পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

সব ফ্যাসিস্ট সরকারই নিজের নির্বাচক ঠিক করে নিজের পদ্ধতিতে

  • 07 January, 2026
  • 0 Comment(s)
  • 424 view(s)
  • লিখেছেন : শুদ্ধসত্ত্ব ঘোষ
সার্বজনীন ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার কাজটা মুসোলিনি আর তার পার্টি করেছিল, তার আসল লক্ষ্য ছিল সংসদ দখল করে নেওয়া। এখানেও সে চেষ্টা হচ্ছে এসআইআর করে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আর ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলির ২৮টির মধ্যে অন্তত ১৬টি দখল করলেই বিজেপি ভারতীয় সংবিধানে বিপুল পরিবর্তন আনতে পারে নানা বিষয়ে।

এই যে এসআইআর চলছে এ কোথা থেকে উদ্বুদ্ধ জানাটা বোধহয় দরকার। এর আদর্শ আসলে বেনিতো মুসোলিনির অধীন ফ্যাসিস্ট ইতালির একটি আইন। আইনটির প্রণেতা ব্যারন জিয়েকোমো আসেবো। তাতে বলা হয়েছিলো, যে দল নির্বাচনে অন্তত ২৫% ভোট পাবে, বা যাকে বলা চলে সর্বাধিক ভোট শেয়ার, সেই দলই সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যক আসন পাবে। এই আইন তখন এসেছিল যখন মুসোলিনি ক্ষমতায় থাকলেও সংসদে তার যথেষ্ট ডেপুটি ছিলো না। মুসোলিনি জানতো সে যেভাবেই হোক ঐ ২৫% ভোট জোগাড় করবেই। সংসদে যখন আইনটি আসে তখন সমাজতন্ত্রীরা বিপক্ষে ভোট দিলেও বাকীদের সঙ্গে মোর্চা বানায়নি। ক্যাথলিক পিপল'স পার্টির মাথাকেই তার আগে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা ভোট দেবে না ঠিক করলেও, তাদের ১৪ জন এর পক্ষে ভোট দেয়। আর ভোট দেয় উদারপন্থী বা লিবারালরা, নিজেদের জায়গা সংসদে ধরে রাখতে, যাদের অনেকে পরে ফ্যাসিস্টই হয়ে যায়।

এর আগে ইতালিতে রাজতন্ত্রের মধ্যেও পরিবর্তন আসছিলো বাধ্যত। ১৯০০-র দিকে শ্রমিকদের সঙ্ঘবদ্ধ হবার ও ধর্মঘটের অধিকার স্বীকৃত হয়। সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ইউনিয়নগুলি জন্মায় এবং সংবাদমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার পরিসর বাড়ে। যদিও বিপ্লবী চিন্তা রাষ্ট্র ও ক্যাথলিক চার্চ দমন করতো, তবুও ১৯১৩-তে পুরুষদের সার্বজনীন ভোটাধিকার স্বীকৃত হয়। নারী, ভিন্ন লিঙ্গেরা তখনো বাদ ছিলো নির্বাচকরূপে। কিন্তু ১৯১৯-এ নারীরা আইনী এবং সম্পত্তির অধিকার পায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর কালে ইতালির রাজনৈতিক আবহাওয়া আরো পাল্টাচ্ছিলো। রক্ষণশীল, পুঁজিপতি, বড়ো জমির মালিকেরা ইতালির অর্থনৈতিক দুরবস্থায় চিন্তায় পড়ে যে সেখানে বলশেভিকদের রাশিয়াতে ১৯১৭-র বিপ্লবের মতো কিছু না ঘটে বসে।

এখানেই মুসোলিনি, প্রাক্তন সমাজতন্ত্রী, সাংবাদিক, সম্পাদক, শিক্ষক তার শ্রেণীসংগ্রাম বিরোধী জাতীয়তাবাদী, কমিউনিস্ট বিরোধী, অগণতান্ত্রিক এবং সন্ত্রাসের প্রতি অনুরক্ত দর্শন ফ্যাসিবাদ নিয়ে এলো রাজনীতির আসরে। রক্ষণশীল পুঁজি থেকে যুদ্ধফেরত সৈন্যদের অনেকেই উদ্বুদ্ধ হলো এতে। রাজার অধীনে যে সরকার চলছিলো তাকে চ্যালেঞ্জ করে মুসোলিনি রোমের দিকে মার্চ করতে শুরু করলো তার আধা-সামরিক বাহিনী ব্ল্যাকশার্টদের নিয়ে। অল্প সংখ্যক লোকই ছিল তার সঙ্গে আসলে। কিন্তু রাজা চাইছিলো তার তুলনামূলক নরম প্রধানমন্ত্রীর সরকারকে সরাতে। তাই মার্চ ঠেকানোর সামরিক আদেশে সই করলো না। মুসোলিনিকেই বরং আহ্বান জানালো প্রধানমন্ত্রী রূপে সরকার গড়ার। কিন্তু সেই মুসোলিনির সংসদে যথেষ্ট সংখ্যাধিক্য ছিলো না, বরং ফ্যাসিস্টরা ছিল ছোট্ট গোষ্ঠী। ফলে এলো এই আসেবো আইন এবং এপ্রিল ১৯২৪-এ এর আওতায় নির্বাচন হলো। 

এই আসেবো আইনের আওতায় যে ভোট হয় তাতে মুসোলিনি ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়ে ৬৫% ভোট জোগাড় করে এবং সংসদের তার অত্যন্ত দুর্বল অবস্থানকে পাল্টে সবচেয়ে শক্তিশালী হয়ে যায়। ১৯২৪-এর এই নির্বাচনে কেবলমাত্র পুরুষদের ভোটাধিকার ছিলো। আবার মিলিটারি, নেভির লোকেদের অধিকার ছিলো না ভোট দেবার। বিরোধীদের খুন করে, সন্ত্রস্ত করে, তুমুল জালিয়াতি করে ভোটে মুসোলিনি জেতে। অর্থাৎ মুসোলিনির সেই নির্বাচন, নির্বাচকদের ভোটদানের সমানুপাতে তৈরী করা ফলাফল ছিলো না। যেমন আমাদের ভারতের নির্বাচনও অমন নয়। সে কথায় পরে আসছি। আপাতত বলি, জিতেই আবার মুসোলিনি আইন আনে যে এবারে কেবলমাত্র একটিই তালিকা গ্র্যান্ড কাউন্সিল অব ফ্যাসিজম দেবে। সেই তালিকাতে হ্যাঁ বা না বলতে পারবে বড়জোর লোকজন। এবং ভোটদানের পরে সেই তালিকা গোপন রাখা হবে কিনা ঠিক নেই। অর্থাৎ সংসদে যেমন আসেবোর আইন পাস করার সময় বন্দুকধারী স্কোরাদ্রিস্তিদের মুসোলিনি রেখেছিল সাংসদদের ভয় দেখাতে, পরের আইনেও অমনই হয়। ফ্যাসিজমের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পতনের পরে আবার আসল নির্বাচনের পালা এসেছিল।

এই যে সার্বজনীন ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার কাজটা মুসোলিনি আর তার পার্টি করেছিল, তার আসল লক্ষ্য ছিল সংসদ দখল করে নেওয়া। এখানেও সে চেষ্টা হচ্ছে এসআইআর করে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ আর ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলির ২৮টির মধ্যে অন্তত ১৬টি দখল করলেই বিজেপি ভারতীয় সংবিধানে বিপুল পরিবর্তন আনতে পারে নানা বিষয়ে। কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক সমেত, সংবিধানের মৌলিক ধারণাগুলোকেও বদলে দিতে পারে। আর তাহলেই তারা সব বিরোধীতাকে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে আরো বেশী করে তাদের পেয়ারের দালাল ও চাটুকার পুঁজিপতিদের জন্য এবং নিজেদের জন্য অবাধ লুটের রাস্তা খুলে নেবে। এখনো যে সব বাধা তারা পাচ্ছে, কৃষক আন্দোলন থেকে আরাবল্লি সে সবকেও তারা মুছে দেবে বলে মনে করে। আর তার জন্য প্রথমে তারা সংবিধান পাল্টে দিতে চায়। যদি সে কাজ না হয় তাহলে অসাংবিধানিক রাস্তাকেও কাজে লাগাচ্ছে বা লাগাবে। কিন্তু এখনো সংবিধান আছে বলে, এই পথে কিছু লড়াই করা যাচ্ছে। সংবিধানও ওদের হয়ে গেলে লড়াইটাই আইনী থাকবে না।

সেই সুযোগই ওরা চায় বলে টার্গেট করেছে দরিদ্র, সংখ্যালঘু হিন্দু-মুসলমানাদিদের, নারীদের, ভিন্ন লিঙ্গদের এসআইআর করে বাদ দিতে। বা বাঙালিদের মতো ঐতিহাসিকভাবেই বিরোধীতা প্রবণ জাতিগোষ্ঠীকে যথাসম্ভব দুর্বল করে দিতে। তাই এখানে মধ্যবিত্তও ওদের টার্গেট। অন্যত্র রাস্তায় ওদের নানা নামের সশস্ত্র বাহিনী ঘুরছে, দাপাচ্ছে, ধর্মীয় ও জাতিগোষ্ঠীদের, যাদের মধ্যে বাংলাভাষীরাও রয়েছে, তাদের টার্গেট করে মারছে। পশ্চিমবঙ্গে সবটা পারছে না বলে এসআইআর করে প্রথম ধাপ বানাচ্ছে। বিপুল সংখ্যক মানুষকে হয়রান করছে। বয়স্ক থেকে গর্ভবতী কারোর রেহাই নেই নোটবন্দীর পরে এই ভোটবন্দীতে আবার ঘন্টার পর ঘন্টা শীতে, না খেয়েদেয়ে, লাইনে দাঁড়ানো আর হিয়ারিং-এর অপেক্ষা করার থেকে। দূর দূরান্তে গিয়ে হাজিরা দেওয়ার থেকে। বিএলও-দেরও আত্মহত্যা ছাড়াও ঢের ভোগান্তি এখন।

অথচ এখানে বিরোধীদের একাংশ বর্তমান শাসক যাবে এই আনন্দেই মাতোয়ারা। শাসকেরা আবার ভাবছে পথে নেমে সামগ্রিকভাবে বিজেপি-কে আক্রমণ না-করে, বাংলার ডেমোগ্রাফি পাল্টানোকে বন্ধ না-করে, ভূমিপুত্র সংরক্ষণ দাবী না-তুলেও তারা পেরে যাবে। কেউই ভাবছে না লড়াইটা আসলে যে যৎসামান্য সাংবিধানিক অধিকার আছে তা রক্ষার। সংবিধান চলে গেলে বিরোধীদের মধ্যে সামান্য অংশই বাঁচবে এবং অনেকেরই দম নেই অন্য রাস্তায় লড়ার। আর বিশ্বযুদ্ধের মতো কোনো পরিস্থিতিও এখন নেই যে বাইরের শক্তি এসে এই ফ্যাসিজমকে উৎখাত করবে।

তাছাড়া আমাদের এই নির্বাচন ব্যবস্থাতে যথেষ্ট সমস্যা আছে। যে সমস্যার সুযোগ ক্ষমতায় যাবার জন্য সবাই নিয়ে থাকে। এই সমস্যা এসেছে ব্রিটেনের নির্বাচন ব্যবস্থাকে আমরা অনুকরণ করার ফলে। একে সংক্ষেপে এফপিটিপি বা ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট ব্যবস্থা বলা হয়। সোজা করে বললে, সর্বাধিক সংখ্যক ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী বিজয়ী হবে এই ব্যবস্থায়। ধরা যাক, একটি বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচনে, একজন প্রার্থী পেলেন সর্বমোট ভোটের মাত্র ২৩%। ৫০%-ও পেলেন না। অন্যদিকে তাঁর বিরোধিতায় অন্যান্য বিরোধী প্রার্থীদের পক্ষে যে ভোট পড়েছে তার যোগফল ৭৭%। অর্থাৎ তাঁর বিরুদ্ধে আসলে ৭৭% ভোট পড়েছে। কিন্তু যেহেতু তিনি সর্বনিকট প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে প্রাপ্ত ভোটসংখ্যায় এগিয়ে তাই তিনি বিজয়ী হলেন। এতে সমস্যা কী?

প্রথমত এতে করে বৃহত্তর সংখ্যক নির্বাচকদের তাঁর এবং তাঁর দলের প্রতি যে বিরোধিতা তা আমাদের গণতন্ত্রে ধর্তব্যেই এলো না। ১৯৫২ থেকে আজ অবধিও আমাদের লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচন এইভাবে আসল সংখ্যাগরিষ্ঠের মতকে অগ্রাহ্য করে চলেছে। কংগ্রেস তার সেরা সময়ে কিংবা বিজেপি এই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনেও ৫০% ভোটও পায়নি। পেয়েছে মাত্র ৩৬.৫% ভোট। তাতেই তারা ২৪০টি আসন পেয়েছে লোকসভায়।  কংগ্রেস ২১.১% ভোট পেয়েও মাত্র ৯৯টি আসন পেয়েছে। অর্থাৎ ভোট শেয়ারের শতাংশের হিসেব মেলে না প্রাপ্ত আসনের সঙ্গে।

এর বাইরেও বিপুল সমস্যা আছে। এই যে কম শতাংশ পেলেও জেতা যায়, এর জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠের রাজনীতিই শুধু প্রাধান্য পাচ্ছে, বৈচিত্র্যের রাজনীতি নয়। ধরা যাক আমার প্রয়োজন হিন্দু ভোট। আমি মুসলমানদের ভোটকে পাত্তাই দেবো না সেক্ষেত্রে। বরং মুসলমান বিদ্বেষ ছড়িয়ে আমার সেই হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক যা এই বিরোধিতায় সঙ্গী হতে পারে তাকে জড়ো করবো আমাকে ভোট দেবার জন্য। সেক্ষেত্রে মুসলমান ভোট বা প্রার্থীর আমার কোনো প্রয়োজনই নেই। প্রয়োজন রাষ্ট্রে ও সমাজের সর্বক্ষেত্রে বিদ্বেষ বাড়ানোর, বিভাজন বাড়ানোর।

বিজেপি ঠিক সেটাই করছে এখন। তারা মুসলমান প্রার্থী আর রাখতেই চাইছে না। মুসলমান থেকে বাঙালি বা উত্তর-পূর্বের বাসিন্দা সকলেই তার সন্ত্রাসের টার্গেট। আবার অন্য বিরোধীদের মধ্যেও মুসলমান-তোষণের অভিযোগ এড়াতে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল ছাড়া মুসলমান প্রার্থী দেওয়া কমানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এইভাবে অন্যান্য সংখ্যালঘু জাতি-বর্ণ ইত্যাদিদেরও উপেক্ষা করা চলে এই প্রক্রিয়ায়। এটা হচ্ছেও। ভারতে দলিত সংখ্যা যা সেই অনুপাতে প্রতিনিধি নেই কোথাও। শিডিউল কাস্ট-ট্রাইব, নারী, ভিন্নলিঙ্গ সবার ক্ষেত্রেও একই বৈষম্য। টাকা এবং পেশীশক্তি দিয়ে সামান্য ভোট শতাংশেই যদি জেতা যায় তাহলে গণতন্ত্রের হাল খারাপই হয়। তাই আমাদের হচ্ছেও। এসআইআর করে বিজেপি আরো নির্বাচক কমাচ্ছে নির্ভয়ে, কারণ তার ভোট ব্যাঙ্ক রূপে ধর্মান্ধ হিন্দু গোষ্ঠী তার হাতে মজুত বলে সে মনে করছে। আর সেই আসেবো আইনের মতো এখানেও নির্বাচকের ভোটদানের সমানুপাতে প্রতিনিধিত্ব নেই।

আমাদের সেটা চাই। ভারতীয় আইন কমিশন, ১৯৯৯-তে তার ১৭০ তম প্রতিবেদনে এবং ২০১৫-তে ২৭৭ তম প্রতিবেদনে সম্পূর্ণ নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার করে সর্বাধিক সংখ্যক ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী বিজয়ী হবে এই ব্যবস্থার সঙ্গে সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্বকে মিলিয়ে নির্বাচনী ব্যবস্থা করার কথা বলেছিল। জার্মান মডেলে। ব্রিটিশ শাসিত অস্ট্রেলিয়াও আজ ব্রিটিশ পদ্ধতি মানে না। আজ যখন বিজেপি চাইছে এক দেশ এক নির্বাচন, তখন আমাদের প্রয়োজন গণতন্ত্রের সীমানাকে আরো প্রসারিত করে তোলা, যাতে এই ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে কোনো স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার আর বিকাশ ঘটতে না পারে। সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্বেরও নানা সমস্যা আছে। সে-ই শেষ সমাধান নয়। কিন্তু ভারতের নির্বাচনকেন্দ্রিক গণতন্ত্র বিকাশে একটি জরুরী পদক্ষেপ। নইলে এই ফ্যাসিস্টদের আসেবো আইনের পাল্লায় পড়ে কিছুকালের মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থাই না উঠে যায়। সংবিধানও পাল্টে ফ্যাসিস্ট সংবিধান না হয়ে যায়। কারণ সব ফ্যাসিস্ট সরকারই নিজের নির্বাচক ঠিক করে নিজের পদ্ধতিতে।

 

0 Comments

Post Comment