পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

অন্যান্য পোস্ট

বিপন্নতার সুযোগ

কোভিড অতিমারির প্রথমদিকে আমাদের মত জ্ঞানী শিক্ষক বা হিসাবরক্ষকরা কোরোনাভাইরাস নিয়ে তেমন কোন আলোচনা করছিলাম না। যদিও চিন হয়ে তা ইতালি, ফ্রান্স জার্মানি, স্পেনের মত পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলিতে বা আমেরিকায় তা পৌঁছে গিয়েছিল, অনেকানেক রুগি মারাও যাচ্ছিল, তবুও আমাদের মত বিদ্বজ্জনেরা তাকে পাত্তাই দিই নি কারণ ভগবান মোদিজি তখনও নিদ্রা যাচ্ছিলেন।

কৃষি বাণিজ্যের খোলনলচে বদল

এখন খুলে গেল বাজার – ক্ষমতা থাকলে দ্বিগুণ কেন যা খুশি লুটে পুটে খাও। আর হ্যাঁ, কর্পোরেট বিনিয়োগ করবেন নিশ্চয় – সেই সঙ্গে কী চাষ করবেন, কী বীজ লাগাবেন কৃষকের আর সেই সিদ্ধান্তের অধিকার থাকবে না। আরা যা বিনিয়োগ করবেন তা আপনার আমার মত উপভোক্তাদের পকেট থেকে উশুল করে নেবেন। খাবারের দাম বাড়তে থাকলে অবাক হবেন না।

লকডাউনের প্ল্যাটফর্মগুলি

মহাভারতের যুদ্ধ কবে শেষ হবে কে জানে? সেই কোন ছোটবেলা শোনা গল্পের সেই শ্রীকৃষ্ণ। রাজসভায় দুর্যোধনের ভাই দুঃশাসন ল্যাংটা করার জন্য দ্রৌপদীর শাড়ি টেনেই যাচ্ছে তো টেনেই যাচ্ছে। পাঞ্চালীর মা মেয়ের কথা শুনেই বুঝে গেল তার পাঞ্চালী কোনও শ্রীকৃষ্ণের জন্যই আর আশা করে থাকবে না। ফাঁকা প্ল্যাটফর্মের যে কোনও জায়গায় দাঁড়িয়ে পারু চাওয়া মাত্র নিজের পাতলা ছেঁড়া ফ্রকটা নিজেই খুলে রেললাইনে উড়িয়ে দেবে।

ফেসবুকের জন্য কি চিরতরে বন্ধ হলো হাচালু হান্দেসার গান ?

ভারতেও আজকে যে কথা উঠেছে যে তারা তাদের ব্যবসার জন্য শাসকদলের কিছু নেতা মন্ত্রীর করা ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক পোস্টকে সরায়নি তা আবারও দেখিয়ে দেয় যে তৃতীয় বিশ্বের দেশে তাদের কোনও নিয়ম নেই। আমেরিকাতে তারা যেমন কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে প্রভাবিত করে, অন্যান্য পিছিয়ে পড়া দেশে তারা তাদের ব্যবসার জন্য গৃহযুদ্ধ কিংবা গণহত্যার মতো ঘটনাও ঘটাতে পারে ফেসবুক

নিয়মিত কলাম

দানা পানি শয়তানী

ময়ূর একটাই, প্রধান মন্ত্রী , বাসার পাঁচ কোণে,পাঁচবার পাঁচ রকম পোষাকে, পাঁচ রকম ভঙ্গিমায় ময়ূর কে দানা খাওয়াচ্ছেন। আমাদের প্রধান মন্ত্রী দেশের সাতে, পাঁচে থাকেন না। কিন্তু যারা দানা না পেয়ে মারা যাচ্ছেন তাঁরা নিশ্চই প্রধানমন্ত্রীর এই অবসর যাপনের বিলাসিতা দেখে আনন্দে আটখানা না হোক পাঁচ খানা তো হচ্ছেন। এই নিয়ে হুতোমের নকশা।

জ্যাটা ছেলে আর কান কাটা গবর্নমেন্ট

কয়েক হাজার লোককে অ্যারেস্ট করেছে কদিনের ভেতর জানেন?’ তাতে সম্পাদকের ভাবনার কারণ বোজা হল না। সরকারী প্যায়দা ভগবানের মতন, যা করে মঙ্গলের জন্যে। সম্পাদকেরা সকলেই তো এদানি তেম্নি বলচেন। কয়েক হাজারকে তবু ওয়ারেন্ট দিয়ে এরেস্ট করা হয়েচে, যোগীর রাজ্যে তো নূতন কানুন হচ্চে সেসবও লাগবে না। সবই রামের ইচ্ছে। হুতোম প্যাঁচার নকশা।

আখ্যান

চিলির নাইন ইলেভেন

আজকের ভারতের সময়ের সঙ্গে চিলির কি অদ্ভুত মিল। সেইসময়েও পিনোশে ক্ষমতায় থাকাকালীন সরকারী খনিগুলিকে বেসরকারী করা করা, সামাজিক সুরক্ষা ভেঙে দেওয়া হয়, আর ভূমি সংস্কার উল্টে দিয়ে গরিব কৃষকদের জমি কেড়ে আমেরিকার বহুজাতিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই অর্থনৈতিক ত্রাসের সাথে সাথে চলেছিল রাজনৈতিক নিধন যজ্ঞ - যার পোশাকি নাম ‘অপারেশন কন্ডর’।

সংবাদমাধ্যমের বিচার : একজন ভুক্তভোগীর বয়ান।

রিয়া চক্রবর্তী আর পাঁচজন শহুরে মহিলার মতই একজন, যিনি নিজের ইচ্ছামত বাঁচার এবং ভালবাসার অধিকারের সদ্বব্যবহার করছিলেন। দোষের মধ্যে সেই পছন্দটা পিতৃতান্ত্রিক প্রথায় বেমানান। তবু সি বি আই, ই ডি আর এন সি বি রিয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে, এখনো তাঁর বিরুদ্ধে কণামাত্র প্রমাণ যোগাড় করতে না পারলেও তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। সংবাদমাধ্যমে রিয়ার বিচার (আমার বিচারটাও) আসলে আমাদের সমাজে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর বিচার।

ডাঃ পার্থসারথি রায়ের প্রতি সংহতি জানিয়ে বিবৃতি

বিরোধী কন্ঠস্বর এবং প্রতিবাদকে স্তব্ধ করার জন্য বর্তমানের ফ্যাসিস্ট শাসন ডাইনি খুঁজে চলেছে। ডাঃ পার্থ সারথি রায়ের হয়রানি তেমনই আরও একটা অশুভ প্রচেষ্টা।

পাবজি নিষিদ্ধ করার কারণ কি ?

এই মুহূর্তে এই প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানিগুলো চায় যে প্রতিটি মানুষ যাতে স্মার্টফোনে ব্যস্ত থাকে, তাঁদের যাতে দেশের বেকারত্ব, জিডিপি বা চাকরি যাওয়া এই সমস্ত বিষয়ের দিকে নজর না যায়। বিভিন্ন বয়সী মানুষের জন্য বিভিন্ন বিনোদন। কম বয়সী মানুষদের জন্য জাতীয়তাবাদী বিনোদন, তার পরের অংশের মানুষের জন্য জুয়া খেলা... আর সববয়সী মানুষকে ফেসবুক এবং হোয়াটসআপের মধ্যে দিয়ে মিথ্যে তথ্য পরিবেশন তো থাকছেই।

ছোট গল্প

ফুচিক আলাদুমবার যাবে বলে বেরিয়েছিল। বাস কন্ডাকটর বলল, “কোথায় যাবেন?” ... সময় নেই ঘন্টা নেই আইন নেই মজুরি নেই... আজকের সময় নিয়ে ৩টি ছোট গল্প লিখলেন উপল মুখোপাধ্যায়

‘তুমি মাটির পৃথিবীতে হারিয়ে যাচ্ছ’

আধুনিক সময়ে শিল্প তৈরী হয়। সৃষ্টি হয় কতটুকু? প্রকৃত শিল্পসৃষ্টি কোনকিছুর মাপে হয় না। তার এক মাত্র বৈশিষ্ট্য আনন্দ, নিজেকে প্রকাশ করা। কারো মাপে নয়, কারো হিসেবে নয়, কারো বায়নায় নয়, কারো ইচ্ছায় নয়।