পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

সিপাহি বিদ্রোহের অনতম প্রধান নেত্রী হজরত মহল। কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়মে বন্দিরাজা ওয়াজিদ আলি শাহ ওই বেগমের আপসহীন লড়াইয়ের কথা শোনালেন শামিম আহমেদ।

Read more

by শামিম আহমেদ | 01 May, 2019 | 0 Comment(s) | 2919 | Tags :


বদলে যায় সম্পর্ক। বদলে যায় পাশাপাশি থাকা। বেঁধে থাকা মানুষগুলোকে দূরে ঠেলে দেয় দেশকাল। পাঁউরুটির ফাঙ্গাস সরিয়ে খাওয়ার যে যৌথ জীবন তার স্মৃতি-সন্ধান চলে এই প্রশ্নচিহ্নিত সময়ে। সরিতা আহমেদের কলাম।  

Read more

by সরিতা আহমেদ | 01 May, 2019 | 1 Comment(s) | 2773 | Tags :


চেনা চৌহদ্দি যেখানে শেষ তারও অনেক ও দিকে জল জঙ্গল আর দ্বীপ। সেখানে জল-মানুষের আবাদ আর জমিন। তবে সেই পৃথিবীও বদলে যাচ্ছে একটু একটু করে। সেই বদলের ভিতর-বাহিরের বৃত্তান্ত শৈলেন সরকারের কলমে।

Read more

by শৈলেন সরকার | 01 May, 2019 | 0 Comment(s) | 2306 | Tags :


গ্রামবাংলায় বিজেপি - টিএমসি দ্বন্দ্ব সমাসটি নিত্যপূজো কার হাতে থাকবে এমত জরুরি প্রশ্ন ঘিরেই আবর্তিত। সিপিএম এখানে নিতান্তই ছাগলের তিন তৃতীয় সন্তান। কালের কি পরিহাস। অনিন্দ্য সেনের আখ্যান।

Read more

by অনিন্দ্য সেন | 30 May, 2019 | 0 Comment(s) | 2261 | Tags :


দন কিহোতের কাহিনীর সংক্ষিপ্ত কিশোর পাঠ্য সংস্করণগুলি দেশ ভাষা নিরপেক্ষভাবে গত চারশো বছর ধরে কোটি কোটি শিশু কিশোরের মনোরঞ্জন করে আসছে। আমরাও খোঁজার চেষ্টা করবো সেই কাহিনী

Read more


তামাশা নইলে কলকেতার বাবু বিবিদের জীবন নেহাত পানসে। তা নরকধাম থেকে কলকেতায় ফিরে ইস্তক অনেকরকম তামাশা দেখলেম। হুতোম প্যাঁচার নকশার--একাল

Read more


সম্পাদকদের রকম ফের এবং তাঁদের কথাবার্তা নিয়ে কিছু কথা, সম্পাদকেরা মারা গেলে কিন্তু সবাই ভুলে যান পুরনো কথা, তাই নিয়ে হুতোম প্যাঁচার কলম।

Read more


এই গল্পটা শুইনল্যা আপনাদের মুতুন শিক্ষিত লোক হাসব্যান। তা হাসুন। সে ত আপনার দাদোর লেগে যখন কয়েছিলাম, তখন আপনার দাদোও হেস্যাছিলেন। বড়লোকের অল্প গম থেক্যা কত আটা হয় আপনাদের ধারণা নাই। বাকিটা জানতে পড়ুন।

Read more


"দরবেশ এজিদকে নিয়ে আদানা থেকে বেরিয়ে পড়লেন। তার ঘোড়া পড়ে থাকল। তাঁরা দুজনেই তোরোস দাগলারি পাহাড়ের দিকে এগোতে থাকলেন...........

Read more

by শামিম আহমেদ | 09 September, 2019 | 0 Comment(s) | 1050 | Tags : muharram tajia


সামনে বিদ্যাসাগরের জন্মদিন ওদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গায়কের প্রবেশ এবং ধুন্ধুমার । তাই নিয়েই হুতোমের নকশা।

Read more


মহালয়া আসলে পিতৃপুরুষের উৎসবের আলয়। অভিধানকারের এই উক্তি শিরোধার্য।

Read more


ছট কি? বিহারের মানুষেরাই মূলত ছট উৎসব করেন। কিন্তু কেন? এরসঙ্গে কৃষিভিত্তিক এবং শরীরী দর্শনের কোনও যোগ আছে কি?

Read more

by শামিম আহমেদ | 05 November, 2019 | 0 Comment(s) | 1205 | Tags : ছট


আজ থেকে ২৭ বছর আগে একটা সৌধকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল , সঙ্গে গুঁড়িয়ে গিয়েছিল কিছু বিশ্বাস আর আজ সরকারের নজরদারিতে আবার ভাঙবে সেই সৌধ ...সেই নিয়ে কিছু কথা।

Read more


মসজিদে তখন ইশার নামাজের আজান শুরু হয়েছে। সূর্যাস্ত হয়ে গিয়েছে। মন্দিরের গায়ে জ্বলে উঠেছে অসংখ্য নিয়নের আলো, মসজিদের মিনার আধুনিক এলইডি-তে আলোকিত, চার পাশে ঝলমলিয়ে উঠেছে লাক্সর শহরখানাও। এ-বার ফেরার পালা। মিশর থেকে ফিরে লিখলেন আবাহন দত্ত।

Read more


শুধু লকডাউন বললেই যদি সমস্যার সমাধান হয়ে যায় তাহলে আমরা আমাদের সমাজে এত বৈপরীত্য দেখছি কেন? আসলে আমরা প্রত্যেকেই নিজের নিজের অবস্থান থেকে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছি। মহামারী উপলক্ষ্য মাত্র।

Read more



হাজারে হাজারে পরিযায়ী শ্রমিক কাজ হারিয়ে, উপার্জন হারিয়ে নিজ নিজ ঘরে ফিরতে চাইছে, কিন্তু ফিরতে পারছে না। ফিরবে কী করে লকডাউন চলছে যে! ট্রেন নেই, বাস নেই অন্য কোনও বাহন নেই। রাষ্ট্র মানুষকে, মানবসভ্যতাকে বাঁচাতে সব বন্ধ রেখেছে।

Read more


কোনো শালায় খোঁজ রাখেনি কজন গ্যাচে ঘর সব ব্যাটাকে ছেড়ে এবার বেঁড়ে ব্যাটাকেই ধর। --- ফেসবুক কবি

Read more


আমাদের ভিতরেও একটি গল্প আছে। একটি গানও আছে। সম্প্রীতির গল্প। সম্প্রীতির গান। এককথায় বেঁচে থাকার গল্প, গান। যে গল্প আমরা আমাদের অন্তর থেকে বের করে কাউকে কোনওদিন বলিনি। গানটাও শোনাই নি। তাই আজ তারা সুযোগ বুঝে যে কোনও অজুহাতে বেরিয়ে পড়ছে। শোধ তুলতে আমাদেরকে ধন্দে ফেলছে! সেই ধন্দে আমরা একে অপরের সঙ্গে ঝগড়া করছি। লড়ালড়ি করছি।

Read more


লকডাউনে পড়ে আমাদের অবস্থা এখন ওই ভদ্রলোকের মতো। আমরা আমাদের ঘরে লুকিয়ে বসে আছি। আর করোনারূপী অজগর আমাদেরকে সারা পৃথিবী জুড়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে।

Read more


আসুন আবার সেই আমার ছেলেবেলার ঝড়ের গল্পে ফিরে আসি। খলিলদাদোর আজান, মুলিকাকার মন্ত্রপাঠ এবং আমাদের খুঁটি চেপে ধরে রাখার ফলে কুঁড়েঘরটা সে যাত্রায় বেঁচে গেল। সেই গোলাকার ‘কী একটা’ আমাদের দিকে ধেয়ে এল না, আমাদের পাশ কাটিয়ে ডোমকুল মাঠের বুক চিরে চলে গেল দক্ষিণ-পূর্ব কোনের দিকে। আমাদের কুঁড়েঘর এবং আমরা অক্ষত রয়ে গেলাম। আমরা নিশ্চিন্ত হলাম।

Read more


খুব বেশি দিন আগের কথা নয়। কোরাসোন দে মারিয়া গ্রামে বাস করত এক বাবা আর ছেলে, দুজনকেই লোকে চিনত এরেমিতে বলে, কেননা দুজনেরই নাম ছিল এউরেমিয়ো। একজন এউরেমিয়ো সেদিয়ো, আর অন্যজন এউরেমিয়ো সেদিয়ো। তাই বলে দুজনের মধ্যে তফাত করতে যে বেগ পেতে হত, এমনটা একেবারেই নয়, কেননা একজন অন্যজনের চেয়ে পঁচিশ বছরের বড়।

Read more


গল্প বলে যে সব বেদুইন রাভিয়ারা, তারা ঘোড়ায় চেপে আসে, প্রতি বছর, এই ফতে সিং পরগণায়। তাদের সঙ্গে থাকে তাঁবু। আর তিরধনুক, বর্শার মতো নানা অস্ত্র। পশুপাখি শিকারের পর তারা তাঁবু খাটিয়ে সন্ধ্যায় মশাল জ্বেলে গল্প বলে। তাদের সঙ্গে থাকা রমণীরা কখনো নাচগান করে।

Read more


আমাদের মুক্তি এনে দেয় একমাত্র মৃত্যু। তাই হয়ত আমরা সবকিছুতেই উৎসব খুঁজি। সেটা জন্ম হোক কিংবা মৃত্যু। তাইতো এই করোনাকালে রাষ্ট্র তালি বাজাতে বললে আমরা অতি উৎসাহে থালি বাজাই। রাষ্ট্র মোমবাতি জ্বালাতে বললে বাজি-পটকা ফাটাই।

Read more


কেউ যদি বেশি খাও, খাওয়ার হিসেব নাও, কেননা অনেক লোক ভালো করে খায় না। এই সময়ে অনেকেই হয়তো খাচ্ছেন আবার অনেকেই পাচ্ছেন না, তাই তাঁদের জন্য আপনার খাবারের ছবিটা আর নাই বা দিলেন। ছবি কৃতজ্ঞতা ঃ শামিম আহমেদ

Read more


ছেলেবেলার শবেবরাতগুলো ছিল বেশ আদরের। সকালে শীতের আমেজ। রোদ ঝলমল। বিকেলে হাল্কা ঠান্ডার উলের হাফ সোয়েটার। রমজান মাস আসছে।তারই আনন্দমুখর ট্রেলার শবেবরাত। স্মৃতিগুলো আজও মনে বাসা করে আছে। ক্ষণে ক্ষণে ঝিলিক দেয়। মনের অতল গভীরে আবার মিলিয়েও যায়। মধুর স্মৃতি, আবার বেদনারও বটে। এ বেদনা মধুরতাগুলো নতুন করে ফিরে না পাবার বেদনা। এ বেদনা কাঁদায় না। শিহরণ জাগিয়ে যায়।

Read more


অবশ্যই এই সময়ে সব থেকে জরুরী মানুষের খিদে নিয়ে কথা বলা। কিন্তু অসংখ্য মানুষ যে ঘোরের মধ্যে থেকে খিদের কথা, অধিকারের কথা , একসাথে বাঁচার কথা বলতে ভুলে গেল সেই নেশার দ্রব্যটি নিয়েও কথা হোক।

Read more


আপনার ঘরে মুসলমানের ছেলে ঠাঁই পায় কী করে?’ উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘কে হিন্দু আর কে মুসলমান- আমি তার কী জানি! আমি তো ঠাঁই দিই আমার স্নেহকে, আমার ভালবাসাকে ...।’

Read more


‘তেহারি’ খেয়েছেন কখনও? তেহারি, তেহেরি, তেয়ারি নানা নামে ডাকে হয় একে। গুগল সার্চ করলে পেয়ে যাবেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, তেহারি হল নিরামিষ খাবার। তেহরি শ্রীলঙ্কা বা ভারতের কোনও স্থান নয়। তেহরি হল এক ধরণের খাবার। মূল মশলা হলুদ। ভাল খেতে। পেটের রোগে ভোগেন যাঁরা তাঁরাও খেতে পারেন। সুস্বাদু। মূল মশলা হলুদ। তেহরি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শোনা যাক।

Read more


হুতোমের ওয়ার্ক ফ্রম হোম হয়েচে। সম্পাদক কোরোনায় ভুগচে, তবে গিন্নী আর কন্যের হয়নি। ভাগ্যে গিন্নীকে চুমো খাওয়ার সমন্দ অনেককাল চুকে গিয়েচে! তবে সম্পাদকের এম্নি আতঙ্ক, সে হুতোমকে বলেচে কোতাও যাওয়া হবে না। যত বলি ভূতের ছোঁয়া লাগে না, ভাইরাস হাজির হবে কোতা হতে? কান দেয় না। তা দেশে যা রঙ্গ হচ্চে, ঘরে বসেই নকশা লেকা চলতে পারে। কয়েকটি হুতোম বয়ান কচ্ছেন।

Read more


শুকনো লাল। লঙ্কার নাম কেন ‘লঙ্কা’ তা নিয়ে বহু তত্ত্ব খাড়া করা যায়। উবশ্যই অস্তিত্বের সঙ্কটকে বাঁচিয়ে। সোনার লঙ্কার নাম এ দেশের বহু প্রাচীন সাহিত্যে পাওয়া যায়। কিন্তু যে লঙ্কা ঝাল, যা মানুষকে দু বার জ্বালায়—এক বার খাওয়ার সময় আর অন্যটা মলত্যাগের কালে, সেই লঙ্কা হল ঝাল বা কটু।

Read more

by শামিম আহমেদ | 27 April, 2020 | 0 Comment(s) | 418 | Tags : chilli mutton


হরিচরণের কথা অনুযায়ী, পাঁঠা ‘বলদ মহিষ বকরা’ যা খুশি হতে পারে। তবে মাথায় রাখবেন এই নিরামিষ রান্নায় মানুষের মাংস নিলে চলবে না। বলদ, মোষ, পাঁঠা বা খাসিই নিতে হবে। কেন? মানুষ হল সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব, তারা ভদ্র, রাজনৈতিক ও অর্থবান প্রাণী। বলির পাঁঠা বলে যাদের উল্লেখ করা হল তারা হল ইতর প্রাণী। তাদের অর্থ বা বিত্ত নেই। তাদের জীবন অর্থহীন বা তাৎপর্যহীন।

Read more


মহামারীর আতঙ্কে যখন ঘরবন্দী গোটা দুনিয়া , মানবসভ্যতা প্রবল সঙ্কটের মুখে, সেই সময় বদলে যাওয়া আর্থ সামাজিক পরিস্থিতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার এক দিকনির্দেশ এই ঘরবন্দীর দিনগুলি শীর্ষক লেখাটি…

Read more


আমাদের কথার বলার স্বাধীনতা ঠিক ওই বাবুটির বাতাস টেপার মতো। স্বাদহীন কথা বলে আমরাও আমাদের স্বাধীনতাকে পুষিয়ে নিচ্ছি। স্থান-কাল যাই হোক- রাজনৈতিক মঞ্চ হোক কিংবা ধর্মীয় জালসা, টিভির টক-শো হোক কিংবা খবরের কাগজ, রক হোক কিংবা চায়ের দোকান, বাস কিংবা ট্রেণ, তার ওপর আজকাল হয়েছে ফেস্‌বুক, ট্যুইটার। অবশ্য এতে আমাদের লাভ না হলেও এই করোনাকালে ক্ষতি কিছু হচ্ছে না! দিব্যি কাল কেটে যাচ্ছে ...

Read more


আমার সাহিত্যচর্চায় আমি কখনোই ভাষা নিয়ে তেমন কিছু ভাবিনি। ভাবতে হয়নি। আমার চারপাশে যারা আছে, যাদের আমি সবসময় দেখি-কথা বলি, এমনকি গাছপালা, পশুপক্ষী, ইটপাথর, ধুলাবালি- এরাই সব আমার সাহিত্যে চরিত্র হয়ে উঠে আসে। নিজের নিজের ভাষায় কথা বলে। মনের ভাব প্রকাশ করে। একে অপরের সান্নিধ্য লাভ করে। এটাই তো স্বাভাবিক। আজ ২৫শে বৈশাখ একটি লেখা

Read more


ভাষা ব্যাকরণের উদাহরণ টেনে মাঝে মাঝেই বলা যায় কিছু কথা, পুরুষ তিন প্রকার। আমি, আমরা, আমাদের- এসব হল উত্তম পুরুষ। (ইংরেজিতে First Person)। তুমি, তোমরা, তোমাদের- হল মধ্যম পুরুষ (Second Person)। আর সে, তাহারা, তাহাদের- হল প্রথম পুরুষ। (অর্থাৎ Third Person)।

Read more


যখন এই লকডাউনে সবাই কিছু না কিছু ছুট পেলেও আজ টানা ৪৬ দিন বইবাজার একেবারেই বন্ধ। কেমন আছেন ছাপাইকর্মী, বাঁধাইকর্মী, প্রকাশক, বইবিক্রেতারা। কিংবা ফুটপাতে বই সাজিয়ে যাঁরা পুরনো বই বিক্রি করেন! কেমন আছেন তাঁরা। জানি না। এনিয়ে কোনও মিডিয়ায় তেমন খবরও নেই।

Read more


করোনাকালের আগে ও পরে একজন আত্মমুখী মানুষের রোজনামচা.সেই হারিয়ে যাওয়া লেখাগুলির খোঁজে আমার দিন-রাতের অনেকটা সময় নষ্ট হয়। এই ভাবেই একটু একটু করে আমিও নষ্ট হই এই পৃথিবীর আলো-অন্ধকারে।

Read more


গত কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা কাজ করছেন, তাঁদেরই একজনের গল্প।

Read more


'অনুগ্রহ করে শুনবেন। তিন নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়ে থ্রু ট্রেন যাবে। দয়া করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।' দীর্ঘদিন হয়ে গেছে এ ঘোষণা শোনা যায়নি। তিন মাস ধরে লোকাল ট্রেন বন্ধ, ভারতীয় রেলের ইতিহাসে এই প্রথম।

Read more


দেশের হাল মোটে ভাল নয়। তাই হুতোম এ যাত্রা দেশের শত্তুরদের সমন্দে সকলকে সাবধান করে দেবেন ঠিক কল্লেন। এনাদের দেকলেই সরকার বাহাদুর চটে লাল হন। বাবু বিবিরো তফাতে থাকবেন।

Read more


দুঃখের বিষয় দিন দিন ওই ছাত্র ভাণ্ডারের মতো আমরাও রবীন্দ্রনাথকে সন্ন্যাসী দরবেশ বানিয়ে ফেলছি। শুধু ২৫ শে বৈশাখ এলেই তাঁকে আমাদের মনে পড়ে। ‘কবিপ্রণাম’ করেই দায় সারি। তাঁর মানবতা বোধে দীক্ষিত হই না।

Read more


কাঁড়ি কাঁড়ি লোককে ফালতো বলে খেদিয়ে দেয়া হয়েচে আর তেনারা সোশাল ডিস্ট্যান্সিং এর তোয়াক্কা না করে মিটিং মিছিল জুড়েচেন। হুতোম সে কতা কানে তুলতে সম্পাদক বল্লে ঠিক কতা। এদের নিয়ে লেকা কর্তব্য। চীনা ফোনগুলিকে মা গঙ্গায় বিসর্জন দিয়ে ভারতমাতার দেয়া দিশি ফোনই আমাদের একুনি হাতে তুলে নেয়া উচিৎ। তার মুকের ভাবটি দেকে বুকে বল এল।

Read more


এখন এই মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছে আমরা অসম্ভব খারাপ অবস্থার মধ্যে পড়েছি। সত্তর একাত্তর বাহাত্তর নয়, এ আরো আরো আরো নির্মম জঘন্য অবস্থা। এই সময় আমাদের একত্রিত হওয়া দরকার। প্রতিবাদ করা দরকার, সাধারণ মানুষের সামনে যাওয়া দরকার, থিয়েটার করা দরকার। করতেই হবে। তা নাহলে বাঁচানো যাবে না। এই দেশকে বাঁচানো যাবে না, এই পৃথিবীকে বাঁচানো যাবে না। এই প্রবীর দত্ত স্মরণ শুধু স্মরণ নয়। স্মরণ করে কী হবে? স্মরণ করছি সেই জন্যই, যাতে আমরা কাজ করতে পারি। তবেই তার স্মরণটা সার্থক হবে।

Read more


মড়কের মরসুম পুজোর মরসুমও বটে। সারা দেশে কেবল পুজো হচ্ছে। সে পুজোর ঠাকুর আর অসুর হুতোমের চোখে

Read more


ছবিগুলো কোনটিও কল্পিত নয় প্রতিটি ঘটনা ভিডিও ও ছবি সমেত মজুদ আছে কোথাও কোন সার্চ ইঞ্জিনে। তবে ছবির দৃশ্য আমার ও আপনাদের মনের মধ্যে অন্য আরও অনেক ইস্যুর নীচে একটু একটু করে বিস্মৃত হচ্ছে। তাই সাদাকালো রঙের ব্যবহার। এই সব ছবিগুলোতে যাকে লিঞ্চ করা হচ্ছে সেই মানুষ টার ক্ষতবিক্ষত শরীর দেখে ততটা ভয় লাগছে না আর।

Read more


এ যেন এক হেরে যাওয়া হরর ছবি।দর্শক আসনে একশো পঁয়ত্রিশ কোটি মানুষ।কেউ আলো জ্বলার অপেক্ষা করেননি।অন্ধকারেই মাথা নিচু করে মেনে নিয়েছেন সবটুকু।কেউ বলেছেন ,স্কুল বন্ধ থাকলে কী করব?কেউ পোস্ট করেছেন,সরকার বেতন দিলে কী করব?কেউবা সামান‍্য বেতন কেটে নেবার আশঙ্কায় মুখ কালো করে আছেন।অথচ তারমাঝেই সরকার তরফে পুজোবোনাসের নির্দেশিকা জারি হয়েছে।তাই এ এক বাধ‍্যবাধকতা।

Read more


খোদা বা ঈশ্বর কিন্তু কুরবানি হিসেবে পশু ছাড়াও আমার প্রিয় বস্তুটি গ্রহণ করেন। কোরআনে কুরবানি সম্পর্কে আছে- “মাংস বা রক্ত কোনটাই আল্লাহর কাছে পৌছায় না, পৌছায় তোমার মনের পবিত্র ইচ্ছা।” যদিও পশু কুরবানির একটা আলাদা গুরুত্ব আছে, বিশেষকরে আর্থিকভাবে গরীব মানুষদের কাছে। তবু আমার মনে হয় আত্মত্যাগই সব চেয়ে বড় কুরবানি । " বরষে এক ঈদ, বারোমাসই বকরীদ' অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Read more


বেনারসের গঙ্গায় এক সন্ধ্যা… শুরু হবে গঙ্গা আরতি। এরই মাঝে পরপর বেশ কয়েকটি মসজিদ থেকে ভেসে সন্ধ্যা বেলার নমাজ— মগরিবের জন্য ডাক। আজানের ভেসে আসা শব্দ, মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি, গঙ্গা আরতির সঙ্গীত ও স্তোত্র— সব যেন মিলে মিশে শুনতে পেলাম সেই চিরন্তনের ডাক।

Read more


আধুনিক সময়ে শিল্প তৈরী হয়। সৃষ্টি হয় কতটুকু? প্রকৃত শিল্পসৃষ্টি কোনকিছুর মাপে হয় না। তার এক মাত্র বৈশিষ্ট্য আনন্দ, নিজেকে প্রকাশ করা। কারো মাপে নয়, কারো হিসেবে নয়, কারো বায়নায় নয়, কারো ইচ্ছায় নয়।

Read more


মহাভারতের যুদ্ধ কবে শেষ হবে কে জানে? সেই কোন ছোটবেলা শোনা গল্পের সেই শ্রীকৃষ্ণ। রাজসভায় দুর্যোধনের ভাই দুঃশাসন ল্যাংটা করার জন্য দ্রৌপদীর শাড়ি টেনেই যাচ্ছে তো টেনেই যাচ্ছে। পাঞ্চালীর মা মেয়ের কথা শুনেই বুঝে গেল তার পাঞ্চালী কোনও শ্রীকৃষ্ণের জন্যই আর আশা করে থাকবে না। ফাঁকা প্ল্যাটফর্মের যে কোনও জায়গায় দাঁড়িয়ে পারু চাওয়া মাত্র নিজের পাতলা ছেঁড়া ফ্রকটা নিজেই খুলে রেললাইনে উড়িয়ে দেবে।

Read more


যে কোনো কৌম স্মৃতির শেষে যেভাবে সাজানো থাকে প্রকাণ্ড বাজার, মধুর রস গিয়ে ঠেকে বাৎসল্যে, ঠিক সেই নিয়মেই অধুনা আমরা সকলে দস্তুরমতো গৃহী। পারিবারিক পানাহারের আসরগুলোয় আমাদের সন্তানেরা ঘোরে ফেরে। আমরা সতর্ক থাকি, এইসব আসরে ছেলেমেয়ের সামনে যেন রাজনীতি আলোচিত না হয়। যেন নিউজ চ্যানেল না চলে। ওদের টেকনোপ্রীতি আমাদের মোহিত করে।

Read more


বাংলা হল কৃষিপ্রধান দেশ। এবং এই দেশ মাতৃবন্দনা করে, অন্য ভাষায় শক্তির আরাধনা করে। মা, শক্তি (এনার্জি) বা প্রকৃতির সঙ্গে যে প্রত্যয় ওতোপ্রোতোভাবে যুক্ত তা হল প্রযতি বা ইমপালস। প্রযতি বাদ দিয়ে সৃষ্টি সম্ভব নয়। এই প্রযতি হলেন শিব আর মাতৃকা, প্রকৃতি বা শক্তি হলেন কালী। মাতৃবন্দনা নিয়ে আজ প্রথম পর্ব।

Read more


গ্রামে ছিল বিশালাক্ষী দেবীর মন্দির। বিশালাক্ষী হলেন শিবের স্ত্রী সতীর এক রূপ। সেখানে পূজার সময় বালক গদাধরের ভাবসমাধি হয়। পরে শিবরাত্রি উপলক্ষে যাত্রাপালা হয় গ্রামে। সেখানে তিনি অভিনয় করেন শিবের চরিত্রে। অভিনয় করতে করতে তাঁর এমন অভিজ্ঞতা হয়েছিল। তার পর থেকে এমন আধ্যাত্মিক চেতনা তাঁর সারা জীবন জুড়ে ব্যাপ্ত হয়। এটি হল রসের চরম এক পর্যায়। আজ সপ্তমী দ্বিতীয় পর্ব।

Read more


সাধক বামাচরণ চট্টোপাধ্যায় ওরফে বামা ক্ষ্যাপা বলেছিলেন, নিগমে প্রকৃতি বা শক্তিরূপী দেবী হলেন গুরু আর শিব হলেন শিষ্য আর আগমে শিব গুরু ও দেবী শিষ্য। বামাচারীদের শাস্ত্র হল নিগম আর দক্ষিণাচারীদের আগম। সেই লড়াই চলে। নিগম তো আসলে ওরাল টেক্সট। ওই মৌখিক দর্শনে অভিভূত হয়ে সাধক নজরুল ইসলাম লিখেছিলেন, "শ্যামা নামে লাগল আগুন/আমার দেহের ধূপকাঠিতে।"

Read more


অত্যাচারী রাজা কংস একদিন দৈববাণী শুনতে পান, দেবকীর অষ্টম সন্তান তাঁকে হত্যা করবেন। তখন তিনি সাবধান হয়ে দেবকী ও তাঁর স্বামী বসুদেবকে কারাগারে বন্দি করেন। বন্দি অবস্থায় তাঁদের ছয়টি সন্তান হয়, প্রত্যেকটি শিশুকে কংস হত্যা করেন। সপ্তম সন্তান বলরাম দেবকীর গর্ভ থেকে প্রতিস্থাপিত হলেন রোহিণীদেবীর গর্ভে। আজ নবমী চতুর্থ পর্ব

Read more


যুধিষ্ঠির ধর্মপুত্র, ভীম কামকে বেশি গুরুত্ব দেন কিন্তু অর্জুন বেশ পণ্ডিত মানুষ, তিনি বলছেন অর্থই হল পরম পুরুষার্থ। অপার্থিব ধনের কথা ঋষিরা ভাবতে পারেন। অর্জুনের মতে, পণ্ডিতরা যাকে ধর্ম বলে মনে করেন তার উদ্ভব ধন থেকেই। ক্ষমতাশালী যাকে ধনে মারে তাকে প্রাণেও মারে এবং তার ধর্মও হরণ করে। অর্থ থেকেই ধর্ম, কাম ও স্বর্গ আসে। আজ দশমী আজ ৫ম ও শেষ পর্ব।

Read more


বাঙালির অন্তরের দেবত্বকে নানা রূপে স্বীকার করার ঐতিহ্যে কখনোই ছেদ পড়েনি। বিকাশ ভট্টাচার্যের দুর্গা সিরিজের উপজীব্য উগ্র হিন্দু জাতীয়তাবাদ নয়, বরং প্রাত্যাহিক জীবনের নান্দনিকতা। পল্লব ভৌমিকের দুর্গাই হয়তো ভারতমাতা। বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্য রেখে কাজটি সুষ্ঠু ও সুচারুরূপে সম্পন্ন করেছেন তিনি।

Read more


সৌমিত্র-দা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সচেতন ছিলেন এবং নিজের রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করতে এবং সমসাময়িক বিষয়গুলিতে অবস্থান নিতে কখনও দ্বিধা করেননি। যখনই কোনও রাজনৈতিক বিষয়ে বিবৃতি দেওয়ার দরকার পড়েছিল, তিনিই প্রথম কাজটি করতেন। তিনি নাগরিকত্ব (সংশোধন) আইন ২০১৯, এবং জাতীয় নাগরিকের নিবন্ধকের (এনআরসি) র বিরুদ্ধে প্রতিবাদে যোগ দিয়েছিলেন।

Read more


ওঁর জীবনবোধের মধ্যেই খুব স্বচ্ছ রাজনীতিবোধ ছিল, ফলে ওঁর রাজনৈতিক অবস্থান ছিল খুব স্পষ্ট। সেই অবস্থান থেকে নিরপেক্ষভাবে উনি কিছু জিনিস দেখতে পারতেন। তবে মৌলিক রাজনৈতিক বিশ্বাস থেকে কিন্তু কখনো সরে আসেননি।

Read more


অটোচালকের হাতে দামি ফোন,দিনমজুরের পিপাসা মেটাচ্ছে বোতলের মিনেরেল ওয়াটার।সুইপার ভাইয়ের মায়ের শ্রাদ্ধে ক‍্যাটারার।বেতন নেই ,আকাশকুসুম স্বপ্ন আছে।স্বপ্নের ভাঙন আছে।এও এক নতুন ধনতন্ত্রের শৃঙ্খল।যেখানে খাদ‍্য আছে খাদক আছে।ওরা বুঝছে কই?

Read more


কেবল নির্বাচনের জন্য আমাদের কাছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ইশতিহার হাজির হয়। এই রীতির সঙ্গে আমাদের পরিচয় আছে। ইশতিহার সম্পর্কে আমাদের সম্যক ধারণা আছে। সেই ধারণাকে পাথেয় করেই আমিও এখানে এই ইশতিহারের অবতারণা করেছি। তবে, খানিক তফাৎ আছে। এই ইশতিহার মিথ্যাচারের ফুলঝুরি নয়। এ হল বাঙালির অন্তরের রক্তক্ষরণের আক্ষরিক দলিল--- রক্ত-মাংসের ইশতিহার অথবা লোকমুখে বাঙালির ধর্মচিন্তা। ছবি: পার্থ দাশগুপ্ত লেখা: কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত

Read more


দেশটাকে হিন্দুরাষ্ট্র বানাবার ফন্দি এঁটেছে সরকার। এই হিন্দুত্ববাদীরা এখন বাংলাকে 'টার্গেট' করেছে। বিষ ছড়িয়ে বাংলার সংস্কৃতিকে উচ্ছন্নে পাঠাতে উঠেপড়ে লেগেছে তারা। এই সময়ে বিপন্ন সংস্কৃতিকে অস্ত্র করেই রুখে দিতে হবে সবরকম অপচেষ্টা। বাঙালির মনে আর শরীরের কোষে কোষে বহুকাল ধরেই যে 'ধর্মীয়'প্রেক্ষিত জীবন্ত আছে তাকে উন্মুক্ত করেই দাঙ্গাবাজদের মুখোমুখি শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হবে। এই লক্ষ্যেই আগমন ইশতিহারের। লিখলেন কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত ছবি আঁকলেন পার্থ দাশগুপ্ত

Read more


ইশতিহার সম্পর্কে আমাদের সম্যক ধারণা আছে। সেই ধারণাকে পাথেয় করেই আমিও এখানে এই ইশতিহারের অবতারণা করেছি। তবে, খানিক তফাৎ আছে। এই ইশতিহার মিথ্যাচারের ফুলঝুরি নয়। এ হল বাঙালির অন্তরের রক্তক্ষরণের আক্ষরিক দলিল--- রক্ত-মাংসের ইশতিহার অথবা লোকমুখে বাঙালির ধর্মচিন্তা। জারিগানে হিন্দু-মুসলমান লিখলেন কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত ছবি আঁকলেন পার্থ দাশগুপ্ত

Read more


বিশাল আমাদের এই দেশে অসংখ্য লোকশিল্পের মধ্যে পটচিত্র এবং পটের গান বহুকাল থেকেই তার অপূর্ব মহিমায় ভাস্বর। শুধু চিত্রই নয়, পটগীতিও তার সৌরভ ছড়িয়ে চলেছে। পটুয়া সমাজে হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ মেলে। এও বাঙালির অন্তরের রক্তক্ষরণের আক্ষরিক দলিল--- রক্ত-মাংসের ইশতিহার অথবা লোকমুখে বাঙালির ধর্মচিন্তা। লিখলেন কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত ছবি আঁকলেন পার্থ দাশগুপ্ত

Read more


আজকে যদি আমরা ঋত্বিক ঘটককে সত্যিই ব্যবহার করতে চাই তাহলে দেখা যাবে ঋত্বিক ঘটক একজন চলচ্চিত্রকারমাত্র নন একজন দার্শনিক এবং সত্যিই বিপ্লবের এক ইশতেহার তাঁর মাত্র আটটা ছবি বহন করে চলেছে। এই আটটামাত্র ছবি নিয়ে মহাকালের দরজায় প্রবেশ করা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। তারকোভস্কি তাঁর সাতটা ছবি নিয়ে ঋত্বিক তাঁর আটটা ছবি নিয়ে কিভাবে মহাকালের দরজায় কড়া নাড়লেন তা আমরা জানিনা কিন্তু এখন অনেক সময়েই আমার মনে হয় ‘ভারত আবিষ্কার’ বইটা জহরলাল নেহেরুর লেখা হলেও ভারত আবিষ্কার ভিন্নভাবে – প্রকৃত ভারত, ছোটলোকের ভারত, গরিবের ভারত – যে ভারত তার দশ হাজার বছর ধরে তার রক্তধারা প্রবাহিত করে চলেছে সেই ভারতকে সত্যিই চিনতে পেরেছিলেন ঋত্বিক ঘটক।

Read more


আমার বাবা গুরুচরণ মুর্মু, যিনি ভারতবর্ষের সান্তাল জনগোষ্ঠী থেকে প্রথম আই.পি.এস. অফিসার হন, তাঁর সামাজিক অবমাননা আর প্রাতিষ্ঠানিক বঞ্চনার কথা লিখে উঠলেও, বাবার এই প্রতিরোধ আখ্যানে আমার মায়ের ভূমিকার কথা লেখা হয়নি কখনও। লিখিনি বলাটাই ভাল কারণ আমার মা আখেরে কেমন যেন আর পাঁচজনের মায়ের মতই জীবন কাটান। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সেই মায়ের কথাই শোনা জরুরী। অন্তরালে থাকলেও যাঁদের কথা আজ না বললে হয়তো বাকি থেকে যায় অনেক কথা।

Read more


আমি চুপ করে আছি। ওরা বললো আমাদের এখন একমাত্র শত্রু ওই যে স্বজাতি হয়ে, সমবয়সী হয়ে, সব সত্য জানার পরেও আমাদের এই জায়গা করে দিয়েছে সেই এখন একমাত্র পিপাসা আমাদের। বললাম সামনে কি দেখেছো শুধু তোমার না গোটা মুসলমান সমাজেরই না গোটা বাঙালির শত্রু এবং চরম শত্রু সে তোমাদের দিকেই তেড়ে আসছে। এখন এই মুহুর্তে একটি তিতুমীর যদি হতে। সম্ভব না, বাঙালির শত্রু ভেবে নবাব সিরাজকে মারতে যে পথ নিয়েছিলো বাঙালি তার নিয়তি আমরা এ প্রজন্ম ভোগ করিনি তাই এহেন এক মুসলমান গ্রামে নিদ্রার চেয়ে নামাজ শ্রেয় এমন ধ্বনির উচ্চারণ করতেই আপন ধ্বংসের বীজ বপনের মহড়া আজ দেখলাম।

Read more


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘মুসলমানীর গল্প’র প্রথমাংশ। গল্পটির রচনাকাল, ২৪-২৫ জুন ১৯৪১, আষাঢ় ১৩৬২। মৃত্যুর মাত্র ছয় সপ্তাহ আগে এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা শেষ গল্প। আজ যখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পটির উদ্ধৃতি ব্যবহার করছি তখন দিনপঞ্জির পাতায় খেলা করছে, মে ২০২১, বৈশাখ ১৪২৮। অপেক্ষা করছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০তম জন্মদিন। গল্পের বর্ণনায় রাষ্ট্রশাসন, অপ্রত্যাশিত অত্যাচারের দোলায়িত দিন, অবিশ্বাস আর আশঙ্কার সঙ্গে আজকের সময়ের মিল অনেক। এই মিলের তালিকার সঙ্গে আরও যোগ হয়েছে বীভৎস ও ভয়ঙ্কর এক আতঙ্ক। নিকট-অতীতে এমন ভয়ার্ত সময়ের মাঝ দিয়ে মানুষকে যেতে হয়নি।

Read more


ক্রমে বেলাশেষের পাখিরা সঙ্গীদের ডাক দিয়ে বাসায় ফেরে, চারপাশে বিকেলের স্নিগ্ধ হাওয়া বয়, মাধবীলতার সুগন্ধে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। ধীরে ধীরে পশ্চিমে সূর্য ঢলে পরে। আশপাশের গ্রাম থেকে আজান আর শাঁখের শব্দ একসাথে শোনা যায়। আকাশের গায়ে এক চিলতে চাঁদ ওঠে। মশাদের আগমনের আগেই ছাদের কাব্যে ছেদ পরে, মাদুর গোটানোর পালা শুরু হয়। কিন্তু দুটো তারা না দেখে কি ঘরে ঢোকা যায়। সেই ছোটবেলার গ্রাম গঞ্জের সংস্কার, এই প্রজন্মও বহন করছে। দুই তারা হয়তো একতার প্রতীক, হয়তো মানুষকে মনে করিয়ে দেওয়া পৃথিবীতে একা একা বাঁচা যায় না। তাই সন্ধ্যাতারা আর তার দোসরকে দেখে তবে লকডাউনের দিনলিপি শেষ হয়। রাত নামে।

Read more


বেকারত্ব কুড়ে খাবার এক পূর্বাভাস ঝড়ের মত বয়ে আসছে। তাই আগামী দিনে যে, নতুন নিয়োগের দরজা পুরোপুরি বন্ধ হতে চলেছে,তা নিশ্চিত।ফলে লাফিয়ে বাড়বে স্কুলছুটের সংখ‍্যা।পড়াশুনো বন্ধ করে দেবে এক বিরাট ছাত্রসমাজ।তাই "লেখাপড়া করে যে গাড়িঘোড়া চড়ে সে" বলেও শিশুমনকে পড়াশুনোয় উৎসাহিত করা যাবেনা আর।হয়তো সবশুনে শিশুরাও বলবে,কি হবে লেখাপড়া করে?কাজই তো নেই।এতদিন জীবনে নিজের পায়ে দাঁড়ানো বলতে তারা যা বুঝতো,সময় তাদের শেখাল এই কথা কতটা অর্থহীন।

Read more


বাঙালির প্রধান খাদ্যদ্রব্য চালের অভাব দেখা দেওয়ায় ভাতের জন্য সারা বাংলায় হাহাকার পড়ে যায়। গ্রাম থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে দুর্ভিক্ষ। পথে-প্রান্তরে লুটিয়ে পড়তে থাকে না খাওয়া মানুষের দল। এখানে-ওখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় হাড্ডিসার লাশের সারি। ওই সময় জরুরি খাদ্য সরবরাহের জন্য চার্চিলের কাছে আবেদন করেও বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছে ভারতের তৎকালীন ব্রিটিশ কর্মকর্তারা। বিভিন্ন গ্রাম থেকে তখন বুভুক্ষু হাজার হাজার মানুষ একমুঠো অন্নের আশায় স্রোতের মতো ছুটে আসছে কলকাতার দিকে। দেখা গেছে, ওইসব অভাগা মানুষেরা দলে দলে পথের ওপর পড়ে হয় ধুঁকছে না হয় আবর্জনার পাশে উচ্ছিষ্টে ভাগ বসাতে একে অপরের সঙ্গে লড়ছে। পাশাপাশি ওই একই সময়ে ব্রিটিশ কর্মকর্তা এবং তাদের তোষামুদে অবস্থাপন্ন ভারতীয় লোকজন বাড়িতে বসে ভূরিভোজ করছে।

Read more


শঙ্খ ঘোষের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সাক্ষাৎ হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ আয়োজিত একটি আলোচনা চক্রে।তখন কাশীশ্বরী কলেজে সবে যোগ দিয়েছি।তাঁর ‘বাবরের প্রার্থনা' প্রকাশিত। কবিতাটা মনে হচ্ছে যেন আমাদের জন্যই লেখা-আমরা যারা সন্তানকে ঘিরে আশঙ্কা আর সংশয় এর মধ্যেই থাকি। কবিতার প্রথম অংশ - ধ্বংস করে দাও আমাকে যদি চাও/ আমার সন্ততি স্বপ্নে থাক- তখন সবার মুখে মুখে ফেরে।কিন্তু পরের অংশে কবি যখন বলেন- পাথর করে দাও আমাকে নিশ্চল/ আমার সন্ততি স্বপ্নে থাক- তৎক্ষণাৎ মনে পড়ে যায় বিভূতিভূষণের গল্প 'মেঘমল্লার'-এর সেই যুবকের কথা।সেই প্রদ্যুম্ন-যে আত্মবিস্মৃতা দেবী সরস্বতীকে আবার ফিরিয়ে আনার জন্য শিল্প সংস্কৃতি চর্চার সুস্থ পরিবেশ আবারো পৃথিবী কে উপহার দেওয়ার জন্য নিজেকে পাথর করে ফেলেছিল।

Read more


আমরা বাজারে যাই খালি হাতে। সঙ্গে থলে রাখি না। মাছ-মাংস, সবজি আর যা যা দরকার কিনে আনি প্লাস্টিকের ক্যারি ব্যাগে। জিনিসপত্র বাড়ি পৌঁছলেই সেই ক্যারি ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলি বাইরে। বাইরে বাতাস। ক্যারি ব্যাগ বাতাসে উড়ে বেড়ায়। শেষপর্যন্ত তা পশুপক্ষীর গলায় তো বটেই আমাদেরও গলার ফাঁস হয় কিংবা পেটে গিয়ে জমা হয় মৃত্যুর কারণ হিসেবে। আমরা তার হিসেব রাখি না। এত কিছুর পরেও আমরা বাঁচতে চাই। ঘোড়া হাসবে না তো কী! ঘোড়া হাসছে, আমরা কাঁদছি ...

Read more


১৮৫৫ সালেই যে সাঁওতাল হুলের সূচনা তা নয়, এর আরও ৭৫ বছর আগে ১৭৮০ সালে সাঁওতাল জননেতা তিলকা মুরমু (যিনি তিলকা মাঞ্জহী নামে পরিচিত)-র নেতৃত্বে শোষকদের বিরুদ্ধে সাঁওতাল গণসংগ্রামের সূচনা হয়। তিনি সর্বপ্রথম সাঁওতাল মুক্তিবাহিনী গঠনের মাধ্যমে পাঁচ বছর ধরে ইংরেজ শাসকদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালান। ১৭৮৪ সালের ১৭ জানুয়ারি তাঁর তিরের আঘাতেই ভাগলপুরের ক্লিভল্যান্ড প্রাণ হারান। ১৭৮৫ সালে তিলকা মাঞ্জহী ধরা পড়েন এবং তাঁর ফাঁসি হয়। পরবর্তী সময়ে ১৮১১ সালে বিভিন্ন সাঁওতাল নেতার নেতৃত্বে দ্বিতীয়বার গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা হয়। এরপর ১৮২০ সালে তৃতীয়বার এবং ১৮৩১ সালে চতুর্থবার সাঁওতাল গণসংগ্রাম গড়ে ওঠে।

Read more


“কলেয়ান” বা কল্যাণ-গুরু নামে একজন গ্রাচীন সাঁওতাল জ্ঞানবৃদ্ধকে ডেকে মিশনারি সাহেব তার মুখ থেকে সাঁওতালি পুরাণ-কথা এবং সামাজিক রীতি-নীতির কথা শুনে লিপিবদ্ধ করে নেন। বহু দিন ধরে এই বই ইংরেজিতে বা অশ্য কোনও ভাষায় অনূদিত হয়নি, কিন্তু সাঁওতাল ভাষা শিখে নিয়ে অনেকে এই বই ব্যবহার করে আসছেন। অবশেষে ১৯৪২ সালে বিখ্যাত সাঁওতালি-ভাষাবিদ বডিং-এর করা ইংরেজি অনুবাদ স্তেনকন সাহেবের সম্পাদনায় নরওয়ে-দেশের অস্লো শহর থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

Read more


আজকে যখন নবারুণকে দেখা হয় তখন যে সমস্ত ছেলেমেয়েরা নবারুণকে নিয়ে কথা বলে তাদের মধ্যে আমার কিঞ্চিৎ সন্দিগ্ধতা কাজ করে, এই যে উত্তর-বিশ্বায়ন নাগরিক আড্ডা, এই যে সিসিডি বা কাপুচিনোর চুমুকে সাহিত্য পড়ার মরাল-বিলাসিতা সেখানে তো চে গেভারা ভিয়েতনাম সবকিছুই টি-শার্ট। এই যুবক বা যুবতীরা খিস্তি-তরঙ্গেও একপ্রকার অজ্ঞাতকে জানার সুযোগ পেয়ে যায়। তারা নবারুণকে বিপন্ন ঘাতক মনে করবে? চুদুরবুদুর শব্দটি নিয়ে যে রসনাবিলাস তা নিয়ে আমি নবারুণকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, নতুন গন্ধনাশক বা নতুন বাথরুম টাইলসের মতো নতুন এ শহরের ভাষা, উদিয়মান মধ্যবিত্ত তারা তো, বাংলা উপন্যাসের দাম কম, সস্তায় বেঙ্গল প্যাকেজে তোমার কাছ থেকে আমোদ পেয়ে যাচ্ছে। এই আমোদ মধ্যবিত্ত অপরাধবোধকে প্রশমিত করার মুদ্রিত ভায়াগ্রা, যার সম্মানমূল্য আছে, তা কি তুমি জানো না নবারুণ? হয়তো নবারুণ জানতও,

Read more


"মানুষ যত চুপ করে থাকে, যত অন্যায় মেনে নেয়ে তত বাড়তে থাকে রাক্ষসদের হম্বিতম্বি ও রাক্ষসদের কর্তাভজা ক্ষোকসদের বিকট কোরাস। ঐ সময় যাঁরা লালকমল, নীলকমল হতে চাইবে তাদের বিবেক সবল ও তরতাজা থাকা দরকার। কোন কোন মানুষের কথা ভাবলে কাজটা করে ফেলা অসম্ভব নয় । সেরকমই একজন মানুষ ছিলেন সরোজ দত্ত। নিজের প্রাণ দিয়ে তিনি জায়গায় করে নিয়েছিলেন জুলিযাস ফুচিক বা গাবরিয়াল পেরীর পাশে"। -----নবারুণ ভট্ট্যাচার্য । কিছু কথা চিরন্তন। ঠিক অর্ধ শতাব্দী আগে আজকের দিনটিতে সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী "নিখোঁজ" হয়ে গিয়েছিলেন কবি, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক কর্মী সরোজ দত্ত। মজে যাওয়া পুকুরের মত নিস্তরঙ্গ সামাজিক রাজনৈতিক মননে প্রবল আলোড়ন আনা সরোজ দত্ত রাষ্ট্রের কাছে ক্রমাগত বিপদের কারণ হয়ে উঠছিলেন। সুতরাং তাঁকে "নিখোঁজ" করে দেওয়া ছাড়া রাষ্ট্রের হাতে আর কোন রাস্তা ছিল না। আজ ৫ই আগস্ট, ২০২১ তাঁর সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের কথা লিখলেন সুপ্রিয় চৌধুরী।

Read more


রামায়ণে দেখা যায়, বিশ্বকর্মা দুটি ধনুকের নির্মাতা। একটি ত্রিপুরাসুর বধের জন্য শিবকে বা প্রযতিকে দেন আর অন্যটি প্রদান করেন বিষ্ণু, দ্য ক্যাপিটালিস্টকে। বিষ্ণু ধনুকটি দেন চিরজীবী পরশুরামকে। রাম শিবের ধনুকটি ভঙ্গ করেন। শিবের ধনুক গেল। রয়ে গেল বিষ্ণুর ধনুক। রাম স্বয়ং বিষ্ণু। বিশ্বকর্মার পুত্র বিশ্বরূপকে ইন্দ্র বধ করেছিলেন। এই বিষ্ণুকে দু ভাবে দেখা যায়। সে প্রসঙ্গে অন্য সময় যাওয়া যায়। মোদ্দা কথা হল, বিশ্বকর্মা হলেন কারিগর। পুঁজির বাজার সেই বিশ্বকর্মাকে আদি থেকেই ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর। মহাভারত অনুযায়ী, কারিগর বিশ্বকর্মা হলেন শিল্পকলার দেবতা। তিনি কর্মী, তাই তাঁর চার বাহু, মাথায় রাজার মুকুট কারণ তিনিই হলেন আসল নরপতি। হাতে জলের কলস, বই, দড়ির ফাঁস আর অন্য হস্তে যন্ত্র। তিনি একাধারে মহাবীর ও দয়াদি অষ্টগুণ যুক্ত । তিনি সৃষ্টির নির্মাতা ও ধাতা। তিনি মান ও দণ্ডধারী মহাশিল্পী। আবার তিনিই মহাযোদ্ধা। এই দণ্ড কী? দণ্ড হল যা ধারণ করে, দণ্ড সকল ক্ষমতার উৎস। এখান থেকেই আসে দণ্ডনীতি বা রাজনীতি। লিখছেন শামিম আহমেদ

Read more