পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh
ব্যঙ্গচিত্র

পুরানো লেখাগুলি

বহু ব্যবহৃত ক্লিশে হওয়া 'সেটিং' তত্ত্ব

স্পষ্ট বুঝতে পারছি সবটাই সেটিং, বিজেপি আর তৃণমূলের। কিন্তু দেড় কোটি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে চলেছে, বাংলা বলার অপরাধে মৃতের সংখ্যা শতাধিক হয়ে গেল, এস আই আর এর ফলশ্রুতিতে আতঙ্কিত ভোটার ও অবসাদগ্রস্ত বি এল ওদের মিলিত মৃত্যুর সংখ্যা পৌনে একশো হতে চলল, সেটিং তত্ত্ব তো মানলাম। তাহলে আপনারা কি করবেন এবার? কি করছেন? এইখানে এসেই পথ হারিয়ে কিছু বুঝে উঠতে না পেরে একটু তত্ত্বটাকে বুঝতে চাইছেন অনেকেই।

ফর্ম ৭ সেই অদৃশ্য রাসায়নিক অস্ত্র যা ভোটার মারছে

কংগ্রেস চুপ। তৃণমূলের শক্তিক্ষয় তারা চায়। তাহলে তারা ভাবছে তাদের সোনার দিন ফিরবে। বামেদের একাংশও তাই ভাবে। তথাপি এখন তারা কথা বলতে শুরু করেছে কিছুটা হলেও। ওদিকে তৃণমূল কিন্তু সবটা আসলেই বুঝে বা ভেবে উঠতে পারছে বলে মনে হয় না। আদালতে মামলা অনন্তকাল চলতে পারে। তখন কী হবে? সব হয়ে যাওয়ার পরে এই প্রক্রিয়াকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেও খুব কিছু লাভ হবে? ভারতের প্রজাতন্ত্র, তাঁর সংবিধানের তো তখন হাড় কঙ্কাল পড়ে থাকবে।

ঝোলাগুড়

সন্ধের ঝিরঝিরে হাওয়ার আমেজটা গরম রুটির মতো মনোরম। ছাল উঠে যাওয়া নেড়িটা তখনও লকলকে জিভ বের করে লেজ নাড়ছে, তার শরীরে শতবর্ষের জীর্ণতার ছাপ। জিভ দিয়ে ঝরে পড়া লালায় মাখামাখি হচ্ছে রাস্তার ধুলো। চায়ের দোকানের কেটলি-মুখ থেকে থেকে এখনও উগরে চলেছে ধোঁয়া।

পুরাণের কাহিনী ও মূর্তিতত্বে দেবী সরস্বতী

শ্রী অর্থে লক্ষ্মী। বলা হয় ঋগ্বেদে লক্ষ্মীর প্রয়োগ একবার মাত্র আছে। অর্থবেদে সৌভাগ্য বা মন্দ রমণীকে লক্ষ্মী বলা হয়েছে। শ্রীপঞ্চমী তিথিতে প্রাচীনকালে লক্ষ্মীর পুজো হতো। তাই এর আরেক নাম লক্ষ্মী পঞ্চমী। আজ সরস্বতী পুজো, আজ পঞ্চমী। আজকের লেখাটা তাই প্রাসঙ্গিকও বটে।

উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের মামলার প্রেক্ষিতে ভারতের বিচার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের শ্রেণিচরিত্র উন্মোচিত

এ দেশে দু ধরণের আইন আছে- একটা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জন্য আর একটা রাজনৈতিক এক্টিভিস্টদের জন্য। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে চিকিৎসার কারণে ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত আশারামের সাজা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে গুজরাট হাইকোর্ট। ২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় আশারামকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর: চক্রান্তের নীল নকশা স্পষ্ট হচ্ছে

প্রথম খসড়া তালিকায় সুবিধা করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন এক নতুন অস্ত্র বের করেছে যার নাম logical discrepancies ( যৌক্তিক অসঙ্গতি)।এই অস্ত্রকে নতুন বলার কারণ বিহার এসআইআরে এই বিষয়টি ছিল না।আসুন দেখে নেওয়া যাক এই অসঙ্গতি বলতে কি বোঝানো হয়েছে।

কুলগাছ

আজ সূর্যগ্রহণ। শতাব্দীর বিরলতম দৃশ্য। মহাজাগতিক এই দৃশ্যের সাক্ষী হতে জ্যোর্তিবিজ্ঞানী মহলে সোরগোল পড়ে গেছে। চারিদিকে সাজো সাজো রব। অনেক অজানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এই গ্রহণের সময়কালে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিজ্ঞানীরা ভিড় করেছে উত্তর ভারতে কারণ উত্তর ভারত থেকে দেখা যাবে এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।

ইউনিয়ন সরকারের কোনও এক্তিয়ার নেই রাজ্য সরকারগুলোকে ব্যতিব্যস্ত করার

ইউনিয়ন সরকারের অপরাধের তদন্ত বা অপরাধের প্রতিকারের ক্ষমতা জনতা ছাড়া আর কারও নেই, হয় জনতা নির্বাচনের মাধ্যমে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করবে, নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে পুরনো অপরাধের তদন্ত করবে বা নির্বাচন ব্যবস্থাও যদি শাসক দল কুক্ষিগত করে ফেলে, তখন গণ-অভ্যুত্থান ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।

আরও পুরানো লেখাগুলি

বিজেপি-নির্ভর বাম রাজনীতি দিয়ে সত্যিকারের বাম পুনরুজ্জীবন অসম্ভব

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেখবার বিষয় হবে এটাই যে তাদের আসন সংখ্যা বাড়ল নাকি কমল। বামপন্থীরা সেই সাউডলাইনের ধারেই পাকাপাকি আসন নিয়েছেন এটাই ভবিতব্য। যদিও বামবৃত্তের বহু নেতাকর্মীর আশা আকাঙ্ক্ষা অন্য রকম। বামপন্থী নেতাদের একটি অতি পুরাতন হঠকারী পদ্ধতি হল কর্মীদের কাছে বাড়িয়ে চাড়িয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা। তাঁরা মনে করেন এতে করে কর্মীদের মনোবল বাড়ে।

জামিনের আবেদন এবং সাংবিধানিক ব্যাখ্যার অকারণ জটিলতা

মোদ্দা কথা হল, UAPA আইনে এই মামলা দাঁড় করাতে হলে ব্যাপক সহিংসতার প্রমাণ দিতে হয় এবং তার সাথে অভিযুক্তদের সংযোগ প্রমাণ করতে হলে ব্যাপক ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব উপস্থাপিত করতে হয়।বর্তমান মামলায় সেটাই করা হচ্ছে সরকার পক্ষ থেকে বা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। প্রসিকিউশনের যা ফাঁকফোকর তা বোজানো হচ্ছে,’বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ এর তত্ত্ব দিয়ে।

আখ্যান

জামিনের আবেদন এবং সাংবিধানিক ব্যাখ্যার অকারণ জটিলতা

মোদ্দা কথা হল, UAPA আইনে এই মামলা দাঁড় করাতে হলে ব্যাপক সহিংসতার প্রমাণ দিতে হয় এবং তার সাথে অভিযুক্তদের সংযোগ প্রমাণ করতে হলে ব্যাপক ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব উপস্থাপিত করতে হয়।বর্তমান মামলায় সেটাই করা হচ্ছে সরকার পক্ষ থেকে বা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। প্রসিকিউশনের যা ফাঁকফোকর তা বোজানো হচ্ছে,’বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ এর তত্ত্ব দিয়ে।

বিজেপি-নির্ভর বাম রাজনীতি দিয়ে সত্যিকারের বাম পুনরুজ্জীবন অসম্ভব

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেখবার বিষয় হবে এটাই যে তাদের আসন সংখ্যা বাড়ল নাকি কমল। বামপন্থীরা সেই সাউডলাইনের ধারেই পাকাপাকি আসন নিয়েছেন এটাই ভবিতব্য। যদিও বামবৃত্তের বহু নেতাকর্মীর আশা আকাঙ্ক্ষা অন্য রকম। বামপন্থী নেতাদের একটি অতি পুরাতন হঠকারী পদ্ধতি হল কর্মীদের কাছে বাড়িয়ে চাড়িয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা। তাঁরা মনে করেন এতে করে কর্মীদের মনোবল বাড়ে।

আয়নাবাজি

বাবা সবসময় বলতেন, ‘তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।’ সে ভাবতো ওটা বাবার স্নেহবর্ষণের নিজস্ব পদ্ধতি।

প্রাচীন বঙ্গের নদীরূপা সরস্বতী পাড়ের কথা

ত্রিবেণীতে সেনাপতি জাফর খাঁর দরগায় একাধিক দেব দেবীর নিদর্শন রয়েছে। একটি স্তম্ভের গায়ে ভূমিস্পর্শ বুদ্ধমূর্তি খোদিত আছে। এখানে জৈন মূর্তির নিদর্শন দেখা যায়। এরথেকে প্রমাণিত একসময় স্থানীয় এইসব অঞ্চলে বৌদ্ধ বিহার ও জৈন ধর্মের কেন্দ্র ছিল বলে মনে করছেন গবেষকরা। হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে দরগায় আসেন। যা দীর্ঘ ধর্মীয় সহাবস্থানের পরিচায়ক।

রোগাক্রান্ত বিচারব্যবস্থা !!!!

দেশের শীর্ষ আদালতের দুটি সিদ্ধান্তে হঠাৎ করেই আমাদের বিবেক জাগ্রত হয়েছে। তাঁরা আরাবল্লী নিয়ে সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করতে চেয়েছেন এবং যাবজ্জীবন শাস্তিপ্রাপ্ত খুনী ধর্ষক উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন বিধায়কের জামিনের সিদ্ধান্ত রদ করেছেন! আর এদিকে অন্যায় ভাবে বন্দী উমর খালিদ মাত্র পনেরো দিনের প্যারোল শেষ করে আবার কারান্তরালে! সত্যিই কি আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থার ঘুম ভাঙছে? তাঁদের অসুস্থতাটা ঠিক কোথায়? দুই পর্বের আলোচনার এটি প্রথম পর্ব।

সব ফ্যাসিস্ট সরকারই নিজের নির্বাচক ঠিক করে নিজের পদ্ধতিতে

সার্বজনীন ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার কাজটা মুসোলিনি আর তার পার্টি করেছিল, তার আসল লক্ষ্য ছিল সংসদ দখল করে নেওয়া। এখানেও সে চেষ্টা হচ্ছে এসআইআর করে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আর ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলির ২৮টির মধ্যে অন্তত ১৬টি দখল করলেই বিজেপি ভারতীয় সংবিধানে বিপুল পরিবর্তন আনতে পারে নানা বিষয়ে।