পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

আমাদের ভিতরেও একটি গল্প আছে। একটি গানও আছে। সম্প্রীতির গল্প। সম্প্রীতির গান। এককথায় বেঁচে থাকার গল্প, গান। যে গল্প আমরা আমাদের অন্তর থেকে বের করে কাউকে কোনওদিন বলিনি। গানটাও শোনাই নি। তাই আজ তারা সুযোগ বুঝে যে কোনও অজুহাতে বেরিয়ে পড়ছে। শোধ তুলতে আমাদেরকে ধন্দে ফেলছে! সেই ধন্দে আমরা একে অপরের সঙ্গে ঝগড়া করছি। লড়ালড়ি করছি।

Read more


আজ, ৫ নভেম্বর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (১৮৭০ - ১৯২৫) জন্মদিন। তাঁর প্রতি রইলো আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য। তাঁর সম্প্রীতির আদর্শটি আজ অনুধাবন করা খুবই দরকার। সেই কথা মাথায় রেখেই এই লেখা।

Read more


বাগদী পাড়ার রাধামাসী, অশোক কাকুদের কাছে ঈদ অন্যরকম খুশি বয়ে আনত। ঈদের নামাজের পর নাতি-নাতনীদের সঙ্গে করে বাড়িবাড়ি ঘুরে খুচরো পয়সা, লাচ্ছা-সিমুই প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে বাড়ি নিয়ে যেতেন বাগদি বুড়ি। কমদামী শাড়িও জুটে যেত। বাবা-কাকাদের মাথায় হাত বুলিয়ে বলে যেতেন – 'পরের পাব্বোনে একটু দামী শাড়ি দিস বাপ। তুরাই মোর ব্যাটা। মোর ছেলেরা গোরিব, ঠাকুর তোদ্যার পয়সা দিইছে...।' অশোক কাকু, শশাঙ্ক কাকুরা আমাদের চাষবাস দেখাশোনা করতেন। ঈদ তাঁদের কাছে ‘বাবুদের উৎসব।’ প্রতিবার আবদার খুব সামান্য। একটা লুঙ্গি জুটে গেলেই বেজায় খুশি। জামা পেলে তো কথাই নেই। বেশ আয়েস করে লাচ্ছা-সিমুই খাওয়ার মধ্যেও তাঁদের মধ্যে গো মাংসের ছোঁয়াছুয়ির আশঙ্কা লক্ষ্য করতাম। অভয় দিয়ে বাবা-কাকারা বলতেন – “নির্ভয়ে খা ভাই। তোরা আসবি বলে এবেলা মুরগীর মাংস হয়েছে...।’

Read more


৬০০ বছর ধরে দুর্গার পুরোহিত জামালের পরিবার, আমরা যখন সম্প্রীতির কথা বলি, তখন কি এই ঘটনাগুলো আমাদের স্মরণে থাকে? আমরা যখন বাঙালী অবাঙালী করি, তখনও কি আমাদের এই রাজস্থানের মন্দিরের ঘটনা মনে থাকে? লিখলেন চন্দ্রশেখর ভট্টাচার্য্য

Read more


ধর্ম ধর্মের জায়গাতেই থাক,একে অপরের আনন্দে আমরা যদি সামিল না হই,তাহলে আমরা আপন হবো কী করে! পুজোর নিমন্ত্রণে বন্ধুর বাড়ি গিয়ে পেটপুরে খেয়ে আসি লুচি-বন্দে,মিস্টি,আবার ঈদের সময় আমি নিমন্ত্রণ করি বন্ধুদের। আমার বাড়িতে খেয়ে যায় লাচ্ছা,সেমাই,পোলাও। আমাদের মেলামেশায় কখনও তো 'আমরা-ওরা' শব্দটা আসে না! আবুল কাকার দোকানে যখন বামুন বাড়ির বউটা চিনি,মুসুরি,তেল,নুন কিনে নিয়ে যায়,তখন তো আমাদের কোনও ভেদাভেদ থাকে না।

Read more


পুজোর দিনগুলোতে টিউবলাইটের নিয়ন আলোতেও দেখতে পেতাম চেনা, অচেনা মুখগুলোতে খুশির ঝলকানি। এক পোয়া জিলিপি আর আড়াইশো মিহিদানা এই দুটো ছিলো মাস্ট বাই এর লিস্টে প্রথম দিকে। আমার পাড়ার কারো বাড়িতে তখন মূল ফটক বা দরজা ছিলো না। একটা বাড়িতে ঢুকলে ,সব বাড়ি বেড়িয়ে পাড়ার শেষ বাড়ি পর্যন্ত যাওয়া যেত। হাটখোলা মন। খিড়কি, দরজা বিহীন। ঠাকুর দেখে ফিরলেই আমার নানীর প্রথম প্রশ্ন, কী আইনছেন মোর তানে? এক অন্য পুজোর গল্প...

Read more