পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh
ব্যঙ্গচিত্র

পুরানো লেখাগুলি

মহা পরীক্ষার মাঠে

পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। মহা পরীক্ষা। অনন্তযাত্রার পরীক্ষা, যে পরীক্ষায় পাশ করলে অনন্তসুখ, যে পরীক্ষায় ফেল করলে অনন্ত কষ্ট। পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সবাই পেয়েছে একটা জীবন। জন্ম হয়েছে যার মৃত্যু হবে তার।

নিমা‌ই পণ্ডিতের রচিত পাণ্ডুলিপি, প্রেম ও ভক্তির প্রসারে বড় ভূমিকা রেখেছিল

গৌড়বঙ্গে চৈতন্য মহাপ্রভু ৫৪০ বছর আগে শ্রীধাম নবদ্বীপের এক পণ্ডিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শচীমাতার নিমাই সবার প্রিয় গোরা। জগন্নাথ মিশ্র তাঁর পুত্র নিমাইকে বিদ্যার্জনের জন্য নগরের এক প্রসিদ্ধ টোলে ভর্তি করে দেন।

বাঙালিকে হাইকোর্ট দেখানো গেলেও, মাছের টোপ দিয়ে গেলা যাবে না

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে যে কয়েকটি বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হতে হবে মধ্যে সবচেয়ে বড়টি হলো, দলটি বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে অপরিচিত। শারদ্বত মুখার্জী, স্বপন দাশগুপ্ত, শমিক ভট্টাচার্য কিংবা শুভেন্দু অধিকারী এই ধারণাটির বিপরীতে অন্য ধারণা প্রচার করার জন্য এবিপি আনন্দ এবং অন্যান্য গোদী মিডিয়ার সহায়তায় তাই আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, কিন্তু তাতেও কি তাঁরা সফল হবেন? বাঙালিকে কি মাছের টোপ দিয়ে গেলা সম্ভব?

ট্রাম্প-দোদুল পকেটে আগুন

এখন তেলের দাম বাড়া মানে সবকিছুর দাম বাড়া। যেমন ধরো, কলকাতায় চায়ের দোকানে চায়ের কাপের দাম হঠাৎ ১০ টাকা বেড়ে গেল। কারণ, চা বানাতে গ্যাস লাগে, গ্যাসের দাম বেড়েছে। গ্যাসের দাম বেড়েছে কারণ তেলের দাম বেড়েছে। তেলের দাম বেড়েছে কারণ হরমুজ প্রণালীতে ঝামেলা। আর হরমুজ প্রণালীতে ঝামেলা করেছে ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকা। কিন্তু শেষমেশ দোষটা কার? চা বিক্রেতার? না। ওঁদের হম্বিতম্বির দাম আমাদেরই দিতে হবে।

নিঃশেষিত জলের ভান্ডার, বিপন্ন পৃথিবী

রাষ্ট্রপুঞ্জ এক বিশেষ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, যার শিরোনাম— 'Global Water Bankruptcy'। এর আক্ষরিক তর্জমা করলে দাঁড়ায়— 'বিশ্বব্যাপী জলের দেউলিয়াপনা'। এই রিপোর্ট এক কঠিন বাস্তবের সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। পৃথিবী আজ এমন এক প্রান্তে পৌঁছে গেছে, যেখান থেকে ফেরার পথ প্রায় বন্ধ। জলের এই নিঃশেষ হয়ে যাওয়া শুধু পরিবেশের সমস্যা নয়, এটি মানবসভ্যতার টিকে থাকার লড়াই।

পারাপার

শহর থেকে অনেক দূরে এক গ্রাম। সহজপুর। জটিল এ ধরাধামে গ্রামের নাম সহজপুর কে রেখেছিল, এ গ্রামের প্রবীণরাও বলতে পারেন না। তাদের মতে শহরের অলিগলির প্যাঁচ, মানুষের জীবনের দৌড়ঝাঁপ এ গ্রামের মানুষকে গ্রাস করতে পারেনি এখনও।

পাখিরাই একমাত্র বিশ্বনাগরিক এই পৃথিবীতে

পাখিরাই একমাত্র প্রকৃত বিশ্বনাগরিক এই পৃথিবীতে - সমাজ সংস্কার আর সংসারে আবদ্ধ মানুষ কিভাবে নিজেকে স্বাধীন বলে কে জানে!!!

এসআইআর: আগে ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়া, তারপরে নাগরিকত্ব হরণ নাৎসি জমানার পুনরাভিনয়

এত দিনে প্রবল হয়রানির সম্মুখীন হয়ে সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের বর্তমান প্রকল্পিত এসআইআর মোটেই তালিকা সংশোধন নয়, এটি আসলে অপছন্দের ভোটারদের ভোটদানের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুপরিকল্পিত প্রকল্প। প্রাথমিকভাবে, এর উদ্দেশ্য, সারা দেশে, বিশেষ করে বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলোতে, বিজেপির একছত্র আধিপত্য বিস্তার করা। পরবর্তীকালে, ভোটাধিকার কাড়ার সূত্র ধরে বেছে বেছে নাগরিকত্ব বাতিলের ষড়যন্ত্র।

আরও পুরানো লেখাগুলি

‘ভাইরাল তরুণী’ জ্বলন্ত সিগারেট ও ইরান

ইরান দেশটির সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক চুক্তির বাধ্যবাধকতা, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সনদ সহ যাবতীয় আলোচনার ক্ষেত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যে হামলা চালিয়েছে তাতে মানবতার দরজায় যে খিল তুলে দেওয়া হয়েছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তা ছাড়াও আরো কিছু কথা বলতে হয়। পরিকল্পিত নিশানায় অভ্রান্ত ঘটনাস্থল তবে কি এটাই জানান দিল যে, মেয়েদের পড়াশোনা বারণ!

পানের পিচে ভোট

কারমেন প্রথাগতভাবে বোনা কাপড়টা বেশ সুন্দর করে পরেছিল। সকালের আলো ফুটতে এখনও কিছু দেরি। ভোর হবে বুঝতে পেরে মোরগটা ডাক পাড়ছিল। কারমেন এর মধ্যেই ঘুম থেকে উঠে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন কাজে।

আখ্যান

পানের পিচে ভোট

কারমেন প্রথাগতভাবে বোনা কাপড়টা বেশ সুন্দর করে পরেছিল। সকালের আলো ফুটতে এখনও কিছু দেরি। ভোর হবে বুঝতে পেরে মোরগটা ডাক পাড়ছিল। কারমেন এর মধ্যেই ঘুম থেকে উঠে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দৈনন্দিন কাজে।

‘ভাইরাল তরুণী’ জ্বলন্ত সিগারেট ও ইরান

ইরান দেশটির সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক চুক্তির বাধ্যবাধকতা, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সনদ সহ যাবতীয় আলোচনার ক্ষেত্রকে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যে হামলা চালিয়েছে তাতে মানবতার দরজায় যে খিল তুলে দেওয়া হয়েছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তা ছাড়াও আরো কিছু কথা বলতে হয়। পরিকল্পিত নিশানায় অভ্রান্ত ঘটনাস্থল তবে কি এটাই জানান দিল যে, মেয়েদের পড়াশোনা বারণ!

জেএনইউ: বাম রাজনীতি বনাম হিন্দুত্বের রাজনীতি

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ভারতীয় জনতা পার্টি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর ভারতীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতিভিত্তিক বৈষম্য এবং তার সঙ্গে যুক্ত ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সংসদে শিক্ষা মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে অন্তত ১২২ জন তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST) ও অনগ্রসর শ্রেণির (OBC) ছাত্র আত্মহত্যা করেছেন। ক্যাম্পাসের ভেতরে জাতিভিত্তিক বৈষম্য, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা এই মৃত্যুগুলির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

মরার আগে মরছি না ভাই

অমিত শাহ বলে গেছিলেন কিছুদিন আগে, যে এখানে মমতাই বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ করতে দিয়েছে। তার পদসেবক নীতিন নবীন, ইসলামপুরে বলেছিল, 'ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট'। সোজা বাংলায় 'বের করো খুঁজে, মুছে দাও নাম, তারপরে সীমান্ত পারে ছুঁড়ে দাও'। পানিহাটির সুরজিৎ বাংলাদেশী বা রোহিঙ্গা কোনোটাই নন। তাহলে তাঁর অপরাধ?

অর্ধেক ফাগুন

শীতের কমলা রঙা রোদে ধান মেলতে মেলতে আদিনাবানু ভাবছিল মুকার কথা। শীত এখন শেষের দিকে। রোদের তাপ বাড়ছে ক্রমশ। এখন বেলা হলে রোদ আর নিতে পারে না গায়ে আদিনাবানু।তার ছোট্ট বাড়িটার এক চিলতে মাটির দাওয়ায় বসে ধান আগলায়।ঝাঁকে ঝাঁকে পায়রারা এসে বসে ধান খেতে লাগে।

বিলম্বিত বোধোদয় : সচেতন বিলম্ব

মহামান্য বিচার বিভাগ এবার একটু আয়নার সামনে দাঁড়ান। প্রথমতঃ ২০১৭ সালে ইলেক্টোরাল বন্ড সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হলেও, তার শুনানি হয়নি। বলা হলো আপাতত এটা চলুক। ২০১৯ সালে ওই ইলেক্টোরাল বন্ডেই নির্বাচন হয়ে গেল। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠিত হলো। আর আজ ২০২৪ এ এসে বলা হচ্ছে ইলেক্টোরাল বন্ড সম্পূর্ণ অসাংবিধানিক। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, ইলেক্টোরাল বন্ড অবৈধ হলে সরকারটি কি করে বৈধ হয়?