পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

ধুসর রঙের পর্দাগুলো উড়ছে। কেউ যেন বাতাস লেলিয়ে দিয়েছে ওগুলোয়। প্রলয় বাতাস। একজন নিঃসঙ্গ ঘোড়সওয়ার দাঁড়িয়ে পড়েছে দূরে। আমি তবু এগিয়ে যাচ্ছি এক-পা এক-পা করে। আকাশ থেকে ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে আলো। একখণ্ড মেঘ উড়ে এল কোথা থেকে। নেমে এল যেন একটা প্রাচীনকাল। দেখলাম ঘোড়সওয়ারটা এবার পালাচ্ছে ধুলো উড়িয়ে। যেদিক থেকে এসেছিল সেই দিকেই পালাচ্ছে। আকাশ থেকে কী পড়ছে ওগুলো! এক-একটা ইতিহাসের পাতা! উড়ে যাওয়া সেই পাতা থেকে খসে খসে পড়ছে সাদা কাপড়ের মোড়ক।

Read more


রাত জেগে, লাইনে দাঁড়িয়ে, পুলিশের লাঠি খেয়েও টিকা পাচ্ছেন না বহু মানুষ। কাজ-হারানো মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আর ধনী এবং প্রভাবশালীরা নিজেদের সুবিধামতো সময়ে এবং স্থানে টিকা নিচ্ছেন। টিকাকরণের এহেন ধনী-দরিদ্র ভাগাভাগি আগে দেখেনি দেশের মানুষ।

Read more

by সুমন সেনগুপ্ত | 18 September, 2021 | 455 | Tags : Covid 19 Vaccine CoWin


রামায়ণে দেখা যায়, বিশ্বকর্মা দুটি ধনুকের নির্মাতা। একটি ত্রিপুরাসুর বধের জন্য শিবকে বা প্রযতিকে দেন আর অন্যটি প্রদান করেন বিষ্ণু, দ্য ক্যাপিটালিস্টকে। বিষ্ণু ধনুকটি দেন চিরজীবী পরশুরামকে। রাম শিবের ধনুকটি ভঙ্গ করেন। শিবের ধনুক গেল। রয়ে গেল বিষ্ণুর ধনুক। রাম স্বয়ং বিষ্ণু। বিশ্বকর্মার পুত্র বিশ্বরূপকে ইন্দ্র বধ করেছিলেন। এই বিষ্ণুকে দু ভাবে দেখা যায়। সে প্রসঙ্গে অন্য সময় যাওয়া যায়। মোদ্দা কথা হল, বিশ্বকর্মা হলেন কারিগর। পুঁজির বাজার সেই বিশ্বকর্মাকে আদি থেকেই ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর। মহাভারত অনুযায়ী, কারিগর বিশ্বকর্মা হলেন শিল্পকলার দেবতা। তিনি কর্মী, তাই তাঁর চার বাহু, মাথায় রাজার মুকুট কারণ তিনিই হলেন আসল নরপতি। হাতে জলের কলস, বই, দড়ির ফাঁস আর অন্য হস্তে যন্ত্র। তিনি একাধারে মহাবীর ও দয়াদি অষ্টগুণ যুক্ত । তিনি সৃষ্টির নির্মাতা ও ধাতা। তিনি মান ও দণ্ডধারী মহাশিল্পী। আবার তিনিই মহাযোদ্ধা। এই দণ্ড কী? দণ্ড হল যা ধারণ করে, দণ্ড সকল ক্ষমতার উৎস। এখান থেকেই আসে দণ্ডনীতি বা রাজনীতি। লিখছেন শামিম আহমেদ

Read more


“আল্লাহ দান করে যাবে হাশরের ময়দানে……বান্দা……।“ বুঁদ হয়ে আছে তজু। দুই হাড়গিলে হাঁটুর মাঝে ঠেসে গোঁজা উসকোখুসকো মাথা। তজু ভাবছে, ইহকালে কী আর আছে? ক-দিনের জন্যে আর এই শরীরজীবন? আল্লাহর হুকুম হলেই, দপ করে নিভে যাবে। আসলবাড়ি তো কবর। যতদিন যাচ্ছে ততই বেবাগি হয়ে উঠছে তজু। তাকে সংসারে বেঁধে রাখতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে মারিয়ম। মাঝেমধ্যেই ঠুকমুক লেগে যাচ্ছে দুজনে। মারিয়মের মোদ্দাকথা, তার স্বামী গায়ে-গতরে খাটুক, অন্য পাঁচটা লোকের মতো হকের রোজগার করুক। কারও ঘাড়ে চেপে ভাগের উপার্জন বন্ধ করুক।

Read more


স্কুল কলেজ খোলা নিয়ে সরকারি স্তরে নীরবতার আরও একটি বড় কারণ শিক্ষা সম্পর্কে সরকারি ব্যবস্থার উদাসীনতা এবং সম্যক উপলব্ধির অভাব। স্কুল কলেজ খুলে গেলে লাগামছাড়া সংক্রমণ বৃদ্ধির যুক্তি বিচিত্র এবং অতি দুর্বল । বাদুড় ঝোলা স্পেশাল ট্রেন, মিনি বাস অটোয় চেপে পরিবারের বড়রা যখন জীবিকার প্রয়োজনে প্রবল সংক্রমণ সম্ভাবনা নিয়ে বাড়ির বাইরে পা রেখে দিনান্তে বাড়ি ফিরছে , তখন সেই বাড়ির খুদে পড়ুয়ারা কি সেই সংক্রমণ থেকে রেহাই পাচ্ছে? এমনকি স্কুল কলেজের ক্লাস ঘরের জন ঘনত্বের চেয়ে বেশি পাড়ার মাছের বাজার কিংবা শপিং মলে প্রবেশ অবাধ যদি হয় তবে কোন বাধায় স্কুল কলেজের দরজা বন্ধ থাকবে? সংক্রমণ পরিস্থিতির বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে যেমন পরীক্ষামূলক ভাবে ধাপে ধাপে দোকান, বাজার, অফিস কাছারি, কল কারখানা খোলা হয়েছে ঠিক একই কায়দায় কেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা যাবে না ?

Read more


স্কুল খোলার পক্ষে আমাদের সোচ্চার হবার সময় কিন্তু এসে গেছে। আমরা আজও যদি নীরব থাকি তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময়সীমা যত দীর্ঘায়িত হবে সংক্রমনের ভয়, কর্মস্থলে না যাওয়ার অভ্যেস, স্কুল ও পঠনপাঠনের সাথে পড়ুয়াদের দূরত্ব যেদিন শাখা প্রশাখা বিস্তার করবে সেদিন শিক্ষা নামক বটবৃক্ষটি নেতিয়ে পড়লে আমরা সে দিনটির জন্য প্রস্তুত তো?

Read more


“তপু আজও ফিরে নাই- মিনু দেখল বাবার গলার স্বর ক্রমশ অস্পষ্ট হয়ে আসছে। দু’চোখের পাতায় ঘুম এলিয়ে পড়েছে। তপু বা তপন জগদীশের ছেলে, মিনুর একমাত্র দাদা। পারিবারিক দোকানের মাল সওদা করতে সদরে গেছে দিন সাতেক হল। এখনও ফেরেনি, দিন দুয়েক ধরে বৃদ্ধ দিনে অন্তত বার চার পাঁচেক ছেলের কথা জিজ্ঞেস করে। ওষুধ খাওয়ানো হয়ে গেছে। এখন মিনু তোয়ালে দিয়ে বাবার মুখ মুছিয়ে সাদা চাদরটা বুক বরাবর তেনে দিল। বাবার মাথায়, কপালে হাত বুলিয়ে মমতার গলায় বলল – লক্ষীছেলের মতো ঘুমিয়ে পড় –”

Read more


আফগানিস্তানের যেন এটাই নিয়তি। গত একশো বছরের ইতিহাসে টানা চল্লিশ বছরের অধিক কোনও শাসনকাল নেই আফগানিস্তানে। ইতিহাসের পুনবাবৃত্তি কি ঘটতেই থাকবে এ ভাবেই!

Read more


খেলার ভেতর দিয়ে এই যে সীমানা ভাঙার আদর্শ এবং শিক্ষার কথা 'টীম ইন্ডিয়া' বলছে, তা আজকের নয়। আমরা বাংলার মানুষরা সেই ইতিহাসের উত্তরসূরিতা বহন করি। 'ভারতীয় ফুটবলের জনক' নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারীর ২৭শে অগাস্ট জন্মদিন ছিল। নগেন্দ্রপ্রসাদ যখন দেখেছিলেন নিজের হাতে বড় ক'রে তোলা ওয়েলিংটন ক্লাব তথাকথিত নীচুজাতের কুমোর পরিবারের ছেলে মণি দাসকে জাতের কারণে রিক্রুট করাচ্ছে না, তখন নিজে সেই ক্লাব থেকে বেরিয়ে এসে প্রায় ৫০০ জন সদস্য সমর্থক নিয়ে শোভাবাজার ক্লাব তৈরী করেছিলেন। মোহনবাগান ক্লাবেরও আগে তৈরী হয়েছিল সেই ক্লাব। আর তার প্রথম রিক্রুটমেন্ট ছিল মণি দাস।

Read more