পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

এই সময় নিয়ে ৩ টি অণু গল্প লিখলেন ব্রতী মুখোপাধ্যায়।

Read more


ফুচিক আলাদুমবার যাবে বলে বেরিয়েছিল। বাস কন্ডাকটর বলল, “কোথায় যাবেন?” ... সময় নেই ঘন্টা নেই আইন নেই মজুরি নেই... আজকের সময় নিয়ে ৩টি ছোট গল্প লিখলেন উপল মুখোপাধ্যায়

Read more


একটা সফটওয়্যার যেখানে নামের বানান ঠিক করা যায়, এমনকি ট্রাইবালদেরও! তা থেকে গাছপালা, বন্যজন্তু, শাপ, পাখপাখালি, গাছ-কাটা, শ’মিল— সব বেরচ্ছে বানান ছাড়া। মেরুনা মুর্মু বা অন্য আদিবাসী সাঁওতালের সঙ্গে কি শুধু জঙ্গলের সম্পর্ক, বানানের কোন সম্পর্কই নেই?

Read more


এতদিন যখন হয়নি, আর হবে না। ইদ্রিস কাকা আক্রান্ত হবার ভয় ফুৎকারে উড়িলে দিলেন। মুখে মৃদু হাসি। যেন ইতোমধ্যে জয় করে ফেলেছেন কিছু। এদিকে ডিমের দাম ছয়। গেছিলেন এক ক্রেট ডিম কিনতে। কেনা হল মোটে দশটা। সংসারে ডিম ছাড়াও তেল লাগে, নুন লাগে, শাক-সব্জি-মশলাপাতি লাগে। সেইদিকে নজর দিতে গিয়ে একেবারে দুম-ফটাস।

Read more

by সাদিক হোসেন | 02 October, 2020 | 0 Comment(s) | 407 | Tags : Lockdown Story


সেই নিবিড় সময়ে লোকটা এসে দাঁড়ায়। ফাঁকা বেঞ্চটায় এসে বসে। গোবিন্দকে দেখে। গোবিন্দও সেদিকে তাকায়। লোকটার গায়ের চামড়া পুড়ে যাওয়া, রোদে গোটানো। মাথায় উসকোখুসকো চুল। চোখ মুখে ক্লান্তির ছাপ। আবার সেই চেহারায় কোথায় যেন লুকানো ভরা অতীতের ছাপ। এমন লোক তো আশপাশের মানুষ নয়!

Read more


গাফফার সানাউল্লামাস্টারের কুরবানির উটটাকে দেখছে। উটটা বুঝি খিদের জ্বালায় জাবর কাটছে! তার দুই কষা বেয়ে সাদা সাদা ফ্যানা গড়িয়ে পড়ছে। যা দেখে গাফফারের মনে হচ্ছে, তার অবস্থাও ওই উটটার মতো। সেও জাবর কাটছে। তবে পার্থক্য যেটুকু- উটটার মতো তার কষা বেয়ে সাদা সাদা ফ্যানা গড়িয়ে পড়ছে না। পড়বে কী করে? আসলে সে তার মুখে জমা ফ্যানা গিলে গিলে খাচ্ছে, নিজের পেট ভরাচ্ছে।

Read more


যখন সব বাড়তি সেন্টুরা কাদার মধ্যে মুখ গুঁজে পড়ে থাকতে দেখা যায় সে সময় বারান্দার বাতাসে দিল্লী থেকে ভেসে আসা জয় ভীম, লোহিয়াজির নারা, জগদীশবাবুর ইনকিলাব আর ছোটানাগপুরের উলগুলান চাঙ্গা করে তুলছে হাথরসের কাহানিমালা।

Read more


দুই বাংলা মিলিয়ে বেঁচে থাকা লেখক ছোট-গল্প ও সাহিত্য-চর্চায় প্রায় নবীন। জন্মসাল ১৯৮৫। সৃজন সাহিত্য নামে পত্রিকার সম্পাদক। ২০১৩ সালে অস্থির ঢাকা ঘুরে লিখেছিলেন, শাহবাগ আন্দোলন ও চলমান বাংলাদেশ, এই নামের এক ডকুমেন্টারি পুস্তিকা।

Read more

by বিষ্ণু সরকার | 06 November, 2020 | 2 Comment(s) | 420 | Tags : short story


অচ্ছুত, চিত্রার ছেলে এবং অনাথনামা-- সহমনের গল্প বিভাগে আজ থাকলো তিনটি অণুগল্প

Read more


এখানে বাতাসে বিষ নেই। শহর থেকে দূরে। চিমনির কালো ধোঁয়া,গাড়ির আওয়াজ কিচ্ছুটি নেই। রান্নাঘরের তাড়াও নেই। মনে পড়ল,আজ ধ্যানের ক্লাস আছে। নিয়ম মেনে। ঘন্টা খানেক। সবই নিয়মের। মেনে চলেন। মানিয়ে চলেন। জীবন। নতুন বাড়ি। নতুন পরিবার!

Read more


লোকটি রঙ বদলায়।কিন্তু এই রাতের অন্ধকারে নদীর বালিতে কেবলই একাএকাই লুকোচুরি খেলছে গণশা,অন্ধকার জোছনা হয়ে বালিতে ছবি আঁকছে।দেখে পাগল বলবেরে তকে উটে আয়।কে যেনো ডাকে গণশাকে।

Read more

by আয়েশা খাতুন | 28 November, 2020 | 0 Comment(s) | 360 | Tags : Short Story


এই রকম ঝামেলা থেকে অট্টহাসতলা আর সোনারুন্দি থেকে বহু লোক এসে শিমুলিয়া গ্রামে আজাদ মির্জার বাড়ি আক্রমণ করে। তার গোয়ালের গরু নিয়ে পালায়। আজাদ মির্জা তালেবর লোক। সে পার্টি করে। তার হয়ে কথা বলবে, দরকারে লাঠি ধরবে, এমন লোকের সংখ্যাও কম নয়। যারা অট্টহাসতলা আর সোনারুন্দি থেকে এসেছে, তারা কেউ নারান পণ্ডিত বা সোমেন চক্রবর্তীর চেনা লোক নয়। গুলি বোমা পিস্তল এনে আজাদ মির্জার বাড়ি তছনছ করে পোস্টার লাগিয়ে গিয়েছে, গোমাতার কোনও অপমান তারা সহ্য করবে না! এই সময়ের একটি গল্প লিখলেন শামিম আহমেদ

Read more


পরদিন সকলের উত্তেজনার নিরসন ঘটিয়ে এবার দু’জনে ফোন স্ক্রিনের সামনে এসে হাজির। আজ দোয়েল মিহিরের দেওয়া একটা সুতির টপ পরেছে। তাতে খুব সুন্দর কলকাতার কলেজ স্ট্রিটের ছবি আঁকা। দোয়েল কলেজ স্ট্রিট চেনে।মায়ের সঙ্গে গিয়েছে গেল বার।

Read more


আমাদের কুলদেবতা ভদ্র। তার ইচ্ছায় আমাদের গোষ্ঠীতে পড়াশোনার চল শুরু হয়েছে। মেয়েটির মৃত্যুর প্রসঙ্গে,যাঁরা আমাদের মধ্যে শিক্ষিত,তাঁরা পুনরায় মহান ব্যাক্তিদের উক্তি স্মরণ করলেন পৃথিবীতে শুধুমাত্র একটিই ভালো আছে,জ্ঞান। আর একটিই খারাপ আছে,অজ্ঞতা।

Read more


এর মধ্যেই বয়সভিত্তিক বেশ কিছু প্রতিযোগিতায় দারুণ ফুটবল খেলার পরিচয় রাখতে শুরু করেছে প্রমিত। স্কুল পর্যায়ের এক প্রতিযোগিতায় হ্যাটট্রিক করায় কাগজেও নাম বেরল প্রমিতের। গর্বে ফুলে উঠল অসিতবাবুর বুক। ছেলে বড় ফুটবলার হবে।

Read more


ছেলেটাকে আমার সেই পুরনো পাড়াটা, আমার সেই ডাং-গুলি চোর-চোর খেলার দিনগুলিকে দেখানোর ইচ্ছে হচ্ছিল খুব। সেই সব ভাঙা পুকুর পাড়, কুলগাছ। সেই ফাঁকা প্লট, পাখির ডাক। এক সেই প্রাইমারি স্কুলটাই টিকে আছে কোনও মতে।

Read more


সত্যি দলিতরা কী কী কাজ করতে পারে তা অতি দীর্ঘ এক প্রকল্পনাই বটে যার সঙ্গে স্কুলের সামনের দোকানটি বন্ধ থাকবে কিনা, মানব চেনের বাবুদিগের প্রতিবাদের মতো একশো দিনের মাথায় মাটির ঝুড়ি সারিবদ্ধ দলিতের নিরবিচ্ছিন্ন কনভেয়ার বেল্ট থাকবে কিনা, ইতিহাস - ভূগোল আর দেড় হাজার পাতার বইয়ের নিখুঁত পৃথিবী নির্যাস সংযোগ ছাড়াই লেখার মতলব হতে থাকবে। সহমনের গল্প বিভাগে লিখলেন উপল মুখোপাধ্যায়

Read more


মেঘবালিকা শব্দ করে কাঁদে মেঘবালিকা শব্দ করে হাসে মেঘবালিকার বুকের মাঝে ব্যথা মেঘবালিকার মৃত্যু শ্রাবণ মাসে।

Read more


এই প্রতিভা নিয়ে সে জীবিকা অর্জন করতে পারবে সেটা ফ্রাউ ফ্রিডা কোন দিনও ভাবেনি। কিন্তু ভিয়েনার নিষ্ঠুর ঠান্ডায় জীবন অতিবাহিত করা তার পক্ষে দুঃসহ হয়ে পড়ল। তারপর সে বসবাস করার জন্য প্রথম যে বাড়িটা পছন্দ হল সেখানে কাজের খোঁজ করল। যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হল সে কি কাজ পারে সে নিপাট সত্যটাই বললঃ “আমি স্বপ্ন দেখি”।

Read more


এসব নিয়ে বলার সময় আর আসুক, আমি চাইনা। আসলে অজস্র নেই নিয়ে আমার যে চারপাশ, ভালবাসা সেখানে আছে কিনা বা থাকলেও আমার বোধ্য নয়। যেজন্যে মনে হয়, আমিও কাউকে ভালবাসতে পারিনি । যদি কখনও পারি বা সেই বোধ খুঁজে পাই, তোকেই জানাব।

Read more


ডিভোর্স শব্দটাকে অভিধানের ঘেরাটোপ থেকে বার করতে মানুষ বড় ভয় পায়। খাঁচার পাখি উড়তে গিয়ে যদি মাথা ঘুরে পড়ে যায়? আমাদের ঘরবাড়ির বাইরের দেওয়ালের রঙটা ঝকঝকে রাখতেই হয়, তা সে ভিতরে যতই চামচিকে বাসা বাঁধুক না কেন! *মেঘ-অরণ্যকথা* র গল্প লিখলেন অনিন্দিতা দে।

Read more


হঠাৎই ঘুম ভেঙ্গে যায় তোতার পাশে অমিত নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। কি বিরক্তিকর আওয়াজ। দিনে অকারণে চিৎকার করে আর রাতে বিশ্রী নাক ডাকে। প্রেম ভালোবাসা বলতে শুধু বোঝে শরীর। তোতার গা ঘিন ঘিন করে। শহর জুড়ে এখন প্রেমের মরসুম, সেই ভালবাসা, মন্দবাসার গল্প লিখলেন মৌসুমী রায়।

Read more


এবার মৌলভীর ফতোয়াতে নিজের জন্য নয়, বাড়িতে মা কোনও বিড়ম্বনায় পড়বে কিনা ভেবে শঙ্কিত হচ্ছি। আমার জন্য মায়ের জানাজা-কবর গাঁয়ের লোকে হারাম করে দেবে না তো? মায়ের যে বড় সখ! হ্যাঁ, সখই। আমার আব্বা যেখানে শায়িত আছেন, সেই কলাপুকুরের পাড়ে বেলগাছের ছায়ায়, মাত্র তিন বাই সাত ফুট মাটি।

Read more


নিজের আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সে দেখতে পায় নিজেরই গলায় দড়ির সরু দাগ । আত্মহত্যাপ্রবণতা এসব ভারী ভারী কথা ক্রমশ ওর নিজেরই কাছে হালকা হয়ে আসে ।

Read more


তিনি আজন্মের পথিক এই রসের ভিয়ানে । চলাই জীবন। প্রতিপক্ষের কাদা-পাঁক যত ছিটকে এসে পড়বে ধোপদুরস্ত কাপড়ে ততই জীবনের কামড় অনুভূত হবে, চলার অর্থ খুঁজে পাওয়া যাবে । জীবন চলুক এভাবেই । শেষ কোথায়, কতদূরে……কিভাবে ? তাই জানতেই তিনি আজও পথিক…….জীবন পথের পথিক……

Read more


রাত ঘন হয়ে এল আরও। এবার বিশ্রাম নেবার আয়োজন করতে হবে ওদের। রুনার এত তাড়াতাড়ি ঘুম আসে না। সে তার সিটে গিয়ে ম্যাগাজিন নিয়ে বসল। ইয়াসিনের দেরি করলে চলবে না, সারাদিনে অনেক কাজ করার আছে। তার সঙ্গীসাথীরা এই ট্রেনেই অন্য কামরায় আছে।

Read more


নির্দেশিকা জারি করল চৌকিদার— • কাজের কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকবে না। যতক্ষণ দিনের আলো থাকবে, যতক্ষণ অধস্তনেরা মনে করবে, ততক্ষণই কাজ চলবে। • সকল মজুর কাজ করতে বাধ্য থাকবে। • জ্বালানির জন্য তারা কয়লার গুঁড়োই পাবে, কয়লা নয়। • কাজ চলাকালীন কোনও মজুরের মৃত্যু ঘটলে তার পরিবারের একজনকে কাজে বহাল করা হবে। সবটা গড়গড় করে পড়ে চৌকিদার ফিরে গেল...তারপর কি হল?

Read more


কশিরন ভাবে সব জায়গা এসি হলে কতটা টাকা লাগতে পারে। হিসেব করতে পারে না।।এসির দাম তার জানা নেই। পাখা একটা লাগানো আছে তার বড়বেটার ঘরে কিন্তু তার দামও জানা নেই তার। কখনো সখনো পাখার হাওয়া খাবার সৌভাগ্য হয়েছে তার কিন্তু সব সময় না। আর পাখা লাগাবেই বা কোথাও। পাখা লাগানোর জন্য ছাদ চাই।

Read more


সেদিনের ছবিটা আজ এতগুলো বছর পরেও পরিষ্কার । মন্ত্রমুগ্ধের মত শুনছিল অলীকের কথা। বক্তৃতা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও কয়েকটা মুহূর্ত দাঁড়িয়েছিল করিডরে । তারপরে ধীর পায়ে এগিয়ে গিয়েছিল ছেলেটার সামনে । কে দেখছে, কি ভাবছে, এসব চিন্তা মাথাতেই আসেনি । সরাসরি বলেছিল,' আমি অনন্যা । ফাইনাল ইয়ার পল সায়েন্স । আপনি এতক্ষণ যা যা বললেন তা কি কোনোদিন সম্ভব হবে আমাদের দেশে?'

Read more


রঙ ময়লা হলেও চোখের চাহনি বড় মায়ায় ভরা। দেখে নিবারণ। মেয়েটাও অবাক হয়ে দেখে নিবারণকে। ওপারের চশমার কারখানায় কাজ করে। কারখানা বন্ধ হলে বেলাবেলি বাড়ি ফেরে।তবে এই ঘাটে পেরোয় না।

Read more


একটা ছেলে ডান হাত দিয়ে লম্বা শিক ধরে আছে। সে ধরার জায়গাটা কাপড় দিয়ে মুড়ে রেখেছে। বোঝাই যাচ্ছে শিকটা গরম। সে গরম দিয়ে দিয়ে চোখ তৈরি করছিল- অদ্ভূত মুখোশের। সেই ছৌয়ের মুখোশটা বীভৎস একটা মুখ। বীভৎস আর অদ্ভূত। মুখোশেটায় চোখের জায়গাটা আঁকার পর একটা গর্ত করতে হয় আর ছ্যাঁতততত ছ্যাঁতততত আওয়াজ করে চোখ তৈরি করা চলতে থাকে।

Read more


সিমিকে মারলে ও নিজে ভীষণ আহত হয়। কোলের মধ্যে মুখ গুঁজে মেয়েটা অভিমানে ফুঁপিয়ে কাঁদতে থাকে। বিজন হেরে যাবার মতো অসহায় বোধ করে। আগে তাপু সিমিকে বকলে বিজন চাপা রাগে গরগর করতে করতে তিন দিন কথা বলা বন্ধ রাখত। এখন সে কিছু বললে তাপু চেঁচিয়ে ওঠে—মেয়েকে তুমি পাঁচ মিনিট দেখার সময় পাও? চব্বিশ ঘণ্টার কতক্ষণ তুমি বাড়িতে থাক? মেয়ের খাওয়া, পরা, পড়ানো, ঘুম পাড়ানো এর কোনোটাতেই তোমাকে পাওয়া যাবে না, শুধু শাসন করলে তোমার মাথাব্যথা বেড়ে ওঠে।

Read more


মিলিয়ে যায় রাতে পরম শান্তিতে ঘুম আসে মহাদেবের । শেষ রাতের স্বপ্নমাখা চোখে দেখে - দূরে - আরো দূরে - বহুদূরে তার পক্ষীরাজ ঘোড়া , গিলে করা ধুতি পাঞ্জাবী উড়িয়ে ছুটে চলেছে । ঘড়ি , আংটি , হার , বোতামের ঝিলিক ঝাপসা হ'তে হ'তে হ'তে - একসময় ।

Read more


ছেলেগুলো চলে গেলে ফাঁকা বাড়িটাও একা হয়ে যায়। পুরোপুরি একা হয়ে যান অবনী মাস্টার। এত দিন তবু অলকানন্দা ছিল। প্রয়োজন-অপ্রয়োজনে, সুখে-দুঃখে দুজনে দুজনের পাশে থাকতেন। ভরসা পেতেন স্ত্রীর সঙ্গে নিজেদের দুঃখ-কষ্ট ভাগাভাগি করতে গিয়ে। গত বছর হঠাৎ করেই অলকানন্দা চলে যাওয়ার পর এখন আরও একা হয়ে গেছেন তিনি। যে রাতে অলকানন্দার হাতটা ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়েছিল, মাস্টার বুকের কাছে টেনে নিয়ে টের পেয়েছিলেন অসাড়। কিন্তু কিছুই করতে পারেননি। হয়তো সময় হয়ে গেলে কারোরই কিছুই করার থাকে না।

Read more


টেস্ট হল। রঞ্জিতের রিপোর্ট এল করোনা পজিটিভ। সেইসঙ্গে দ্রুত অবনতি হল শরীরের। বেশী সময় দিল না রঞ্জিত। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া বা অক্সিজেন সিলিন্ডার এসে পৌছনোর আগেই শেষ নিঃশ্বাসটা আর ধরে রাখতে পারল না স্মিতার সরকারী কর্মচারী স্বামী।

Read more


সকলে আশ্চর্য হয় এমন নতুন ঠাকুরের নাম শুনে। একজন জিজ্ঞেস করে " এ আবার কোন ঠাউর গো বিশ্ব? কত ঠাউরির নাম শুনিচি, এ ঠাউরির নাম তো শুনি নাই।"

Read more


শিবনাথ মালাকার গ্রামের মাতব্বর। প্রভূত ধন সম্পত্তি, সেই সুবাদে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। বিধানসভা তপশীলি সমষ্টি হয়ে গেলেই নাকি শাসক দলের ক্যান্ডিডেট এমন কানাঘুষো। শিবনাথ কাকুর সঙ্গে পল্লবদের পরিবারের একটা অম্লমধুর সম্পর্ক অনেকদিন থেকেই। রক্তারক্তির একটা শিশুকাণ্ড ঘটেছিল বাবার বালক বয়সে। যদিও সেসব চুকে বুকে গেছিল শৈশবেই। সম্পন্ন দুই কৃষক পরিবারের ছেলেরা বন্ধুই ছিল, কিন্তু পিসের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না শিবনাথ কাকার। শিবনাথ মালাকারের বাড়াভাতে ছাই দিয়ে যে বিয়ে করে ফেলল আপিকে।

Read more


পাখিদের কনসার্ট , নিষ্পাপ ভোর , বেহালার সুরের মতো অস্তরাগ , পূর্ণিমায় নেমে এসে গল্প করে চাঁদ , অমবস্যা রাতে জ্যোতিষ্কদের মেলা , দারুণ ৷ খুব সুখেই ছিল তিনজন আত্মা , ইদানিং সেই সুখ নিজ নিজ কারণে অসুখের গভীরে তলিয়ে যেতে বসেছে ৷

Read more


জোব বলল, " এককালে ছিল। সরকার‌ই সে সব অক্ষর পরিচয় ও অংকের ব‌ই ছেপেছিল। পরে সে সব ব‌ই ফুরিয়ে যাবার পর আর ছাপেনি। মহাকরণে পাঁচ-সাত বছর ধরে যাতায়াতের পরে‌ও কোনো সুবিধে করতে পারেনি। তারপর ব‌ইয়ের আশা ছেড়ে দিয়ে শ্রুতি আর স্মৃতির উপর বত্রিশটি রাত-পাঠশাল চলছে।"

Read more