দীর্ঘ ১৮ বছরের টানাপোড়েন, শত দরাদরি আর জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গত ২৭ জানুয়ারি সই হলো ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। দুই পক্ষই একে ‘Mother of all deals’ বা সব চুক্তির সেরা বলে অভিহিত করেছে। ২০০৭ সালে ব্রাসেলসে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলেও, পরবর্তীতে শুল্ক কাঠামো ও বাজারে প্রবেশাধিকার নিয়ে মতভেদের কারণে ২০১৩ সালে তা স্থগিত হয়ে যায়। তবে কোভিড-পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের কারণে ২০২২ সালে সেই আলোচনায় পুনরায় গতি আসে, যা ২০২৬-এ পূর্ণতা পেল।
একটি সমাজে যখন নির্যাতন, জাত, ধর্ম, বর্ণের ভিত্তিতে হিংসা ও নির্যাতন গর্জে ওঠে এবং বিচারব্যবস্থা প্রায় অচল, তখন ন্যায়, সমানাধিকার, মানবাধিকার প্রহসন হয়ে দাঁড়ায়। এই ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর রিপোর্টই বলছে যে, পুলিশ ৭৭.৬% ক্ষেত্রে চার্জশিট দিলেও, আদালত হয়ে উঠেছে ন্যায়বিচারের কবরস্থান—অধিকাংশ মামলাই বিচারে পৌঁছয় না।
ফৈয়াজ রোজকার মতো আজকেও এসে বসেছিল পদ্মার পাড়ে। পদ্মার ভয়ঙ্কর রূপ প্রত্যক্ষ করছিল! গত কয়েকদিনের তুলনায় পদ্মার জল অনেকটাই বেড়েছে। একেবারে পাড় ছুঁয়ে ফণা তোলা হিংস্র সাপের মতো স্রোত বয়ে যাচ্ছে।
১৯৪৬ সালে নভেম্বর থেকে গান্ধী দাঙ্গা-বিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন। তিনি সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে ওই এলাকা ও বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শন করেন। তিনি আশ্রমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মিটিং সেরে সোদপুর স্টেশন থেকে রওনা দেন নোয়াখালির দাঙ্গা-বিধ্বস্ত এলাকায়। হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ দূর করার চেষ্টা করেন। আজ সেই আশ্রম জরাজীর্ণ। সেই প্রসঙ্গেই এই প্রবন্ধ আরও বেশ কিছু কথা সামনে নিয়ে এসেছে।
স্পষ্ট বুঝতে পারছি সবটাই সেটিং, বিজেপি আর তৃণমূলের। কিন্তু দেড় কোটি মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে চলেছে, বাংলা বলার অপরাধে মৃতের সংখ্যা শতাধিক হয়ে গেল, এস আই আর এর ফলশ্রুতিতে আতঙ্কিত ভোটার ও অবসাদগ্রস্ত বি এল ওদের মিলিত মৃত্যুর সংখ্যা পৌনে একশো হতে চলল, সেটিং তত্ত্ব তো মানলাম। তাহলে আপনারা কি করবেন এবার? কি করছেন? এইখানে এসেই পথ হারিয়ে কিছু বুঝে উঠতে না পেরে একটু তত্ত্বটাকে বুঝতে চাইছেন অনেকেই।
কংগ্রেস চুপ। তৃণমূলের শক্তিক্ষয় তারা চায়। তাহলে তারা ভাবছে তাদের সোনার দিন ফিরবে। বামেদের একাংশও তাই ভাবে। তথাপি এখন তারা কথা বলতে শুরু করেছে কিছুটা হলেও। ওদিকে তৃণমূল কিন্তু সবটা আসলেই বুঝে বা ভেবে উঠতে পারছে বলে মনে হয় না। আদালতে মামলা অনন্তকাল চলতে পারে। তখন কী হবে? সব হয়ে যাওয়ার পরে এই প্রক্রিয়াকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেও খুব কিছু লাভ হবে? ভারতের প্রজাতন্ত্র, তাঁর সংবিধানের তো তখন হাড় কঙ্কাল পড়ে থাকবে।
সন্ধের ঝিরঝিরে হাওয়ার আমেজটা গরম রুটির মতো মনোরম। ছাল উঠে যাওয়া নেড়িটা তখনও লকলকে জিভ বের করে লেজ নাড়ছে, তার শরীরে শতবর্ষের জীর্ণতার ছাপ। জিভ দিয়ে ঝরে পড়া লালায় মাখামাখি হচ্ছে রাস্তার ধুলো। চায়ের দোকানের কেটলি-মুখ থেকে থেকে এখনও উগরে চলেছে ধোঁয়া।
শ্রী অর্থে লক্ষ্মী। বলা হয় ঋগ্বেদে লক্ষ্মীর প্রয়োগ একবার মাত্র আছে। অর্থবেদে সৌভাগ্য বা মন্দ রমণীকে লক্ষ্মী বলা হয়েছে। শ্রীপঞ্চমী তিথিতে প্রাচীনকালে লক্ষ্মীর পুজো হতো। তাই এর আরেক নাম লক্ষ্মী পঞ্চমী। আজ সরস্বতী পুজো, আজ পঞ্চমী। আজকের লেখাটা তাই প্রাসঙ্গিকও বটে।
আজ সূর্যগ্রহণ। শতাব্দীর বিরলতম দৃশ্য। মহাজাগতিক এই দৃশ্যের সাক্ষী হতে জ্যোর্তিবিজ্ঞানী মহলে সোরগোল পড়ে গেছে। চারিদিকে সাজো সাজো রব। অনেক অজানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এই গ্রহণের সময়কালে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিজ্ঞানীরা ভিড় করেছে উত্তর ভারতে কারণ উত্তর ভারত থেকে দেখা যাবে এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।
প্রথম খসড়া তালিকায় সুবিধা করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন এক নতুন অস্ত্র বের করেছে যার নাম logical discrepancies ( যৌক্তিক অসঙ্গতি)।এই অস্ত্রকে নতুন বলার কারণ বিহার এসআইআরে এই বিষয়টি ছিল না।আসুন দেখে নেওয়া যাক এই অসঙ্গতি বলতে কি বোঝানো হয়েছে।
প্রথম খসড়া তালিকায় সুবিধা করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন এক নতুন অস্ত্র বের করেছে যার নাম logical discrepancies ( যৌক্তিক অসঙ্গতি)।এই অস্ত্রকে নতুন বলার কারণ বিহার এসআইআরে এই বিষয়টি ছিল না।আসুন দেখে নেওয়া যাক এই অসঙ্গতি বলতে কি বোঝানো হয়েছে।
আজ সূর্যগ্রহণ। শতাব্দীর বিরলতম দৃশ্য। মহাজাগতিক এই দৃশ্যের সাক্ষী হতে জ্যোর্তিবিজ্ঞানী মহলে সোরগোল পড়ে গেছে। চারিদিকে সাজো সাজো রব। অনেক অজানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এই গ্রহণের সময়কালে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিজ্ঞানীরা ভিড় করেছে উত্তর ভারতে কারণ উত্তর ভারত থেকে দেখা যাবে এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।
ইউনিয়ন সরকারের অপরাধের তদন্ত বা অপরাধের প্রতিকারের ক্ষমতা জনতা ছাড়া আর কারও নেই, হয় জনতা নির্বাচনের মাধ্যমে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করবে, নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে পুরনো অপরাধের তদন্ত করবে বা নির্বাচন ব্যবস্থাও যদি শাসক দল কুক্ষিগত করে ফেলে, তখন গণ-অভ্যুত্থান ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।
হরেন মণ্ডল ভিড়ের মধ্যেই দাঁড়িয়ে। তিনবার এসেছেন, আজ চতুর্থবার। প্রতিবারই কিছু না কিছু কাগজ “অসম্পূর্ণ” বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোন কাগজ? কে বলবে? নোটিশে লেখা থাকে –“প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ উপস্থিত হবেন।” প্রয়োজনীয় বলতে ঠিক কোনটা, সেটা যেন এক রহস্য। প্রযুক্তির সাহায্যে হরেন মণ্ডলদের বাদ দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের এই চক্রান্ত কীভাবে থামবে? কারা এই নিয়ে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন করবে? সুপ্রীম কোর্ট কতদিন দেখেও না দেখার ভান করবে?
মোদ্দা কথা হল, UAPA আইনে এই মামলা দাঁড় করাতে হলে ব্যাপক সহিংসতার প্রমাণ দিতে হয় এবং তার সাথে অভিযুক্তদের সংযোগ প্রমাণ করতে হলে ব্যাপক ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব উপস্থাপিত করতে হয়।বর্তমান মামলায় সেটাই করা হচ্ছে সরকার পক্ষ থেকে বা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। প্রসিকিউশনের যা ফাঁকফোকর তা বোজানো হচ্ছে,’বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ এর তত্ত্ব দিয়ে।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেখবার বিষয় হবে এটাই যে তাদের আসন সংখ্যা বাড়ল নাকি কমল। বামপন্থীরা সেই সাউডলাইনের ধারেই পাকাপাকি আসন নিয়েছেন এটাই ভবিতব্য। যদিও বামবৃত্তের বহু নেতাকর্মীর আশা আকাঙ্ক্ষা অন্য রকম। বামপন্থী নেতাদের একটি অতি পুরাতন হঠকারী পদ্ধতি হল কর্মীদের কাছে বাড়িয়ে চাড়িয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা। তাঁরা মনে করেন এতে করে কর্মীদের মনোবল বাড়ে।