এ দেশে দু ধরণের আইন আছে- একটা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জন্য আর একটা রাজনৈতিক এক্টিভিস্টদের জন্য। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে চিকিৎসার কারণে ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত আশারামের সাজা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে গুজরাট হাইকোর্ট। ২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় আশারামকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছে।
প্রথম খসড়া তালিকায় সুবিধা করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন এক নতুন অস্ত্র বের করেছে যার নাম logical discrepancies ( যৌক্তিক অসঙ্গতি)।এই অস্ত্রকে নতুন বলার কারণ বিহার এসআইআরে এই বিষয়টি ছিল না।আসুন দেখে নেওয়া যাক এই অসঙ্গতি বলতে কি বোঝানো হয়েছে।
আজ সূর্যগ্রহণ। শতাব্দীর বিরলতম দৃশ্য। মহাজাগতিক এই দৃশ্যের সাক্ষী হতে জ্যোর্তিবিজ্ঞানী মহলে সোরগোল পড়ে গেছে। চারিদিকে সাজো সাজো রব। অনেক অজানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এই গ্রহণের সময়কালে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বিজ্ঞানীরা ভিড় করেছে উত্তর ভারতে কারণ উত্তর ভারত থেকে দেখা যাবে এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।
ইউনিয়ন সরকারের অপরাধের তদন্ত বা অপরাধের প্রতিকারের ক্ষমতা জনতা ছাড়া আর কারও নেই, হয় জনতা নির্বাচনের মাধ্যমে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করবে, নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে পুরনো অপরাধের তদন্ত করবে বা নির্বাচন ব্যবস্থাও যদি শাসক দল কুক্ষিগত করে ফেলে, তখন গণ-অভ্যুত্থান ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।
হরেন মণ্ডল ভিড়ের মধ্যেই দাঁড়িয়ে। তিনবার এসেছেন, আজ চতুর্থবার। প্রতিবারই কিছু না কিছু কাগজ “অসম্পূর্ণ” বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোন কাগজ? কে বলবে? নোটিশে লেখা থাকে –“প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ উপস্থিত হবেন।” প্রয়োজনীয় বলতে ঠিক কোনটা, সেটা যেন এক রহস্য। প্রযুক্তির সাহায্যে হরেন মণ্ডলদের বাদ দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের এই চক্রান্ত কীভাবে থামবে? কারা এই নিয়ে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন করবে? সুপ্রীম কোর্ট কতদিন দেখেও না দেখার ভান করবে?
মোদ্দা কথা হল, UAPA আইনে এই মামলা দাঁড় করাতে হলে ব্যাপক সহিংসতার প্রমাণ দিতে হয় এবং তার সাথে অভিযুক্তদের সংযোগ প্রমাণ করতে হলে ব্যাপক ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব উপস্থাপিত করতে হয়।বর্তমান মামলায় সেটাই করা হচ্ছে সরকার পক্ষ থেকে বা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। প্রসিকিউশনের যা ফাঁকফোকর তা বোজানো হচ্ছে,’বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ এর তত্ত্ব দিয়ে।
আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। দেখবার বিষয় হবে এটাই যে তাদের আসন সংখ্যা বাড়ল নাকি কমল। বামপন্থীরা সেই সাউডলাইনের ধারেই পাকাপাকি আসন নিয়েছেন এটাই ভবিতব্য। যদিও বামবৃত্তের বহু নেতাকর্মীর আশা আকাঙ্ক্ষা অন্য রকম। বামপন্থী নেতাদের একটি অতি পুরাতন হঠকারী পদ্ধতি হল কর্মীদের কাছে বাড়িয়ে চাড়িয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা। তাঁরা মনে করেন এতে করে কর্মীদের মনোবল বাড়ে।
বাবা সবসময় বলতেন, ‘তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।’ সে ভাবতো ওটা বাবার স্নেহবর্ষণের নিজস্ব পদ্ধতি।
সার্বজনীন ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার কাজটা মুসোলিনি আর তার পার্টি করেছিল, তার আসল লক্ষ্য ছিল সংসদ দখল করে নেওয়া। এখানেও সে চেষ্টা হচ্ছে এসআইআর করে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আর ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলির ২৮টির মধ্যে অন্তত ১৬টি দখল করলেই বিজেপি ভারতীয় সংবিধানে বিপুল পরিবর্তন আনতে পারে নানা বিষয়ে।
দেশের শীর্ষ আদালতের দুটি সিদ্ধান্তে হঠাৎ করেই আমাদের বিবেক জাগ্রত হয়েছে। তাঁরা আরাবল্লী নিয়ে সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করতে চেয়েছেন এবং যাবজ্জীবন শাস্তিপ্রাপ্ত খুনী ধর্ষক উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন বিধায়কের জামিনের সিদ্ধান্ত রদ করেছেন! আর এদিকে অন্যায় ভাবে বন্দী উমর খালিদ মাত্র পনেরো দিনের প্যারোল শেষ করে আবার কারান্তরালে! সত্যিই কি আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থার ঘুম ভাঙছে? তাঁদের অসুস্থতাটা ঠিক কোথায়? দুই পর্বের আলোচনার এটি প্রথম পর্ব।
দেশের শীর্ষ আদালতের দুটি সিদ্ধান্তে হঠাৎ করেই আমাদের বিবেক জাগ্রত হয়েছে। তাঁরা আরাবল্লী নিয়ে সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করতে চেয়েছেন এবং যাবজ্জীবন শাস্তিপ্রাপ্ত খুনী ধর্ষক উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন বিধায়কের জামিনের সিদ্ধান্ত রদ করেছেন! আর এদিকে অন্যায় ভাবে বন্দী উমর খালিদ মাত্র পনেরো দিনের প্যারোল শেষ করে আবার কারান্তরালে! সত্যিই কি আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থার ঘুম ভাঙছে? তাঁদের অসুস্থতাটা ঠিক কোথায়? দুই পর্বের আলোচনার এটি প্রথম পর্ব।
সার্বজনীন ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার কাজটা মুসোলিনি আর তার পার্টি করেছিল, তার আসল লক্ষ্য ছিল সংসদ দখল করে নেওয়া। এখানেও সে চেষ্টা হচ্ছে এসআইআর করে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আর ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলির ২৮টির মধ্যে অন্তত ১৬টি দখল করলেই বিজেপি ভারতীয় সংবিধানে বিপুল পরিবর্তন আনতে পারে নানা বিষয়ে।
“আমেরিকা আমেরিকানদের জন্য” স্লোগানটি শুনতে বেশ গনতান্ত্রিক হলেও এর অন্তর্নিহিত অর্থ ছিল –“লাতিন আমেরিকা ইউরোপের নয়, কিন্তু স্বাধীনও নয়। বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবাধীন অঞ্চল।” বাস্তবে এই নীতির ফলে –সামরিক হস্তক্ষেপ, লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর স্বাধীন সরকারকে উৎখাত করে কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ সহ সবকিছুর বৈধতা তৈরি হল।
অফিসের জানলা দিয়ে বাইরে চোখ রাখতেই দেখলাম রামধনু সাতরঙের পাখা মেলেছে। ঘড়ি বলছে এক্ষুনি ছুটি হবে। “ ময়ূরাক্ষীদি এক কাপ চা আরেকবার দিই? “ রতনদা বলতেই তৎক্ষণাৎ উত্তর দিলাম,” না গো রতনদা, আজ বন্ধু বিপাশার মেয়ের জন্মদিনের নেমন্তন্ন আছে, যেতে হবে।”
এস আই আর বেশিরভাগ নিরক্ষর ও প্রান্তিক মহিলাদের জন্য দৈনন্দিন জীবনে রুজি রোজগারের ক্ষেত্রেও একটি অতিরিক্ত সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে কারন বছরের এই সময়টা ওই সব মহিলাদের মধ্যে অনেকেই ধান কাটার কাজে বা জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ ভারতের দিকে যান। তাঁরা উভয় সংকটে পড়েছেন। যদি তাঁরা না যান, তবে তাঁদের আয়ের ক্ষতি হবে। কিন্তু ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার ভয়ও তাঁদের মধ্যে রয়েছে।
আজকের ভারতবর্ষের দিকে তাকিয়ে আমরা অবাক হয়ে দেখছি প্রতিদিন যেন এই দেশ আমাদের কাছে অচেনা ঠেকছে। সুবর্ণরেখায় আমরা দেখেছি একটা গণমাধ্যম যে কিনা প্রতিনিয়ত অশ্লীল খবরের সন্ধানে, মনুষ্যত্বের অবমাননার খোঁজে ছুটছে তাদের পকেট ভরাতে। আমরা দেখছি সেখানে কৌশল্যার মতো সহায় সম্বলহীন মানুষকে রাষ্ট্র টেনে হিঁচড়ে নির্বাচনে নিয়ে যাচ্ছে। ‘রাত কত হলো উত্তর মেলে না’, রবীন্দ্রনাথের শিশু তীর্থ ঋত্বিকের ছবিতে উচ্চারিত হয়, আমাদের সময়কে সে যেন মহাকাব্যিক উচ্চারণে বুঝতে চায়।