পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

অর্থমন্ত্রীর ঢপের আর্থিক প্যাকেজ

  • 31 March, 2020
  • 0 Comment(s)
  • 274 view(s)
  • লিখেছেন : অমিত দাশগুপ্ত
অসংগঠিত ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের জন্যও কোন প্রকল্পও অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন নি। যদিও সেই সংগঠনগুলি এই লকডাউনের ফলে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। নোট বাতিলের ধাক্কা তারা সামলাতে পারেনি এখোনো। এর মধ্যেই এসেছে জিএসটির আঘাত, আর এখন কোভিড-১৯ মরার উপরে খাড়ার ঘা দিল। কিন্তু সরকার তাদের পাশে নেই।

 

গত ২৪ তারিখ মাঝ রাত থেকে আমাদের বিচক্ষণ প্রধানমন্ত্রী নাটকীয় ঢং-এ ৪ ঘন্টার নোটিশে সারা দেশকে দেশের স্বার্থে ২১ দিনের জন্য ঘরবন্দী থাকতে বলেছে। কেবল এদেশ নয়, কোরোনা বা কোভিড-১৯ সারা পৃথিবীকেই গৃহবন্দী করে দিয়েছে। থুড়ি, ভুল বললাম, এদেশের নিজের গ্রাম, রাজ্য থেকে অন্য শহরে রাজ্যে কাজ করতে যাওয়া, পরিযায়ী শ্রমিক বলে গেরামভারি নামে ডাকা, লাখো লাখো মানুষ রাস্তায় রয়েছেন, ঘরবন্দী থাকতে বলার ৫ দিন পরেও। এই হুকুম না মানার শাস্তি হিশেবে পুলিশ রাস্তায় লাঠি পেটা করছে, কান ধরে ওঠবোস করাচ্ছে; আমাদের মত সুখী শহুরে মধ্যবিত্ত টিভির পর্দায়  যা দেখে বেশ হয়েছে, মেরে ফেলে দেওয়া উচিৎ, এরাই কোরোনা ছড়াচ্ছে বলে চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছে। যদিও গল্পটা উল্টো। অন্য সমস্ত সমস্যার মতই কোভিড-১৯ ও সমাজের উচ্চতর শ্রেণিই এক দেশ থেকে অন্য দেশে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে, প্রাথমিক পর্যায়ে আক্রান্তও হচ্ছে তারাই বেশি। আরো গভীরে ঢুকলে দেখা যাচ্ছে, ওই ভিন রাজ্য বা গ্রামের মানুষজনই গতদিন পর্যন্ত আমাদের জন্য সস্তা শ্রমের যোগান দিয়েছে, যার উপরে ভিত্তি করে অর্থনীতি কম উৎপাদন ব্যয় সম্পন্ন প্রতিযোগিতামীলক হয়ে উঠেছে ; আমরা তুলনামূলকভাবে সস্তায় নুন থেকে অলঙ্কার অবধি সব পেয়েছি। আজ যখন কোরোনার ভয়াল ছায়া পড়েছে ওমনি তাদের শহরের বাইরে ঠেলে ফেলে দিয়ে নিজেরা ঘরের সুখী আস্তাবলে আশ্রয় নিয়েছি। তথাপি তাঁরা যখন তাদের রুজি খুইয়ে শহুরে আস্তানা হারিয়ে নিজেদের ছেড়ে আসা গ্রামে ফিরতে চাইছে সুখ হারিয়ে স্বস্তির জন্য তখনো তাদের উপর অত্যাচার নামছে, রাজ্যের সীমানা বন্ধ করে তাদের যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তাঁরা থাকতেও পারছে না তাঁরা যেতেও পারছে না।

সারা দেশে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করে ৯০% শ্রমিক, যাদের মধ্যে পরিযায়ী শ্রমিকরাও রয়েছে। নির্মাণ শ্রমিকদের বিপুল অংশই পরিযায়ী। দেশ জোড়া লকডাউনের ধাক্কায় আর্থিকভাবে যদি কোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তার সামনের সারিতে রয়েছে এই পরিযায়ী শ্রমিকেরা। তাই এদের জন্য সরকারের তরফ থেকে যথাযথ আর্থিক সাহায্য অবশ্য প্রয়োজনীয়। এই শ্রেণিটি কেবল এই লকডাউনের সময়েই কাজ হারাবে তাই নয়, লকডাউন কেটে যাওযার পরেও অসংগঠিত এই শ্রমিকদের কাজ ফিরে পেতে সময় লাগবে, যেমনটা নোট বাতিলের সময়ও হয়েছিল। কিন্তু কেউ তাদের কথা খেয়াল রাখে নি, ভোটের সময় তাই পুলওয়ামার দরকার পড়েছিল, মন্দির-মসজিদের প্রয়োজন হয়েছিল। 

যাই হোক,গত ২৬ মার্চ, লক ডাউন ঘোষণার ২ দিন বাদে, লক ডাউনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সমাজের পশ্চাতপদ অংশের আশু সুরাহার জন্য অর্থমন্ত্রী যখন ১৭০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক সাহায্যের কর্মসূচি ঘোষণা করলেন তখনও প্রচার চলতে শুরু করল, সরকার দরিদ্র মানুষজনের জন্য কতটা সংবেদনশীল। অর্থমন্ত্রী জানালেন, তারা দেশের কোনো মানুষই না খেয়ে থাকুক এমনটা চান না। কিন্তু সমস্ত প্রান্তিক শ্রেণির মানুষের জন্য খাওযানোর আশু বন্দোবস্ত কী হল তা খোলাখুলি জানালেন না।ঐ যে ১৭০ হাজার কোটি টাকার আপৎকালিন খয়রাতির ঘোষণা অর্থমন্ত্রী করেছেন সেটা কীরকম?

ক. স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য অতি প্রয়োজনীয় বীমা, যার জন্য আনুমানিক খরচ ৩-৪ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে বীমা কোম্পানির লাভ।

বীমার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় মাস্ক, বা অন্যান্য উপকরণের যোগান নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে তাদের বিপদে পড়ার সম্বাবনা কমে ও তাদের মনোবল বাড়ে। ঘন্টা বাজিয়ে মনোবল না বাড়িয়ে পর্যাপ্ত টেস্টের ব্যবস্থা করা ও উপকরণের বন্দোবস্ততেই স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি পায়।

খ. পরিবার পিছু মাসে ১ কিলোগ্রাম ডাল ও জন পিছু অতিরিক্ত ৫ কিগ্রা চাল/গম বিনামূল্যে দেওয়া হবে। আনুমানিক খরচ ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

পরিবার পিছু মাসে ১ কিগ্রা ডালের অর্থ হল ৫ জনের পরিবারে মাসে মাথাপিছু ২০০ গ্রাম বা দৈনিক  ৬.৩ গ্রাম ডাল। ৫ জনের পরিবারকে মাসে ৫০ কিগ্রা দানা শষ্য দেওয়া হবে, কিন্তু তা খাওযার জন্য ১ কিগ্রা ডাল! এই সময়ে বহু পরিবারের কাজ থাকবে না, ফলে কিছু কেনার ক্ষমতাই থাকবে না।

গ. ৮.৭ কোটি কৃষককে প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান যোজনায় প্রথম কিস্তির দেয় ২০২০-২১ বাজেটের ২০০০ টাকা ২০২০র এপ্রিলে অগ্রিমদিয়ে দেওয়া হবে। বাজেটেই এটি ধরা ছিল বলেসরকারের কোন অতিরিক্ত খরচ হবে না।

বাজেটে ১২.৫ কোটি কৃষককে বছরে ৭৫ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।তা কমে কেন ৮.৭ কোটি কৃষক হল? বাজেট অনুযায়ী প্রথম কিস্তি ২০০০ টাকা করে হত ২৫ হাজার কোটি টাকা; সেটা কমে হল ৮.৭ কোটির জন্য ১৭,৪০০ কোটি টাকা। ফলে খরচা কমল ৭,৬০০ কোটি টাকা।

ঘ. ২০.৪ কোটি প্রধানমন্ত্রী জনধন ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্ট থাকা মহিলাদের খাতায় ৩ মাস মাসিক ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। খরচা হবে ৩০, ৬০০  কোটি টাকা।

ঙ. ৮ কোটি গরিব পরিবারকে আগামী ৩ মাস বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হবে। যদি ৩ মাসে ১ টা সিলিন্ডার দেওয়া হয়, তাহলে তার জন্য ৪, ৫০০ কোটি টাকার মত লাগবে।

চ.  ১০০ দিনের কাজে দৈনিক মজুরি ১৮২ টাকা প্রায় ১১% থেকে বাড়িয়ে ২০২ টাকা করার কথা বলা হয়েছে হয়েছে। যদি ২০২০-২১ এর বাজেট বরাদ্দ ৬০ হাজার কোটি টাকা ধরে হিসেব করা হয়। তাহলে পরিমাণ দাঁড়াবে ৬,৬০০ কোটি টাকা।

যেহেতু তাই যদি একজন ১০০ দিন কাজ পায় তাহলে তার বার্ষিক আয় বাড়বে ২,০০০ টাকা। তেমনটাই অর্থমন্ত্রী বললেন, দৈনিক মজুরি ২০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে  ফলে ১ জন মজুরে ১০০ দিনে ২০০০ টাকা বাড়তি পাওনা হবে। যদিও গত ২০১৬ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত গড় কাজের দিন ৪৭। তবে অর্থমন্ত্রী যে হয় কিছুই খবর রাখেন না বা কৃষিমজুরদের সম্পর্কে একটুও ভাবিত নন তা ওই ২০ টাকা দৈনিক মজুরির হার বেড়ে ১৮২ থেকে ২০২ টাকা করার মধ্যেই প্রকট। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক ২৩ মার্চ, ২০২০তেই ১০০ দিনের কাজে দৈনিক মজুরি ১ এপ্রিল, ২০২০ থেকে বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে। ওই বৃদ্ধি একটি প্রথামাফিক কাজ, সব রাজ্যেই ভোগ্যপণ্য সূচক অনুযায়ী ঘোষণা করা হয়। এবং ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী  অধিকাংশ রাজ্যেই দৈনিক মজুরির হার ২০২ টাকার থেকে বেশি। বৃহৎ রাজ্যগুলির সাধারণ গড় মজুরি হচ্ছে ২২৬ টাকা প্রতি দিন। অর্থমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত দৈনিক মজুরি তার থেকে অনেকটাই কম।  সে অর্থে দৈনিক ১৮২ টাকা থেকে দৈনিক ২০ টাকা বাড়িয়ে দৈনিক মজুরি ২০২ টাকা করা কথাটার কোনো মানে নেই। কারণ, ১০০ দিনের কাজের দৈনিক মজুরি বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন।

সামগ্রিকে ১০০ দিনের কাজের মজুরি বৃদ্ধির ঘোষণা ও তাকে এই প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত করাটাই এক নির্মম রসিকতা। ফলে যে ৬,৬০০ কোটি টাকা অনুমান করা হয়েছে তাকেও বাদ দিতে হবে।

ছ. ৩ কোটি বয়স্ক বিধবা ও দিব্যাঙ্গদের তিন মাসে ১০০০ টাকার অতিরিক্ত বার্ধক্য ভাতা। যার জন্য মোট খরচ ৩,০০০ কোটি টাকা

জ. মহিলাদে স্বনির্ভর গোষ্ঠির র জন্য বন্ধকহীন ঋণের সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা করা হয়েছে।: এর জন্য কোন খরচ লাগবে না। এরকম ঋণদানের সীমা বাড়ানো যেতেই পারে, কিন্তু ব্যাঙ্কগুলি সেই প্রকল্পকে লাভজনক না মনে করলে টাকাই দেবে না।

ঝ.৪ কোটি কর্মচারি সদস্যকে ভবিষ্যনিধি তহবিল থেকে তাদের গচ্ছিত অর্থের ৭৫% বা তিন মাসের বেতনের মধ্যে যেটি কম সেই পরিমাণ অর্থ অপরিশোধনীয় ঋন হিশেবে তুলতে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কর্মচারিদের টাকা কর্মচারিরাই তুলবে ফলে সরকারের কোন টাকা লাগবে না।

ঞ. ১০০ জন কর্মচারির কম নিয়োজিত আছে এরকম সংস্থায় ১৫,০০০ টাকার কম বেতনের কর্মচারিদের ভবিষ্যনিধি তহবিলের কর্মচারি ও নিয়োগকর্তার  দেয় তিনমাসের অর্থ কেন্দ্রিয় সরকার দেবে। আনুমানিক ৫ হাজার কোটি টাকা লাগবে।

কর্মচারি ভবিষ্যনিধি তহবিলের তিনমাসের দায় নেওযার মধ্য দিয়ে ব্যবসায়ে যে প্রতিবন্ধকতা কোরোনা ভাইরাস ও লকডাউনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে তাকে প্রতিহত করার কথা বলা হয়েছে। যাতে ওই সংস্থাগুলি কর্মী ছাটাই না করে। কিন্তু ভবিষ্যনিধি তহবিলে নিয়োগকর্তার দেয় অর্থ তার সামগ্রিক স্থির ব্যয়ের ২-৩% এর বেশি নয়। তাই কেবল ভবিষ্যনিধি তহবিলের টাকা সরকার দিয়ে দেবে বলে ব্যবসায়ী সংস্থা চালু রেখে সমগ্র স্থির ব্যয়ের দায় গ্রহণ করবের এমনটা ভাবার কোন যুক্তি নেই। সংস্থা যদি চালু না রাখা হয়, ও কর্মচারীদের লে অফ করা হয় তাহলে ওই সময়ে বেতনও হবে না, ভবিষ্যনিধি তহবিলের দায়ও থাকবে না।

ট. কেন্দ্রিয় সরকারের আইন মোতাবেক গৃহ ও অন্যান্য নির্মাণ কর্মীদের জন্য যে কল্যাণ তহবিল গঠিত হয়েছে, ওই তহবিলের ৩১ হাজার কোটি টাকা আপৎকালিন সাহায্য হিশেবে ৩.৫ কোটি নিবন্ধিকৃত শ্রমিককে দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে বলা হবে। এর জন্যও কোন টাকা সরকারের খরচা হবে না।

করোনা লকডাউনের ফলে নির্মাণ কর্মীরা অন্যতম সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেত্র। কিন্তু নির্মাণ কর্মীদের বিপুল অংশ নিবন্ধিকৃত নয়। কেন্দ্রিয় সরকারের নিজস্ব ইনভেস্ট ইন্ডিয়া ওয়েবসাইট অনুসারে নির্মাণ কর্মীদের সংখ্যা ৫ কোটির বেশি। শ্রমিক সংগঠনগুলির তথ্য অনুযায়ী সেই সংখ্যা ৬ কোটির বেশি। ফলে ওই তহবিল ব্যবহার করে সুবিধে দিলে কেবল নিবন্ধিকৃত শ্রমিকরাই পাবেন, বাদ পড়ে যাবে ২.৫ কোটির বেশি চরম ক্ষতিগ্রস্ত নির্মান শ্রমিকরা।

জেলা খনিজ তহবিলের ২৫ হাজার কোটি টাকা রাজ্য সরকারগুলিকে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ব্যয় করতে বলা হয়েছে। এই ক্ষেত্রেও কেন্দ্রিয় সরকারের কোন অতিরিক্ত ব্যয় নেই।

অতএব, উপরোক্ত হিসেব অনুযায়ী, ৮৪,৫০০ কোটি টাকা সরকারের অতিরিক্ত খরচ  হতে পারে। ১৭০ হাজার কোটি টাকা একটি ঢপ।

সব থেকে ফাঁকি দেওযা হয়েছে সেইসব অসংগঠিত পরিযায়ী শ্রমিক ও দিনমজুরদের যাদের কোন কাজ থাকবে না, কেবল এই লকডাউনের দিনগুলিতেই নয়, আগামী মাসগুলিতেও যতদিন না অর্থনীতি এই ধাক্কা সামলাতে পারছে, তাদের জন্য কোন আর্থিক সুবিধেই অর্থমন্ত্রীর প্যাকেজে নেই। সেই পরিযায়ী শ্রমিকরা কাজ হারিযেছেন, অস্থায়ী বাসস্থান চলে গিয়েছে, খাবার পাচ্ছেন না, নিজ বাসস্থানে ফেরার  পরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। হেঁটে ফিরতে চাইলে পুলিশ লাঠি পেটা করছে। অর্থমন্ত্রী উদাসীন।

অসংগঠিত ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের জন্যও কোন প্রকল্পও অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেন নি। যদিও সেই সংগঠনগুলি এই লকডাউনের ফলে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। নোট বাতিলের ধাক্কা তারা সামলাতে পারেনি এখোনো। এর মধ্যেই এসেছে জিএসটির আঘাত, আর এখন কোভিড-১৯ মরার উপরে খাড়ার ঘা দিল। কিন্তু সরকার তাদের পাশে নেই।

 

 

0 Comments

Post Comment