পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

মেহেরবানী

  • 07 August, 2022
  • 0 Comment(s)
  • 755 view(s)
  • লিখেছেন : কাকলি দেবনাথ
ফোনটা অনেকক্ষন ধরে রিং হচ্ছে। বাথরুম থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এসে ফোনটা ধরল শ্রেয়সী। এত সকালে কে ফোন করল ? ভোরবেলা ফোন এলেই বুকের ভেতরটা ধক্ করে ওঠে। সোহমের মার্চেন্ট নেভীতে চাকরীর জন্য শ্রেয়সীকে সবসময় টেনশনে থাকতে হয়। বছরে ছ’মাস তো জলে জলেই কাটায় মানুষটা। সংসারের সব দায় দায়িত্ব শ্রেয়সীর ঘাড়ে। ‘হ্যালো…।’

‘ম্যাডাম আমি প্রবীর বলছি।’

প্রবীর শ্রেয়সীদের গাড়ির ড্রাইভার । ছুটি ছাটার দিন টুকটাক এদিক ওদিক থেকে কোনো এক্সট্রা ভাড়া পেলে প্রবীর চলে যায়। শ্রেয়সীও এইটুকু ছাড় দিয়ে রেখেছে। এই শুক্রবারে একটা পার্টিকে নিয়ে দীঘা যাবে বলেছিল। রাতে ফিরে ফোন করার কথা ছিল প্রবীরের । আজ থেকে মেয়ে তিতিরের আই সি এস সি পরীক্ষা শুরু। অক্সিলিয়াম কনভেন্টে পড়ে তিতির। প্রবীরের ফোন না আসায় শ্রেয়সী একটু দুশ্চিন্তায় ছিল।

ফোনটা পেয়ে একটু নিশ্চিন্ত হয়ে শ্রেয়সী বলল, ‘হ্যাঁ প্রবীর বলো ?’

‘ম্যাডাম। আমি বাড়ি ফিরতে পারিনি। রাস্তায় আটকে গেছি। ’

‘কেন ? কী হল ?’ শ্রেয়সী উদ্বিগ্ন হয়ে জিগ্যেস করল।

‘চারিদিকে খুব গন্ডোগোল হচ্ছে ম্যাডাম। ওই যে সরকার কি সব বিল পাশ করেছে না তাই নিয়ে ।’

শ্রেয়সী চোখের সামনে অন্ধকার দেখছে,উত্তেজিত হয়ে বলল, ‘মানে ? কী বলছ তুমি প্রবীর ? আজ থেকে তিতিরের ফাইনাল পরীক্ষা । তুমি না এলে ,ও কী করে পরীক্ষা দিতে যাবে ?’

‘ম্যাডাম, আপনি কিছু একটা ব্যাবস্থা করে নিন প্লিজ। এখান থেকে আমি সোজা স্কুলে পৌঁছে যাব। ’ বলতে বলতে ফোনটা কেটে গেল।

শ্রেয়সী বুঝতে পারছে না এখন কী করবে ? একবার ভাবল,সোহমকে ফোন করবে । সোহমের কথা মনে পরতেই রাগে পা থেকে মাথার ব্রহ্ম তালু অবধি জ্বলে উঠল। বেশ আছে মানুষটা । সংসারের সমস্ত ঝামেলা শ্রেয়সীর উপরে চাপিয়ে নিজে সাত সমুদ্র ভ্রমন করে বেড়াচ্ছে ।

না, এখন মাথা গরম করলে চলবে না। শ্রেয়সী মনে মনে ভাবল, সবার আগে মেয়েকে সময় মত স্কুলে পৌঁছে দিতে হবে। তাড়াতাড়ি সব কাজ গুটিয়ে নিল সে। তারপর তিতিরকে বলল, চটপট তৈরি হয়ে নিতে। বেশ খানিকটা সময় হাতে নিয়েই মেয়েকে নিয়ে বেরিয়ে পরল শ্রেয়সী।

(২)

অটো স্ট্যান্ডে খানিকক্ষন অপেক্ষার পর একটা অটো আসতেই উঠে পড়ল ওরা। অটোর পিছনের সিটে একজন বোরখা পরা মহিলা আগের থেকেই বসে ছিল। প্রেগনেন্ট মহিলা। যদিও বোরখা পরা তবুও শ্রেয়সীর মনে হলো সাত আট মাস হবে।

মহিলাকে দেখার পর থেকে শ্রেয়সীর মাথাটা আবার গরম হয় উঠল। এই এদের জন্যই যত ঝামেলা এদেশে। শ্রেয়সী যখন কলেজে পড়ত তখন রাম মন্দির – বাবরি মসজিদ নিয়ে সারা দেশ তোলপাড়। চারিদিকে শুধু গন্ডগোলের খবর। কলেজের একটা টেস্ট সেই সময় ট্রেন বন্ধের জন্য শ্রেয়সী দিতে পারে নি। আজ এত বছর পর তার মেয়ের পরীক্ষার সময় সেই এক ইস্যু নিয়ে ঝামেলা । আর কত দিন যে এই হিন্দু মুসলিম নিয়ে ঝামেলা চলবে এদেশে ভগবানই জানে। শ্রেয়সীদের বাড়ির কাছেই একটা মুসলিম বস্তি আছে। মাঝে মাঝেই ওদের ওখানে মাইক বাজিয়ে ওরা ধর্মীয় সভা করে ,অনেকবার ওদের মাইক বাজাতে বারণ করা হয়েছে । ওরা শোনে না । ওদের দেখা দেখি পাশের হিন্দু কলোনির ছেলেরা সকাল থেকে ফুল ভলিয়ুমে রাম গান চালিয়ে রাখে। ছেলে মেয়েদের পড়াশুনার কত যে অসুবিধা হয় এতে, ওরা তা বোঝে না।

পাশে বসা মুসলিম মহিলা নড়ে উঠল। ওর কি খুব কষ্ট হচ্ছে ? শ্রেয়সী যতটা সম্ভব মহিলার ছোঁয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে ।বড্ড বিরক্ত লাগছে ওর। এইভাবে অটোতে চড়ার বহুদিনের অভ্যেস নেই। কেমন গা টা ঘিন ঘিন করছে। বার বার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে শ্রেয়সী। রবীন্দ্র নগরের বাজারের কাছাকাছি আসতেই অটোটা দাঁড়িয়ে পড়ল। বিশাল জ্যাম।

‘কী হয়েছে ?’ শ্রেয়সী ব্যাগ্র হয়ে জিগ্যেস করল।

‘সামনে বিরাট মিছিল।’ উল্টো দিক থেকে আসা অটো থেকে একজন বলল।

‘কিসের মিছিল দাদা ?’

‘ওই যে কিসব বিল পাশ করেছে সরকার। সেই সব নিয়ে।’

শ্রেয়সীর বুকটা কেঁপে উঠল। তাহলে কী হবে এখন? অটো ড্রাইভার কে বলল, ‘ভাই আমার মেয়ের ফাইনাল পরীক্ষা । অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে অটোটা নিয়ে চল প্লিজ।’

‘দিদি অন্য রাস্তায় অটো ঢুকতে পারবে না।’

‘দেখ ভাই তোমায় বেশি টাকা দেব । যে ভাবেই হোক তুমি আমাদের স্কুলে পৌঁছে দাও ।’

তিতির ভয়ে কাঁদতে শুরু করেছে। ‘মা আমি পরীক্ষা দিতে পারব না ?’

‘ভাই একটু দেখ না । কোনো ভাবে যদি!’

‘আরে দিদি দেখছেন তো সামনে পিছনে কত বড় লাইন। কীভাবে অটো বের করব ?’

শ্রেয়সী পেছনে তাকিয়ে দেখল ,সত্যিই তাদের অটোর পিছনেও লম্বা লাইন পড়ে গেছে। আশে পাশে বেশ কয়েকটা পুলিশের গাড়িও চোখে পড়ল শ্রেয়সীর। তা হলে কি বড় কোনো ঝামেলা হতে পারে ? কী করে বেরোবে এখান থেকে সে মেয়েকে নিয়ে ? কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না।

শ্রেয়সীর অবস্থা দেখে পাশে বসা মহিলাটি মুখ থেকে বোরখার ঢাকা খুলে ফেলেছে।

শ্রেয়সী নিজেই বোধহয় কেঁদে ফেলবে এবার।

এমন সময় মুসলিম মহিলাটি বলল, ‘এদিকে ভিতর দিয়ে ভিতর দিয়ে একটা পায়ে চলা রাস্তা আছে। আমি চিনি। আমার খালার বাড়ি এখানে। বেশ কিছুটা গেলে বড় রাস্তায় পড়বে। চলো আমি নিয়ে যাচ্ছি তোমাদের।’

কথাটা শোনার পরই শ্রেয়সীর মনে হলো হাতে যেন চাঁদ পেয়েছে কিন্তু পরক্ষণেই মনের ভেতর কু ডাকল। মহিলার শরীরের যা অবস্থা কীভাবে নিয়ে যাবে ও আমাদের ? সত্যিই প্রেগনেন্ট তো ? নাকি এটা একটা ট্র্যাপ । আজকাল চারিদিকে যা সব ঘটছে। মনের ভেতর কেমন যেন সন্দেহ হয় শ্রেয়সীর। এই জায়গাটা পুরোটাই মুসলিম এরিয়া। ওর অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই তো ? শ্রেয়সী আর একবার ভালো করে মহিলাটির দিকে তাকাল । পেটটা কেমন ঝুলে আছে না ! দাদু বলত, ‘ওরা মীরজাফরের জাত । ওদের বিশ্বাস করতে নেই ।’

শ্রেয়সী কী করবে বুঝে উঠতে পারছে না। ওদিকে তিতির ক্রমাগত কেঁদেই চলেছে। নিজেকে মনে মনে প্রবোধ দেয় শ্রেয়সী। সবার আগে সে একজন মা । মেয়ের ভালোর জন্য এইটুকু রিস্ক তাকে নিতেই হবে।

শ্রেয়সী মহিলাটিকে বলল, চলো দেখি কি রাস্তা আছে। মহিলাটির নামতে কষ্ট হচ্ছে। শ্রেয়সীর মন থেকে এখন ঘিনঘিনে ভাবটা উধাও হয়ে গেছে। সে হাত ধরে নামাল তাকে। মহিলাটি আস্তে আস্তে আগে আগে চলছে। শ্রেয়সীর ইচ্ছে করছে , ঝড়ের গতিতে এক দৌড়ে রাস্তাটা পার করে দেয় । কিন্তু মহিলা জোরে হাটতে পারছে না। হাটতে হাটতেই ওরা টুকটাক কথা বলছিল। মহিলাটির নাম রুক্সানা। ওর আগে দুটো মেয়ে আছে । এখন তার ন’মাস চলছে। খুব ইচ্ছে এবার একটা ছেলে হোক।

শ্রেয়সী না থাকতে পেরে জিগ্যেস করল ,এই অবস্থায় তুমি একা একা বেরিয়েছ কেন ?

‘কী করব বিবিজি । ঘরে তো কেউ নেই । স্বামী রাজমিস্ত্রীর জোগালির কাজ করে । বাইরে বাইরে কাজে যায় । এক দু মাস বাদে বাদে ফেরে। বাচ্চা হলে তো কিছুদিন বাড়িতে থাকতেই হবে । তাই এখন একটু পয়সা জমিয়ে নিচ্ছে। সামনে কত খরচ।’

‘তা তোমার মেয়ে দুটোকে কোথায় রেখে এসেছ ?’

‘পাশের বাড়িতে রেখে এসেছি। আমাদের বস্তিতে সবাই সবাইকে সাহায্য করে।’

তিতিরের কান্না এখন বন্ধ হয়েছে, শ্রেয়সী মেয়ের মাথায় একবার হাত বোলাল,যাক মেয়েটার নার্ভাস ভাবটা এখন আর নেই।

শ্রেয়সীকে তিতিরের মাথায় হাত বোলাতে দেখে রুক্সানা বলল, ‘জান বিবিজি আমার খুব ইচ্ছে আমার দুই মেয়ে বড় হয়ে লেখা পড়া শিখে নকরি করুক। আমার তো খুব ছোটো বয়সে শাদি হয়ে গেছে । পড়া লেখা তেমন কিছু শিখিনি। ওরা যেন শেখে।’

‘তুমি তো খুব ভালো বাংলা বলতে পারো। ’শ্রেয়সী হেসে বলল।

‘হাঁ , বঙ্গাল তো আমার মাতৃভুমি হচ্ছে।আমার মায়ের জন্মও এখানে,আমারও এখানে জন্ম।’

কথা বলতে বলতে ওরা হাটলেও শ্রেয়সী ভয়ে ভয়ে রাস্তার দু পাশে নজর রাখছিল। আবার কোনো গন্ডোগোল এখানে শুরু না হয়ে যায় । নিজের দেশের রাস্তায় দিনের বেলা হাটতেও কেন এত ভয় ? শ্রেয়সী নিজেই নিজেকে মনে মনে প্রশ্ন করল। হাতে আর মাত্র কুড়ি মিনিট বাকি। শ্রেয়সী মন প্রান দিয়ে হনুমান চল্লিশা জপ করতে থাকল। খানিকক্ষন পড়েই “হে আল্লা ” বলে রুক্সানা কঁকিয়ে উঠল।

‘ কী হল ?’শ্রেয়সী তাড়াতাড়ি এসে রুক্সানাকে ধরল।

রুক্সানা প্রচন্ড ঘামছে। মুখ কুঁচকে বসে পড়ল সে।‘ বহুত দরদ হচ্ছে বিবিজি। ’

শ্রেয়সীর মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। সে তো কিছুই চেনে না এখানকার। বড় রাস্তাই বা আর কত দূর ?

তিতির প্রচন্ড ভয় পেয়ে গেছে। ও দিকে রুক্সানাও ব্যাথায় কেঁপে কেঁপে উঠছে। শ্রেয়সীর হঠাৎ মনে হল, আচ্ছা , হান্ড্রেড ডায়াল করলে নাকি পুলিশ চলে আসে, সে হান্ড্রেড ডায়াল করল ।

না, কিচ্ছু হচ্ছে না । শুধু বিপ বিপ শব্দ। শ্রেয়সী এদিক ওদিক পাগলের মত ছোটাছুটি করতে থাকল। দু দিকে উুঁচু উুঁচু দেওয়াল মাঝে সরু গলি । কাউকে দেখা যাচ্ছে না। কেঊ আছেন বলে শ্রেয়সী চেঁচিয়ে উঠল। মায়ের দেখা দেখি তিতিরও কাঁদতে কাঁদতে চেঁচাতে থাকল, কেউ আছেন…। কারো সাড়া নেই। একটা দাড়িওয়ালা বৃদ্ধ লোক মাথায় মুসলমানি টুপি পরে আসছিল । তাকে দেখে শ্রেয়সী জিগ্যেস করল, ‘দাদা বড় রাস্তা এখান থেকে কত দূর ?’

লোকটা সরু চোখে একবার শ্রেয়সী,একবার তিতিরের দিকে তাকাচ্ছে। চাওনিটা ঠিক ভালো লাগছে না । শ্রেয়সী একটু সরে দাঁড়াল যেন রুক্সানাকে দেখা যায়।

লোকটা পানের পিক থু করে ফেলে গম্ভীর মুখে বলল, ‘এই তো কাছেই ।’

শ্রেয়সী আর তিতির তাড়াতাড়ি রুক্সানাকে হাত ধরে দাঁড় করিয়ে দুজনে মিলে বড় রাস্তার দিকে নিয়ে চলল। একটা অটো আসছে। অটোটাকে দাঁড় করিয়ে তিনজনে মিলে উঠে পড়ল।

‘কোথায় যাবেন ? ’অটোওয়ালা জিগ্যেস করল।

শ্রেয়সী চটপট বলল,’অক্সিলিয়াম কনভেন্ট।’

তিতির বলল , ‘না মা ,আগে হসপিটাল। ’

রুক্সানা চোখ বন্ধ করে বসে আছে।

শ্রেয়সী একবার রুক্সানার দিকে তাকাল।

ড্রাইভার চলতে চলতে আবার জানতে চাইল,ঠিক করে বলুন কোথায় যাবেন ?

‘আগে হসপিটাল চলুন । ’শ্রেয়সী বলল।

(৩)

হসপিটাল বেডে শুয়ে আছে রুকসানা। ওর বাড়ির লোকজনকে খবর দিতে পারে নি শ্রেয়সী। নার্স এসে খবর দিয়ে গেল, রুক্সানা খাতুনের বাড়ির লোক পেশেন্টের সঙ্গে দেখা করতে পারে। শ্রেয়সী আস্তে আস্তে এসে রুকসানার বেডের পাশে দাঁড়াল । রুক্সানার হাতে হাত রেখে বলল, ‘তোমার ছেলে হয়েছে ।’

রুকসানা ক্লান্ত চোখে শ্রেয়সীর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘বিবিজি আমার জন্য বহিনের পরীক্ষা দেওয়া হলো না। ’ রুক্সানার চোখের কোল বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে।

শ্রেয়সী রুক্সানার চোখের জল মুছিয়ে বলল, ‘ধুর পাগলী, তিতির তো পরীক্ষা দিতে পেরেছে। তোমাকে এখানে অ্যাডমিট করিয়েই আমি তিতিরকে স্কুলে পৌঁছে দিয়েছি। তোমার দেখানো পথ দিয়ে এসেছিলাম বলেই তো তিতির সময়মত পৌঁছতে পারল। খুব ভালো পরীক্ষা হয়েছে ওর। আমার ড্রাইভার ওকে বাড়ি নিয়ে গেছে।’

আনন্দে উজ্বল হয়ে উঠল রুকসানার মুখ।

নার্স রুক্সানার ছেলেকে ওর পাশে শুইয়ে দিয়ে গেছে। রুক্সানা ছেলের দিকে তাকিয়ে ছেলের মাথায় চুমু খেয়ে বলল, ‘বিবিজি ,আপনার জন্যই আজ আমার ছেলে পৃথিবীর আলো দেখল।’

শ্রেয়সী রুক্সানার হাতে হাত রাখল । রুক্সানাও শ্রেয়সীর হাতটা নিজের মুঠোয় শক্ত করে ধরে রাখল। জানলা দিয়ে দেখা যাচ্ছে সুর্য তখন অস্ত যাচ্ছে। ওরা দু জনেই তখন নবজাতকের দিকে তাকিয়ে আছে নতুন দিনের আশায়।

0 Comments

Post Comment