পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

শরণার্থী পরিবারের শিশু জিতে নেয় সেরার খেতাব। বিত্ত ও গোষ্ঠী আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে জানিয়ে দেয় মেধা কোনও শর্তাধীন বিষয় নয়। লিখলেন সাত্যকি হালদার।

Read more


৩০শে এপ্রিল ২০২০, ক্রীড়া ইতিহাসের এক অত্যন্ত বেদনাদায়ক দিন হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকল। করোনাগ্রাসের ভয়াবহতার মধ্যে এক অত্যন্ত বেদনাদায়ক খবর এল চুনী (সুবিমল) গোস্বামীর মৃত্যুতে। প্রায় একমাস আগে এরকমই আরেক শোকবহ খবর এসেছিল ২০শে মার্চ, প্রদীপ কুমার ব্যানার্জীর জীবনাবসানে। ভারতীয় ফুটবলের দুই মহাতারকা, যাঁরা দেশের জার্সি গায়ে একসময় পাশাপাশি খেলেছিলেন এবং ভারতীয় ফুটবলকে তুলেছিলেন খ্যাতির শিখরে সেই দু’জন আজ প্রয়াত, শুধু পড়ে থাকল তাঁদের সৃষ্টি করা গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস।

Read more


পুরো ফুটবল পরিচালনার কাঠামোতেই এখন কর্পোরেটাইজেশনের একটা প্রচেষ্টা হচ্ছে। আর্থিক বিষয়টি এখন এমন জায়গায় পৌছচ্ছে যে বড় বড় ক্লাবগুলিকেও আত্মসমর্পন করতে হচ্ছে ব্যক্তিগত মালিকানার কাছে। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ এটিকে-মোহনবাগানের সংযুক্তকরণ।

Read more


১৬ই আগস্ট, ১৯৮০ সালের ঘটনা বাঙালি ক্রীড়া সংস্কৃতি ও সামাজিক মননে ভীষণভাবে প্রাসঙ্গিক। এই ঘটনা আমাদের অনেক বড় শিক্ষা দিতে গেছে। মাঠের পরিবেশ আর রণক্ষেত্র কখনও এক হতে পারে না। খেলার প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবেগ অনেক নিয়ন্ত্রিত ও পরিশীলিত হওয়া উচিত সেই শিক্ষা দিয়ে গেছে এই ঘটনা।

Read more


বৃহত্তর সমাজের বিচ্ছিন্নতা ও বিভাদ নীতিও ঔপনিবেশিক পর্বে কলকাতা ময়দান তথা বাংলার ফুটবলকে সেভাবে প্রতিবিম্বিত করতে পারেনি। শ্বেতাঙ্গ ও অশ্বেতাঙ্গ বিচ্ছিন্নতাই এখানে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল। তাই ফুটবলকে কেন্দ্র করে ঔপনিবেশিক পর্বে গড়ে ওঠা জাতীয়তাবাদের প্রকাশও ছিল অত্যন্ত তীব্র।

Read more


এক থেকে নয়, পার হয়েই তারপর আসে দশ, সকলেই ফুটবল খেলে একজনই শুধু বস পায়ের ছোঁয়ায় ছোঁয়ায় বলটাতে মেলে দিল দু- ডানা... মারাদোনা। আমাদের অনেকের ছেলেবেলাই কেটেছে মারাদোনা নিয়ে আবেগে। আমাদের বড় হওয়ার অনেকটা জুড়েই ছিলেন তিনি - মারাদোনা। আমাদের অনেকের অনেক কিছু স্মৃতি, আবেগ নিয়ে এই লেখা।

Read more


খেলার ভেতর দিয়ে এই যে সীমানা ভাঙার আদর্শ এবং শিক্ষার কথা 'টীম ইন্ডিয়া' বলছে, তা আজকের নয়। আমরা বাংলার মানুষরা সেই ইতিহাসের উত্তরসূরিতা বহন করি। 'ভারতীয় ফুটবলের জনক' নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারীর ২৭শে অগাস্ট জন্মদিন ছিল। নগেন্দ্রপ্রসাদ যখন দেখেছিলেন নিজের হাতে বড় ক'রে তোলা ওয়েলিংটন ক্লাব তথাকথিত নীচুজাতের কুমোর পরিবারের ছেলে মণি দাসকে জাতের কারণে রিক্রুট করাচ্ছে না, তখন নিজে সেই ক্লাব থেকে বেরিয়ে এসে প্রায় ৫০০ জন সদস্য সমর্থক নিয়ে শোভাবাজার ক্লাব তৈরী করেছিলেন। মোহনবাগান ক্লাবেরও আগে তৈরী হয়েছিল সেই ক্লাব। আর তার প্রথম রিক্রুটমেন্ট ছিল মণি দাস।

Read more