পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

পড়শি যদি আমায় ছুঁতো যম যাতনা সকল যেত দূরে: লালন সাঁই

hhhhhhhhhhhhhh

ইরানের চারপাশ ঘিরে থাকা মার্কিন সামরিক অবকাঠামো কেবল সংখ্যাতাত্ত্বিক কোনো বিষয় নয়, এটি ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ভাবনায় একটি অস্তিত্বগত সংকট তৈরি করে। কাতার, কুয়েত, বাহরাইন বা আমিরাতের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে যখন হাজার হাজার মার্কিন সেনা, অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং বিশাল নৌবহর অবস্থান করে, তখন ইরানের জন্য এটি একটি ‘ভার্চুয়াল অবরোধ’ হিসেবে কাজ করে।

Read more


ইন্টারনেটকে বলা হয় মেঘ। মেঘের রাজ্য। ভার্চুয়াল দুনিয়া। এই মেঘের কোনো দেশ নেই, কোনো সীমানা নেই, কোনো ধর্ম নেই, কোনো বর্ণ নেই। এই মেঘ শুধুই শুভ্র, শুধুই সুন্দর, শুধুই অনন্ত। এই মিথ আমাদের বলা হয়েছে বারবার। টেক কোম্পানিগুলো এই মিথ তৈরি করেছে। সরকার এই মিথ পুষেছে। আমরা এই মিথ কিনেছি।

Read more


গণতন্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব যদি হয় প্রতিনিধি নির্বাচন তাহলে ভোটাধিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধিকার যা কিছুটা হলেও ভারতভাগ্যবিধাতার নির্ণায়ক ভূমিকা এনে দেয়। আজ আমরা লক্ষ্য করছি এস আই আরের নাম করে এই অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে মেয়েদের থেকে।

Read more


লক্ষ লক্ষ ভোটারকে বাদ দিয়ে হওয়া এই অপরিলক্ষিত নির্বাচনের ঢক্কানিনাদের মধ্যে ভেসে আসছে “মেয়েদের উন্নয়ন”, “নিরাপত্তা”, “সম্মান”-এর মত শব্দগুলি। বিগত নির্বাচনগুলিতে সরকার নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের মেয়েরা নির্ণায়ক শক্তি হয়ে এসেছেন। কিন্তু এস আই আর-এর কোপে গত ১০ বছরের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে মহিলা ভোটারদের সংখ্যা সবচেয়ে কমে গেছে।

Read more


গ্রামের নাম শান্তিনগর। নামটা শান্তি দিয়ে শুরু হলেও, গত এক মাস ধরে সেখানে শান্তির ‘শ’ পর্যন্ত নেই। ভোটার লিস্ট সংশোধন অভিযান চলছে যে। মহল্লায় মহল্লায় শুনানি কেদ্র। কে শোনে, কার কথা? গোটা বঙ্গ জুড়েই এখন সেই বহুচর্চিত বিতর্ক –ভোট আগে না ভোটার আগে?

Read more


আজ যারা বৈধ ভোটারদের আন্দোলনে দেশদ্রোহের গন্ধ পাচ্ছেন তারা কিন্তু লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির অসঙ্গতি নিয়ে কোন প্রশ্ন তুলছেন না। তারা যদি সত্যি গণতান্ত্রিক মূলবোধে বিশ্বাসী হতেন তাহলে অবশ্যই প্রশ্নগুলো তুলতেন। প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যাবে না বরং তার সামনে ট্রাইবুনালের গাজর ঝুলিয়ে দেওয়া হবে। আজ পর্যন্ত কিভাবে ট্রাইবুনাল কাজ করবে, এত কম সময়ের মধ্যে কিভাবে শুনানী সম্ভব -- এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যায় নি।

Read more


১৯৫২র প্রথম সাধারণ নির্বাচনে জওহরলাল নেহেরু নির্বাচনে জেতার পর একটি ওজনদার বক্তব্যে তাঁর মত ব্যক্ত করেছিলেন যেখানে নির্বাচকমণ্ডলীকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়ে তাঁদের চিন্তা ও বোধকে সম্মান না জানিয়ে তিনি থাকতে পারেন নি। "তথাকথিত নিরক্ষর ভোটাররা সম্ভবত অনেক শিক্ষিতদের চেয়েও এই নির্বাচনকে বেশি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। তাঁদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা বেড়েছে এবং ভারতে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার নিয়ে আমার মনে যেটুকু সন্দেহ ছিল, তা পুরোপুরি দূর হয়ে গেছে।” সেই মানুষদের যদি ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে?

Read more


নির্বাচন কমিশনের প্রবণতা দেখে বোঝা যাচ্ছে অঘোষিত রাষ্ট্রপতি শাসন কায়েম করে তারা এরাজ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায়। মুখ্যমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি শাসনের মাধ্যমে অপসারণ করার ঝুঁকি না নিয়ে, মুখ্যমন্ত্রীর সমগ্র প্রশাসনযন্ত্র কে আপাদমস্তক ডানা ছেঁটে দিয়ে, নির্বাচন কমিশন নিজের ইচ্ছা ও পছন্দমত ভোট করতে চায়।

Read more