পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

কোভিড, বাংলার শিক্ষা এবং…

  • 04 February, 2022
  • 1 Comment(s)
  • 904 view(s)
  • লিখেছেন : রাণা আলম
প্রাথমিক স্তরে যে জিনিসগুলো পড়ানো হয় তা বাড়িতে প্রাইভেট টিউটর রেখে আরো ভালোভাবে শেখানো সম্ভব। কিন্তু যেটা বাড়িতে সামাজিকীকরণ বা সমাজের উপযুক্ত করে গড়ে তোলাটা বড্ড কঠিন কাজ। একটা বাচ্চা ইস্কুলে এসে আর দশটা বাচ্চার সাথে মেশে। বাকি বাচ্চারা তার একই আর্থিক, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল থেকে উঠে আসে না। তারা একসাথে খেলা করে, বেঞ্চে বসে, টিফিন ভাগ করে খায়। বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। বন্ধুর জন্য কান ধরে দাঁড়াতেও দ্বিধা বোধ করে না। এই সবের মাধ্যমে বাচ্চারা শেখে কিভাবে সবার সাথে জীবনটা ভাগ করে নিতে হয়। তাই প্রাথমিক স্তরের ইস্কুল আগে খোলা জরুরী।

দুহাজার কুড়ি সালে যখন কোভিডজনিত কারণে দিল্লীর শাহী সরকার অপরিকল্পিত লকডাউন ঘোষণা করলেন, তখন আমরা, যারা ইস্কুল কলেজে পড়াই, তারা সব্বাই যে অখুশী হয়েছিল এমনটা বলা যাবে না। বেশ আরামে বাড়িতে থাকা যাবে। আর আমরা তো প্রিভিলেজড ক্লাসের মধ্যেই পড়ি। গুচ্ছের অনলাইন অ্যাপে বাড়িতে বসেই সব কিছু আনিয়ে নেওয়া যায়। এর মাঝে যাদের বাড়িতে বসে খাওয়ার প্রিভিলেজ ছিল সেই আমরা দিব্য নেটফ্লিক্স, ডালগোনা কফি আর স্রেফ বসে থাকার আলস্যে বিরক্ত হয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছিলাম। আর তারই মধ্যে লকডাউনে হেঁটে বাড়ি ফিরতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়লেন কিছু আনপ্রিভিলেজড মানুষ, তা নিয়ে বেশ আমরা সোসাল সাইটে বিপ্লবী স্ট্যাটাসও দিয়ে ফেললাম, কিন্তু হরে-দরে বিষয়টা একই রয়ে গেল। মহামহিম রাষ্ট্রের কাছে যাদের জীবনের মূল্য পোকামাকড়ের চেয়ে বেশি নয়, তারা রাস্তাতেই প্রাণ হারালেন। আমরা, প্রিভিলেজড রা তা নিয়ে ফের গপ্পো লিখলাম, গান বাঁধলাম, আকাদেমিক থিসিস নামালাম, শহরের মধ্যে প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ-টতিবাদও করলাম। রাষ্ট্র হাই তুলে পোষা কাকাতুয়াদের দিয়ে মিডিয়াতে বিবৃতি দেওয়ালো যে অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট। পাবলিক মিছেই শোরগোল করছে, আদতে কোত্থাও কিস্যু হয় নি।

ইস্কুল বন্ধ হওয়াতে ঠিক কার লাভ হল বোঝা গেল না। পাবলিক ভাবলো বা তাদের ভাবানো হল যে হতচ্ছাড়া মাস্টার রা বাড়িতে বসে বেতন খাচ্ছে। যদিও খাতায় কলমে ইস্কুল বন্ধ হয় নি। মিড ডে মিল এবং বিভিন্ন রোজকাল অফিসিয়াল কাজকর্মের জন্য টিচারদের ঠিকই ইস্কুল যেতে হচ্ছিল। কিন্তু ঠিক যে কারণে ইস্কুল কলেজ খোলা থাকে, সেইটেই হচ্ছিল না, যার নাম পড়াশুনো।

প্রথমে একটা সহজ জিনিস বোঝার চেষ্টা করা যাক যে এই ইস্কুল কলেজ খোলা থাকে কিসের জন্য। রাষ্ট্রের ঠিক কি দায় পড়েছে এসব খোলা রাখার? যেটা জানা আবশ্যক, সেটা হল এই ইস্কুল কলেজ কোনোটাই রাষ্ট্রের দয়াদাক্ষিণ্য নয়। এসবের পিছনেই নির্দিষ্ট কারণ আছে। যদিও মার্ক্স সায়েব বলেছিলেন যে পুঁজিবাদী সিস্টেমে ইস্কুল কলেজ বানানো হয় পুঁজিপতিদের কারখানার কেরাণী তৈরীর জন্য। কিন্তু সে তর্কের আলাদা পরিসর আছে। সহজ কথায় ইস্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যাতে নতুন প্রজন্ম সুনাগরিক হয়ে দেশের উন্নতিতে অংশগ্রহণ করতে পারে। যিনি কোনো সরকারী সংস্থায় চাকরি করছেন, বা কৃষিকাজে যুক্ত অথবা ব্যবসা করছেন, সবাই কোনো না কোনোভাবে এই দেশের অগ্রগতিতে অংশ গ্রহণ করছেন।

কিন্তু এটাই ইস্কুল বা কলেজ খোলার একমাত্র কারণ নয়। প্রাথমিক স্তরে যে জিনিসগুলো পড়ানো হয় তা বাড়িতে প্রাইভেট টিউটর রেখে আরো ভালোভাবে শেখানো সম্ভব। কিন্তু যেটা বাড়িতে সামাজিকীকরণ বা সমাজের উপযুক্ত করে গড়ে তোলাটা বড্ড কঠিন কাজ। একটা বাচ্চা ইস্কুলে এসে আর দশটা বাচ্চার সাথে মেশে। বাকি বাচ্চারা তার একই আর্থিক, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল থেকে উঠে আসে না। তারা একসাথে খেলা করে, বেঞ্চে বসে, টিফিন ভাগ করে খায়। বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। বন্ধুর জন্য কান ধরে দাঁড়াতেও দ্বিধা বোধ করে না। এই সবের মাধ্যমে বাচ্চারা শেখে কিভাবে সবার সাথে জীবনটা ভাগ করে নিতে হয়।

দুবছর ধরে ইস্কুল বন্ধ, বাচ্চাদের জীবন থেকে দুটো বছর কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কেউ কি আমরা আদৌ বুঝতে পারছি বা বোঝার চেষ্টা করেছি যে এর ফলে বাচ্চাদের ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে?

লকডাউন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই সরকার বাহাদুর কইলেন যে এরপর থেকে সব অনলাইনে পড়াশুনো হবে। কিন্তু কিভাবে হবে তা খোদায় মালুম। জানা গেল যে টিচার রা জুম, স্কাইপে, গুগল মিট ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ক্লাস নেবেন আর ছাত্রছাত্রীরা সোনামুখে সেসব ক্লাস করে দিগগজ হয়ে উঠবে। রাজ্যের টিচার রা, যারা অধিকাংশই ব্ল্যাকবোর্ডটাও ঠিকঠাক ব্যবহার করতেন কিনা সন্দেহ তারা অনলাইনে কিভাবে ক্লাস নিতে হয় তা নিয়ে হাত পাকাতে শুরু করলেন। কিন্তু এসবই সীমাবদ্ধ রইলো কলেজ আর বেসরকারী স্কুলে। কিছু সরকারী বা সরকারী সাহায্যে চলা ইস্কুল নিজের মত অল্পবিস্তর চেষ্টা করলেও শিক্ষাদপ্তর থেকে কোনো সিদ্ধান্তই হল না যে রাজ্যে প্রান্তিক ছেলে মেয়েদের পড়াশুনো কভাবে চলতে পারে তা নিয়ে। তারা হয়ত ভেবেই নিলেন যে চাল, ডাল ইত্যাদি যখন দেওয়া হচ্ছে তখন আর পড়াশুনোর কথা ভেবে হবে টা কি?

এবং একথাও সত্য যে তখনও শিক্ষককুলের অধিকাংশই এই ইস্কুল বন্ধ থাকার বিপদটি সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারেন নি। এর মাঝে বাজার ধরতে নামলো একাধিক বেসরকারী লার্নিং অ্যাপ। বলিউডের বাদশা ঘনঘন দেখা দিতে থাকলেন বাইজু নামের লার্নিং অ্যাপের বিজ্ঞাপনে। প্রিভিলেজড বাড়ির ছেলে মেয়েরা বাড়িতে স্কুল ইউনিফর্ম পরে ল্যাপটপ খুলে ক্লাস করতে থাকলো। শিক্ষাদপ্তরের কর্তারা দাঁত কেলিয়ে ঠান্ডা ঘরে বসে নিজেই নিজেদের পিঠ চাপড়ে কইলেন,

“কি সুন্দর চলছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা”।

আর ওদিকে রহিম শেখ এবং রামা কৈবর্ত এর বাড়ির ডাগর ছেলেগুলো মাঠে অথবা কারখানায় খাটতে গেল, মেয়েরা সোমত্ত হলে বিয়ের আয়োজন হল। বিশাল ইস্কুল বাড়িগুলো ভূতের মত দাঁড়িয়ে থাকলো।

কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ এর পরে যখন জনজীবন একটু করে স্বাভাবিক হতে থাকলো, তখন মাননীয় সরকার বাহাদুর বিভিন্ন সরকারী আপিস, কল-কারখানা, বাস-ট্রেন সবই খুলে দিলেন। ভ্যাকসিনেশনের গতি বাড়লো। কিন্তু ইস্কুলের কপালে আর শিকে ছিঁড়লো না। যে সরকার কথায় কথায় কমিটি গঠন করেন (বাজার দর নিয়ন্ত্রণ করারও একটা কমিটি আছে শুনেছি কিন্তু তারা কোথায় বাজার করেন জানিনা), তারা ইস্কুল খোলার বিষয়ে বিন্দুমাত্র আগ্রহ দেখালেন না। তারপর রাজ্যে টিউটোপিয়া নামে একটি লার্নিং অ্যাপ পা রাখলো। খুব অবাকজনক ভাবে রাজ্য সরকারের অন্যতম প্রধান মুখ, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী আর পর্ষদের বর্তমান সভাপতি তাতে থার্টি টু অল আউট পোজে মুখ দেখিয়ে রবিঠাকুর যেমন উন্মাদের মহৌষধের বিজ্ঞাপন দিতেন, সেই ধারায় কইলেন,

“আমি ইহার উপকারিতা সম্পর্কে অবগত আছি”।

টিউটোপিয়া একটি নির্ভেজাল ব্যবসায়িক সংস্থা। তারা লার্নিং অ্যাপ বানিয়ে ব্যবসা করতেই এসেছে, দাতব্য করতে আসেনি, এটা বোঝার ক্ষমতা আমাদের নিশ্চয়ই আছে। দু বছর মাননীয় সরকার বাহাদুর শীতঘুমে থাকলেন তারপরে শিক্ষাদপ্তরের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত কেষ্টবিষ্টু দুজন একটি বেসরকারী লার্নিং অ্যাপের বিজ্ঞাপনে মুখ দেখালেন। জেলার বিভিন্ন ইস্কুলের প্রধানদের টিউটোপিয়া তাদের মহান আকাদেমিক উদ্যোগের কথা বোঝাতে শুরু করলো।

যদি তর্কের খাতিরে ধরেও নিই যে মাননীয় সরকার বাহাদুরের এতদিনে ঘুম ভেঙ্গেছে যে অনলাইন এডুকেশন এর পরিকাঠামো গড়ে তোলা দরকার, তাহলে সেক্ষেত্রে কলকাতায় ডেভিড হেয়ার ট্রেনিং কলেজের ক্যাম্পাসে থাকা স্টেট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং নামক সংস্থাটিকে কাজে লাগানো হল না ক্যানো? তারা তো এইধরণের কাজে যথেষ্ট দক্ষ। দরকারে স্কুল কলেজের টিচারদের কাজে লাগানো যেত। তা না করে একটি বেসরকারী সংস্থা যারা নিখাদ ব্যবসায় নেমেছে তাদের প্রোমোট করার দায়িত্ব নিয়ে ফেলেছেন শিক্ষা দপ্তরের দুই কর্তাব্যক্তি।

ইহা কি নিতান্তই কাকতালীয়?

এইখানেই শেষ হচ্ছে না এই ধারাপাত। গত দুবছর ধরে শিক্ষাদপ্তর বিকল্প পাঠদান নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তাভাবনা করেছে এরম অপবাদ তাদের চরম শত্রুও দেবে না। কোভিডের তৃতীয় ঢেউ এর পর যখন রাস্তায় নামলেন শিক্ষক, অভিভাবক এবং আদালতে মামলা হল, তখন শিক্ষাদপ্তর ‘শিক্ষার আলয়’ নামের একটি হাঁসজারু প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন। সেখানে কিভাবে কি হবে তা আদৌ স্পষ্ট নয়। খোলা মাঠে যদি বাচ্চাদের পড়ানো যায় তাহলে ডাক্তারদের পরামর্শ মেনে তাদের স্কুলবাড়িতে ডাকতে অসুবিধেটা কোথায়? আর খোলা মাঠে বাচ্চাদের টয়লেট, জল খাওয়ার জায়গা, মিড ডে মিল এগুলো তো আর আকাশ থেকে পড়বে না। কার্যক্ষেত্রে দেখা যাবে যে এই শিক্ষার আলয় গোছের স্কিম আদতে সেই স্কুলের মাঠেই হচ্ছে। এবং নিশ্চিতভাবে এই ধরণের শিক্ষাক্ষেত্রে প্রিভিলেজড ঘরের ছেলেমেয়েদের তাদের বাবা-মা পাঠাবেন না। ফলে ইস্কুল খোলার যে সামাজিক উদ্দেশ্য থাকে সেগুলো কিছুই পূরণ হবে না।

এবং সবশেষে, আমাদের শিক্ষককুলের প্রতি প্রশ্ন থাকছে যে আদৌ কি এই অনলাইন এডুকেশনের নামে প্রাইভেটাজেশনের ঢেউ আসছে সেটা কি বুঝছি আমরা? জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নামের যে নতুন পলিসি কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ে এসেছে তাতে উচ্চশিক্ষায় ঢালাও বেসরকারিকরণকে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আরো বেশি করে স্থাপিত হবে। সরকারী মৌলিক গবেষণা খাতে বাজেট দিন কে দিন কমছে। ২০১৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি আয়োগের প্রধান অমিতাভ কান্ত স্কুল শিক্ষা কে বেসরকারী হাতে তুলে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা বলেছিলেন।

মুশকিল হচ্ছে আমাদের রাজ্যের শিক্ষককুল অধিকাংশই উটপাখির মত বালিতে মুখ গুঁজে থাকেন। তারা ভেবেই নিয়েছেন যে তাদের কিস্যু হবে না। ২০১৫ সালে রাজস্থান সরকার সত্তর হাজার সরকারী ইস্কুলকে বেসরকারী হাতে তুলে দিতে চেয়েছিলেন। ভোটের কথা ভেবে তা স্থগিত হয়। এই ২০২১ সালে ত্রিপুরায় ১০০টি রাজ্য সরকার পরিচালিত স্কুলকে বেসরকারী হাতে তুলে দিচ্ছে।

এরপরেও কি আমরা সত্যিই খুব নিরাপদ জায়গায় আছি? এমনিতেই প্রচুর নন আকাডেমিক কাজের চাপে স্কুলগুলোর পঠন-পাঠন ভীষণ ভাবে ব্যহত হচ্ছে। শিক্ষক নিয়োগ ভীষণ অনিয়মিত। স্রেফ টিচারের অভাবে রাজ্যে ৬৯টা আপার প্রাইমারি স্কুল উঠে গেল। এদিকে আমরা, টিচার রা, নিজেদের পে কমিশন আর ডিএ নিয়ে যতটা সরব, তার অর্ধেকও ইস্কুলের পরিকাঠামো বা পড়ানো নিয়ে ভাবিনা। আমাদের একটা বড় অংশ চাকরিতে ঢোকার পর নিজেকে বিন্দুমাত্র আপডেট করেন নি।

এই লকডাউনে মানুষকে বিশ্বাস করানো হয়েছে যে সরকারী ইস্কুলের মাস্টাররা বাড়িতে বসে বেতন পায়। আমাদের ইস্কুলের মাস্টার রা সচরাচর নিজেদের ছেলে মেয়েকে কখনই সরকারী ইস্কুলে পড়ান না। অর্থাৎ, আমরাই বিশ্বাস যোগাচ্ছি যে সরকারী ইস্কুলে কিস্যু পড়াশুনো হয় না।

কাল যদি সরকার বলে যেখানে পড়াশুনোই হয় না সেখানে এতগুলো মাস্টার পুষে, ইস্কুল চালিয়ে কি লাভ? টিউটোপিয়ার মত লার্নিং অ্যাপকে দায়িত্ব দিলেই তো হয়।

স্যার, সময় এসেছে, ‘ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন’।

1 Comments

সুমন সেনগুপ্ত

04 February, 2022

খুব ভালো প্রতিবেদন। বাইজুস বা টিউটোপিয়া যে কোনো সমাধান নয়, তা আবার বলা জরুরী।

Post Comment