পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

আইটি সেলের কুৎসার জবাব: সোনম ওয়াংচুকের লড়াই

  • 20 July, 2026
  • 0 Comment(s)
  • 420 view(s)
  • লিখেছেন : কিংশুক বিশ্বাস
আজ যারা ওয়াংচুককে 'দেশবিরোধী' বা 'উস্কানিদাতা' বলে গালি দিচ্ছেন, তারা কি বোঝেন যে তাঁর চীনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই আর বর্তমান দিল্লির শাসকদলের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ? সেই জন্যেই যখন শিক্ষায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোনাম ওয়াংচুক সহ ছাত্ররা অনশনে, যখন সারা দেশে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবীতে সংসদ অভিযান হবে, তখন কেন এই আইটি সেল ও গোদী মিডিয়া উল্টে সোনামকেই আক্রমণ করছেন?

ব্যর্থ শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সোনম ওয়াংচুকের অনশন ও তা তুলে দেওয়ার পরেও ছাত্ররা যখন অনশনে অনড়, তখন দিল্লির রাজপথে আন্দোলন দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এই সময়ে দেখা গেল দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ, প্রথম সারির কিছু স্বাধীন কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা তাঁর প্রতি সংহতি জানাতে শুরু করেছেন। ঠিক এই সময়েই ময়দানে নেমেছে একদল তথাকথিত 'Godi Creator' ও আইটি সেলের বেতনভুক প্রচারক। গদি মিডিয়ার চেনা ন্যারেটিভের অনুকরণে এরাও সরকারের জনবিরোধী ও কর্পোরেট-বান্ধব নীতির বিরুদ্ধে যেকোনো গণতান্ত্রিক ও ন্যায়সংগত আন্দোলনকে দেশবিরোধী তকমা দিতে এবং ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়ি করতে কোমর বেঁধে নেমেছে।

​এদের ছড়ানো নতুন প্রোপাগান্ডা হলো: "লাদাখকে পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা না দিয়ে বিধানসভাহীন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করায় সোনম ওয়াংচুকের নাকি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফল হয়নি! তাই তিনি এখন দিল্লিতে এসে দেশের যুবসমাজকে উসকাচ্ছেন।"

​ভুল তথ্য, সস্তা ট্রোলিং ও সরকারি কুৎসায় বিভ্রান্ত হওয়ার আগে, আসুন কিছু অকাট্য তথ্য এবং গভীর রাজনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক সত্যের মুখোমুখি হওয়া যাক—লাদাখবাসীদের স্বায়ত্তশাসন ও অধিকারের দাবি কি আদেও অন্যায্য, নাকি এটি একটি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার শেষ লড়াই?

 

১. দেশপ্রেমের ছদ্মবেশ বনাম বাস্তব দেশপ্রেম: ক্ষমতার লোভ কার?

​যাঁরা আজ সোনম ওয়াংচুকের মতো একজন নিঃস্বার্থ মানুষকে ক্ষমতার লোভী বা 'মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী' বলে সস্তা কটাক্ষ করছেন, তাঁদের নিজেদের নৈতিকতার পরিমাপ করা প্রয়োজন। ২০২০ সালের মে-জুন মাসে যখন গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ভারতের ২০ জন  জওয়ান শহীদ হয়েছিলেন এবং পুরো দেশ এক চরম ক্ষোভ ও অপমানের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন এই লাদাখের মাটি থেকেই সোনম ওয়াংচুকের সেই দূরদর্শী ও কণ্ঠস্বর প্রতিধ্বনিত হয়েছিল—"বুলেট সে নেহি, ওয়ালেট সে।"

​তিনি দেশবাসীকে ডাক দিয়েছিলেন চীনের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে চীনা পণ্য, মোবাইল অ্যাপ ও সফটওয়্যার বর্জন করার। তিনি অত্যন্ত সহজ ভাষায় বুঝিয়েছিলেন যে, যে টাকা চীন ভারতের বিশাল বাজার থেকে মুনাফা হিসেবে লুটে নিয়ে যায়, সেই টাকা দিয়েই তারা সীমান্তে আমাদের জওয়ানদের দিকে আধুনিক অস্ত্র ও বুলেট তাক করে।

​শুধু মুখের কথায় নয়, সোনম ওয়াংচুক তা কাজে করে দেখিয়েছেন। লাদাখের মাইনাস ৩০ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস চরম ঠান্ডায় সীমান্তে পাহারা দেওয়া ভারতীয় জওয়ানদের সুরক্ষার জন্য তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করে উপহার দিয়েছেন "সৌরচালিত সামরিক তাঁবু" (Solar Heated Military Tent)। যে আবিষ্কার জওয়ানদের ঠাণ্ডার হাত থেকে বাঁচায় এবং সেনাবাহিনীর হাজার হাজার লিটার দামি ও পরিবেশ দূষণকারী কেরোসিন-ডিজেল বাঁচিয়ে দেয়। যাঁর মেধা, শ্রম ও জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত দেশের সুরক্ষায় উৎসর্গীকৃত, তাঁর সততা ও দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তোলার ধৃষ্টতা কেবল মোসাহেবি করা স্ক্রিপ্টেড ক্রিয়েটরদের পক্ষেই সম্ভব। তিনি ক্ষমতার লোভী নন, তিনি লাদাখের মাটি, মানুষ ও দেশের অখণ্ডতার অতন্দ্র প্রহরী।

২. চীন আগ্রাসন বনাম কর্পোরেট তোষণ: লাদাখ গ্রাসের দ্বিমুখী রাজনীতি

​লাদাখের বর্তমান সংকটকে বুঝতে হলে ভারতের বর্তমান অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির সমীকরণকে মেলাতে হবে। সোনম ওয়াংচুকের আন্দোলন শুধু পরিবেশ রক্ষার নয়, এটি দেশের সীমান্ত সুরক্ষার এক তীব্র রাজনৈতিক প্রতিবাদ।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চীন লাদাখের প্রায় ৩৮,০০০ বর্গ কিলোমিটার জমি (আকসাই চীন) অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। মেষপালকদের (Nomads) মূল অভিযোগ ছিল, সীমান্তে চীনা ফৌজ ভারতের জমি গ্রাস করায় স্থানীয় উপজাতিদের শতাব্দীপ্রাচীন চারণভূমি সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

আজ যারা ওয়াংচুককে 'দেশবিরোধী' বা 'উস্কানিদাতা' বলে গালি দিচ্ছেন, তারা কি বোঝেন যে তাঁর চীনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই আর বর্তমান দিল্লির শাসকদলের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ?

 

 লাদাখ আজ দুই দিক থেকে আক্রান্ত:

  • বাইরের রাজনৈতিক শত্রু (চীন): চীন ভারতের সীমান্ত দিয়ে লাদাখের জমি ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো গ্রাস করছে, যা দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।
  • ভেতরের অর্থনৈতিক লোভ (কর্পোরেট): অন্যদিকে, লাদাখের বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষা তুলে নেওয়ার ফলে দিল্লির অতি-ঘনিষ্ঠ বৃহৎ কর্পোরেট পুঁজিপতিদের স্বার্থে লাদাখের পবিত্র পাহাড় কেটে খনি (Mining), মেগা সোলার প্রজেক্ট এবং বড় বড় হোটেল ও রিসর্ট বানানোর রাস্তা পরিষ্কার করা হচ্ছে।

​লাদাখের পরিবেশ অত্যন্ত ভঙ্গুর (Fragile Ecosystem)। ড্রাগন এসে জমি দখল করলেও যেমন লাদাখ ভারতের হাত থেকে যাবে, ঠিক তেমনই দিল্লির কর্পোরেট লবি এসে পাহাড় কাটলে ওখানকার হিমবাহগুলো (Glaciers) দ্রুত গলে যাবে। এর ফলে সিন্ধু, শতদ্রু বা ঝিলমের মতো নদীগুলোর উৎস শুকিয়ে যাবে, যার সরাসরি খেসারত দিতে হবে পুরো উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতের কোটি কোটি মানুষকে। তীব্র জলসংকটে পড়বে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লির মতো কৃষি ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলো। সোনম ওয়াংচুক এই দ্বিমুখী ধ্বংসের বিরুদ্ধেই বুক চিতিয়ে রাজনৈতিক লড়াই লড়ছেন।

৩. ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও মোদি সরকারের রাজনৈতিক দ্বিচারিতা

​লাদাখবাসীর এই আন্দোলন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, এটি বছরের পর বছর ধরে চলা রাজনৈতিক প্রতারণা ও প্রতিশ্রুতির খেলাধুলার বিরুদ্ধে এক চরম গণবিক্ষোভ। ২০১৯ সালে যখন সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করে জম্মু-কাশ্মীরকে খণ্ডিত করা হলো, তখন লাদাখবাসীকে বোঝানো হয়েছিল যে তারা অবশেষে কাশ্মীরি আধিপত্য থেকে মুক্তি পেল। লাদাখকে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (UT) করায় প্রথম দিকে উৎসবের আমেজ ছিল।

​কিন্তু লাদাখবাসী দ্রুত বুঝতে পারেন, তাঁদের সঙ্গে এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রতারণা করা হয়েছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন, ২০২০ সালের লেহ স্বায়ত্তশাসিত পার্বত্য পরিষদ (LAHDC) নির্বাচন এবং এমনকি ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পূর্বেও ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) তাদের অফিসিয়াল রাজনৈতিক ইশতেহারে (Manifesto) লাদাখকে সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিল (Sixth Schedule) দেওয়ার স্পষ্ট লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতা সুনিশ্চিত হওয়ার পর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সেই প্রতিশ্রুতিকে স্রেফ ধামাচাপা দিয়ে দেয়। কেন এই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ? এর পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অভিসন্ধি।

​লাদাখকে যদি ষষ্ঠ তফসিলের সুরক্ষা দেওয়া হতো, তবে সেখানকার ৯৭% আদিবাসী জনসংখ্যার জল, জমি ও জঙ্গলের ওপর স্থানীয় কাউন্সিলের আইনি অধিকার থাকত। বাইরের কোনো কর্পোরেট বা পুঁজিপতি এসে সেখানকার মানুষের অনুমতি ছাড়া জমি কিনতে বা লিজ নিতে পারত না। লাদাখকে সরাসরি বিধানসভাহীন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার মূল উদ্দেশ্যই হলো—সেখানকার আমলাতন্ত্রকে দিল্লির রিমোট কন্ট্রোলে রাখা, যাতে স্থানীয় জনজাতির জীবন, জীবিকা ও পরিবেশের তোয়াক্কা না করে সমস্ত প্রাকৃতিক সম্পদ (যেমন লিথিয়াম, ক্রোমাইড এবং সৌরশক্তির বিশাল ক্ষেত্র) বৃহৎ কর্পোরেট বন্ধুদের হাতে বিনামূল্যে তুলে দেওয়া যায়। বিধানসভা না থাকায় আজ লাদাখবাসীর নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণের কোনো গণতান্ত্রিক ক্ষমতা বা আইনি অধিকার নেই। সেখানে চলছে দিল্লির পাঠানো আমলাদের একচ্ছত্র রাজত্ব। 

৪. ষষ্ঠ তফসিল এবং পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের দাবি কেন সম্পূর্ণ সংবিধানসম্মত?

​আইটি সেলের প্রচারকরা প্রচার করছে যে সোনম ওয়াংচুকের দাবি নাকি অসাংবিধানিক এবং দেশের অখণ্ডতার পরিপন্থী। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও অজ্ঞতাপ্রসূত প্রচার। ভারতের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৪৪(২) এবং ২৭৫(১) অনুযায়ী ষষ্ঠ তফসিলের ব্যবস্থা করা হয়েছে মূলত উত্তর-পূর্ব ভারতের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাগুলোর (যেমন আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম) স্বায়ত্তশাসন ও সংস্কৃতি রক্ষার জন্য।

​লাদাখের লেহ এবং কারগিল—উভয় অঞ্চলের মানুষই আজ একজোট হয়ে 'লেহ অ্যাপেক্স বডি' (Leh Apex Body) এবং 'কারগিল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স' (KDA)- এর ব্যানারে ৪টি মূল দাবিতে আন্দোলন করছেন:

​১. লাদাখকে পূর্ণাঙ্গ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া।

২. সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করা।

৩. স্থানীয় যুবকদের জন্য সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ (PSC গঠন)।

৪. লেহ এবং কারগিলের জন্য দুটি পৃথক লোকসভা আসনের ব্যবস্থা করা।

​এই দাবিগুলোর কোনোটিই ভারতের সংবিধানের বাইরে নয়। উত্তর-পূর্ব ভারতের ছোট ছোট রাজ্য যদি এই অধিকার পেতে পারে, তবে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং মাইনাস তাপমাত্রার বীর লাদাখবাসী কেন এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন? কেন তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে একজন লেফট্যানেন্ট গভর্নরের (LG) দয়ার ওপর ছেড়ে দেওয়া হবে?

শেষ কথা: প্রোপাগান্ডা বনাম সত্যের লড়াই

​সোনম ওয়াংচুক দের লড়াই  মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সস্তা বাসনা থেকে জন্ম নেয়নি। তিনি বারবার বলেছেন, সরকার যদি লাদাখকে ষষ্ঠ তফসিলের সুরক্ষা দেয়, তবে তিনি সানন্দে তাঁর গবেষণাগারে ফিরে যাবেন। তাঁর লড়াই আসলে ক্ষমতার রাজনীতির বিরুদ্ধে নীতি ও অস্তিত্বের লড়াই। এটি সংবিধানের পবিত্রতা রক্ষার লড়াই, যা আদিবাসীদের জমি, সংস্কৃতি ও ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্রকে রক্ষা করতে চায়—তা কোনো বিদেশী আগ্রাসনের হাত থেকেই হোক বা দেশের ক্রোনি-ক্যাপিটালিজমের (Crony Capitalism) রাক্ষুসে গ্রাস থেকেই হোক।

​দেশের সচেতন যুবসমাজ ও নাগরিক সমাজ আজ কোনো পেইড আইটি সেলের প্রোপাগান্ডা বা উসকানি দেখছে না; তারা দেখছে দেশের উত্তর সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিকের আপসহীন, অহিংস এবং গান্ধীবাদী সত্যাগ্রহ। সরকারের উচিত প্রোপাগান্ডা মেশিনারি বন্ধ করে লাদাখের মানুষের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া। লাদাখের ন্যায়বিচার ও সত্যের জয় হোক।

 

তথ্যসূত্র:

https://www.thehindu.com/news/national/ladakh/in-2019-three-ministries-gave-nod-to-ladakhs-tribal-status/article70098432.ece

https://www.google.com/amp/s/www.thehindu.com/news/national/india-has-lost-access-to-26-out-of-65-patrolling-points-in-eastern-ladakh-says-research-paper/article66428193.ece/amp/

https://india.mongabay.com/2026/07/proposed-solar-project-in-indias-largest-grassland-sparks-conservation-concerns/

https://www.google.com/amp/s/thebetterindia.com/innovation/solar-heated-tent-sonam-wangchuk-indian-army-ladakh-12169779/amp

 

এই লেখাটির একটি সংক্ষিপ্ত অংশ আগে প্রকাশিত হয়েছিল diligent পোর্টালে।

0 Comments

Post Comment