পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

এই মুহূর্তে সারা পৃথিবীর বহু মানুষ ফেসবুকের একটি ফেসঅ্যাপ চ্যালেঞ্জে মগ্ন। সকলে নিজের ছবি দিয়ে বৃদ্ধ হলে কেমন লাগবে বা কোনও পুরুষকে মহিলার মতো দেখতে হলে বা উল্টোটা হলে কেমন লাগবে সেই ‘খেলাতে’ ব্যস্ত? কিন্তু এটা কি শুধুমাত্র একটা ‘খেলা’ নাকি এটার পিছনে অন্য কিছু আছে?

Read more


গ্যালিলিওর সময় থেকেই সত্যিটা খুব কম লোকের কাছেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। অনেকে শুনতে না চাইলেও পৃথিবীটাই সূর্যের চারিদিকে প্রদক্ষিণ করছে, যদিও সেই সময়ে বেশীরভাগ মানুষ অন্যরকমটাই বলেছিল। আধার ও কি তাই ?

Read more


যারা আধার বানিয়েছিল, সেই নন্দন নিলেকনি কিন্তু এই আরোগ্য সেতুর পিছনে অন্যতম মাথা। তাঁরাই ভারতবর্ষে ওই ‘বাহন’ বলে মোবাইল অ্যাপলিকেশন তৈরি করেছিল, যার সাহায্যে দিল্লি দাঙ্গার মতো ঘটনায় বেশ কিছু গাড়ি পোড়ানো হয়েছিল বলে জানা গেছে। তাহলে আসলে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্য একটি কেন্দ্রীভুত তথ্য ভান্ডার বানানো যার মধ্যে দিয়ে সে শুধু নাগরিকদের নজরদারি করবে আর কিছু নয়।

Read more


সরকার কি আদতে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের প্রতিটি পদক্ষেপকে নজরে রাখতে চাইছে? আধারের সঙ্গে থাকা বায়োমেট্রিক্স সহ বিশাল তথ্য ভাণ্ডার কি ধীরে ধীরে আইনত নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হবে? অদূর ভবিষ্যতে আমরা কি এমন কোনও দেশ দেখতে চলেছি; যেখানে সর্বত্র মনে করিয়ে দেওয়া হবে-"BIG BROTHER IS WATCHING YOU"?

Read more


রাস্তায় কৃষকরা বসে থাকুন ঠান্ডায় গরমে বর্ষায়। ছবি না হলেই হলো। টিভিতে যেন দেখানো না হয়, নেটে যেন ঘুরে না বেড়ায়। আজকের ফ্যাসিস্টদের ধারণা, ছবির ওপরই সব নির্ভর করে, ছবি দেখানো কিম্বা তোলা যদি বন্ধ করে দেওয়া যায়, রাষ্ট্ৰবিরোধী আন্দোলনও বন্ধ হয়ে যাবে।

Read more


পেগাসাস স্পাইওয়ার, আরোগ্যসেতু, স্বাধীন সংবাদপত্রগুলির অফিসে ইডি-র তল্লাশি, সিনেমাটোগ্রাফি বিল – মতপ্রকাশের তথা নাগরিকের মৌলিক অধিকার খর্বকারী সমস্ত নীতি আসলে আমাদের চোখ ফেরাতে বাধ্য করে অতীতের দিকে। মতপ্রকাশের অধিকারের উপরে এই চূড়ান্ত আক্রমণের সময়ে তাই ফিরে দেখার প্রয়োজন রয়েছে ঔপনিবেশিক কাঠামোকে যার এক উন্নত রুপ আমরা আজ দেখছি প্রাত্যহিক জীবনে। কোম্পানির সময়ে নজরদারির বা বিরোধী স্বরকে স্তব্ধ করার লক্ষ্যে প্রচলিত হওয়া অন্যতম কুখ্যাত আইন হলো ‘দেশীয় সংবাদপত্র আইন’ বা ‘ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্ট’(১৮৭৮) লিখলেন ঋতম মাজি

Read more