পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

রায়ো ভালেকানো ঃ ফুটবল যেখানে বঞ্চনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের হাতিয়ার

  • 11 November, 2022
  • 1 Comment(s)
  • 1047 view(s)
  • লিখেছেন : শুভ্রদীপ ঘোষ
প্রবল দক্ষিনপন্থী, অতি দক্ষিনপন্থী স্রোতের মুখে দাঁড়িয়ে উল্টোদিকে সাঁতার কাটতে সত্যিই সাহস লাগে, লাগে প্রান্তিক মানুষের রাজনীতির আভিজাত্যবোধের অহংকার। স্পন্সরশীপের তোয়াক্কা না করে, হার জিত, উন্নয়ন অবনমনের পরোয়া না করে ভালেকাস আর তার পরম ভালবাসার রায়ো ভালেকানো যেভাবে ফুটবলকে প্রতিস্পর্ধার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে চলেছেন তা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে ফুটবল নিছক একটা খেলা নয়।

২১ শে নভেম্বর ২০১৪ র শীতের রাতে ৮৫ বছরের বৃদ্ধা কার্মেন মার্টিনেজ আয়োসো উচ্ছেদ হলেন তাঁর ৫০ বছরের বাসস্থান থেকে। কার্মেন থাকতেন স্পেনের মাদ্রিদ শহরের দক্ষিণ পশ্চিম শহরতলি ভালেকাসে  - ভালেকাস, যা বিত্তশালী মাদ্রিদবাসী এবং সরকারের কাছে সৎ সন্তানের মত কারণ সেখানে থাকেন শ্রমজীবী মানুষেরাই। তাই ঝাঁ চকচকে মাদ্রিদের পাশে ভাঙ্গাচোরা, জরাজীর্ণ বাড়ি, রাস্তাঘাট ভালেকাসের স্বাভাবিক ছবি। কার্মেন জীবনের অধিকাংশ কাটিয়েছেন এই পাড়ায়, এমনকি স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় ফ্যাসিস্ত বোমাবাজির চাক্ষুষ অভিজ্ঞতাও আছে তাঁর। জীবনের শেষপ্রান্তে এসে তাঁকে গৃহহীন হতে হল কারণ তাঁর ছেলে বেসরকারী ঋণদাতার কাছ থেকে অনেক টাকা ধার নিয়েছিল তাঁর ফ্ল্যাটটি বন্ধক রেখে। এরপর তার বিবাহবিচ্ছেদের পরিপ্রেক্ষিতে মোটা টাকা খোরপোষ এবং সেইসঙ্গে চাকরিটিও খোয়ানোর ফলে ধার শুধতে পারে না, ঋণদাতাটি মামলা করে এবং মামলার রায়ে কার্মেন  বাড়ি থেকে উৎখাত হন। কার্মেনের সামনে তখন আত্মহত্যা ছাড়া কোন উপায় নেই কারণ ধারের পরিমাণ বড় বেশি- ৮৫ হাজার ডলার। ঠিক সেইসময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল একটি পেশাদার ফুটবল ক্লাব। না, সেই ক্লাব মাদ্রিদের নামজাদা ক্লাবটির মত বিত্তশালী তো নয়ই, বরং উল্টো- টেনেটুনে চলে তাদের সংসার। তা সত্ত্বেও এগিয়ে এলেন ক্লাবের কর্মকর্তা, ফুটবলার, কোচ, সহকারী এবং সমর্থকরা। ক্লাবের মাঠে ব্যানার দুলে উঠল “ উচ্ছেদের বিরুদ্ধে রায়ো “, “ কার্মেন কে থাকতে দিতেই হবে “। দলের কোচ প্যাকো হেমেজ সাংবাদিকদের বললেন “ আমরা বসে বসে দেখব তা হয় না। আমাদের গোটা দল, গোটা রায়ো পরিবার কার্মেন যাতে বাকি জীবন মাথা উঁচু করে বাঁচেন তার ব্যবস্থা করবে।” তৈরি হল বিশেষ তহবিল; ক্লাবের খেলোয়াড়, কোচ, সহকারীরা তাঁদের স্বল্প বেতন থেকেই দান করলেন, ক্লাবের পরবর্তী ম্যাচের প্রতি টিকিট থেকে ৫ ইউরো করে জমা পড়ল সেই তহবিলে। এই তহবিলের দৌলতে কার্মেনের নতুন বাড়ী কেনা হল আর উদ্বৃত্ত অর্থ গেল অন্যান্য সামাজিক খাতে।

 

সেদিন ভালেকোসের যে ফুটবল ক্লাবটি কার্মেনকে তাঁর জীবন ফিরিয়ে দিতে বড় ভূমিকা নিয়েছিল তার নাম রায়ো ভালেকানো (Rayo Vallecano)। ভুবনীকরনের দৌলতে গোটা বিশ্বে স্পেনের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগ ‘লা লিগা ‘ অত্যন্ত জনপ্রিয়। এই লিগের প্রধান দুই দল-  চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার লড়াই বিশ্বজুড়ে মহাকাব্যের আকার নিয়েছে। গোটা পৃথিবী জুড়েই এই দুই ক্লাবের সমর্থকবাহিনী আছে যারা দুই ক্লাবের ফুটবল এবং ফুটবল বহির্ভূত খুঁটিনাটি খবর রাখেন। মাদ্রিদের দ্বিতীয় নামজাদা দল হিসেবে আতলেতিকো মাদ্রিদের খবরও  অনেকেই জানেন, বিশেষত ইন্ডিয়ান সুপার লিগে আতলেতিকো দ্য কলকাতা নামক দলটি আত্মপ্রকাশ করার পর থেকে। কিন্তু রায়ো ভালেকানোর নাম, ইতিহাস স্পেনের বাইরে লা লিগার অনুরাগীদের কাছে কতটা জানা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।

 

রায়ো আসলে অর্থের ঝনঝনানি দিয়ে চালিত ফুটবল বিশ্বে একটি অভাবনীয় ব্যতিক্রম। কেন একথা বলছি তা বুঝতে একটি তথ্যই যথেষ্ট। ২০২২-২৩ মরশুমে ২০ দলের লিগ টেবিলে রায়োর স্থান নবম। এর মধ্যে আছে এই মাসেই লিগ টেবলের শীর্ষে থাকা এবং এই মরশুমে অপরাজিত রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে জয়। এই সাফল্য এনেছে যে দল তার পিছনে খরচ হয়েছে মাত্র ৯৬ লাখ ইউরো, খেলোয়াড় প্রতি গড় খরচ সাড়ে তিন লাখ ইউরো যেখানে রিয়াল মাদ্রিদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি যথাক্রমে ২৮ কোটি এবং ১.২ কোটি ইউরো। রায়োর চেয়ে অনেক বেশি কৌলীন্যের দল সেভিয়া এবং এস্পানিওলের টিম বাজেট যথাক্রমে ৮.৬ এবং ১.৬ কোটি ইউরো অথচ লিগ টেবিলে তাদের বর্তমান অবস্থান যথাক্রমে ১৭ এবং ১৬। প্রতিটি মরশুমেই এইভাবেই টিম গড়ে রায়ো। অন্য দলগুলির তুলনায় ভারী নাম তাদের খেলোয়াড় তালিকায় পাওয়া যায় না। পয়সাওয়ালা, আধুনিক সুযোগ সুবিধাযুক্ত দলগুলির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তারা সুবিধা করতে পারে না, লা লিগা থেকে অবনমন ঘটে, তবুও তারা তাদের ফুটবল দর্শন বদলায় না। তারা বিশ্বাস করে ফুটবল খেলা কেবল জেতার জন্য, এই মানুষ পেষা ব্যবস্থায় আরও অর্থ, আরও স্পন্সরশিপের জন্য নয়। সাফল্য ব্যর্থতা থাকবে কিন্তু ফুটবল তার চেয়ে অনেক বড় কিছু, ফুটবল তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি। কোন কিছুর বিনিময়ে সেই সংস্কৃতিকে বিসর্জন দেওয়া যাবে না।

রায়ো ভালেকানোর ফুটবল দর্শনের পিছনে আছে তাদের জন্মের ইতিহাস। ১৯২৪ সালে তৈরি এই ক্লাবটি তার জন্মলগ্ন থেকেই জনগণের ক্লাব, পাড়ার ক্লাব। ভালেকাসের শ্রমজীবী জনতা প্রথম থেকেই এই ক্লাবটিকে তাঁদের নিজের করে নেন এবং ক্লাবের ক্রিয়াকলাপ শ্রমজীবী মানুষের রাজনীতি এবং সামাজিক বন্ধনের দর্শন দ্বারা চালিত হতে থাকে। প্রায় ১০০ বছরের পুরনো এই ক্লাবটির নিজস্ব স্টেডিয়াম তৈরি হয় ১৯৭০ সালে। অর্ধ শতাব্দী পার হলেও সেই স্টেডিয়াম, এস্তাদিও দে ভালেকানোসের, কোন পরিবর্তন হয়নি। মাত্র তিনটি স্ট্যান্ডের এই স্টেডিয়ামে মোটে  ১৪০০০ মানুষ ধরে, স্টেডিয়ামের নেই কোন গাড়ী রাখার জায়গা। খেলোয়াড়রা ম্যাচের আগে তাঁদের গাড়ী রাখেন পাড়ার রাস্তায় এবং হেঁটে স্টেডিয়ামে ঢোকেন, আক্ষরিক অর্থে সমর্থকদের সঙ্গে গা ঘষাঘষি করে। রায়ো ভালেকানোর খেলোয়াড়রা তারকা নন, পাড়ার ছেলে, এই দর্শনে বিশ্বাস রাখে গোটা অঞ্চল। নতুন কোন খেলোয়াড় এই ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার অর্থ গোটা পাড়ার সঙ্গে সামাজিক বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।

খুব স্বাভাবিকভাবেই ভালেকাসের রাজনীতি শ্রমজীবী মানুষের রাজনীতি, প্রতিষ্ঠান বিরোধী, অসাম্য বিরোধী রাজনীতি। সময়ের সাথে সাথে এর সঙ্গে যোগ হয় ফ্যাসিবিরোধিতা এবং বর্ণবিদ্বেষ বিরোধিতা। কাম্পো দে ভালেকাস জুড়ে ফুটে থাকা  স্প্যানিশ রিপাবলিকের পতাকা, চে গেভারার গ্রাফিতি এবং সমাজতান্ত্রিক স্লোগান বুঝিয়ে দেয় ক্লাবের শক্তিশালী সমর্থকগোষ্ঠী  ‘বুকেনারোস’ দের রাজনৈতিক ঝোঁক। “ বুকেনারোস হতে গেলে আর কিছু দরকার নেই। বর্ণবিদ্বেষ আর জেনোফোবিয়া না থাকলেই হবে। “ বলছিলেন বুকেনারোস সদস্য  ভিক্তর। এ যে কেবল কথার কথা নয় তার প্রমাণ হিসেবে দুটি উদাহরণই যথেষ্ট। ১৯৯০ থেকে ৯৬ “ফ্র্যাঙ্খিরোখোস “ (franjirojos)(এই নামেই জনপ্রিয় রায়ো ভালেকানো) গোলের অতন্দ্র প্রহরী ছিলেন উইলি আগোনবেয়ার। নাইজেরিয়ার নাগরিক কৃষ্ণাঙ্গ উইলিকে স্পেনে যথেষ্ট বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয়। ১৯৯২ এর লা লিগায় উইলি একা হাতে রিয়াল মাদ্রিদের আক্রমণ রুখে দেন রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বের্নাবিউতে। সেই ড্র হওয়া ম্যাচের ফলে  রিয়াল মাদ্রিদের লিগ খেতাব হাতছাড়া হয় আর রিয়াল সমর্থকদের বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণের শিকার হন উইলি। খেলা চলাকালীন “নিগ্রো” “ বেজন্মা” র মত চেনা শব্দ ছাড়াও  ক্লু ক্লুক্স ক্ল্যান এর নাম তুলে স্লোগান উড়ে আসে রিয়াল গ্যালারি থেকে। খেতাব হাতছাড়া হওয়ায় উন্মত্ত এক মাদ্রিস্তা যুবক টেলিভিশনে প্রকাশ্যে বলে “ এই রবিবার ভালেকাসে গিয়ে ওই কালো কুত্তার বাচ্চাটাকে পিটিয়ে আসব। কেউ না আসুক, আমি একাই যাব।” এই ঘটনার পরেই বুকেনারোস দীর্ঘমেয়াদী বর্ণবিদ্বেষবিরোধী লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১১ সালে বুকেনারোস আয়োজিত বার্ষিক বর্ণবিদ্বেষ বিরোধী সপ্তাহ উদযাপনে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হন উইলি। ২০১৫ সালে ক্যান্সারে মৃত উইলির স্মৃতি বাঁচিয়ে রেখেছেন বুকেনারোসরা - এস্তাদিও দে ভালেকাসের একটি গেটের নাম রাখা হয়েছে “ অজেয় উইলি “। উইলির ছবির সাথে খোদাই করা আছে যে শব্দগুলি তার ইংরাজি অনুবাদ করলে দাঁড়ায় “ For your defense of the red stripe and fight against racism, Rayismo will never forget you”।

ছবি ঃ উইলি আগোনবেয়ারের স্মৃতিফলক, এস্তাদিও দে ভালেকাস।

রায়োসমো  ( Rayismo) বা রায়ো-পন্থা যে ফ্যাসিবাদ বিরোধিতা তাদের যাপনের অঙ্গ মনে করে তার প্রমাণ হাড়ে হাড়ে পেয়েছেন ইউক্রেনের স্ট্রাইকার রোমান জোজুল্যা। ২০১৭ র জানুয়ারিতে রিয়াল বেটিস থেকে জোজুল্যাকে নিয়ে আসা হয়। প্রথম প্র্যাকটিস সেশনেই বুকেনারোসদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন জোজুল্যা। কুখ্যাত নিও নাৎসি বাহিনী আজভ ব্যাটেলিয়নের সদস্য এবং তাদের তাত্বিক গুরু স্টেফান বান্দেরার ছবির সামনে দাঁড়িয়ে তোলা জোজুল্যার ছবি জোগাড় করে বুকেনারোসরা বিক্ষোভ শুরু করেন। “ ভালেকাসে নাৎসিদের কোন জায়গা নেই “ লেখা ব্যানার নিয়ে প্র্যাকটিসে যাওয়া থেকে শুরু করে নিও নাৎসিদের সঙ্গে জোজুল্যার যোগাযোগের প্রমাণসমৃদ্ধ পুস্তিকা ছাপিয়ে সমর্থকদের মধ্যে বিলি করে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যে জোজুল্যা ক্লাব ছাড়তে বাধ্য হন। এ পর্ব এখানেই শেষ নয়। প্রায় দু বছর পরে জোজুল্যা কাম্পো দে ভালেকাসে আসেন অ্যালবাসেতের খেলোয়াড় হিসেবে। বুকেনারোসদের প্রবল নাৎসি বিরোধী স্লোগানে হাফটাইমে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ইউরোপের মাঠে বর্ণবিদ্বেষী স্লোগান নতুন কিছু নয় কিন্তু উচ্ছকিতস্বরে নাৎসি বিরোধী শ্লোগান এবং তার জেরে খেলা পরিত্যক্ত হবার নজির এই প্রথম। সেদিক দিয়ে দেখলে বুকেরানোসরা এই বন্ধ্যা সময়ে এক নজির সৃষ্টি করলেন।

ছবি ঃ জোজুল্যাকে কেন্দ্র করে ভালেকাসের দেওয়ালে মারা নাৎসি বিরোধী পোষ্টার।

 

এস্তাদিও দে ভালেকাসের দেওয়ালে লেখা আছে “ শৌর্য, সাহস এবং আভিজাত্য”- ফ্র্যাঙ্খিরোখোসদের জীবনদর্শন। ফুটবলের জন্ম হয়েছিল জনগণের খেলা হিসেবে। ইতিহাসে বারবার ক্ষমতার সমীকরণে দুর্বলরা ফুটবল মাঠকে বেছে নিয়েছেন ক্ষমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসাবে। একাধিক বড় ক্লাবের জন্ম হয়েছে প্রান্তিক, মূলত শ্রমজীবী গোষ্ঠীর রাজনৈতিক বক্তব্যের ধারক হিসেবে। একবিংশ শতাব্দীর নিও লিবারাল অর্থনীতির কবলে সেইসব ক্লাবের সংস্কৃতি বদলে গেছে। মাটির সংস্কৃতির বদলে এসেছে কর্পোরেট সংস্কৃতি, বাজারের মূল্যের চাপে ঢাকা পড়েছে জনগোষ্ঠীর রাজনীতি উদ্ভূত মূল্যবোধ। প্রবল দক্ষিনপন্থী, অতি দক্ষিনপন্থী স্রোতের মুখে দাঁড়িয়ে উল্টোদিকে সাঁতার কাটতে সত্যিই সাহস লাগে, লাগে প্রান্তিক মানুষের রাজনীতির আভিজাত্যবোধের অহংকার। স্পন্সরশীপের তোয়াক্কা না করে, হার জিত, উন্নয়ন অবনমনের পরোয়া না করে ভালেকাস আর তার পরম ভালবাসার রায়ো ভালেকানো যেভাবে ফুটবলকে প্রতিস্পর্ধার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে চলেছেন তা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে ফুটবল নিছক একটা খেলা নয়। বার্সেলোনা এবং স্পেনের প্রবাদপ্রতিম খেলোয়াড় হাভি বলেছিলেন “ ফুটবলে ফলাফলের থেকেও বড় একটা জিনিস আছে - উত্তরাধিকার। “ পুঁজির লাগামছাড়া আক্রমণের মুখে, তার তৈরি করা অতি দক্ষিনপন্থী রাজনীতির বিরুদ্ধে বিগত এক শতাব্দীর বিশ্বজোড়া প্রতিরোধের উত্তরাধিকার বহন করছে স্পেনের এই অনামা ফুটবল ক্লাব, কৌলিন্যহীন কিন্তু আভিজাত্যে ভরপুর রায়ো ভালেকানো, Los Franjirrojos

কভার ছবি ঃ এস্তাদিও দে ভালেকাসের শ্লোগান “ শৌর্য, সাহস, আভিজাত্য”

 

তথ্যসূত্র ঃ

 

(১) জ্যাক বেভিল, World Football Index, জুলাই ২০২০ সংখ্যা

(২) মাইকেল সেরনা, Bleacher Report, সেপ্টেম্বর ২০১২

(৩) www.planetfootball.com

(৪) www.capology.com

(৫) The Times of India, ১০ নভেম্বর ২০২২

(৬) www.breakingthelines.com

   

1 Comments

Somenath Guha

16 November, 2022

খুব সুন্দর ভিন্নধর্মী লেখা। অজানা বিষয়।

Post Comment