পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

অন্যান্য পোস্ট

অভিনন্দন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তাবড় পোল-পণ্ডিতদের মিথ্যে প্রমাণিত করে বিপুল সংখ্যাধিক্য নিয়ে ক্ষমতায় এল তৃণমূল কংগ্রেস। শেষ খবর অনুযায়ী তৃণমূলের ঝুলিতে ২১৪টি আসন। ফলে গেল প্রশান্ত কিশোরের ভবিষ্যৎবাণী। বিজেপি পার করতে পারল না দুই অঙ্ক। তাদের আসন সংখ্যা ৭৬। তৃতীয় বারের জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনাকে অভিনন্দন মমতা। কভার ছবি ঃ টেলিগ্রাফ পত্রিকার সামনের পাতার ছবি।

পক্ষীরাজ

মিলিয়ে যায় রাতে পরম শান্তিতে ঘুম আসে মহাদেবের । শেষ রাতের স্বপ্নমাখা চোখে দেখে - দূরে - আরো দূরে - বহুদূরে তার পক্ষীরাজ ঘোড়া , গিলে করা ধুতি পাঞ্জাবী উড়িয়ে ছুটে চলেছে । ঘড়ি , আংটি , হার , বোতামের ঝিলিক ঝাপসা হ'তে হ'তে হ'তে - একসময় ।

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে

শুধু লকডাউন নয়, করোনাও এসে অনেকগুলো জিনিস আঙুল তুলে দেখিয়ে দিচ্ছে। আমাদের দেশে এবং রাজ্যে স্বাস্থ্যব্যবস্থার অবস্থা আর কত সহজে একটা আতঙ্কের চাষ করা যায়, সেসব তো বটেই, সে নিয়ে ক্রমাগত বলে যাচ্ছি। কিন্তু এসব বাদেও কতকগুলো জিনিস চোখে পড়ছে। রোগটা শহুরে বা আর্বান। যে জায়গাগুলোতে গতবছরে এবং এবছরেও রোগের বিস্তার ঘটেছে, তীব্রতা, সবই শহরকে ঘিরে। যে রাজ্যে যত বেশি নগরায়ণ ঘটেছে, সেখানে তার প্রকোপ, মোট আক্রান্তের সংখ্যা আক্রান্তের হার এবং মৃত্যুহার সবদিক থেকেই, বেশি।

অপঘাত

আমি চুপ করে আছি। ওরা বললো আমাদের এখন একমাত্র শত্রু ওই যে স্বজাতি হয়ে, সমবয়সী হয়ে, সব সত্য জানার পরেও আমাদের এই জায়গা করে দিয়েছে সেই এখন একমাত্র পিপাসা আমাদের। বললাম সামনে কি দেখেছো শুধু তোমার না গোটা মুসলমান সমাজেরই না গোটা বাঙালির শত্রু এবং চরম শত্রু সে তোমাদের দিকেই তেড়ে আসছে। এখন এই মুহুর্তে একটি তিতুমীর যদি হতে। সম্ভব না, বাঙালির শত্রু ভেবে নবাব সিরাজকে মারতে যে পথ নিয়েছিলো বাঙালি তার নিয়তি আমরা এ প্রজন্ম ভোগ করিনি তাই এহেন এক মুসলমান গ্রামে নিদ্রার চেয়ে নামাজ শ্রেয় এমন ধ্বনির উচ্চারণ করতেই আপন ধ্বংসের বীজ বপনের মহড়া আজ দেখলাম।

নিয়মিত কলাম

পরিবেশ-প্রতিবেশ ধ্বংস ও দোসর-পুঁজি

পুঁজিপতিরা প্রাণীজগতের সাধারণ সম্পত্তি, জল-জঙ্গল-জমি-বাতাসকে নিজেদের মালিকানার আওতায় এনে, সেগুলিকে ফোকটে-পাওয়া-পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে মুনাফা করতে চাইছে। এই কাজে সে দেশে দেশে পুঁজি-বান্ধব সরকার গঠনে পুরোদমে নেমে পড়েছে। রাষ্ট্র হয়ে উঠেছে পুঁজির দোসর, চলছে দোসর-পুঁজি আর রাষ্ট্রের যুগলবন্দী!

ব্রহ্মতেজ ও বাণী

অ্যান্টিন্যাশনালরা বলছে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে সরকার কিছুই করছে না। একদম বাজে কথা। আসলে সরকার দারুণ লড়ছে। দেখল হুতোম প্যাঁচা

আখ্যান

মুখোশ

একটা ছেলে ডান হাত দিয়ে লম্বা শিক ধরে আছে। সে ধরার জায়গাটা কাপড় দিয়ে মুড়ে রেখেছে। বোঝাই যাচ্ছে শিকটা গরম। সে গরম দিয়ে দিয়ে চোখ তৈরি করছিল- অদ্ভূত মুখোশের। সেই ছৌয়ের মুখোশটা বীভৎস একটা মুখ। বীভৎস আর অদ্ভূত। মুখোশেটায় চোখের জায়গাটা আঁকার পর একটা গর্ত করতে হয় আর ছ্যাঁতততত ছ্যাঁতততত আওয়াজ করে চোখ তৈরি করা চলতে থাকে।

দোসর পুঁজির কারসাজি: বিমানবন্দর বেসরকারিকরণ পর্ব ৪

করোনাকালে যখন দেশের প্রবৃদ্ধি তলানিতে কখন গত এক-দেড় বছরে আদানির ব্যক্তিগত সম্পত্তির প্রবৃদ্ধির হার ২৩০% ছাড়িয়েছে। ভারতীয় জনতা বিজেপির উত্থানের সঙ্গে এই অখ্যাত ও অবজ্ঞাত ব্যক্তিটির নাটকীয় উত্থান, দোসর পুঁজির হাত ধরে গত শতকের ইউরোপের নানা রক্ত-লাঞ্ছিত কাহিনির কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয়।

সতি-বাম, পাতি-বাম, অতি-বাম...বিধি বাম।

নো ভোট টু বিজেপি শুনলেই চিড়বিড়িয়ে উঠে অতিবাম-অতিবাম, চালচোর, চটিচাটা, কাটমানিখোর, তোলাবাজ বলে, ব্যক্তিচরিত্র নির্বিশেষে গাল পাড়ছে কেন? তাহলে কি সিপিএম বিজেপিকে হারানোর চাইতে, অনেক বেশি তৃণমূলের হার চাইছে? বিজেপি জিতলে জিতুক, কিন্তু হে মার্ক্সঠাকুর, মমতার দল যেন হারে। সব মিলিয়ে দাঁড়াচ্ছে, বিজেপিকে ভোট দিতে বারণ করা, আর সংযুক্ত মোর্চার বিরোধিতা করা সমার্থক। সংযুক্ত মোর্চার সাথীরা, সময়ের অভিশাপের জন্য প্রস্তুত থাকুন। আপনাদের জেতা হারায় কিছু এসে যায় না। বিজেপি জিতলে তার সহযোগী হিসেবে ধিক্কৃত হবেন, হারলেও। জিতলেও হারবেন, হারলেও হারবেন।

ভারতে বর্ণবাদের উদ্ভব : ইতিহাসের সাক্ষ্য

ভারতের সংবিধানের অন্যতম রূপকার বাবাসাহেব আম্বেদকার চেয়েছিলেন জাতিভেদ প্রথার সম্পূর্ণ উচ্ছেদ। আজ তাঁর জন্মদিন। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে রইলো এই লেখাটি।

নদীর নাম যমুনা

রঙ ময়লা হলেও চোখের চাহনি বড় মায়ায় ভরা। দেখে নিবারণ। মেয়েটাও অবাক হয়ে দেখে নিবারণকে। ওপারের চশমার কারখানায় কাজ করে। কারখানা বন্ধ হলে বেলাবেলি বাড়ি ফেরে।তবে এই ঘাটে পেরোয় না।

‘ডাবল ইঞ্জিন’ আর 'সুনার বাংলা' আসলে দু’দিক দিয়ে চাপ দিয়ে জনগণের নাভিশ্বাস ওঠানোর প্রকল্প

কেবল জাতীয় আয় বাড়লেই তো ‘সুনার বাঙ্গালা’ গড়া হয়ে যাবে না। সুশাসনের অন্যন্য সূচকগুলির কয়েকটিকে একটু খতিয়ে দেখা যাক। ২০১৫-১৬ সালের ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (এনএফএইচএস ৪), এখন অবধি প্রকাশিত শেষ পূর্ণাঙ্গ জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষা অনুসারে এনডিএ শাসিত বিহারে ৫৯ শতাংশ বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌছেছিল (পশ্চিমবঙ্গে ৯৪ শতাংশ, কেরালায় ৯৯ শতাংশ)। যথাযোগ্য পানীয় জল ছিল এনডিএ শাসিত ঝাড়খন্ডে ৭৮ শতাংশ, মধ্যপ্রদেশে ৮৫ শতাংশ, গুজরাটে ৯১ শতাংশ বাড়িতে (পশ্চিমবঙ্গে ৯৫ শতাংশ, কেরালা ৯৯ শতাংশ)।