পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

হারিয়ে যাওয়া মানুষ

  • 01 January, 1970
  • 0 Comment(s)
  • 205 view(s)
  • লিখেছেন : রেজানুল করিম
সেই যে লোকটি বাড়ি ফিরে এল তারপর এক মুহূর্তও বসল না। না খেলে জল, না বলল কোনও কথা। দুপুরের ঠা ঠা রোদে ছাতা থাকতেও বগলে ছাতা ধরে রেখে, ঝোড়ো কাকের মতো ইয়াচিন মোল্লা যখন ফিরল তখন তার চোখের দিকে চাইতে অস্বস্তি হতে শুরু করল ছেলে বউ সেরিনা খাতুনের।

চোখ দুটো রক্ত জবা লাল, এখনই ফেটে গলগল করে রক্ত বেরিয়ে পড়বে, অথচ মুখমন্ডলে কোনও ক্রোধের ছাপ নেই বরং একরাশ হতাশা এবং এক গভীর পাঁকেভরা অনিশ্চয়তার ক্লেদ যেন তাকে মরণাপন্ন করে ফেলেছে।

ও আব্বা, কী হয়েছে? 

ওদিক থেকে কথার কোনও জবাব নেই।

আব্বা! ও আব্বা! কথা বলছ না কেন? 

দীর্ঘ অপেক্ষার পর যখন কোনও উত্তর পাওয়া গেল না তখন সেরিনা হতাশ হয়ে গিয়ে তার অসমাপ্ত কাজ রান্নার জ্বালানি যেটি সে এই কিছুক্ষণ আগে শ্বশুর আব্বার ফেরার সময় উনুনের মুখ থেকে একটু টেনে সরিয়ে রেখেছিল, সেটি আবার সেই প্রবেশমুখ দিয়ে ধিকি ধিকি করা জ্বলা অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে গুঁজে দিতে গেল। সে বেচারা এতক্ষন হাঁ করে অপেক্ষা করছিল, কখন আবার একটু নতুন ইন্ধন তার মধ্যে পড়ে জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাবে। একটু লেখাপড়া জানা এ বাড়ীর বউ সেরিনা উদাস নয়নে ভাবতে বসে, আচ্ছা যদি যত দুঃখ কষ্ট, পাপ তাপ, হিংসা দ্বেশ সব এমন করে ওই উনুনের মধ্যে জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যেত তবে পৃথিবীটা আবার বুঝি ভালোবাসায় পরিপূর্ণ হয়ে থাকতে পারত!

শ্বশুরমশাই কথা বলছেন না কেন? 

কী হয়েছে? 

ঘাড় কাত করে রান্নাঘরের ছিটেবেড়ার ফাঁক গলে সেরিনা নিজের দৃষ্টিকে বাইরে ফেলে দিয়ে বোঝবার চেষ্টা করে শ্বশুর আব্বা করছেনটা কী?

 

—ও আব্বা কী খুঁজছ?

গোয়ালঘরের আশেপাশে আঁতি পাঁতি করে কোনও কিছু একটা খুঁজতে দেখে সেরিনার বুকটা ছ্যাঁত করে ওঠে। যে মানুষটা ঘরে ঢুকে মা মা বলে ডেকে প্রথমেই এক ঘটি জল খেতে চায় সে আজ অমন অসংলগ্ন ব্যবহারই বা করল কেন বা অমন নিশ্চুপ কেন? কী খুঁজছেন উনি, দড়ি নয় তো! কত কথাই মনে পড়ে যায়! অমন করেই তো একদিন তার বড়োভাই সামান্য কারণে পাড়ার মেম্বারের কাছে অপমানিত হয়ে এসে ফাঁসি লাগিয়ে দিয়েছিল। তার নিজের তখন কতই বা বয়স! বড়জোর ছয় বা সাত। এখনও তার স্পষ্ট মনে আছে সব।

ও আব্বা! ভোট দিতে গেলে তারপর ফিরে এসেই, এমন চুপ হয়ে গেলে কেন? মেম্বার সাহেব কি খারাপ কিছু বলেছে? ওসব কথা ছাড়ো তো! না হয় নাই বা পেলাম আমরা ঘর। ও তোমার ছেলেই করে নেবে’খন। দেখে নিও। আব্বা! ও আব্বা, শুনছ!

উল্টোদিক থেকে কোনও জবাব আসে না। গ্রীষ্মের প্রবল দাবদাহে পুড়ে যাওয়া লৎপত করে বাতাসে নুইয়ে দেওয়া লম্বা ঘাস গুলির মাথার মতো টিকে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করতে করতে ইয়াচিন একবার কেবল করূণ চোখে অবোধ এই মেয়েটির দিকে তাকায়। সেই তাকানোতে নেই কোনও জগত সংসারের সাথে পরিচয়ের চিহ্ন, নেই কোনও স্নেহার্দ্র দৃষ্টি। দৃষ্টিতে শূন্যগর্ভ কলসির অভ্যন্তরের অন্ধকার নিয়ে ক্ষণিকের তরে বউমার দিকে তাকিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়ে গোয়ালঘরের আড়ার দিকে দৃষ্টিপাত করে। পেয়ে যায় তার খুঁজে ফেরা জিনিসটি। একটি কোদাল। সেটি নিয়ে এবার হনহন করে হাঁটা দেয় ইয়াচিন মোল্লা ওরফে মোল্লা ইয়াচিন।

আজ সকালে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে, তবে এটি বর্ষাকাল নয়। এপ্রিলের এই শেষ দিকপানে মাঝে মাঝে গুমোট কাটানোর জন্য প্রকৃতি খেপে খেপে বারিবর্ষণ করে যাচ্ছে। তাতে গরমটা সহনীয় হয়ে উঠলেও গুমোট ভাবটি পুরোপুরি কাটেনি। সবথেকে বড়কথা সেরিনার মনে সংশয়ের মেঘ রেখেই কোদাল নিয়ে হাঁটা দিয়েছিল ইয়াচিন, সাথে কি ঝুড়ি জাতীয় অন্য কিছু নিয়েছিল আব্বা! সেরিনা মনে করতে পারে না। ঝুড়ি যদি নিয়ে থাকে তবে কি একশো দিনের কাজে কারোর পুকুর কাটতে গেল? সেও তো বন্ধ আছে, আজ বহুদিন হল। তাহলে? নিজের জমিজমার দশ কাঠার খণ্ডটুকুই বেঁচে আছে শুধু। তাতে এখন মিষ্টি কুমড়োর চাষ। ফসল তোলা শেষের দিকে। কোণের দিকটি ফাঁকা। গাছ মরে গেছে। দৃষ্টির বাইরে বেরিয়ে গেলে সেরিনার শ্বশুর আব্বাও মনের বাইরে চলে যায়। সেরিনা দুপুরের খাবার রান্না করার কাজে মন দেয়। এদিকে ইয়াচিনও এসে পড়ে জমির সেই কোণে, যেখানে গাছগুলো মরে গেছে। সেও তো মরা মানুষ। আলের ধারে বসে পড়ে সে। দমকা একটা হাওয়া দেয় আর সেই হাওয়ায় তার মনের অবরুদ্ধ বেদনা বাঁধভাঙ্গা বন্যার জলের মতো হুড় হুড় করে বেরিয়ে আসে। তবে তা একই বেগে নয়। দমকে দমকে ফুলে ফুলে সেই মানুষটি কেঁদে ওঠে। কান্নার বেগ থামাতে পারে না বলে এক সময় হাউ হাউ করে কেঁদে ওঠে যেমন অঝোরে কেঁদেছিল আজ সকালে ঈশ্বরীগাছার বটতলায় বসে। পাশে এসে শুধিয়েছিল হরিহর কাকা। কিছুই বলতে পারেনি তাকে।

ঝুরঝুরে মাটির উপর কোদালের কোপ একের পর এক নেমে আসে ধপ ধপ। মাটি কি সেই আঘাতে কেঁদে ওঠে? কী জানি! উপরের স্তরের মাটি কোদালের কোপে কমে ও ঝুড়ি ভরে ওঠে। একটি লম্বাটে মাপের গর্ত গড়ে উঠতে থাকে। মাটি উপরে ওঠে আর ইয়াচিনের পায়ের তলার মাটি সরে সরে যায়। এইভাবে মাটি কাটতে কাটতে অবশেষে সে কি পাতালে প্রবেশ করতে পারবে? ক্ষোভে দুঃখে সে জানকি মায়ের মতো পাতালে প্রবেশ করতে চায়। জানকির দুঃখে ধরিত্রী মাতা দু'ভাগ হয়ে গিয়েছিল। তাঁর অপমান দুঃখের দায় ছিল প্রভু শ্রীরামচন্দ্রের প্রজারঞ্জনের ছলে অন্যায় বিচার। ইয়াচিনের দুঃখের দায় কার? ইয়াচিন জানে এ দায় তার নয়।

 

থামে না সে। কোপের উপর কোপ চলতে থাকে। ঝুড়ি ভরে মাটি ওঠে। মাথায় তুলে দূরে ফেলার সামর্থ্য হয় না। টেনে হিঁচড়ে গর্তের পাড়ে ফেলে সে মাটি। পরিশ্রমের কষ্ট আর মনের কষ্ট, দুটো কষ্ট মিলেমিশে মানুষটির দম বন্ধ করে ফেলে। জোরে জোরে শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ে কষ্ট কমানোর চেষ্টা করে কিন্তু পারে কই! ঘন্টা দুয়েকের পরিশ্রমে কোমর সমান গর্ত খোঁড়া হয়ে গেছে। আর পেরে ওঠে না সে। তেষ্টায় বুকের ছাতি ফেটে যাওয়ার জোগাড় হয়। সকালে সেই যে চা মুড়ি খেয়ে বেরিয়েছিল তারপর পেটে কিছু পড়েনি। পেটের মধ্যে যেন আগুন জ্বলছে। আর পেরে ওঠে না ইয়াচিন। এবার থামতে হবে। আছড়ে পাচড়ে সেই অর্ধসমাপ্ত গর্তের মধ্যে থেকে উঠে এসে লস্করদের বড়ো খন্দের ধারে শ্যালো টিউবওয়েলের দিকে টলমলে পায়ে চলতে থাকে। সর্বাঙ্গ ঘর্মাক্ত, কাদামাটি মাখা, টকটকে লালচোখো, করুণ মুখের মানুষটিকে দেখে পাগল পাগল মনে হয়। বগবগ করে পাতালের জল উগরে দেওয়া শ্যালোমেশিনের পাইপের মুখে মুখ লাগিয়ে ঢক ঢক করে আকণ্ঠ জলপানে পিপাসা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সে।‌ কিন্তু সেই জলে এত দুর্গন্ধ যে দু তিন ঢোকের বেশি খাওয়া হয়ে ওঠে না। খালি পেটে ওই জল পেটের মধ্যেকার ব্যাথা চাগাড় দিয়ে তোলে। বমি বমি ভাব পায় ইয়াচিনের।

ওদিকে কাজের তদারকিতে ব্যস্ত লস্করদের বড়ো ছেলেটি কাছাকাছি এসে পড়ে। 

চাচা ভোট দিয়েছ?

কখন গিয়েছিলে? 

আবারও ওদিক থেকে কোনও উত্তর এল না।

উল্টোদিকে হাঁটা দিয়ে আবার সেই অসমাপ্ত লম্বাটে গর্তের কাছে এসে পড়ল সে। মাথার উপর সূর্য তখন চরম রুদ্ররূপ ধারণ করেছে। ওসব প্রাকৃতিক বিষয়, সেদিকে খেয়াল করার প্রয়োজন নেই। কোদাল চালাতে চালাতে মনে পড়ে না, দুপুরে সময় মতো না ফিরে গেলে সেরিনা দুশ্চিন্তা করবে। ছেলেটির ফিরতে ফিরতে বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা। আবার কোদাল চলতে থাকে ধপ ধপ। অসংলগ্ন চিন্তাভাবনা সব মাথার মধ্যে ঘুরপাক খায়। একটি ভাবনার সাথে অন্য ভাবনার কোনও ধারাবাহিকতা থাকে না। পেটের মধ্যে ক্ষুধাবোধও ভোঁতা হয়ে গেছে। মাথাটিও যেন ঠিকভাবে কাজ করছে না। তার মধ্যেই হঠাৎ করে মনে পড়ে, আচ্ছা আমি কি উত্তর দক্ষিণে গর্তটা করেছি? প্রমাণ মানুষ সমান লম্বা হয়েছে তো! গভীর কত করতে হবে? অনেকটাই তো মনে হয়! পূর্ব অভিজ্ঞতা স্মরণে আনার চেষ্টা করে ইয়াচিন। সেসব অভিজ্ঞতার কথা ভাবনার মধ্যে না এসে হঠাৎ করেই সেই সকালের মুহূর্তগুলো চোখের সামনে ভেসে ওঠে। কোদালটি হাত থেকে ছেড়ে দিয়ে গর্তের ভিজে ভিজে মাটির মধ্যেই বসে পড়ে সে। 

সকালে ভোটের লাইনে যখন বি এল ওর কাছে অবধি পৌঁছেছিল, বি এল ও তখন অবাক হয়ে তাকিয়েছিল ইয়াচিনের দিকে। সংক্ষিপ্ত একটি কথাই বলেছিল, কাকা, তুমি ভোট দিতে এলে কেন? তোমার ভোট নেই। 

কেন? 

তোমার নাম কেটে দিয়েছে। 

এই দ্যাখো বলে, ভোটারলিস্টে মোল্লা ইয়াচিনের নাম দেখিয়ে দিল। নামের পাশে লেখা আছে ডিলিটেড, খোপের মধ্যে লেখা ছিল (E)।

মানে? 

বি এল ও তাপস মাস্টার কিছু বলে না।

কাটল কেন মাস্টার? 

এই E মানে মৃত।

অ্যা! এক গভীর আর্তনাদের শব্দ বের হয়ে এল ইয়াচিনের কন্ঠ ভেঙে। আমি মরে গেছি? আমি নেই? তা কী করে সম্ভব!

কাকা চিন্তা কোরো না। সব ঠিক হয়ে যাবে। তাপস মাস্টার বলল। পিছনে দাঁড়ানো বিকাশ, বিধান ও অনন্তের দলটি টোন কেটে কুট করে বলে দিলে, চাচা তোমাদের মিয়াদের ভোট দেওয়ার দরকার নেই! মরে যখন গেছ, বাড়ি চলে যাও। 

এ কথায় ইয়াচিনের বুকে বড় আঘাত লাগল। এই সেদিনকার ছেলেপুলে এগুলো। এদেরকে ন্যাংটা হয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখেছে সে। তাদের মনে এত এত বিদ্বেষ এল কোথা থেকে? ক্ষণিকের জন্য এমন চিন্তায় আক্রান্ত হয়েই নিজের শরীরের ভিতরটা যেন এক বিরাট শূন্যস্থান হয়ে গেছে তেমনই অনুভূতি এল। ফুসফুস ভরে বাতাস টেনে নিলেও অপমান, অনিশ্চয়তা ও তার প্রতি সংঘটিত অন্যায়ের জন্য সেই শূন্যস্থান পূরণ হয় না। আর কোনও কথা না বাড়িয়ে টলোমলো পায়ে রোগগ্রস্ত এক বৃদ্ধের মতো হেঁটে এসে বসেছিল বটতলায়। কাঁদছিল খুব! আর তখনই ‘কী হয়েছে’ শুধিয়েছিল হরিহরকাকা। কিছুই বলতে পারেনি সে। আর তারপর থেকেই আর কোনও কথা বলেনি ইয়াচিন মোল্লা ওরফে মোল্লা ইয়াচিন। অমনই তার পরিচয় ছিল ২০০২ এবং ২০২৫ এর ভোটার লিস্টে। তাপস মাস্টার বলেছিল এমন কথা। বটতলায় বসার পরেই মনে এসেছিল মরা মানুষ কি আর বার্ধক্য ভাতা পেতে পারবে? তাহলে তার চলবে কী করে!

দুপুরের দিকে সেরিনা একবার এসে ঘুরে গেছে। শ্বশুর আব্বার এমন সৃষ্টিছাড়া কাজ দেখে অনেক সাধাসাধির পর কান্নাকাটি করে ফিরে গেছে। মাগরিবের আগে স্বামী স্ত্রী দুজনেই এসেছিল। এসেছিল স্বয়ং মেম্বার আহমদ আলি। গাঁয়ের ইমাম সাহেব এসে অনেক বোঝাল, হায়াত মৌত একমাত্র আল্লাহর হাতেই। কেউ কাউকে মারতে পারে না। ভাই, তুমি ওই কবর থেকে উঠে এস। 

কাউকে কোনও কথাই বলেনি ইয়াচিন। 

সে যে নেই মানুষ, এক মৃতদেহ, বেনাগরিক। 

শেষমেষ দীর্ঘশ্বাস ফেলে ইমাম সাহেব ইয়াকুবকে নিদিন দিয়েছিল নির্ঘাত জ্বেনে ধরেছে, তা না হলে কথা কয় না কেন? তোমরা সালিশপুর থেকে গুনিন ডেকে আনো।

ভিজে মাটির উপরে শুয়ে রাতের আকাশ দেখতে দেখতে ক্লান্তিতে আচ্ছন্নভাব আসে মৃত ঘোষিত মানুষটির। খাবার, জল, মাদুর, কাঁথা সবই পড়ে থাকে পাড়ে। ঝিঁঝিঁ পোকারা অবিরত ডেকে চলে। রাতচরা পাখি কুব কুব শব্দ করে। নিস্তব্ধতা খান খান করে ভেঙে ওঠে যখন একটি এবং তার পরপর একাধিক হুক্কা হুয়া ডাক শোনা যায়। তারপর কত সময় কেটে যায় তা মনে করা হয়ে ওঠে না।

হঠাৎ করে আলোর তীব্র ঝলকানিতে বন্ধচোখ খুলতে বাধ্য হয় মানুষটি। তীব্র আলোকে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। নীল কালো চেহারার, উজ্জ্বল চোখের, লম্বা চুলের অধিকারী, ভয়ানক কন্ঠের ওরা কারা? ওরাই কি ফেরেশতা মুনকির ও নাকির?

তাকে কি উঠে বসতে হবে এবার? 

বজ্রকণ্ঠে প্রশ্ন ওঠে, মান রাব্বুকা? (তোমার রব কে?) 

মা দ্বীনুকা?(তোমার ধর্ম কী?)

মা কুন্তা তাকুলু ফি হাজার রাজুল? (তোমার রাসূল কে?)

কী উত্তর দেবে, ইয়াচিন এখন!

0 Comments

Post Comment