পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

নদীর কান্না

  • 06 November, 2020
  • 2 Comment(s)
  • 1123 view(s)
  • লিখেছেন : বিষ্ণু সরকার
দুই বাংলা মিলিয়ে বেঁচে থাকা লেখক ছোট-গল্প ও সাহিত্য-চর্চায় প্রায় নবীন। জন্মসাল ১৯৮৫। সৃজন সাহিত্য নামে পত্রিকার সম্পাদক। ২০১৩ সালে অস্থির ঢাকা ঘুরে লিখেছিলেন, শাহবাগ আন্দোলন ও চলমান বাংলাদেশ, এই নামের এক ডকুমেন্টারি পুস্তিকা।

পুতুলকে আমি ছিনিয়ে এনেছিলাম সেই দেশ থেকে। সেই নদীর দেশ পেরিয়ে আমাদের এই নদীহীন দেশে।

পুতুলদের বাড়ির চারপাশে ছিল অজস্র নদী আর জল। সেই জলকে ঘিরে একটা দ্বীপের মত এলাকা। তার ভেতরে টুকরো টুকরো গ্রাম। তেমনি এক গ্রামে টিন দিয়ে ঘেরা পুতুলদের বাড়ি। বাড়ির সামনে বড় উঠোন। রোদ্দুর ছড়ানো। তার চারপাশে গাছপালার ছায়া। কান পাতলে ভেসে আসে পাখিদের ডাক। একপাশে সেই বাড়ির পুকুর। চার পেরিয়ে আর একটু এগিয়ে গেলে নদীর জল। নদীর নাম সন্ধ্যা না কি যেন!

সেই নদীর জল পেরিয়ে এদেশে পুতুলকে ছিনিয়ে এনেছিলাম অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে। সেই বিকেলে পুতুলের বাবা কিছুতেই তার মেয়েকে ছাড়তে চাইছিলেন না। অনেক বুৰিয়ে-সুঝিয়ে শেষমেষ তিনি যখন রাজি হলেন, তখন বেঁকে বসল পুতুলই। এই বাড়ি, এই গ্রাম, বাবাকে ছেড়ে, এই নদীর দেশকে ছেড়ে সে কিছুতেই চলে আসতে রাজি ছিল না।

পুতুল সাঁতার জানত। নদী দেখলেই ছোট মেয়েদের মত লাফিয়ে উঠত। জলে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইত। আমিও নদী ভালোবাসতাম। কিন্তু জলকে আবার ভয়ও পেতাম। সাঁতার জানতাম না বলে জল থেকে দূরে দাঁড়িয়ে থাকতাম। দূর থেকেই, পাড়ে বসে নদীর চলা-ফেরা দেখতাম।

সেই নদীতে সকাল হত। আলো ছড়িয়ে যেত। সেই আলো সারাদিন ভেসে বেড়াত এমাথা-ওমাথা। ভেসে বেড়াত কত নৌকা, স্টিমার, লঞ্চ। বিকেল বেলা পড়ন্ত রোদ ঝলমল করে হেসে উঠত নদীর বুকে। এক সময় রোদ বিদায় নিলে আকাশে ফুটে উঠত মস্ত চাঁদ। সেই চাঁদের আলো ছড়িয়ে যেত নদীর জলে। জ্যোৎস্না ছড়ানো আলোয় ভেজা নদীর জল।

তেমনি একদিন, চার দিকে জ্যোৎস্না ছড়ানো সন্ধ্যায় পুতুলের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। সেই নদীর পাড়ে। দূর থেকে একটা মিষ্টি বাতাস খেলে বেড়াচ্ছিল।

আমি জানতে চেয়েছিলাম, কেমন আছ পুতুল?

পুতুল জবাব দিয়েছিল, এ দেশে এখন আর কেউ ভালো নেই। সবার অসুখ!

আমি অবাক হয়েছিলাম। বলেছিলাম, সে কি কথা! তোমাদের এত সুন্দর দেশ, এই নদী আকাশ মাটি জল, ওরা তো দিব্যি হেসে খেলে বেড়াচ্ছে। আর তুমি বলছ ভালো নেই কেউ!

না, ভালো নেই। ভালো নেই এই দেশ।

আমি বললাম, কিন্তু কেন পুতুল?

পুতুল খানিক চুপ থেকে নদীর দিকে তাকিয়ে থাকল। তার পর কি যেন বলে গেল। ওর কথাগুলো বাতাসের টানে সরে গেল আরও দূরে। আমার কানে এসে পৌঁছল না।

আমি বললাম, তুমি আমার সঙ্গে যাবে পুতুল?

পুতুল অবাক হয়ে বলল, কোথায়?

আমি বললাম, আমাদের দেশে।

পুতুল কিছু বলল না। ভয় নাকি লজ্জায়, এক দৌড়ে চলে গেল বাড়ির দিকে।

সেই প্রথম পুতুলের সঙ্গে আমার দেখা। তার পর একদিন ওদের বাড়িতে। বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে সরাসরি ওর বাবার সঙ্গে কথা বলতে যাওয়ার দিন। ভদ্রলোক অত্যন্ত বিনয়ী। নরম মনের মানুষ। আমার সব কথা শুনে বললেন, পুতুল আমার এক মাত্র মেয়ে, যক্ষের ধন, সেই ছোটবেলায় ওর মা মারা যাওয়ার পর থেকে বুকে আগলে মানুষ করছি। এতটুকু দুঃখ-কষ্ট দিইনি। লেখাপড়া শিখিয়েছি। মানুষ করেছি। তবু জানি মেয়ে হয়ে যখন জন্মেছে, একদিন তো তাকে বিদায় দিতেই হবে...। বলতে বলতেই ওনার দুচোখ বেয়ে জল গড়িয়ে গেল।

আমি পরিস্থিতি হালকা করতে বললাম, শুনছি এ দেশের অবস্থা ভালো না। পুতুল আমার কাছে থাকলে ভালো থাকবে।

উনি আমার কথাটাকে যেন আঁকড়ে ধরতে চাইলেন। বললেন, সত্যিই এ দেশ আর আগের মত নাই। মানুষগুলান কেমন বদলে গেছে। পোলাপানগুলা পর্যন্ত রাস্তায় মেয়েদের দেখলে কেমন চোখে তাকায়। এই পরিবেশে পুতুলকে আর কতদিন আগলে রাখব আমি।

ওনার চোখে-মুখে বিষণ্ণতা। তার পর বলেন সেই মোক্ষম কথাটা। ...আমাদের মত লোকের এদেশে খাওন-পরনের অভাব নাই, কিন্তু রাতের বেলা ঘুমও নাই!

পুতুল একদিন সময় চাইল। ভেবে দেখার জন্য। আমিও সিদ্ধান্তটা ওর হাতে ছেড়ে দিতে চাইলাম। বুঝলাম, নিজের দেশ ছেড়ে যাওয়ায় যেমন একটা যন্ত্রণা আছে, আবার সেই দেশে থাকবার যন্ত্রণাটাও পুতুলের কাছে কম নয়।

আমার দেশকে নিয়ে ওদের দেশে অনেক কৌতূহল আছে। অনেক আগ্রহ। অনেক বিদ্বেষও। আবার অনেকের কাছে স্বপ্নও। বেঁচে থাকার এতটুকু আশ্রয়। বহু মানুষের জায়গা-জমিও কেনা আছে। প্রয়োজনে চলে আসবার জন্য। পুতুলের বাবা কোনও দিন আমার দেশে আসেননি। আসবার কথা কখনও ভাবেননি। তবু আমাকে সেই দেশের প্রতিনিধি হিসাবে পেয়ে হয়তো খানিক ভরসা পেয়েছিলেন।

কিন্তু পুতুল? ওর মনের ভেতর কি হচ্ছিল? কি ভাবছিল সারা রাত? নিশ্চয়ই ঘুমোয়নি মেয়েটা। নিজের প্রিয় দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার বিচ্ছেদের কথা ভেবেই হয়তো কেঁদেছিল ঠোঁট ফুলিয়ে। আবার নতুন দেশ, যে দেশকে ঘিরে পুতুলের মত মেয়েদের অনেক স্বপ্ন, সেই দেশের মানুষকে স্বামী হিসাবে পাওয়ার সুযোগ, নতুন ঘর বাঁধার সুযোগ, পুতুলের মনকে কি এতটুকু চঞ্চল করে তোলেনি?

ফিরে আসবার দিন সকালবেলা আমাকে অবাক করে দিয়েছিল পুতুল। দেখি সবকিছু গুছিয়ে তৈরি হয়ে আছে আমার সঙ্গে আসবে বলে। পুতুলের বাবা এগিয়ে এসে মেয়েকে আমার হাতে তুলে দিলেন। বললেন, আমার যক্ষের ধনকে তোমায় দিয়ে দিলাম, একটু দেখে-শুনে রেখ। ওনার দুচোখ দিয়ে আবার জল গড়াল। পুতুলকেও দেখলাম আড়ালে চোখ মুছতে। আমরা রওনা হলাম। দূরে ক্রমশ মিলিয়ে গেল পুতুলদের গ্রাম, গ্রামের মাটি, আকাশ, নদীর জল, চেনা মুখ। পুতুল কাঁদতে কাঁদতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিল আমার ঘাড়ে মাথা রেখে। আর সেই প্রথম আমার মনে হল, পুতুলকে আমি ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছি ওর প্রিয় গ্রাম ছাড়িয়ে, নদী ছাড়িয়ে, ওর দেশ ছাড়িয়ে অন্য আর এক জগতে।

পুতুল কেমন শান্ত হয়ে গিয়েছিল। ওর চেহারায় সেই হাসি-খুশি-ভাব, বাচ্চা মেয়েদের মত সেই উচ্ছ্বাস কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিল। ওর মন ভালো করতে এক দিন বললাম, চলো আমরা কোথাও ঘুরে আসি পুতুল। কিন্তু পুতুলকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে মনে হল, ওকে কোথায় নিয়ে যাবো? ওর দেশের মত মন ভালো করার জায়গা কি কোথাও আছে আমাদের এখানে!

পুতুল নদী দেখতে চাইল। আমি বললাম, পুতুল আমাদের এখানে তো কোন ভালো নদী নেই।

পুতুল বলল, পুকুর?

আমি বললাম, কাছাকাছি তেমন পুকুরও নেই।

পুতুল অবাক হল। বলল, তোমাদের এ কেমন দেশ গো!

আমি বললাম, চলো পুতুল আমরা পার্কে যাই।

পুতুলকে নিয়ে সোজা পার্কে ঢুকলাম। সারাটা বিকেল একসঙ্গে ঘোরাঘুরি করলাম। কাছাকাছি একটা মল ছিল। ওকে নিয়ে গিয়ে পছন্দমত কিছু জামাকাপড় কিনে দিলাম। সন্ধ্যের মুখে বড় রেস্টুরেন্টে দুজনে মুখোমুখি বসলাম। নতুন ধরণের অনেক কিছু খেলাম। তার পর একটু বেশি রাত করে দুজনে বাড়ি ফিরলাম।

এভাবেই চলল কয়েকটা দিন।

এর মধ্যেই অফিস থেকে একদিন খবর পাঠালো উত্তরবঙ্গে যেতে হবে। অফিসের কাজে আমাকে প্রায়ই বাইরে বাইরে যেতে হয়। কিন্তু পুতুলকে ফেলে এত তাড়াতাড়ি কোথাও যেতে হবে ভাবিনি। অফিস তো ব্যাপারটা জানত। তবু কেন? বস্ বলল, আর্জেন্ট কল। আমাকেই সামলাতে হবে। হিসেব করে দেখলাম, কাজ মিটিয়ে ফিরতে ফিরতে তাও দিন চারেকের ধাক্কা। পুতুলকে সঙ্গে নিতে চাইলাম। কিন্তু তাতেও অফিস আপত্তি করল। শেষ পর্যন্ত পুতুলকে বোঝালাম, দিন-চারেকের তো ব্যাপার। কাজ মিটিয়ে তাড়াতাড়ি ফিরে আসব।

পুতুল আপত্তি করল না। ওকে ফ্ল্যাটের সব নিয়মকানুন বুঝিয়ে দিলাম। যোগাযোগের সুবিধার জন্য একটা নতুন মোবাইলও কিনে দিলাম। শিখিয়ে দিলাম কিভাবে ফোন করবে, কিভাবে ফোন ধরবে।

কাজ সেরে উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরতে ফিরতে আরও দুদিন দেরি হল। ভাবলাম এ কয়দিনে পুতুল নিশ্চিই একা একা হাঁপিয়ে উঠেছে। কিংবা আমার প্রতি অভিমান করে বসে আছে। ঘরে ফিরে ছবিটা সম্পূর্ণ উল্টো দেখলাম। পুতুল দিব্যি হেসে খেলে মোবাইলে মজে গেছে। আমাকে দেখে বলল, এই শুনছো, আমাকে একবার দীঘা নিয়ে যাবে বেড়াতে। আমি কখনও সমুদ্র দেখিনি। সমুদ্রে তো অনেক জল!

আমি বললাম, কবে যাবে!

পুতুল বাচ্চা মেয়ের মত লাফিয়ে উঠল।

ওল্ড দীঘার বিচে আমরা যেদিন এসে পৌঁছলাম, তখন সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়েছে। সমুদ্রের বিস্তৃত জলরাশি বাতাসে শোঁ-শোঁ শব্দ তুলে আমাদের দিকে ছুটে এসে আছড়ে পড়ছে। বড় বড় পাথরের বুকে সেই জল ধাক্কা খেয়ে সাদা ফেনা আর বুদবুদ তৈরি করছে। আবার পলকেই মিশে যাচ্ছে পাথরের গা বেয়ে অতলে। পুতুল মুগ্ধ হয়ে সমুদ্রকে দেখছে। দেখছে জলরাশি। পুতুল জলের দেশের মানুষ। নদী দেখেছে, বুক ভরা জল দেখেছে। কিন্তু জলের এমন গর্জন কখনও দেখেনি। এমন হুঙ্কার কখনও শোনেনি। তাই বেশ অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে সারাটা বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যে পর্যন্ত।

রাতে হোটেলের ঘরে ফিরে এসেই ফোনটা পেলাম। আর সেই একটি মাত্র ফোন আমার মনকে প্রবলভাবে নাড়িয়ে দিয়ে গেল। যদিও পুতুলকে কিছু বুঝতে দিলাম না। পর দিন বাড়ি ফিরে পুতুলকে নিয়ে বারান্দায় বসলাম। খোলা জানালার ও দিকে মস্ত আকাশ। পাখিদের ওড়াউড়ি। পুতুলকে বললাম, ওই আকাশের ওপাশে তোমাদের দেশ। তোমার নদী।

পুতুল হাসল। বলল, কই আমি তো দেখতে পাচ্ছি না!

আমি বললাম, দেখবে কি করে? দেখছ না কেমন মেঘ জমেছে আকাশ জুড়ে।

আমার মনের ভেতরেও মেঘ জমছিল। কড়কড় শব্দ তুলে মাটিতে আছড়ে পড়ার জন্য তৈরি হচ্ছিল। এবার ওর আরও কাছে এসে বললাম, শোন পুতুল, খবরটা রাতেই পেয়েছিলাম। কিন্তু তোমাকে বলিনি। গত রাতে তোমার বাবা মারা গেছেন। সন্ধ্যের পর বুকে ব্যাথা উঠেছিল। গ্রামের লোকেরা নৌকা ভাড়া করে রাতেই শহরের হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।

পুতুল কেমন শান্ত গেল। তার পর ফুপিয়ে কেঁদে উঠল একবার। শেষে হাত-পা ছুঁড়ে প্রবল কান্নায় ভেঙে পড়ল। আমি পুতুলকে সান্ত্বনা দিতে চেষ্টা করলাম।

আরও কয়েক দিন পেরিয়ে গেল।

পুতুল এখন বাংলা ছেড়ে অল্প অল্প হিন্দি বলতে শিখেছে। টিভিতে সিরিয়াল দেখে একা একাই প্র্যাক্টিস করেছে। আমি কয়েক দিন পরপর বাড়ি ফিরলে আমাকে শোনায়। আমি চমকে যাই। মনে মনে বলি, এই কি সেই পুতুল? সেই জলের দেশের মেয়ে, নাকি অন্য কেউ? পুতুল আমাকে আরও চমক দেয়। যখন ডোরবেলের শব্দে দরজা খুলে দেখি অপর প্রান্তে খাবারের প্যাকেট হাতে দাঁড়িয়ে ডেলিভারি বয়। পুতুলকে বলি, তুমি খাবার অর্ডার করতেও শিখে গেছ তাহলে? পুতুলের মুখে হাসি ছড়িয়ে যায়। সেই হাসিতে লুকনো নতুন শেখা বিলাসিতা। সেই হাসিতে লুকনো নদীহীন দেশ।

আমি ছিটকে সরে যাই। একছুটে পালিয়ে যাই পুতুলকে ফেলে, এই ঘর-বাড়ি ফেলে, এই দেশ ফেলে অন্য এক দেশে। সেই নদীর কাছে ফিরে গিয়ে জল হাতড়ে বেড়াই। খুঁজে বেড়াই আমার হারিয়ে যাওয়া পুতুলকে। আর তখনই শ্বশুরমশাই এসে আমার পাশে দাঁড়ান। আমি অবাক হই না। বরং অবাক হই তার কথায়। তিনি বলেন, পুতুল চলে যাওয়ার পর নদীটাও কেমন শুকিয়ে গেছে। চর জেগেছে ওর বুকে। সেই চর থেকে বালি তুলে নিচ্ছে বড় বড় ট্রাক। শোনা যাচ্ছে এখানে ব্রিজও হবে একটা।

আমি নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে একটা কান্নার শব্দ শুনতে পাই। প্রিয়জনের শোকে যেমন কান্নার শব্দ ওঠে, ঠিক তেমন।

2 Comments

Dipankar Sarkar

06 November, 2020

বাহ্। দারুণ।

ঋপণ আর্য

09 November, 2020

অনবদ্য লাগলো গল্প। বিষ্ণু গল্পের হাত বরাবরই ভাল। আপামীর অপেক্ষা রইল

Post Comment