পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

অন্যান্য পোস্ট

লোকাল ট্রেন চলবে কবে: ২ বৈধ যাত্রীর মাপকাঠি

লোকাল ট্রেন বন্ধ প্রায় ছ’মাস। নগর কেন্দ্রিক যাবতীয় রুজির উপায় বন্ধ। মফসসলের লক্ষ লক্ষ মানুষ চরম বিপদের মধ্যে। কিন্তু অতিমারীর এই অবরুদ্ধ সময়ে লোকাল ট্রেন কবে এবং কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালানো যেতে পারে তা নিয়ে উচ্চবাচ্য করছে না রেল দফতর বা রাজ্য সরকার। এখানে তারই কিছু সুপারিশ। দ্বিতীয় পর্ব।

লোকাল ট্রেন চলবে কবে: ১ নগরায়ন,নিত্যযাত্রী ও গণপরিবহণ

লোকাল ট্রেন বন্ধ প্রায় ছ’মাস। নগর কেন্দ্রিক যাবতীয় রুজির উপায় বন্ধ। মফসসলের লক্ষ লক্ষ মানুষ চরম বিপদের মধ্যে। কিন্তু অতিমারীর এই অবরুদ্ধ সময়ে লোকাল ট্রেন কবে এবং কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালানো যেতে পারে তা নিয়ে উচ্চবাচ্য করছে না রেল দফতর বা রাজ্য সরকার। এখানে তারই কিছু সুপারিশ। প্রথম পর্ব।

মায়া পথ

সেই নিবিড় সময়ে লোকটা এসে দাঁড়ায়। ফাঁকা বেঞ্চটায় এসে বসে। গোবিন্দকে দেখে। গোবিন্দও সেদিকে তাকায়। লোকটার গায়ের চামড়া পুড়ে যাওয়া, রোদে গোটানো। মাথায় উসকোখুসকো চুল। চোখ মুখে ক্লান্তির ছাপ। আবার সেই চেহারায় কোথায় যেন লুকানো ভরা অতীতের ছাপ। এমন লোক তো আশপাশের মানুষ নয়!

আমি, তুমি ও সে

যে কোনো কৌম স্মৃতির শেষে যেভাবে সাজানো থাকে প্রকাণ্ড বাজার, মধুর রস গিয়ে ঠেকে বাৎসল্যে, ঠিক সেই নিয়মেই অধুনা আমরা সকলে দস্তুরমতো গৃহী। পারিবারিক পানাহারের আসরগুলোয় আমাদের সন্তানেরা ঘোরে ফেরে। আমরা সতর্ক থাকি, এইসব আসরে ছেলেমেয়ের সামনে যেন রাজনীতি আলোচিত না হয়। যেন নিউজ চ্যানেল না চলে। ওদের টেকনোপ্রীতি আমাদের মোহিত করে।

নিয়মিত কলাম

মাতৃবন্দনা ৪

অত্যাচারী রাজা কংস একদিন দৈববাণী শুনতে পান, দেবকীর অষ্টম সন্তান তাঁকে হত্যা করবেন। তখন তিনি সাবধান হয়ে দেবকী ও তাঁর স্বামী বসুদেবকে কারাগারে বন্দি করেন। বন্দি অবস্থায় তাঁদের ছয়টি সন্তান হয়, প্রত্যেকটি শিশুকে কংস হত্যা করেন। সপ্তম সন্তান বলরাম দেবকীর গর্ভ থেকে প্রতিস্থাপিত হলেন রোহিণীদেবীর গর্ভে। আজ নবমী চতুর্থ পর্ব

মাতৃবন্দনা ৫

যুধিষ্ঠির ধর্মপুত্র, ভীম কামকে বেশি গুরুত্ব দেন কিন্তু অর্জুন বেশ পণ্ডিত মানুষ, তিনি বলছেন অর্থই হল পরম পুরুষার্থ। অপার্থিব ধনের কথা ঋষিরা ভাবতে পারেন। অর্জুনের মতে, পণ্ডিতরা যাকে ধর্ম বলে মনে করেন তার উদ্ভব ধন থেকেই। ক্ষমতাশালী যাকে ধনে মারে তাকে প্রাণেও মারে এবং তার ধর্মও হরণ করে। অর্থ থেকেই ধর্ম, কাম ও স্বর্গ আসে। আজ দশমী আজ ৫ম ও শেষ পর্ব।

আখ্যান

মায়া পথ

সেই নিবিড় সময়ে লোকটা এসে দাঁড়ায়। ফাঁকা বেঞ্চটায় এসে বসে। গোবিন্দকে দেখে। গোবিন্দও সেদিকে তাকায়। লোকটার গায়ের চামড়া পুড়ে যাওয়া, রোদে গোটানো। মাথায় উসকোখুসকো চুল। চোখ মুখে ক্লান্তির ছাপ। আবার সেই চেহারায় কোথায় যেন লুকানো ভরা অতীতের ছাপ। এমন লোক তো আশপাশের মানুষ নয়!

আমি, তুমি ও সে

যে কোনো কৌম স্মৃতির শেষে যেভাবে সাজানো থাকে প্রকাণ্ড বাজার, মধুর রস গিয়ে ঠেকে বাৎসল্যে, ঠিক সেই নিয়মেই অধুনা আমরা সকলে দস্তুরমতো গৃহী। পারিবারিক পানাহারের আসরগুলোয় আমাদের সন্তানেরা ঘোরে ফেরে। আমরা সতর্ক থাকি, এইসব আসরে ছেলেমেয়ের সামনে যেন রাজনীতি আলোচিত না হয়। যেন নিউজ চ্যানেল না চলে। ওদের টেকনোপ্রীতি আমাদের মোহিত করে।

গঙ্গার ক্ষয়: ধনঘোড়া, এক সাম্প্রতিক ট্র্যাজেডি

নদী ভাঙন প্রতিরোধ সমেত হাজারো গাল ভরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে দেশের অন্যতম দরিদ্র অঞ্চল জঙ্গিপুর থেকে প্রণব মুখার্জি দু-দুবার সাংসদ নির্বাচিত হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতার শীর্ষে থেকেছেন। রাষ্ট্রপতি হয়েছেন। কিন্তু তাঁর ভোটারদের জন্য কিছুই করেননি। আশাভঙ্গের সেই বৃত্তান্ত।

এলেবেলে, বোঁ-বোঁ

এতদিন যখন হয়নি, আর হবে না। ইদ্রিস কাকা আক্রান্ত হবার ভয় ফুৎকারে উড়িলে দিলেন। মুখে মৃদু হাসি। যেন ইতোমধ্যে জয় করে ফেলেছেন কিছু। এদিকে ডিমের দাম ছয়। গেছিলেন এক ক্রেট ডিম কিনতে। কেনা হল মোটে দশটা। সংসারে ডিম ছাড়াও তেল লাগে, নুন লাগে, শাক-সব্জি-মশলাপাতি লাগে। সেইদিকে নজর দিতে গিয়ে একেবারে দুম-ফটাস।

চুক্তি চাষ: অনিচ্ছুক কৃষক ও দেশজ কৃষি

যখন আমরা বড় কোম্পানির অধীনে চুক্তি চাষের বিরোধিতা করব, তখন আমাদের দেশজ কৃষির কথা, দেশের কৃষকদের কৃষি-নৈতিকতার কথা বলতে হবে। হারিয়ে যাওয়া কৃষি-সম্পদ পুনরুদ্ধারের কথা বলতে হবে। এখানেই আমাদের আত্মবিশ্বাস, এখানেই আত্মনির্ভরতা।

নারীবিদ্বেষ আর বর্ণবিদ্বেষ পিঠোপিঠি অবস্থান করছে হাথরাসের ঘটনায়

ধর্ষকের সমর্থনে তার স্বজাতি বা স্ববর্ণ-র পুরুষ ( কখনও আবার মহিলাও) পথে নামছে, প্রকাশ্যে ধর্না দিচ্ছে বা মিছিল করছে, এরকম নজির তার মানে বাড়ছে। এরকম নজির যত বাড়ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে, ধর্ষণ একটি সামাজিক অপরাধ, ব্যক্তির বিকৃতি নয়। কোথাও ধর্ষণে নারীবিদ্বেষের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ধর্মীয় বিদ্বেষ, কোথাও বর্ণবিদ্বেষ৷ কিন্তু এই সকল প্রকার বিদ্বেষ, যতটা না ব্যক্তিগত, তার চেয়ে অনেক বেশি সামাজিক।