারণ সম্পত্তি, জল-জঙ্গল-জমি-বাতাসকে নিজেদের মালিকানার আওতায় এনে, সেগুলিকে ফোকটে-পাওয়া-পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে মুনাফা করতে চাইছে। এই কাজে সে দেশে দেশে পুঁজি-বান্ধব সরকার গঠনে পুরোদমে নেমে পড়েছে। রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে পুঁজির দোসর, চলছে দোসর-পুঁজি আর রাষ্ট্রের যুগলবন্দী!

সুভাষচন্দ্র সম্পর্কে বিজেপির মিথ্যাচার ও বাস্তব তথ্য

নেতাজির ব্রিটিশবিরোধী ভুমিকাকে মোদীরা এখন খুবই প্রশংসা করে থাকেন। অথচ তাঁরা নিজেরা কখনও আমাদের দেশে ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেননি। বরং তাঁরা এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরোধিতা করে বিদেশি ব্রিটিশস্বার্থ সেবাকেই তাঁদের ধর্ম বলে ঘোষণা করেছিলেন।

ঠুনকো

রাত ঘন হয়ে এল আরও। এবার বিশ্রাম নেবার আয়োজন করতে হবে ওদের। রুনার এত তাড়াতাড়ি ঘুম আসে না। সে তার সিটে গিয়ে ম্যাগাজিন নিয়ে বসল। ইয়াসিনের দেরি করলে চলবে না, সারাদিনে অনেক কাজ করার আছে। তার সঙ্গীসাথীরা এই ট্রেনেই অন্য কামরায় আছে।

কেন আমি বলছি নো ভোট টু বিজেপি ?

প্রথম থেকেই দেখে মনে হয়েছিল এটা খুব গুরুত্বপূর্ন একটা ক্যাম্পেন। কারন বিজেপি’র বিরুদ্ধে, বিশেষ প্রচারের দরকার আছে। কেন? কারন বিজেপির পক্ষে যে বিশাল ক্যাম্পেন চলছে, সেটাকে আলাদা করে কাউন্টার করার দরকার আছে। কারা করছে এই ক্যাম্পেন, বিজেপি’র পক্ষে? আর কেন এই ক্যাম্পেনের পক্ষে দাঁড়ানোটা সময়ের দাবী?

এ কি কেবলি ছবি?

নও ছবি নও ছবি নও শুদু ছবি” মনে মনে গাইতে গাইতে পেট্রোল পাম্পে মেলা হুজ্জত কল্লেন। ছবিটবি ছিঁড়ে একাক্কার। কমিশন বল্লেন, ইউনেস্কো সেরা সেবকের লেবেল দিয়েচে বলে কোড অব কন্ডাক্ট মানবে না, চাদ্দিকে ছবি ঝোলাবে এ বা কি কতা? পেট্রোল পাম্প হতে ছবি সরাও বলচি। নইলে… নইলে… নইলে… খুব বকা দেয়া হবে। করোনা টীকাতেও প্রধান সেবকের ছবি কেন? এই নিয়ে এবারের হুতোম প্যাঁচার নকশা