পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে যে কয়েকটি বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হতে হবে মধ্যে সবচেয়ে বড়টি হলো, দলটি বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে অপরিচিত। শারদ্বত মুখার্জী, স্বপন দাশগুপ্ত, শমিক ভট্টাচার্য কিংবা শুভেন্দু অধিকারী এই ধারণাটির বিপরীতে অন্য ধারণা প্রচার করার জন্য এবিপি আনন্দ এবং অন্যান্য গোদী মিডিয়ার সহায়তায় তাই আপ্রাণ চেষ্টা করছেন, কিন্তু তাতেও কি তাঁরা সফল হবেন? বাঙালিকে কি মাছের টোপ দিয়ে গেলা সম্ভব?

Read more


মনে পড়ে যাচ্ছে, কলকাতা ১৯৬৫-৬৬’র কথা। খাদ্যের জন্য আন্দোলন; আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের গুলি--বসিরহাট, বারাসাত, কৃষ্ণনগর। খাদ্য চাই, সেই চাওয়া আদায় করে নেবে আন্দোলনকারীরা, এমনই প্রতিজ্ঞা! ৪৫ জন শহীদ। আন্দোলনের এই প্রসার, জনতার এই রুদ্ররোষ কমিউনিস্ট ও বামপন্থী দলগুলির কল্পনার বাইরে, এবং এই আন্দোলনকে সহমর্মিতা দেখিয়েই তাদের ক্ষমতায় আসা!

Read more


একটু ইতিহাস স্মরণে রাখলে অমিত শাহ ও মোদিজি দেখতে পেতেন সুলতানি থেকে মুঘল যুগ পর্যন্ত কোন শক্তি বাংলাকে কখনো দিল্লির প্রত্যক্ষ শাসনাধীনে আনতে পারেনি। এনে থাকলেও সেটা খুবই সাময়িক। এমনকি গুপ্ত রাজারা মূলত উত্তর ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করলেও, গুপ্ত দের সামন্ত নরেন্দ্র গুপ্ত বা নরেন্দ্রাদিত্য, যিনি শশাঙ্ক নামে পরিচিত। তার হাতে স্বাধীন গৌড়ের প্রতিষ্ঠা হয়। বাংলা কনৌজের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হয়।

Read more