পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

ভারা বেয়ে

  • 22 May, 2022
  • 1 Comment(s)
  • 640 view(s)
  • লিখেছেন : সায়ন্তনী নাগ
বড্ড দেরি হয়ে গেছে আজ। আসলে পার্টি ছিল একখানা। অফিসের পরে গেছিলাম। স্কুলের বন্ধুদের পার্টি। সবাই এখন নানা শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। কখনো একসাথে হলে ডাকাডাকি, ‘আয়, আয়, দেখা কর!’ আবার আসবেও সবাই হেলতে দুলতে। আপাদমস্তক নিখুঁত সাজগোজ, মেকআপ একেকজনের, ও কি আর সহজে বানানো যায়? আর আমার হাল দ্যাখো! অফিস ফেরত উস্কোখুস্কো, পাতি সালোয়ার কামিজ। ওনারা বাড়ি থেকে আসবেন, তাও দেরি। আর আমি ছুটতে ছুটতে হাঁপাতে হাঁপাতে সবার আগে। আসলে আমাকে অনেকদূর ফিরতে হবে যে! ট্রেনে করে। পার্টি ফেরত ওরা সবাই হয় নিজের গাড়ি নাহলে ক্যাব ধরবে আর দোরগোড়ায় নামবে।

পার্টি

পুরো ব্যোমকে গেছিলাম আজ পার্টিতে গিয়ে। ভেন্যুটা দেখে। লেকের ধারে সাধারণ চেহারার একটা ফ্ল্যাটবাড়ির এক্কেবারে টঙে রেস্তোরাঁটা। বলতে গেলে খোলা ছাদে। পাঁচিল কাঁচের। তার গা ঘেঁষে চেয়ারে বসতে একটু নার্ভাসই লাগছিল। আই বাপ, কত্ত নিচে! না, অন্ধকারে লেকের জল বোঝা যাচ্ছে না, সবুজ গাছগুলো একদম ঝুপসি কালো। আর তার মধ্যে অজস্র জোনাকি। ‘আরে ধুর, জোনাকি কোথায়? ওগুলো তো সাদার্ন এভিনিউর গাড়ি। দেখছিস না, সারি দিয়ে এগোচ্ছে?’ আরে, তাই তো!ওপর থেকে দেখলে কে বলবে এই শহরটায় এতক্ষণ আমি ঘামতে ঘামতে ভিড় ঠেলে দৌড়ে আসছিলাম? ‘আসলে ট্রেনে করে আসিস তো, তুই এক্কেবারে গাঁইয়া ভূত হয়ে গেছিস।’

ট্রেন

ট্রেনে এখন অবশ্য ভিড় নেই। এত রাতে, তায় লেডিজ কামরা, ভিড় তেমন থাকে না। তাও শুরুর দিকে ছিল খানিকটা। এখন বেশ কমে গেছে। সামনের মেয়েটার ভ্রূ দুটো বেশ ইন্টারেস্টিং। ধনুকের মতো শেপ। আবার প্রায় জোড়া। ঠিক জোড়ের কাছে একটা মেরুন রঙের টিপ। টানটান চুল বাঁধা, চিকমিকে সালোয়ার, শস্তার ভ্যানিটি ব্যাগ। নাহ, অফিস ফেরত নিশ্চয়ই না। যারা অফিস যায় তাদের আমি চিনতে পারি। তাদের আঁচলে ওড়নায় কনুইতে ক্লাচক্লিপে লেগে থাকে ফাইল, মনিটর, সেল রিপোর্ট, বসের গালি, লাঞ্চের পাঁউরুটির গুঁড়ো। এ শিওর আয়ামাসি। বাচ্চা রাখে।

বাচ্চা

‘বাচ্চাটা খুব কাঁদছিল।’

‘তাহলে আনলি না কেন সাথে করে?’

‘পাগল! এখানে কেউ বাচ্চা আনে? কথাই বলতে দেবে না। জ্বালিয়ে মারবে!’

‘আমার অবশ্য অন্য কেস। বর অ্যালাউ করবে না। বর জানে, বন্ধুদের সাথে পার্টি মানে আমি দুপেগ খাবো। বাচ্চার সামনে এসব করা আমার বরের একদম পছন্দ নয়। ও নিজেও কখনো বাচ্চার সামনে ড্রিংক করে না।’

বাব্বা! কত ঝামেলা! আমি ভাগ্যিস ঝাড়া হাত পা। তবু স্বাতীকে আনমনা হতে দেখে বুকের মধ্যেটা চিনচিন করে ওঠে।

‘আহা, বাচ্চাটার জন্য খারাপ লাগছে, নারে? এক কাজ কর, ভিডিও কলে কথা বল।’

স্বাতী ফোন করে বাচ্চাকে। আমাদের গ্লাস এখনো দিয়ে যায়নি। এখন ফোন করা যায়। কিন্তু রেস্তোরাঁয় আলো কম। স্বাতী ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আমাদের সবার দিকে ফোন তাক করে। ‘এই দ্যাখো বেটা, জিনিয়া আন্টি! হাই করো। এই যে পিয়ালি আন্টি, সেই যে গতবছর তোমায় বিশাল টেডি দিয়েছিল? আর একে চিনতে পারছ, তিতলি আন্টি, তুমি অন্নপ্রাশনে এই আন্টির কোলে হিসু করে দিয়েছিলে?’ আমরা কেউ বেটাকে, মানে ওর খুকুকে ঠিকঠাক দেখতে পাইনা, নিজেদের মুখও স্পষ্ট দেখাতে পারি না। শুধু ফোনের উজ্জ্বল স্ক্রিনের দিকে উড়ন্ত চুমু ছুঁড়ে ‘হাই’ বলি।

হাই

হাই তোলে মেয়েটা। ‘বর্ধমান কি ওভারটেক করে গেছে?’

এই রে খেয়াল করিনি তো!

‘কেন, তুমি বর্ধমান ধরবে?’ এই মেয়েকে আপনি বলতে লাগে না।

‘হুঁ!’ মোবাইল ঘাঁটতে ঘাঁটতে জবাব দেয় ধনুক ভ্রূ। ‘আপনি কোথায় নামবেন?’

‘বাঁশবেরিয়া।’

‘ও! চাকরি করেন?’

‘হ্যাঁ।’

‘এত রাত হয় ফিরতে?’

‘না, আজকে একটা কাজে গেছিলাম। অন্যদিন সাতটার লোকাল ধরি। তুমি তো রিষড়া থেকে উঠলে, না?’

‘হ্যাঁ।’

‘কাজে গেছিলে?’

‘হ্যাঁ তো! আমি অবশ্য এটাই ধরি রোজ।’

‘কী কাজ করো?’

‘রঙের কাজ করি।’

রঙ

‘রঙটা বড্ড ক্যাটক্যাটে, না রে? আর বলিস না। বরের পছন্দ। ঠিক বেরোতে যাবো, বলল, ‘না জিনিয়া, আমার দেওয়াটাই পরো’। না পরলে মুখ হাঁড়ি করবে।’

আমরা এ ওর গায়ে হেসে গড়িয়ে পড়ি। জিনিয়ার এটা সেকেন্ড ম্যারেজ। প্রথম বিয়েটায় আমরা কবজি ডুবিয়ে খেয়েছিলাম। বিয়ের পর শাঁখা-পলা পরতেই হবে বলেছিল ওর শাশুড়ি। আরো কী কী সব হাবিজাবি নিয়মকানুন। আমায় বাবা এসব ফেস করতে হয়নি। জিনিয়া বাপের বাড়ি চলে এসেছিল। তারপর খালি খিটমিট, মা-বাবার সাথে ঝগড়া, অশান্তি। ম্যারেজ ডট কম দেখে বিয়ে করেছে আবার। আগের বরটা বেশ হ্যান্ডসাম ছিল। এর মাথা জোড়া টাক। জিনিয়াকে বরের পছন্দসই শাড়ি, গয়না, জুতো পরতে হয়। বরের হাঁড়িমুখ দেখতে জিনিয়ার ভালো লাগে না। প্রথম বিয়েটা প্রেমের ছিল ওর।

ওদের আড়াল করে ঘড়ি দেখি আমি। শহরের লোকের এখন সবে সন্ধে। আমায় তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়তে হবে।

বিয়ে

‘বিয়ে করো নি?’

আরে! মেয়েটা আমাকে তুমি করে বলছে! রাগ সামলে নিই। এখনো অনেকটা পথ বাকি। সেলফি তুলে তুলে মোবাইলে চার্জ কম, গেম খেলা যাবে না। কামরা প্রায় খালি। বরং ওর সাথেই কথা বলা যাক।

‘করেছি তো!’

‘তাহলে তোমার শাঁখা সিঁদুর নোয়া কই?’

‘ওসব পরি না আমি।’

‘হিন্দু না নাকি? মোসলমান?’

‘না মানে, ওই, ইয়ে…’

‘আমিও পরিনা আজকাল। নতুন নতুন পরতাম। ছেড়ে দেওয়ায় শাশুড়ি হেবি চেঁচিয়েছিল। আমি বলেছি, তুমি তো কোনোদিন ভারা বেয়ে ওঠো না, হাতে ওসব ঝনরঝনর থাকলে কাজে কত্ত অসুবিধে হয়, তুমি কি বুঝবে!’

‘ভারা বেয়ে? কী রঙ করো তুমি?’

‘কেন, দেওয়াল!’

‘তুমি রঙ মিস্ত্রি?’ আমি একদম হাঁ হয়ে যাই। লুঙ্গি পরা, বিড়ি ফোঁকা, সারা গায়ে ছিটছিট রঙ লাগা লোকগুলোর কথা মনে পড়ে যায়। আজ অবধি আমি কোনো মেয়ে রঙ মিস্ত্রি দেখিনি। হ্যাঁ, রাজমিস্ত্রির জোগাড়ের কাজে মেয়েদের দেখেছি বটে। মাথায় বয়ে ইট, মর্টার নিয়ে যায়। প্লাস্টারে জল দেয়।

‘হ্যাঁ, রঙ মিস্তিরি!’ খুব গর্বের সাথে বলে ওঠে মেয়েটা। ‘চারশো টাকা রোজ। ওই যে, কয় মাস ধরে খবরের কাগজে ছবি দিচ্ছে দ্যাখোনি, রিষড়ায় গঙ্গার ধারে নতুন ফেলাট বাড়ি হচ্ছে, এখন ওইখানে কাজ করছি। পুজোর আগে শেষ হবে। তাপ্পর ফের অন্য কোথাও। বসে থাকি না!’

বসে থাকা

‘বসে থাকতে আর ভালো লাগে না রে! তোদের অফিসে কোনো ভ্যাকেন্সি নেই?’ পিয়ালি হুক্কাতে টান দিয়ে নাক মুখ থেকে ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বলে। মিক্সড ফ্রুট ফ্লেভারড হুক্কা। নাকি তামাক? জানি না বাবা, আমি এই প্রথম। পিয়ালির প্রায় চাইল্ড ম্যারেজ ছিল। স্কুল পেরোতেই…

‘চাকরি করবি কেন? তোর আবার টাকার দরকার কিসের?’

‘ও তোরা বুঝবি না!’ পিয়ালির দীর্ঘশ্বাসের সাথে গিটার, কী বোর্ড, ড্রাম বাজতে থাকে। রেস্তোরাঁর লাইভ মিউজিক।

‘তোর বরের না অত বড় ব্যাবসা? সে কোম্পানির শেয়ার তো তোর নামেও আছে বলেছিলি! আর ছেলে-মেয়েও তো প্রায় দাঁড়িয়ে গেছে?’

‘হ্যাঁ, তা আছে। তবে সবাই কি শুধু টাকার জন্য কাজ করে?’

‘সুখে থাকতে ভূতে কিলোচ্ছে নাকি?’ অধীর হয়ে উঠি। টার্গেট, কাস্টোমার, বসের কেবিন মনে পড়ে। আজকাল লোকটা কেমন লোভীর মতো তাকায়। ঐ নজরের জন্য অফিসে শাড়ি ছেড়ে সালোয়ার-কামিজ ধরেছি। বেশ শরীর ঢাকা পোশাক।

‘নারে, অনীশের জীবনে মনে হয় অন্য একজন এসেছে!’

একজন

‘একজন বড্ড জ্বালাতন করত। আগের পোরোজেক্টে। তখন আমি হেডমিস্তিরি কাছে কাজ শিখছি। ওই ছোকড়াও শিখতো। আর সুযোগ পেলেই ছোঁকছোঁক করত। একদিন হাত চেপে ধরতেই মুখের ওপর রঙের বালতি ছুঁড়ে মেরেছিলাম!’ খিলখিল করে হেসে ওঠে মেয়েটা।

‘তোমার বর? সে বলে না কিছু?’

‘কী আবার বলবে? খালি ভয় পায়, যদি আমার কাজ চলে যায়! আরে, গেলে আবার জুটিয়ে নেব। ভালো রঙ মিস্তিরির কদর কতো জানো? লুফে নেয় লোকে। এই তো শীতের মরশুমে কত পোরোজেক্টে ডাকাডাকি করছে!’

‘তোমার বর কিছু করে না বুঝি?’

‘জুট মিলে কাজ করত। অ্যাকসিডেন্ট হলো। যমে মানুষে টানাটানি গেছে সে সময়। এখনও মিলে যায়, তবে এখন আর পারমানেন এস্টাফ নয়। যেদিন শরীরে কুলায়, যায়। যেদিন পারে না, বাড়িতে রান্নাবান্নার কাজ এগিয়ে রাখে। আমার রোজগারেই সংসার চলে, বুঝলে দিদি! ভালোই চলে। ছেলেটা ইংরিজি ইশকুলে যাচ্ছে। টাকা জমিয়ে এস্মার্ট ফোন কিনেছি এবার, এই দ্যাখো!’

ফোন

ফোনটা বেজে ওঠে। ‘কতদূর?’ গম্ভীর গলা। ঠোঁট চাটি।

‘এই তো বৈদ্যবাটি ছাড়ল!’

‘চমৎকার! তার মানে রাত এগারোটা বেজে যাবে বাড়ি ঢুকতে। সবকিছুর একটা লিমিট আছে তিতলি!’

‘আরে, পুরো স্ট্র্যান্ড রোড জ্যাম ছিল।’

‘ও তো রোজই থাকে। তোমার বুঝে বেরোনো উচিত ছিল।’

‘আমি সাড়ে আটটাতেই – আসলে অনেকদিন পর দেখা তো, ওরা ছাড়তে চাইছিল না!’

‘ওদের সাথেই থেকে গেলে পারতে! বয়ফ্রেন্ডরা ছিল না বুঝি কেউ?’

‘কী যে বলো! এরা তো সব স্কুলের-’

‘হ্যাঁ, বন্ধুই তো জীবন! সংসারের প্রতি দায়িত্ববোধ আছে কিছু? রাত এগারোটার সময় বৌ অফিস থেকে ফিরবে!কী গর্ব আমার! বুক একেবারে ফুলে উঠছে! পাড়া প্রতিবেশীর কাছে তো মুখ দেখাবার যো নেই! এই তো সেদিন মৈত্রকাকু বলছিলেন, তিতলি কি আজকাল হোটেলে কাজ করছে নাকি?’

‘মৈত্রকাকু কি জানেন না, আমি কোন কোম্পানিতে আছি?’ প্রায় কাঁদোকাঁদো হয়ে উঠি আমি, ‘নিজের ছেলের জন্য তো বায়োডেটা দিয়ে গেছিলেন!’

‘সে সব জবাবদিহির দায় তো আমার নয়। এভাবে চলতে পারে না তিতলি। এভাবে রোজ রোজ-’

‘রোজ কোথায় দেরি হয় আমার?’

‘মাকে ওষুধ দেবার কথা ছিল নটায়, সে খেয়াল আছে?’

‘তুমি দাওনি? বাড়িতেই তো আছো?’

‘বাহ, আমি ঘরের কাজ সামলাবো আর তুমি ফুর্তি করে দেরিতে বাড়ি ঢুকবে?’

দেরি

‘হ্যাঁ, দেরি হবে।’ মেয়েটাও ফোনে। ‘একটু নামবো চন্দননগরে। ফুচকা খাব। মালতীরা ধরেছে খুব। গেল মাসে বলেছিলাম না ওদের খাওয়াবো? বিটি কলেজের সামনে ফুচকা খেয়ে ফের পরের বর্ধমান ধরব।’

ওপ্রান্তের কথা আমি শুনতে পাই না।

‘রাতের ভাতটা আমি এসে চাপাবো’খনে। তুমি মাছের ঝোলটা বসিয়ে দিও।’

হেসে হেসেই বলছে তো বেশ!

‘কী বলছ? পরীক্ষা? তো আমি এসে কী করব? আমার তো কেলাস নাইনের বিদ্যে। বাবুকে তুমিই পড়াও আজকে। আর তোমার মাথাতেও না ঢুকলে ওকে কুসুমদির কাছে পৌঁছে দাও। বলে রাখা আছে। আমি আজ চন্দননগর ঘুরেই আসছি।’ মেয়ের ভ্রুদুটো আরো ধনুক হয়ে ওঠে।

ধনুক ভ্রূ মেয়ে

চন্দননগরে নামবে ধনুক ভ্রূ মেয়ে? জানলার বাইরে অন্ধকারে তাকিয়ে থাকি। গন্তব্যের আর কতো দূর? ও মেয়ের গতির সাথে তাল মেলাতে না পেরে পিছিয়ে যাচ্ছে কত প্ল্যাটফর্ম, পিছিয়ে যাচ্ছে আমার মেকি মুখোশ… পোশাক, ডিগ্রি, পে-স্লিপ, মেকআপ। আমি কি ঠিক শুনলাম? আদৌ কোথাও নামবে ও? নাকি উঠবে? এক হাতে রঙের টিন আর ব্রাশ, কোমরে ওড়নাটা শক্ত করে বাঁধা। অন্য হাতে ভারা ধরে কেমন তরতর করে উঠে যাচ্ছে দ্যাখো! ওই দশতলার রেস্তোরাঁ ছাড়িয়ে, জোনাকি গাড়ি, আঁধার গাছ, কালচে জল ছাপিয়ে, স্বাতী-জিনিয়া-পিয়ালিকে পেরিয়ে ওর বাঁশের ভারা বাঁধা হয়েছে আকাশে। ও ব্রাশে করে রূপোলী রঙ নিয়ে ছিটিয়ে দিচ্ছে, আর আকাশময় ফুটে উঠছে অজস্র তারা! আর আমি, তিতলি, মরিয়া ছুটছি ওর নাগাল ধরার জন্য, ওর স্টেশনে নেমে, না না, উঠে যেতে চাইছি, পৌঁছতে চাইছি তারা ভরা ছায়াপথে…

1 Comments

বিদ্যুৎ দে

24 May, 2022

বাহ, বেশ অন্যরম। নতুনত্বে ভাবিত ধাবিত মুগ্ধ হলাম।

Post Comment