পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

ওদের পাড়ার গপ্পো

  • 06 August, 2019
  • 1 Comment(s)
  • 217 view(s)
  • লিখেছেন : সুপ্রিয় চৌধুরী
এইসব লেড়ে অথবা কাটুয়াপাড়ার ঘিঞ্জি রাস্তা আর অলিগলিতে ঢোকেননি কোনদিন। বাস, ট্যাক্সি আর পেরাইভেট গাড়ির জানলা দিয়ে মহল্লাগুলোর দিকে তীব্র সন্দেহজনক বিষদৃষ্টি নিক্ষেপ করতে চলে গ্যাছেন তাঁদের জন্য এই লেখা।

ওদের পাড়ার গপ্পো ? মানে ? কি বলতে চাইছেন, একটু ঝেড়ে কাশুন তো দাদা।

আরে না না মশাই, ওদের পাড়া বলতে মোটেই এটা ধরে নেবেন না যেসব বেখাপ্পা বেয়াড়া এলাকাগুলোয় সন্ধের মুখে মুখে - ‘চাই বেলফু উ উ উ ল’ বলে খোনাটে কিন্তু মিঠে গলায় উড়িয়া বেলফুলওয়ালার হাঁকটা একটু বেশিই শোনা যায়, বাতাসে ব্রুট-বিরিয়ানি-বাংলা-ব্ল্যাক লেভেলের মিশ্র ঝাঁঝালো একটা গন্ধ চাপ বেঁধে ঘোরাফেরা করে, দালালের ফিশফাশ আর মাতালের চেল্লাচেল্লি একইসাথে শোনা যায়, পথচলতি আর ট্যাক্সি থেকে নেমে পড়া খদ্দেররা নিজেকে যতটা সম্ভব  আড়ালটাড়াল করে সুট করে সেঁধিয়ে যায় গলিগলতাগুলোর মধ্যে - সেইসব এলাকার কথা বলতে বসেছি এখানে। এটা আসলে ওদের পাড়া অথবা মহল্লার গল্প। ওই যাদের মানে মুসলমানদের, আমরা মানে  আম মধ্যবিত্ত আর উচ্চ মধ্যবিত্ত বঙ্গবাবুরা - ‘লেড়ে’, ‘নেড়ে’, ‘কাটুয়া্‌’, ‘মোল্লা’ ইত্যাদি নানাবিধ মধুর সম্ভাষণে সম্ভাষিত করে থাকি। বিশ্বাস করুন, ওইরকম একটা মহল্লায় একজন  হিন্দু বাঙ্গালী হয়ে প্রায় বছর পঞ্চাশেক কাটিয়ে দেবার পরও ওই ওদের মানে মুসলমানদের আমাদের মত বাঙ্গালীদের ‘বাঙ্গালী’ ছাড়া আর কোনকিছু বলে সম্বোধন করতে শুনিনি। অথচ ওদের মানে ওই ‘মোল্লা’ অথবা ‘লেড়ে’দের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযোগ কিন্তু বিস্তর। আসুন, এবার সেইসব’অভিযোগের ফিরিস্তিগুলো একবার শুনে নেয়া যাক।

 

অভিযোগ - ১) ফ্র্যাঙ্কলি স্পিকিং, আমি কোন জাতপাত মানি না। কিন্তু ওরা, ওই মোল্লা শালারা বড্ড বাড় বেড়েছে (বন্ধুমহলে আড্ডায়, বিশেষ করে দুচার পেগের পর খানিকটা চড়ে গেলে অনেক সফি সফি পরিশীলিত কন্ঠ থেকে এই মধুর বাণী নিঃসৃত হতে থাকে।)।

অভিযোগ - ২) ওরা প্রত্যেকে চারটে করে বিয়ে করে আর নিদেনপক্ষে কুড়িটা সন্তান পয়দা করে। এরকম চললে আর বছরকয়েকের মধ্যে ওরা সংখ্যাগরিষ্ঠতায় আমাদের মানে হিন্দুদের ছাপিয়ে যাবে। 

অভিযোগ - ৩) প্রত্যেক জুম্মাবারে (শুক্রবার) ওরা মসজিদের সামনে রাস্তা আটকে নামাজ পড়ে।

অভিযোগ - ৪) এদেশে চোরডাকাত, গুন্ডাবদমায়েশ, সমাজবিরোধীদের মধ্যে ৯০ভাগই মুসলমান।

অভিযোগ - ৫) পাকিস্তান জিতলে প্রত্যেক মুসলমান মহল্লায় বাজি ফাটে কারণ ‘ওরা’ সবাই মনেপ্রাণে ‘পাকিস্তানি’।

অভিযোগ - ৬) মহরমের মিছিলে ওদের প্রত্যেকের হাতে মারাত্মক সব অস্ত্রশস্ত্র থাকে। 

      

ওদের সম্পর্কে এরকম আরও বহুবিধ অভিযোগ রয়েছে আমাদের মানে হিন্দু বাঙ্গালীবাবুদের। নিজের জ্ঞানের ভান্ডার অতি সীমিত তবু একটি সংখ্যালঘু মহল্লায় দীর্ঘসময় বসবাস করার অভিজ্ঞতা থেকে  উপরোক্ত অভিযোগগুলির ( বলা ভালো প্রশ্ন ) উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি সাধ্যমত। ভেবে দেখার দায় আপনাদের।

উত্তর - ১) সবাই বলেন বটে ‘ওরা’ বড় বাড় বেড়েছে। কিন্তু একটু খুঁটিয়ে জিগ্যেস করলে দেখা যায় উত্তরে নীচের প্রশ্ন / অভিযোগগুলোই উঠে আসছে। তাই পরবর্তী প্রশ্নগুলোর উত্তরেই যাই বরং।

উত্তর - ২) আমি মানে এই অধম প্রতিবেদক যেখানে থাকি সেই আদ্যন্ত সংখ্যালঘু মহল্লা পার্ক সার্কাস  সামসুল হুদা রোড ধরে টানা লোহাপুল পুল অবধি হেঁটে যাবার পথে একশজনকে প্রশ্ন করুন তাদের কটা বিয়ে আর কতগুলো করে ছেলেপুলে পয়দা করেছেন তারা? আপনাদের অভিযোগের সঙ্গে মানানসই উত্তর যদি একটাও পান আপনাদের চপ্পল দাঁতে কামড়ে লোহাপুল থেকে কোয়েস্ট মল অবধি হেঁটে যাবো, চ্যালেঞ্জ রইলো। উলটে উত্তর পাবেন - “একঠো শাদী করকে হি শালা ফাট যা রহা.” ইত্যাদি ইত্যাদি। অন্যদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় হিন্দুদের ছাপিয়ে যাওয়াটা কমপ্লিটলি একটা আষাঢ়ে গপ্পো। আর এস এসের গেরুয়া ফ্যাক্টরিতে তৈরি। এই ডাহা মিথ্যে প্রচারের বিরুদ্ধে কিছু বলতে গেলে আলাদা একটা প্রতিবেদন লিখতে হয়। তবে লেখাটি পড়ে কেউ চ্যালেঞ্জ জানালে সঙ্গে সঙ্গে তা নিতে তৈরি।

উত্তর - ৩) রাস্তা আটকে নামাজ পড়াটা সমর্থনযোগ্য নয় আমার কাছেও। এই ব্যাপারটা ঘটে থাকে শুধু জুম্মাবার মানে শুক্রবারে দুপুরের নামাজের জমায়েতে। হপ্তায় মাত্র একদিন। মিনিট কুড়ির জন্য। কিন্তু অন্যদিকে বাৎসরিক দুর্গোৎসব এবং কালীপুজোর সময় সব মিলিয়ে যখন মাসতিনেক ধরে প্যান্ডেল বাঁধার জন্য অসংখ্য রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয় তখন আশ্চর্য অপার নীররবতা পালন করার প্রবণতা দেখা দেয় তথাকথিত প্রগতিশীল ধর্মনিরোপেক্ষ হিন্দু বঙ্গবাবুদের মধ্যে।

উত্তর - ৪) সমাজবিরোধী প্রশ্নে বলি, এটা শুধুমাত্র বিচ্ছিন্নভাবে আমাদের নয়, সারা পৃথিবীর সংখ্যালঘু সংক্রান্ত সমস্যা । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইংলন্ডের মত উন্নত দেশগুলিও এ থেকে মুক্ত নয়। আসলে সংখ্যালঘুদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মানের উন্নয়ণ, চাকরি ও খাদ্যনিরাপত্তার নিশ্চিতকরণ অথবা দারিদ্র দূরীকরণ, সব বিষয়েই উন্নত, উন্নতিশীল অথবা অনুন্নত, যে কোন রাষ্ট্রের ভুমিকাই কমবেশি উদাসীন। সংখ্যালঘুদের মধ্যে সমাজবিরোধী পাঠক্রমে পাঠ নেওয়ার গোপন চাবিকাটিটা লুকিয়ে থাকে এখানেই। তবু এখানে মানে আমাদের এই শহরে রাত বারোটায়ও আপনি যে কোন সংখ্যালঘু মহল্লা দিয়ে নিশ্চিন্তে হেঁটে যেতে পারবেন কিন্তু প্রবাসী অথবা প্রবাস ফেরত আমার কিছু বন্ধুবান্ধবের কাছে শুনেছি রাতে তো দুরস্থান, ভর দিনের বেলাতেও কোন শ্বেতাঙ্গ এমনকি বাদামী মানুষের পক্ষেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অথবা ইংলন্ডের কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যুষিত অঞ্চল অরথ্যাৎ ঘেটো বা ডাউনটাউন এলাকাগুলো দিয়ে হেঁটে যাওয়া সম্ভব নয়। অধিকতর মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।            

 উত্তর - ৫) ভারত পাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তান জিতলে কোন সংখ্যালঘু মহল্লায় যদি ক্বচিৎ কদাচিৎ দুচারটে বোম ফাটে, ভারত জিতলে ফাটে তার একশগুন। ওরকম কোন খেলা থাকলে আমার বাড়িতে এসে চা-মুড়ি সহযোগে খেলা দেখে এবং খেলাশেষে নিজের চোখে (এবং কানেও) তথ্যটার সত্যতা যাচাই করে যাবেন।

উত্তর - ৬) অতঃপর সবশেষে আসি মহরমের দিন অস্ত্রবহনের বিষয়ে। যেখানে আমি থাকি অরথ্যাৎ সেই  সামসুল  হুদা রোড দিয়েই মধ্য কলকাতার ৯০ভাগ ‘তাজিয়া’ মানে মহরমের মিছিল যায়। সন্ধে ছটা থেকে নিয়ে রাত দুটো-আড়াইটে অবধি মোটামূটি এই ব্যাপারটা চলে। এরমধ্যে একটি মিছিলে একজনের হাতেও যদি প্লাস্টিকের খেলনা অস্ত্র ছাড়া অন্য কিছু দেখাতে পারেন তাহলে ওই দাঁতে কামড়ে আপনার জুতো কোয়েস্ট মল বয়ে নিয়ে যাবার ব্যাপারটা আরেকবার রিনিউ হবে। আর দেখাতে না পারলে আপনি কি করবেন সেটা আপনার ব্যাপার।

 

যাকগে, অনেকক্ষণ এই ‘ওদের’ সম্পর্কে প্রশ্নোত্তরের আসর চললো। এবার ওদের মহল্লা মানে পাড়া সম্পর্কে সামান্য দুচারটে ভালো কথা শোনা যাক।

 

ভালো কথা - ১) মুসলমান মহল্লা। অন্যান্য এলাকাগুলোর তুলনায় কিঞ্চিৎ বেশি অপরিষ্কার এবং ঘিঞ্জি। কিন্তু আতিথেয়তায় একনম্বর। গোমাংসে আপত্তি না থাকলে ওইসব এলাকার যে কোন সস্তার হোটেলে ঢুকে পড়ুন। কায়দাবাজি বা ওপর দেখনদারির লেশমাত্র নেই। কিন্তু মালিক থেকে বেয়ারা - সবার ভণিতাহীন আন্তরিক ব্যবহার আপনাকে মুগ্ধ করে দেবেই দেবে। খাবারের পরিমান অন্যান্য পাড়ার তুলনায় অনেক বেশি। দাম অনেক কম। সর্বোপরি ইংরিজিতে যাকে বলে - ‘পাইপিং হট অ্যান্ড অ্যাবসলিউটলি ফ্রেশ !’ একথা শুনে অনেকে বলতেই পারেন - “এরকম তো হতেই পারে। কারণ ওদের ওই বিফটা তো বেজায় সস্তা।” সেইসব বিজ্ঞবাবুদের উদ্দেশ্যে জানাই - সে দিন চলে গ্যাছে মশাই। এক কেজি গোমাংসের দাম এখন - হাড়সমেত দুশো এর বোনলেস দুশো চল্লিশ থেকে আড়াইশো টাকা। ব্রয়লার চিকেনের চেয়ে বেশ কিছুটা বেশি। সেক্ষেত্রে অন্যান্য পাড়ায় অতি সাধারণ একটা রোলের দোকানে যখন একটা চিকেন রোলের দাম খুব কম করে হলেও তিরিশ থেকে পঁয়তিরিশ টাকা। সেখানে যে কোন মুসলিম মহল্লায় একটা বিফ রোলের দাম এখনো মেরেকেটে  বারো থেকে পনেরো টাকা বড়জোর। এর একটাই মানে হয় - ‘আমাদের’ তুলনায় ‘ওদের’ লোভ আর অতিরিক্ত মুনাফা কামানোর ইচ্ছে - দুটোই কম।

 

ভালো কথা - ২) সামশুল হুদা রোডের ঠিক যে জায়গাটায় এই অধম প্রতিবেদকের বাস, জায়গাটার নাম দুগ্যি ময়দান। একটা বেজায় পুরনো ব্যারাকবাড়ি মত, সামনে ছোট একফালি মাঠ। দুগ্যি, এপাড়ার চলতি বুলিতে দুর্গার অপভ্রংশ। কারণ এই মাঠে গত ৭৫ বছর ধরে দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। এর গায়ে লেগে লেগে কালীপুজো। পুরো এলাক্যয় সব মিলিয়ে গোটা দশবারো হিন্দু পরিবার মিলে এই পুজোদূত করে আসছেন এতগুলো বছর ধরে। কোনবার প্যান্ডেলের বাঁশ পড়তে একটু দেরি হলে ওই ‘ওদের’ হাজারজনের একটাই চরম উদবিগ্ন প্রশ্নে জেরবার হয়ে যেতে হয় এই ‘আমাদের’। “ক্যা দাদা, ইস সাল দুগ্যিপুজা নেহী হোগা ?” এই অধম প্রতিবেদকের বাসায় আসতে চাইলে এতটুকু হ্যাপা পোয়াতে হবেনা কাউকে। বেকবাগান স্টপে কোয়েস্ট মলের সামনে নেমে গা-লাগা রিকশা স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা যে কোন রিকশাওয়ালাকে শুধু বলতে হবে - “দুগ্যি মাঠ / দুগ্যি ময়দান যাবো।” ব্যাস ! আপনি হাজির দুগ্যি মাঠ / ময়দানের সামনে। রিকশা থেকে নেমে শুধু বলতে হবে - “বাপ্পিদাকা(বাপি, এই অধমের ডাকনাম। এপাড়ার উচ্চারনে বাপ্পি) ঘর কিধার হ্যায় ?” মানুষের দরকার নেই। পাড়ার নেড়িকুত্তাটাও দেখিয়ে দেবে। দুগ্যিনামের কি মহিমা !

 

ভালো কথা - ৩) লক্ষী, কার্ত্তিক, গোপাল, রাজেশ, বিনোদ, কালাচাঁদ, বেজায় ব্যাদড়া টাইপের ছেলে হলে - রাবণ। এই হিন্দু দেবদেবীদের নামগুলো হরবখত শোনা যায় মুসলিম মহল্লার ঘরে ঘরে। বিশ্বাস না হলে একবার নিজেরা আসুন। এইসব নামের মানুষরা অথবা তাদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেব। চক্ষুকর্ণের বিবাদভঞ্জন হয়ে যাবে একইসঙ্গে।

 

ভালো কথা - ৪) রাত বারোটা, একটা, দুটো । শহরের যে কোন মুসলিম মহল্লায় ঢুকে পড়ুন। আপনি নিরাপদ ! যা পার্ক স্ট্রিট, সল্ট লেক বা গলফগ্রীনে কখনোই সম্ভব নয়। এর অন্যতম কারণ, বলতে গেলে প্রায় সারারাত জেগে থাকে এই মহল্লাগুলো। কোন সমস্যা থাকলে এবং সে কথা জানালে এক নয়, একাধিক সাধারন মানুষ এগিয়ে আসবেন। সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করবেন আন্তরিকভাবে। কোন বদমতলব নিয়ে নয়।

 

অ্যাতোক্ষন ধরে অ্যাতোসব হ্যানাত্যানা কথা লিখলাম সেরেফ তাদের উদ্দেশ্যে যারা তাদের ভাষায় এইসব লেড়ে অথবা কাটুয়াপাড়ার ঘিঞ্জি রাস্তা আর অলিগলিতে ঢোকেননি কোনদিন। বাস, ট্যাক্সি আর পেরাইভেট গাড়ির জানলা দিয়ে মহল্লাগুলোর দিকে তীব্র সন্দেহজনক বিষদৃষ্টি নিক্ষেপ করতে চলে গ্যাছেন শুধু ( যেন ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান নিদেনপক্ষে কাশ্মীরের ওপর দিয়ে যাচ্ছেন )। একবার খোঁজও নেননি - হাতের কাছে আরশিনগরের সেইসব পড়শিরা কেমন আছেন ? হ্যাঁ, আবারও বলছি, সেইসব সুললিত সুভদ্র বঙ্গবাবুদের কথাই লিখছি এই প্রতিবেদনে,  যারা একটি সম্প্রদায় সম্পর্কে প্রায় কিছুই না জেনে গেরুয়া কোম্পানির সর্বক্ষণের অবৈতনিক প্রচারসচিব হয়ে বসেছেন ইদানীং। জানি, এ লেখাটা ছাপার অক্ষরে প্রকাশিত হবার পরে এজাতীয় বঙ্গবাবুদের আরও বহু প্রশ্নবাণ ধেয়ে আসতে পারে। প্রস্তুত তার জন্য !
1 Comments

সৌমিত্র বসু

06 August, 2019

এরকম বাস্তব অভিজ্ঞতা আমার হযেছে সুপ্রিয় দা'র সান্নিধ্যে এসে. আমি যে দোকান গুলোতে রোল খেতে যাই, সেই দোকানদাররা অবশ্যম্ভাবী ভাবে খাওয়ার টা বানানোর ফুরসতে আমার কুশল আমার কন্যার কুশল আমার বন্ধুদের কুশল না জিগ্গেস করে ছাড়বে না. মানুষ গুলো কোনো কিছু দেখানোর জন্যে এসব করে না. মানুষ কে মানুষ হিসেবে কাছে টেনে নেওয়ার বেমিসাল এই কায়দা ওরা পান ওদের তাহজীব থেকে, ওদের সাধারণ তামাদ্দুন তাই আমাদের সবচেয়ে উঁচু সংস্কৃতি বোধ থেকে আরো উঁচু মাত্রায় বাঁধা. সুপ্রিয় দা কে অশেষ ধন্যবাদ আমাদের সত্যের সামনে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার জন্যে.

Post Comment