পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

সংসারের মাঝপথে হঠাৎ ছন্দপতন। পেঁপে আর পেপসি নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত। জ্যৈষ্ঠ মাসের মঙ্গলবার। গনগনে রোদে কার গাছ থেকে কে জানে, এক বস্তা পেঁপে পেড়ে বস্তাবন্দি করে কাঁধে নিয়ে ঘরে আসে লখাই। বস্তাটা ঘরের মেঝেতে ধপাস করে নামিয়ে আদরিনীকে ডাকে।

Read more


হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধারাবাহিক উপন্যাসের আজ দ্বিতীয় পর্ব। আগের পর্বের সূত্র এই লেখার প্রথমে থাকলো।

Read more


লখাই যতই বলে, “আমি আছি তো। কাঁদছিস কেন”, ততই আদরিনীর কান্নার বেগ বাড়তে থাকে। –”এ তুমি কী করলে।”

Read more


রাম দু’দিন ছুটি নিয়েছে। দোকানের মালিক আর অন্যান্য কর্মচারীদের সম্পূর্ণ ঘটনাটা জানিয়ে বৌভাতের নেমন্তন্ন করে আসে সে। পাড়াপড়শিদেরও নেমন্তন্ন করে আসে মুখে মুখে। আজ অন্তরীক্ষের অদ্বিতীয় সম্বোধন পঞ্চম পর্ব। আগের পর্বের সূত্র লেখার প্রথমে।

Read more


দাদার গৃহপ্রবেশের পর তার কী হবে? এইসব ভাবতে ভাবতেই একদিন রামের নতুন বাড়ি তৈরির কাজ দেখতে হঠাৎ এসে হাজির হলেন এক প্রোমোটার। মিঃ বটব্যাল। এই শহরের অলিতে গলিতে তাঁর বিশাল বিশাল ফ্ল্যাট। জমিজমার তো সীমা-পরিসীমা নেই।

Read more


দিন গড়াতে গড়াতে একদিন দু'ভাইয়ের সীমানা বরাবর দেওয়ালগাঁথা এবং প্লাস্টারের কাজ শেষ হ'লো। আটফুট উঁচু দেয়াল। ফলত দু'ভাইয়ের মুখ দেখাদেখি একেবারেই বন্ধ। গাছগুলো যেন দাদার অনুগত হয়ে লখাইয়ের বাড়ির দিকে উকিঝুঁকি মারতে থাকলো অনবরত। আজ অন্তরীক্ষের অদ্বিতীয় সম্বোধন এই ধারাবাহিকের সপ্তম কিস্তি। আগের লেখার সূত্র এই লেখার শেষে।

Read more