পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

পুরানো লেখাগুলি

পেছনে কে না দেখে ইডি-কে সমালোচনামূলক সমর্থনও দেবেন না

বিরোধীদের মধ্যে এক অলিখিত ঐক্য তৈরি হয়েছে। বিজেপিকে হারাতেই হবে। কোন প্রক্রিয়ায় তা নিয়ে মতানৈক্য থাকলেও। রাজ্যে রাজ্যে জোট হবে নাকি যে যেখানে শক্তিশালী সেখানে তারই দায়িত্বে বিজেপি হারবে--- বিতর্ক চলছে। কিন্তু মিডিয়াও এখন বিজেপি বিরোধী জোটের কথা বলছে বার বার। বিজেপির কাছে এই ঐক্য অনভিপ্রেত। সামান্য ভীতিপ্রদও বটে। ফলে বিজেপির নয়া স্লোগান #জয়শ্রীইডি। যার সাহায্যে এই দুই বিপদকেই তারা মোকাবিলা করতে পারবে বলে ভাবছে। তারা রাজ্যে রাজ্যে অ-বিজেপি সরকারগুলিকে ভেঙে দিতে পারবে, আবার একই সাথে বিরোধী ঐক্যের পরিবেশটিকেও বিষিয়ে দিতে পারবে।

পুঁটি, আমি ও একলা ব্যালকনি

১ প্রতিদিনের মত পার্ক সার্কাস সিগন্যালে আমার গাড়িটা দাঁড়াতেই জানলাতে পরিচিত দুটো টোকা পড়লো। কাচটা অর্ধেক নামাতেই পুঁটির অভ্যস্ত হাসি। আজ একটা ডিপ সবুজ শাড়ি পরেছে ও, সঙ্গে রঙচঙে ব্লাউজ, বেমানান লিপস্টিক, চড়া মেকআপ। আমাদের সাড়ে তিন বছরের আলাপ বলতে কয়েক সেকেন্ডের এই দৃষ্টি বিনিময়, এটুকুই। রোজকার মতই দশ টাকা দিলাম পুঁটিকে, তারপরই সিগন্যাল গ্রীন, মিনিট পনেরোর মধ্যে কলেজ।

মতবাদিক দারিদ্র্য প্রসঙ্গে দুচার কথা

আমাদের দেশেও প্রুধোঁর সেই কল্যাণকামী খুচরো কর্মসূচিগুলিই বর্তমানে কোথাও টিএমসি, কোথাও আপ, কোথাও অন্য কেউ (এমনকি বিজেপিও) টুকটাক চালু করে চলেছে। এই সমস্ত কর্মসূচির সুবিধা হল, মানুষ এতে সহজেই আকৃষ্ট হয় এবং ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পথ থেকে শুধু সরে আসে তাই নয়, লড়াইকে অপ্রয়োজনীয় মনে করতে থাকে। সমাজ বিপ্লবের সম্ভাবনা কমে যায়।

একটি সাক্ষাৎকার - কিছু বিতর্ক- একটি সম্ভাবনা

ধরুন, PM Cares Fund ঠিক কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর নাম ছবি ঠিকানা ব্যবহার করেও সরকারী ট্রাস্ট নয় তার ব্যাখা খোদ ঐ মামলার বিচারপতি নিজে এসে আমাদের সবাইকে জানাচ্ছেন! ভাবুন তো কেমন হবে!

আমাদের দুর্নীতি, ওদের দুর্নীতি

মুখ্যমন্ত্রীর নিজের দুর্নীতি সম্পর্কে ধারণা কি সেটা জানা দরকার।তিনি যখন কর্মীদের উপদেশ দেন যে, কাউকে চাকরি দিতে হলে পার্টির লেটার হেডে লিখবেন না, মুখে বলুন। কিংবা কাউকে টাকার ব্যাপারে কথা বললে ফোনে নয়, সামনাসামনি বসে কথা বলুন, তখন ভয় হয় তবে কি মুখ্যমন্ত্রী ধরেই নিয়েছেন এই ভাবেই দুর্নীতি চলতে থাকবে,সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়বে। না কি ভোট ধরে রাখতে তিনি কর্মীদের দুর্নীতিতে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। আসলে ভোট বড় বালাই।

ইমাম রশিদির গুনাহ

হুলুস্থুল তখন রাস্তা থেকে দরজায় ঠকঠক করছে। ফিসফিস ফুসুরফুসুর। অতকিছু কান করেনি মিরাজ। বাপ তাবারকও নিষেধ করেনি। এ মফসসল শহরে পিড়ির পিড়ি জন্মে বেঁচেবর্তে খেয়ে-পরে আবার মরে ভূত হয়ে গেল, সেই শহরকে কেন সে নিজের থেকে লুকিয়ে নেবে? পড়শি তো আপনই। পড়শির ইট-কাঠ-পাথরও আপন। এত বড় জীবনে দুটো তো কাল। ইহকাল আর পরকাল। সেই ইহকালে পেটের ভাত জোগাচ্ছে যে শহর সে শহর কি কখনও দুশমন হয়?

পুঁজির গ্রাসে পুজো

বাঙালি আন্তর্জাতিক হবে । পুঁজি এলে অনেক বেকার ছেলে কাজ পাবে । পাড়ার ক্লাবে মানুষের ঢল নামবে । আমরা চারদিন সব ভুলে সেলিব্রেট করব আধুনিক দুর্গাপুজো। অথচ অনেককিছু করা যে বাকি ছিল । সে হিসেবের খাতাটা সবার মত এই ক্লাবগুলিও হারিয়ে ফেলল । এই ভাবেই বাঙালী দুর্গাপুজো পালন করতে শিখছে ইদানীং

বাংলার বিস্মৃতপ্রায় মুসলিম বিপ্লবী

একদিকে আজাদী কা অমৃত মহোৎসব পালিত হচ্ছে দেশ জুড়ে, আর অন্যদিকে আমরা ক্রমশ ভুলে যাচ্ছি, আমাদের এই বাংলার ব্রিটিশ বিরোধী বিদ্রোহের কথা, মুসলমান বিপ্লবীদের কথা।

আরও পুরানো লেখাগুলি

ইউএপিএ নিয়ে সিপিআই( এম) এর দ্বিচারিতা ঃ রাজনৈতিক বিতর্কের আহ্বান

আমাদের অজানা নয় যে ভীমা-কোঁরেগাও মামলায় যখন একের পর এক কবি,সাহিত্যিক,সাংবাদিক, অধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ইউএপিএ আইনে তখন সিপিএম ঘনিষ্ঠ ও পার্টি সদস্য বুদ্ধিজীবিরা এই অন্যায় রুখতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। কিন্তু নিজেদের শাসনে তারা শুধু এই কুখ্যাত আইনের প্রয়োগই করছেন না,একই সঙ্গে চরম প্রতিহিংসা পরায়ণ,প্রতিক্রিয়াশীল অবস্থান নিচ্ছেন যার সাম্প্রতিক উদাহরণ হল কেরলের রূপেশ মামলা।

টুইন টাওয়ার ধবংস- কিছুই কি করা যেত না?

সুপ্রিম কোর্টের আদেশ শিরোধার্য করেও একটা খটকা থেকেই যায়, ১০০০ কোটি টাকার সম্পত্তি যা ধ্বংস করতে ২০ কোটি টাকার বিস্ফোরক লাগে, সেই সম্পত্তি কি সরকার অধিগ্রহণ করে কোন বৃহত্তর জনস্বার্থে ব্যবহার করতে পারতো না! অতীতে বে আইনী নির্মাণ অধিগ্রহণ করার নজির তো কম নেই।

আখ্যান

টুইন টাওয়ার ধবংস- কিছুই কি করা যেত না?

সুপ্রিম কোর্টের আদেশ শিরোধার্য করেও একটা খটকা থেকেই যায়, ১০০০ কোটি টাকার সম্পত্তি যা ধ্বংস করতে ২০ কোটি টাকার বিস্ফোরক লাগে, সেই সম্পত্তি কি সরকার অধিগ্রহণ করে কোন বৃহত্তর জনস্বার্থে ব্যবহার করতে পারতো না! অতীতে বে আইনী নির্মাণ অধিগ্রহণ করার নজির তো কম নেই।

ইউএপিএ নিয়ে সিপিআই( এম) এর দ্বিচারিতা ঃ রাজনৈতিক বিতর্কের আহ্বান

আমাদের অজানা নয় যে ভীমা-কোঁরেগাও মামলায় যখন একের পর এক কবি,সাহিত্যিক,সাংবাদিক, অধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ইউএপিএ আইনে তখন সিপিএম ঘনিষ্ঠ ও পার্টি সদস্য বুদ্ধিজীবিরা এই অন্যায় রুখতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। কিন্তু নিজেদের শাসনে তারা শুধু এই কুখ্যাত আইনের প্রয়োগই করছেন না,একই সঙ্গে চরম প্রতিহিংসা পরায়ণ,প্রতিক্রিয়াশীল অবস্থান নিচ্ছেন যার সাম্প্রতিক উদাহরণ হল কেরলের রূপেশ মামলা।

রামরাজ্য আসছে, শম্বুকেরা সাবধান

বাল্মীকি রামায়ণের উত্তরকাণ্ডে আছে : এক শূদ্র তপস্বী একবার ঈশ্বরকে লাভ করতে চাইলেন। এর জন্য শুরু করলেন কঠোর তপস্যা। সামনে অগ্নিকুণ্ড জ্বাললেন, আর বৃক্ষে পা ঝুলিয়ে মাথা অগ্নিকুণ্ডের উপর রেখে শুরু হল কঠোর তপস্যা। তাঁর ঈশ্বর লাভ হল। অবতার রামচন্দ্রের দেখা তিনি পেলেন। সেই ভগবান তাঁকে দেখে প্রশ্ন করলেন, ‘হে তপস্বী! আপনার জাত কী?’ তপস্বী বললেন, ‘আমার নাম শম্বুক, জাতিতে আমি শূদ্র’। শূদ্র শম্বুকের কথা শুনে ভগবান ক্রোধে কাঁপতে লাগলেন, ক্রোধাগ্নিতে তার দুই চোখ জ্বলে উঠলো। শূদ্র হয়ে তপস্যা ? রাম এক মুহূর্তও বিলম্ব করলেন না, তার হাতের খড়্গ দিয়ে এক কোপে শম্বুকের মাথা কেটে ফেললেন।

সমুদ্রলতা

নগ্ন বুকের উপর থেকে মাসুদ চানুর হাতটা নামিয়ে রাখে শারমিন। অদ্ভুত আলোছায়ায় অপূর্ব লাগছে রুমটি। যেন বেহেশ্‌তের মতো ! নূর ছড়ানো জ্যোতিচ্ছটা অলৌকিক রঙ ছড়াচ্ছে। এ যেন এক নূরমহল, কোনো হোটেল নয়।

আর এস এস-এর হিন্দু জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হঠাৎ বললেন, সব আরএসএস নাকি খারাপ নয়, কিছু ভালো আরএসএস ও আছে, কিন্তু এই আরএসএস যে জঙ্গী প্রশিক্ষণ শিবির করছে তা কি তিনি জানেন ?

স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর না কি দেশভাগের প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী

দেশভাগের পরে অখণ্ড বাংল‌ার পশ্চিমাংশে হঠাৎ সংখ্যালঘু হয়ে যাওয়া মুসলমানদের কি হল সে খবর কি রেখেছি আমরা! যারা এ পার বাংলা থেকে পূর্ব পাকিস্তানে চলে গেল তাদের খবর আমরা রাখিনি, এই বাংলায় যারা রয়ে গেল তাদের সম্বন্ধেও সামান্যই জানি।