পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

অন্যান্য পোস্ট

স্বপ্নের ভাঙা গড়া

হঠাৎই ঘুম ভেঙ্গে যায় তোতার পাশে অমিত নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। কি বিরক্তিকর আওয়াজ। দিনে অকারণে চিৎকার করে আর রাতে বিশ্রী নাক ডাকে। প্রেম ভালোবাসা বলতে শুধু বোঝে শরীর। তোতার গা ঘিন ঘিন করে। শহর জুড়ে এখন প্রেমের মরসুম, সেই ভালবাসা, মন্দবাসার গল্প লিখলেন মৌসুমী রায়।

মেঘ-অরণ্যকথা

ডিভোর্স শব্দটাকে অভিধানের ঘেরাটোপ থেকে বার করতে মানুষ বড় ভয় পায়। খাঁচার পাখি উড়তে গিয়ে যদি মাথা ঘুরে পড়ে যায়? আমাদের ঘরবাড়ির বাইরের দেওয়ালের রঙটা ঝকঝকে রাখতেই হয়, তা সে ভিতরে যতই চামচিকে বাসা বাঁধুক না কেন! *মেঘ-অরণ্যকথা* র গল্প লিখলেন অনিন্দিতা দে।

কেন্দ্রে- রাজ্যে এক সরকার হলে কি সরকারী চাকুরেদের লাভ হবে ?

ভারতীয় জনতা পার্টির সরকারি কর্মচারীদের পেনশনের দায় থেকে অব্যাহতি নেওয়ার দরুণ নবনিযুক্ত কর্মচারিদের যে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হবে তা অভাবনীয়। একটু খতিয়ে দেখা যাক। ধরা যাক কোন কর্মী কেন্দ্রিয় সরকারে ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি যোগদান করেছেন গ্রুপ ডি চাকুরিতে। যোগদানের সময় তার মূল বেতন ১৮০০০ টাকা। ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা নেই। অনেকে ভাবছেন কেন্দ্র এবং রাজ্যে একই দলের সরকার হলে ভালো হয়, কিন্তু সত্যিই কি তাই, কেন্দ্রের ডিএ বা পেনশন আইন কি তাই বলে ?

মতুয়া ভোট—২১-এর ডাক

ধরেই নিচ্ছি, মতুয়াদের বেনাগরিক বানিয়ে আবার নাগরিক করা হবে, একটা গেরুয়া নাগরিকত্বের কার্ড দেওয়া হবে। সমস্ত ভারতীয়র টিকাকরণের পর মতুয়ারা ‘নাগরিকত্ব’ পাবেন, এই কথা যদি অতি কষ্টে মেনে নিই তাহলে ক্ষতি কী? দেখে নিই চলুন। ২৬ দিনে ভারতে ৭০ লক্ষ মানুষকে টিকা দিয়েছে সরকার। বিশ্বরেকর্ড। ভাবাই যায় না। অতএব, সহজ অঙ্কে ভারতের ১৩০ কোটি লোককে ভ্যাকসিন দিতে সময় লাগবে ৪৪২০ দিন অর্থাৎ ১২ বছরের কিছু বেশি সময়। ইতিমধ্যে বহু শিশু জন্মাবে, তাদের টিকা দিতে আরও কয়েক বছর লাগবে। অর্থাৎ, মোট সময় লাগবে কমপক্ষে ১৪ বছর।

নিয়মিত কলাম

বিত্তবানের খিদে ও লুইস বুনুয়েলের একটি ফিল্ম

বুনুয়েলের প্রায় সব ছবিতেই তিনি চার্চ আর বুর্জোয়া সমাজব্যবস্থাকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেন। তিনি একাধিকবার বলেছেন এই দুটো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্তর্ঘাত ঘটানোই তার ছবির উদ্দেশ্য। অতএব তার ছবির আখ্যানের মধ্যে দেখা যায় এই অন্তর্ঘাতের কৌশলগুলি। দ্য এক্সটারমিনেটিং এঞ্জেলও ব্যতিক্রম নয়।

হুতোম প্যাঁচার নকশা: কালিদাসী কালচার

ভেবে দেকুন, যে বাঙালী অভিজিৎ বাঁড়ুজ্জের নোবেল প্রাইজ আর ঝিঁঝিঁ বোর্ডের প্রেসিডেন্টের চেয়ারটিকে সমান ভেবে কলকেতা জুড়ে হোর্ডিং ঝুলিয়েচে, তার কাচে অমর্ত্য সেন কল্কে পাবেন কী উপায়? বাঙালীর একন কালীদাসী কালচার। এবারের নকশা লিখলেন হুতোম প্যাঁচা।

আখ্যান

ক্লাস শুরু হওয়াটা খুব দরকার

এই লকডাউনে বছর খানেক স্কুল বন্ধ থাকায় এই ধরণের পড়ুয়ারা পড়াশুনা থেকে অনেক দূরে চলে গেছে। যা শিখেছিল সব ভুলে গেছে। তাছাড়া এবার একটি বড় অংশের আভিভাবক আভিভাবিকা ভেবেছেন পরের ক্লাসে উঠতে যখন হবেই না, পড়ে বা পড়িয়েই লাভ কি? লক ডাউনে স্কুল বন্ধ থাকায় অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর অনেক মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। কিছু ছেলে ইট ভাটায় কাজ করতে শুরু করেছে। কেউ কেউ আত্মীয় স্বজনের সাথে রাজমিস্ত্রির জোগাড়ে হয়ে বাইরের রাজ্যে চলে গেছে। লক ডাউনে এই সব পড়ুয়াদের পড়াশুনার ক্ষতি সব থেকে বেশি হয়েছে। স্কুল শুরু হওয়াটা কি জরুরী নয়?

সাংবাদিকদের উপর পুলিশি আক্রমণ থেকে পুলিশের হাতেই সাংবাদিকতার নিয়ন্ত্রণের পথে মোদী

ইন্দিরা জমানার জরুরী অবস্থা কালে অনেক সাংবাদিককে জেলে পাঠানো হলেও তাঁদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের অভিযোগ প্রবীণরা মনে করতে পারছেন না। বস্তূত মোদি- শাহ- আদানি-আম্বানিদের রাজত্বে দীর্ঘতর অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে। এই মুহূর্তে পরঞ্জয়ের মতো প্রবীণ ও মনপ্রিতের মতো তরুণ সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানো নাগরিক হিসেবে আমাদের কর্তব্য। স্বাধীনচেতা সাংবাদিকরা আজ বিপন্ন। লিখলেন প্রবীণ সাংবাদিক বিশ্বজিৎ রায়।

কী ভেবেছিলেন?

২৬ শে জানুয়ারীর ট্রাক্টর মিছিলের সময়ে লাল কেল্লায় যে পতাকা তোলা হয়েছিল, যা নিয়ে নরেন্দ্র মোদী তাঁর মন কি বাত অনুষ্ঠানে অবধি বলেছেন, তার পিছনে কি ঘটেছিল? কেন তার পরেই কৃষক আন্দোলনকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হল, আসল সত্যিটা কি ? সেটা জানা কি জরুরী নয়? কেন দীপ সিধুকে এখনো গ্রেপ্তার করা হল না? কেন সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ? গুরপ্রীত ভাসির ফেসবুক পোস্টের থেকে নেওয়া এই লেখাটি।

আমি স্বপ্ন ফেরি করি

এই প্রতিভা নিয়ে সে জীবিকা অর্জন করতে পারবে সেটা ফ্রাউ ফ্রিডা কোন দিনও ভাবেনি। কিন্তু ভিয়েনার নিষ্ঠুর ঠান্ডায় জীবন অতিবাহিত করা তার পক্ষে দুঃসহ হয়ে পড়ল। তারপর সে বসবাস করার জন্য প্রথম যে বাড়িটা পছন্দ হল সেখানে কাজের খোঁজ করল। যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হল সে কি কাজ পারে সে নিপাট সত্যটাই বললঃ “আমি স্বপ্ন দেখি”।

রক্ত-মাংসের ইশতিহার : পটের গানে হিন্দু-মুসলমান

বিশাল আমাদের এই দেশে অসংখ্য লোকশিল্পের মধ্যে পটচিত্র এবং পটের গান বহুকাল থেকেই তার অপূর্ব মহিমায় ভাস্বর। শুধু চিত্রই নয়, পটগীতিও তার সৌরভ ছড়িয়ে চলেছে। পটুয়া সমাজে হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ মেলে। এও বাঙালির অন্তরের রক্তক্ষরণের আক্ষরিক দলিল--- রক্ত-মাংসের ইশতিহার অথবা লোকমুখে বাঙালির ধর্মচিন্তা। লিখলেন কৃষ্ণপ্রিয় দাশগুপ্ত ছবি আঁকলেন পার্থ দাশগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ

মহাত্মা যদি বীরপুরুষ হতেন কিংবা লড়াই করতেন তবে আমরা এমনি করে আজ ওঁকে স্মরণ করতুম না। কারণ, লড়াই করার মতো বীরপুরুষ এবং বড়ো বড়ো সেনাপতি পৃথিবীতে অনেক জন্মগ্রহণ করেছেন। মানুষের যুদ্ধ ধর্মযুদ্ধ, নৈতিক যুদ্ধ। ধর্মযুদ্ধের ভিতরেও নিষ্ঠুরতা আছে, তা গীতা ও মহাভারতে পেয়েছি। তার মধ্যে বাহুবলেরও স্থান আছে কি না এ নিয়ে শাস্ত্রের তর্ক তুলব না। কিন্তু এই যে একটা অনুশাসন, মরব তবু মারব না, এবং এই করেই জয়ী হব— এ একটা মস্ত বড়ো কথা, একটা বাণী। আজ মহাত্মাকে যারা খুন করেছিল তাঁরা উল্লাস প্রকাশ করছেন, আমাদের ও কি সেই দিনটাকে ফিরে দেখা উচিৎ নয়?