পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

বাতাবী-লেবুর বাঙালী ও বিশ্বকাপ ফুটবলের আঙিনায় বঙ্গবালা!

  • 01 January, 1970
  • 0 Comment(s)
  • 203 view(s)
  • লিখেছেন : সুব্রতা ঘোষ রায়
বিবেকানন্দ নাকি বাঙালী যুবকদের বলেছিলেন ফুটবল খেলতে । পরে এই বিষয়ে পড়াশুনো করে দেখেছি যে ১৮৯৭ সালে মাদ্রাজে 'ভারতীয় জীবনে বেদান্তের প্রয়োগ' শীর্ষক বক্তৃতায় স্বামী বিবেকানন্দ ভারতীয় যুব-সমাজকে ফুটবল খেলার বার্তা দেন। খেলতে খেলতে, খেলা দেখতে দেখতে নির্ভেজাল মঙ্গলালোকে সত‍্য ও সুন্দর হয়ে উঠুক আমাদের মানবজমিন …. একাকার হয়ে যাক বাঙালীর বাতাবীলেবু থেকে বিবেকানন্দ ও বিশ্বময় একক বল নিয়ে লক্ষ্যভেদের খেলা!

আমাদের শিলিগুড়ির রেল কোয়ার্টার্সে একটি  খুব সুন্দর বাতাবীলেবুর গাছ ছিল । সেই গাছে এত বাতাবীলেবু ধরত, যে অনেকে এসে সেই আমলের সেই নেগেটিভ-পজিটিভের ক্যামেরায় গাছের ছবি তুলে নিয়ে যেত। মাঝারি গাছ। প্রায় হাতের নাগালেই  অনেক বাতাবীলেবু। অনেক সময় কোন ছোট বাচ্চাকে গাছে তুলে দিয়ে তাকে বলা  হত  বাতাবিলেবু পাড়তে - সেই অবস্থাতেও ছবি তোলা হত । সেরকম একটি ছবি আমাদের বাড়ির পুরনো অ্যালবামে এখনো আছে । বাচ্চাটিকে  গাছে ওঠানোর  অর্থ ছবিতে একটি বিশেষ ও নির্দিষ্ট সাবজেক্ট আনা। ফলন্ত বাতাবিলেবু গাছের ছবি তো পাওয়াই যায়। কিন্তু এই সাবজেক্ট একেক জন ফটোগ্রাফারের ইউনিক হয় । যে কারণে বাতাবীলেবুর গল্প বলছি - এই গাছে শুধু অনেক বাতাবীলেবুই হত না, এত বড় বড় সতেজ বাতাবীলেবু হত  যেগুলো একেকটি ফুটবল সাইজের মত । এই বাতাবী লেবু গাছটি আমাদের বাসস্থানের  একটি অন্যতম আকর্ষণ  ছিল । অনেকেই সেই সময় বাড়িতে আসতেন আর ঐ রকম উচ্চ-ফলনশীল বাতাবীলেবু গাছ দেখে ছোট্ট গেঁড়ি-গুগলি আমাদের বলতেন - আগে তো এই বাতাবীলেবু দিয়েই ফুটবল খেলা হত  বাংলায়, বাংলার গ্রামে গঞ্জে। তখন অনেকেই চামড়ার দামী ফুটবল কিনতে পারতো না কিন্তু  ফুটবল তো খেলতেই হবে, সুতরাং বাতাবীলেবুই ফুটবল। আমি অবশ্য  কখনও বাতাবীলেবু দিয়ে ফুটবল খেলতে কাউকে দেখিনি, কিন্তু বিষয়টি  মনে গেঁথে গেছে যে  বাতাবীলেবু দিয়ে আগে ফুটবল খেলা হত । হয়তো এ ব্যাপারে আমার মনে একটু কষ্ট ছিল । খেলার উন্মাদনা বা আনন্দে একটা সজীব ফলকে লাথি মারা ব্যাপারটা আমার ঠিক মনে ধরতো না। ফলে ফুটবল নিয়ে কোন ভাবনাচিন্তা করতে গেলেই আমার মনে পড়ে যায় বাতাবীলেবুর কথা, আর আমাদের ছোটবেলার সেই বাতাবীলেবু গাছটির কথা ।

 

ছোটবেলায় মায়ের মুখে শুনেছি যে বিবেকানন্দ নাকি বাঙালী যুবকদের বলেছিলেন ফুটবল খেলতে । পরে এই বিষয়ে পড়াশুনো করে দেখেছি যে ১৮৯৭ সালে মাদ্রাজে 'ভারতীয় জীবনে বেদান্তের প্রয়োগ' শীর্ষক বক্তৃতায় স্বামী বিবেকানন্দ ভারতীয় যুব-সমাজকে ফুটবল খেলার বার্তা দেন। কারণ - ফুটবলের মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা, ক্ষিপ্রতা, লক্ষ্যভেদের মানসিকতা, দলগত চেতনা তৈরি হয়। ধর্মীয় গোঁড়ামির উর্ধ্বে উঠে বেদান্ত-চর্চার সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ সবল শরীর চর্চায় তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সুস্থ দেহ সুস্থ মনেই গীতার শ্রীকৃষ্ণের মহতী প্রতিভা ও মহান বীরত্বের অর্থ পরিষ্কার বোঝা যাবে । তাই জীবনে গীতা-পাঠ এবং নিজেদের শরীরচর্চায় মনোনিবেশ করা ও আনন্দ করে ফুটবল খেলা… উভয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ - এমনটাই ছিল তাঁর মত। বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন - "গীতা-পাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলাই শ্রেয়।” যদিও  তার আগে ও পরে অনেক কথা ছিল। এই নিয়ে কেউ কেউ জল ঘোলা করতে নামেন । কিন্তু বিবেকানন্দ গীতার বীররস ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সূত্র অনুধাবনের সঙ্গে ফুটবলকে মেলাতে চেয়েছিলেন, এবং তা গীতা বা ফুটবল কোনোকিছুর গুরুত্বকে উপেক্ষা না করেই ...।

আমরা কিছুদিন হল পুত্রের জিম্মায়  যে দেশে  আছি - সেখানে বসেছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। ফলে বঙ্গবালা  এখন  ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের আঙিনায় । ১১ জুন শুরু হয়েছে, চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো - এই তিনটে দেশ যৌথভাবে এবারের এই খেলার আয়োজক। এই প্রতিযোগিতায় এবার খেলছে ৪৮টি দেশের দল । গতবার ছিল ৩২ টি দল। সারা আমেরিকা জুড়ে ফুটবল জ্বর তাই একটু বেশিই । খেলা শুরু হবার দিন কয়েক আগে ঘুরে এলাম নিউ ইয়র্ক শহর। সারা শহরে ছিল বিশ্বকাপের প্রস্তুতির রেশ। টাইম স্কোয়ার খেলার নানা আলোয় সেজে উঠছিল ….

ছোটবেলায় বাড়িতে বাবার মধ্যে ফুটবল খেলা নিয়ে তেমন উন্মাদনা না দেখলেও উৎসাহের ভাটা দেখিনি। বিশ্বকাপ ফুটবল দেখা হবে জন্যই সেই সময় আমাদের বাড়িতে টিভি কেনা হয়েছিল। ১৯৮৬ সাল। সে ছিল মারাদোনার যুগ। আমাদের এখানকার বাড়িতে এখন পিতা-পুত্রের ফুটবল খেলা নিয়ে যথেষ্ট উৎসাহ। একসঙ্গে বসে যাতে খেলা ভালোভাবে দেখতে পারে সেই ভাবনায় ৮৩ ইঞ্চি টিভি এসেছে বাড়িতে। এই কারণেই এই সময়ে আসা। এবার আমেরিকার ১১ টি শহরের ১১টি  স্টেডিয়ামে খেলা হচ্ছে। আমরা যেখানে আছি, সিয়াটেলে, সেখানে খেলা হয়েছে। 

 

ঘরে বাঙালির ফুটবল দেখে আমি যারপরনাই  অভ্যস্থ । তা কী রকম? তা হল বাড়ির মানুষটির কলকাতার ফুটবল সিজনে টিভিতে বিশেষ করে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল-মহামেডান… এই সব দলের  ফুটবল খেলা দর্শন। সময় পেলে বা সময় করে সোফায় বসে এদের খেলা দেখতে দেখতে খেলায় প্রায় সামিল হয়ে যাওয়া। খেলা শেষে  দাদার সঙ্গে  খেলা বিষয়ে মেসেজ বা ফোন । তাতে খেলা নিয়ে কথাবার্তা - ওই  গোলটা দুর্দান্ত ছিল, ওই  পাসটা ভালো ছিল না, আজ বড়  ঝিমিয়ে খেলছিল, ওটা পেনাল্টি দেওয়া উচিত ছিল, রেফারি ব্যাপারটা ঠিক করেননি, ওই পাসটা দেখলি?.... ইত্যাদি… প্রভৃতি করে যখন প্রসঙ্গ আসবে যে - আজ কী মাছ খেলি? ….তখন  বুঝতে হবে যে এবার ফুটবল খেলা  শেষ হবে। এ পর্যন্ত  বাড়িতে পুরোপুরি ফুটবলীয় অ্যাটমোস্ফিয়ার, অন্য  কোন বিষয় মাথায় ঢুকবে না। এদের দুই ভাইয়ের ফুটবল নিয়ে পাগলামিটা অনেকটা সেই মজার গল্পের মত…

দুই বন্ধু দুজনেই মারাত্মক ফুটবল-প্রেমী। তো দুই বন্ধুর খুব চিন্তা যে মরে গেলে পরপারে যেতে রাজী, কিন্তু  পরপারে ফুটবল খেলা হয় তো? তো ঠিক হয় - যে বন্ধুর আগে মৃত্যু হবে সেই বন্ধু খোঁজ নিয়ে জীবিত বন্ধুকে এসে বলে দিয়ে যাবে। এবার  এক বন্ধুর মৃত্যু হল, পর দিন সন্ধ্যেবেলায় অন্য বন্ধুর বাড়িতে হঠাৎ ঘর কুয়াশায় ভরে গেল। জীবিত বন্ধু বুঝতে পারলো যে মৃত বন্ধুই এসেছে । জীবিত বন্ধু সজাগ হয়ে মৃত বন্ধুটিকে বলল - খবর পেলি? ওখানে খেলা হয়? মৃত বন্ধুটি বলল  - হ্যাঁ, খেলা হয়। তখন জীবিত বন্ধুই বলল  - বাহ্, এ তো খুব ভালো খবর। তখন মৃত বন্ধু বলল - আরো একটি খবর আছে। জীবিত বন্ধু বলল  - কী? মৃত বন্ধুটি বলল  - আগামীকালের ম্যাচে তুই রেফারী! জোক্‌সে হয়তো মজার সঙ্গে কিছু সত্য থাকে, ফুটবল-প্রেমীরা হয়তো অবচেতনে স্বর্গে গিয়েও ফুটবল খুঁজবে, যে ভূমিকাই তাঁর হোক না কেন … হয় খেলোয়াড়, নয় দর্শক, না হয় রেফারি! 

বিশ্বকাপ ফুটবলে বাংলা ও বাঙালী এ পর্যন্ত খেলোয়াড় হিসেবে অংশগ্রহণ না করলেও খেলা দেখায় উৎসাহের কমতি নেই । রাত জেগে খেলা দেখে অল্পক্ষণ ঘুমিয়ে দিনে অফিস করা বা নিজের কাজ করে ফেলা বাঙালীর সংখ্যা নেহাত কম নয় । 

এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলের দেশে সিয়াটেল শহরে ফুটবলের পারদ কতটা উর্ধ্বগামী? এবারের বিশ্বকাপে সিয়াটেল আমেরিকার অন্যতম প্রিয় আয়োজক শহর। টুর্নামেন্টের ৬টি ম্যাচ সিয়াটেলে হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বেলজিয়ামের 'রাউন্ড অফ ১৬' নক আউট ম্যাচটিও এখানেই, সিয়াটেলের লুমেনফিল্ডে  হল। খুব ভালো স্টেডিয়াম। পাশেই এখানকার জনপ্রিয় খেলা বেসবলের স্টেডিয়াম। এই ৬টি ম্যাচের ৪টি ছিল গ্রুপ পর্বের ও ২টি নক আউট ম্যাচ। এখানকার মানুষদের প্রবল সমর্থন স্বত্বেও বেলজিয়ামের কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত হয়ে এবারের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ।

সিয়াটেল ও আশপাশের নেবারহুডস  জুড়েই বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তাপ। ডাউন-টাউন সিয়াটেলে সব বয়সীদের জন্য একটি ফ্যান সেলিব্রেশন জোনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিয়াটেল সকার হাউস। হয়েছে ইউনিটি লুপ। সিয়াটেল সেন্টার ও ওয়াটার ফ্রন্ট পার্কের মধ‍্যে প্রধান প্রধান জায়গায় হয়েছে বিরাট বড় বড় পর্দায় ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা, হয়েছে ফুড জোন, ফ্যান জোন। সিয়াটেলের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক কমিটি এবং স্থানীয় এমএলএস দল সিয়াটেল সাউন্ডার্স এফসি যৌথভাবে স্থাপন করেছে ৫২টি ফুটবল মাঠ সারা ওয়াশিংটন জুড়ে যা ফুটবলের ইতিহাসে একটি ঐতিহ্য।

বাড়ির অন্য দুই সদস্য স্টেডিয়ামে গেলেও আমি স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে যাইনি । ইউনিটি লুপে খেলা দেখেছি সকলের সঙ্গে। সিয়াটেল সেন্টারে যেদিন যেদিন ইউএসএ র খেলা ছিল, সেদিন রাত ১০ টায় হয়েছে ড্রোন শো । শেষে ড্রোন আকাশে সেদিনের খেলায় স্কোর আলোকমালায় লিখে দিয়েছে। সিয়াটেল সেন্টার বাড়ির কাছেই। খেলা ছিল এমন একদিন ড্রোন শোও দেখা হল। ফুটবল উত্তাপে মোটামুটি ডুবে আছি আমি - বঙ্গললনা! ঘরের টিভিতে সব ম‍্যাচ চলছে। এখানে যেহেতু সময়টা দিন ফলে টিভি অন। যে যার কাজ করতে করতে বা খেলার সময় ফ্রী রেখে খেলা দেখতে দেখতে অবচেতনে খেলছে। এ পর্যন্ত যে কটি খেলা দেখলাম মনে দাগ কেটে গেল আর্জেন্টিনা ও কাবো ভার্দের খেলা। আফ্রিকা মহাদেশের পশ্চিম উপকূলে এই নামে যে একটি দ্বীপরাষ্ট্র  আছে তা জানতামও না। আর্জেন্টিনা কাবো ভার্দেকে হারিয়ে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে গেলেও কাবো ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহা মন জয় করে নিয়েছে আমার, তারপর দেখি এ শুধু আমার অভিজ্ঞতা নয়, সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমী সকলের মনের কথা। মেসিও সেদিনের প্রতিপক্ষের গোলকিপারের স্কিলে মুগ্ধ। মেসির অন্তত: তিনটে গোল বাঁচিয়ে দিয়েছেন, সারা ম‍্যাচে অসাধারণ সেভ করেছেন একাধিকবার। আর্জেন্টিনার আগ্রাসন  যে মুন্সিয়ানায় ও খেলোয়াড়সুলভ দক্ষতায় রুখে দিয়েছেন, মেসিও উদারভাবে প্রাণ খুলে দিয়েছেন সেই স্বীকৃতি ভোজিনহাকে। এই তো আসল খেলা! স্পেনের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ড্র-এর পর পেয়েছেন ম‍্যাচ-সেরার পুরষ্কার। পুরষ্কার পেয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন মায়ের জন‍্য। কিছুটা অর্থাভাব কিছুটা আইনি জটিলতায় মা - আনা কান্দিদা এভোরাকে  আনতে পারেননি। এই কান্না ভাইরাল হয়ে যায়। বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমী মানুষ, সাংবাদিক সকলের আন্তরিক দাবিতে মার্কিন কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় ভোজিনহার মাকে পরবর্তী ম্যাচে নিয়ে আসা হয়।

ফুটবলের টানে সারা বিশ্বের অনেকেই আজ একত্রিত। আর এই খেলার আসরে দেখলাম খেলার পাশাপাশি এক অনবদ‍্য অনুভবের গল্প যা শুধু খেলা নয়, খেলার নেপথ্যের খেলোয়াড় তৈরির এক বুনিয়াদের  স্বীকৃতি। ছোট ছোট যত্ন, আবেগ, ভালোবাসায় সব ক্ষেত্রেই তৈরি হয় এক এক জন দিকপাল। কিন্তু এই শেকড়ের গল্প, অনুভবের গল্প কতটা আমরা খুঁজে পাই? ফুটবল দলবদ্ধ খেলা। এই খেলায় দরকার পারস্পরিক মত ও মনের সমন্বয়। পারস্পরিক মানবিক সমন্বয় ও আস্থার বন্ধন দীর্ঘজীবী হোক। ভাঙন নয়, আগ্রাসন নয়। খেলা হোক…. খেলতে খেলতে শক্তির পরীক্ষায় পদার্পন ও আনন্দের পর্যায়ে উত্তরণ। খেলতে খেলতে, খেলা দেখতে দেখতে নির্ভেজাল মঙ্গলালোকে সত‍্য ও  সুন্দর হয়ে উঠুক আমাদের মানবজমিন …. একাকার হয়ে যাক বাঙালীর বাতাবীলেবু থেকে বিবেকানন্দ ও বিশ্বময় একক বল নিয়ে লক্ষ্যভেদের খেলা!

 

                                        

 

 

 

 

0 Comments

Post Comment