পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

আজ গোয়া, কাল মেঘালয় পরশু ত্রিপুরা, এই ভাবে কংগ্রেসকে দুর্বল করে কি বিজেপিকে সামনের লোকসভায় পরাজিত করা সম্ভব? কিন্তু তৃণমূল তাহলে কি উদ্দেশ্যে এই কাজটা করছে? নিন্দুকেরা প্রশ্ন করছেন, কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে এই ঘোড়া কিনতে টাকা দিচ্ছেন? কোনও লড়াই ছাড়া, কেন তৃণমূল এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে প্রধান বিরোধী মুখ হয়ে উঠতে চাইছে?

Read more


রাহুল গান্ধীর ' ভারত জোড়ো যাত্রা " বহুদিন পর বিজেপির সরকারের কোনো কাজের প্রতিক্রিয়ায় নয়, স্বতন্ত্রভাবে নিজেদের দিক থেকে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় কংগ্রেস নিজের অ্যাজেন্ডা সেট করছে। সেই কারণেই, এই পদযাত্রার একমাসের মধ্যেই সঙ্ঘের অনেককেই প্রথমবারের জন্য বিজেপি সরকারের আমলে বাড়তে থাকা বেকারত্ব, দারিদ্র্যের পরিসংখ্যান ইত্যাদি নিয়ে কথা বলতে বাধ্য হচ্ছে।

Read more


This Bharat Jodo Yatra is about connecting with the people. But it is also about creating positive vibes and optics. If marshalling local support and resources. The states which this Yatra will go through are the ones where the party’s organizations are the strongest. They have the capacity to sustain the momentum over a week or more. Honestly, the state units of Andhra Pradesh, Odisha or Bengal would have a tough time doing the same for even an entire day

Read more

by Rahul Mukheji | 19 December, 2022 | 832 | Tags : Bharat Jodo Yatra Rahul Gandhi Congress


‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র অন্তিম পর্বে যোগ দিয়ে তিনি হেঁটেছেন পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত। জলন্ধরে হাঁটা শুরু করে শ্রীনগরের লালচকে যাত্রাশেষে রাহুল গান্ধির জাতীয় পতাকা উত্তোলন পর্যন্ত অনন্য অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন তিনি। চার পর্বের এই যাত্রাকথনের এটি দ্বিতীয় পর্ব।  

Read more


‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র অন্তিম পর্বে যোগ দিয়ে আয়েশা খাতুন হেঁটেছেন পাঞ্জাব থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত। জলন্ধরে হাঁটা শুরু করে শ্রীনগরের লালচকে যাত্রাশেষে রাহুল গান্ধীর জাতীয় পতাকা উত্তোলন পর্যন্ত অনন্য অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন তিনি। চার পর্বের এই যাত্রাকথনের এটি চতুর্থ পর্ব।

Read more


প্রশ্ন হলো, সি পি আই (এম এল) – সরাসরি বা আড়াল থেকে এটা করছে কেন ? সত্তর দশকের জরুরী অবস্থার সময় কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের হত্যালীলার নায়ক কংগ্রেস, বা বিহারে সি পি আই (এম এল) এর ছাত্র নেতা চন্দ্রশেখরকে হত্যার পেছনে থাকা আরজেডি আজ সি পি আই (এম এল) এর মঞ্চে কেন ? বা এদের সবাইকে ফ্যাসিবাদ বিরোধী মঞ্চে শামিল করার পেছনে সি পি আই (এম এল) এর উদ্দেশ্য কি ? এটা কি অনেকটা জ্যোতি বসুর সময়ের সি পি এম কে অনুকরণের চেষ্টা নয় ? উত্তর খুঁজলেন পার্থ প্রতিম রায়

Read more


কালের নিয়মেই একসময় মোদী হারবে এবং তখন জিতবে কংগ্রেসই, এমন মনোভাব নিয়ে চললে যে দেশ নিশ্চিতভাবেই সর্বনাশের পথে যাবে, এরকম নির্ভুল আশঙ্কা অনেকেরই। যেমন তেমনভাবে লড়ে যে মোদীকে হারানো যাবে না, ২০১৯এর নির্বাচনই তার বড় প্রমাণ। ২০২৪ এ কি হবে, সেই দিকে তাকিয়ে পুরো দেশ।

Read more


দুর্বল কেন্দ্র ও সবল রাজ্য বিরোধী এই মতাদর্শগত পশ্চাদপদতার আলোচনার শুরুতে এটুকু বলা উচিত যে আজকাল ভবিষ্যতের থেকে কম্যুনিস্টরা স্মৃতি রোমন্থনেই বেশি স্বস্তি অনুভব করেন। আজকাল নাকি সমাজতান্ত্রিক জনচেতনার বড়ই অভাব, যা নাকি এককালে বিরাট ছিল --- এই ভ্রান্তিতেই আমাদের দিন কাটছে। আমরা ভুলেই গেছি বোধহয় যে প্যারী কম্যুনের সাহস হয়নি মেয়েদের ভোটাধিকার দেওয়ার। বা ১৮৮৬ সালের সেই ঘটনার সময় ট্রেড ইউনিয়নগুলিতে মেয়েদের প্রবেশাধিকার দেওয়া কিছুতেই হয়নি। তৃতীয় লিঙ্গদের সমাজের অন্তর্ভুক্তিকরণের সাহস হয়নি কয়েক দশকের আগের গণচেতনার।

Read more


কর্ণাটকের নির্বাচন শেষ হয়েছে, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস ১৩৫টি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে। তারপরেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যদি কংগ্রেস বাংলায় তাঁদের বিরুদ্ধে না লড়াই করে, তাহলে তাঁরা অন্যান্য রাজ্যে কংগ্রেসকে বিজেপির বিরুদ্ধে সমর্থন করতে রাজি। বিজেপি বিরোধী ঐক্য কি আদৌ সম্ভব বাংলায়? এই কথার অর্থ কী, খুঁজলেন রাহুল মুখার্জী।

Read more


সিপিআইএম দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চায়, মোদী বিদায় নিক। কারণ তারা বোঝে মোদী ২৪ সালে আবার জিতলে দেশের পরিস্থিতি কি হতে পারে বা কত বড় সর্বনাশ হতে পারে। দেশে আর ভোট নাও হতে পারে। কারণ হিন্দু চোল রাজতন্ত্রের প্রতীক সেঙ্গল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে মোদী প্রমাণ করেছেন যে, তিনি তীব্রভাবে হিন্দু রাষ্ট্র ও রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে। আর রাজতন্ত্রে যে গণতন্ত্রের স্থান নেই, সেটা তো সবারই জানাা, কিন্তু বাংলার সিপিআইএম কি তা বোঝে?

Read more


বাংলায়, ইন্ডিয়া জোটের নির্বাচনী ঐক্য হয়নি। ঠিক যেমন হয়নি কেরালাতে। তাহলে ইন্ডিয়া জোটের কোনও শরিক, যদি বাংলায় বা কেরালায়, এই শরিকদলের কোনও একটি দলকে ভোট দিতে না বলে, জনগণের বিচারবুদ্ধির ওপর ছেড়ে দিয়ে বলে বিজেপিকে হারান, কাকে হারানো উচিৎ, তা যদি জনগণের প্রজ্ঞার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে ভুল কোথায়?

Read more